০৮:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
পূর্ব এশিয়ার নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে সমৃদ্ধির দুয়ার, প্রবৃদ্ধি ও প্রতিযোগিতায় নতুন সম্ভাবনা সুযোগ সন্ধানীদের জন্য নয় ফেব্রুয়ারির নির্বাচন, মুক্তির বার্তা দিলেন জামায়াত আমির সংখ্যালঘু প্রশ্নকে জাতীয় ইস্যু না করলে টিকবে না গণতন্ত্র নারী অবমাননাকর মন্তব্যে জামায়াত আমিরের প্রার্থিতা বাতিলের দাবি, নির্বাচন কমিশনে স্মারকলিপি ভারত–পাকিস্তান ম্যাচ ঘিরে সংকট, সমাধানে লাহোরে আইসিসি প্রতিনিধিদল ২৫ উড়োজাহাজ কিনছে সরকার, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বড় চুক্তি আজই স্বাক্ষর ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে পুনর্গঠনের অঙ্গীকার, সীমান্তের ক্ষত সারাতে লেবাননের প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি ট্রাম্পের বর্ণবাদী ভিডিও বিতর্কে তীব্র প্রতিক্রিয়া, ক্ষমা চাইতে অস্বীকৃতি জানুয়ারিতে মূল্যস্ফীতি বাড়ল ৮ দশমিক ৫৮ শতাংশে, চাপ বাড়াল খাদ্যদাম বিচার চাইলেই নির্বাচন বানচালের অভিযোগ, নলছিটিতে হাদির বোনের ক্ষোভ

সিলিকন ভ্যালির বদলে যাওয়া বাস্তবতা ও অ্যান্টিট্রাস্টের দুর্বলতা

সিলিকন ভ্যালির দ্রুত পরিবর্তনশীল প্রযুক্তি ও বাজার কাঠামো বড় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে অ্যান্টিট্রাস্ট বা প্রতিযোগিতা-বিরোধী প্রচেষ্টাকে দুর্বল করে দিচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল সংস্থাগুলো দীর্ঘদিন চেষ্টা করেও মেটাকে ইনস্টাগ্রাম ও হোয়াটসঅ্যাপ বিক্রি করতে বাধ্য করতে পারেনি।

প্রযুক্তি জায়ান্টদের বদলে যাওয়া রূপ

দুই দশক আগে আমাজন ছিল বই কেনার জায়গা, ফেসবুক ছিল বন্ধু খোঁজার প্ল্যাটফর্ম, আর ইউটিউব ছিল বিনোদনের মাধ্যম।

আজ তারা তিনজনই পরস্পরের সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বী—বাণিজ্য, সামাজিক যোগাযোগ, বিনোদন—সব ক্ষেত্রেই একে অপরের ফিচার কপি করছে এবং বাজার বড় করছে।

এই দ্রুত রূপান্তরের কারণে অ্যান্টিট্রাস্ট আন্দোলন দুর্বল হয়ে পড়ছে।

আদালতের রায়: মেটা আর আধিপত্যকারী নয়

যুক্তরাষ্ট্রের ডিস্ট্রিক্ট জজ জেমস ই. বোয়াজবার্গ সম্প্রতি রায় দিয়েছেন—মেটা বেআইনি একচেটিয়া বাজার গড়ে তুলেনি। যদিও ফেডারেল ট্রেড কমিশন (FTC) বহু বছর ধরে চেষ্টায় ছিল মেটাকে ইনস্টাগ্রাম ও হোয়াটসঅ্যাপ থেকে বিচ্ছিন্ন করতে।

আদালতের যুক্তি—এখন মেটা আগের মতো প্রভাবশালী নয়; বরং টিকটক এবং ইউটিউবের মতো শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী বাজারে সক্রিয়।

বিশেষজ্ঞ হার্বার্ট হোভেনক্যাম্প মনে করেন, প্রযুক্তি বাজার এত দ্রুত বদলায় যে প্রচলিত অ্যান্টিট্রাস্ট কাঠামো সেখানে কার্যকরভাবে প্রয়োগ করা কঠিন।

Big Tech might have changed forever

২০১৯ সালের জোরালো আন্দোলনের ভাঙন

২০১৯ সালে বড় প্রযুক্তি কোম্পানির বিরুদ্ধে তদন্ত শুরুর সময় রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাট উভয়ই বিগ টেক ভাঙার দাবিতে একত্র হয়েছিলেন।

তাদের অভিযোগ—বিগ টেক ব্যবহারকারীর ডেটা নিয়ে অতিরিক্ত ক্ষমতা অর্জন করেছে, ছোট ব্যবসাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে নিয়ন্ত্রণ করছে।

কিন্তু পরে সেই ঐক্য ভেঙে যায়। ২০২২ সালে সিনেটে সংশ্লিষ্ট আইন পাস না হওয়া, ট্রাম্প প্রশাসনের টেক-বান্ধব মনোভাব এবং আদালতগুলোর সতর্কতা—সব মিলিয়ে আন্দোলনের গতি কমে গেছে।

এক বিশেষজ্ঞ মন্তব্য করেন, “একচেটিয়া ব্যবসা নিয়ে আইনি লড়াই চলে কচ্ছপের গতিতে, কিন্তু প্রযুক্তির বাজার দৌড়ায় ফর্মুলা ওয়ানের গতিতে।”

মেটার বিরুদ্ধে প্রচেষ্টায় ধাক্কা

অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করেন, আদালতের এই সিদ্ধান্ত অ্যান্টিট্রাস্ট প্রচারণার জন্য বড় ধরনের ধাক্কা। তাদের মতে, আদালত বাজার বাস্তবতা ভুলভাবে বিশ্লেষণ করেছে, কারণ প্রযুক্তি কোম্পানির ক্ষমতা প্রায়ই ডেটা ও ব্যবহারকারীর আচরণের ওপর স্থায়ী প্রভাব বিস্তার করে।

সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে বড় পরিবর্তন

গত পাঁচ বছরে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে নাটকীয় পরিবর্তন এসেছে।

Roar বাংলা - গুগলের ব্যর্থ কিছু পণ্য

এআই প্রতিযোগিতা বাজারে নতুন শক্তির ভারসাম্য তৈরি করেছে। কোম্পানিগুলো প্রতিযোগিতা করছে প্রতিভা, মডেল এবং কম্পিউটিং সম্পদ নিয়ে।

ব্যবহারকারীর অভ্যাসও বদলে গেছে—বন্ধুদের পোস্টের বদলে এখন মানুষ স্ক্রল করে এআই-চালিত ছোট ভিডিও। ব্যক্তিগত যোগাযোগ চলে ডিএমে, আর ফিড নিয়ন্ত্রণ করে সেলিব্রেটরি ও ইনফ্লুয়েন্সার কনটেন্ট।

FTC দাবি করেছিল—মেটা “ব্যক্তিগত সামাজিক নেটওয়ার্কিং”-এ একচেটিয়া দখল তৈরি করেছে। কিন্তু আদালত বলেছে—এই বাজার আসলে অনেক বিস্তৃত এবং টিকটক ও ইউটিউব একই স্থানে বড় প্রতিযোগী।

চলমান উদাহরণ: টিকটক ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রে সাময়িক নিষিদ্ধ হলে ব্যবহারকারীরা দ্রুত ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে ভিড় জমায়—যা দেখায়, তারা একই বাজারে প্রতিদ্বন্দ্বী।

গুগলের বিরুদ্ধে মামলা: কখনো জয়, কখনো হার

২০২৪ সালে আদালত রায় দেয়, গুগল সার্চ বাজারে অনৈতিকভাবে আধিপত্য করেছে। সরকার চাইছিল—গুগল যেন তার ক্রোম ব্রাউজার বিক্রি করতে বাধ্য হয়।
কিন্তু এআই চ্যাটবট—বিশেষ করে ChatGPT—বাজারে নতুন প্রতিযোগিতা তৈরি করায় আদালত মনে করে—ব্রেকআপ প্রয়োজনীয় নয়; ছোট শাস্তিতে কাজ হবে।

আরেক মামলায় আদালত গুগলকে অনলাইন বিজ্ঞাপনে একচেটিয়া বলে রায় দিয়েছে। শাস্তি এখনো নির্ধারিত হয়নি।

Apple, Amazon Fall After Reporting Disappointing Results

উদ্ভাবনের গতি আদালতকে প্রভাবিত করছে

প্রযুক্তি নীতিবিদদের মতে, উদ্ভাবন সবসময় নতুন প্রতিদ্বন্দ্বিতা তৈরি করে এবং ভোক্তার পছন্দ মুহূর্তে বদলে যায়। ফলে প্রচলিত আইন বাজার বাস্তবতাকে ধরতে পারে না।

অ্যাপল ও আমাজন: সামনে আছে আরও লড়াই

বাইডেন প্রশাসন অ্যাপল এবং আমাজনের বিরুদ্ধে বড় মামলা করেছে। কিন্তু তাদের বিচারের তারিখ আরও কয়েক বছর পরে—যখন বাজার আবার বদলে যাবে।
আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রযুক্তি বাজারের অস্থিরতার কারণে একটি কোম্পানি স্থায়ীভাবে আধিপত্য করছে—এটা প্রমাণ করা খুবই কঠিন।

ভবিষ্যতের প্রশ্ন: বর্তমান আইন কতটা কার্যকর?

যদি সরকার বড় টেক কোম্পানির বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে মামলায় হেরে যায়, তাহলে প্রশ্ন উঠবে—অ্যান্টিট্রাস্ট মোকাবিলায় আদালত কি আদৌ যথার্থ জায়গা?
নাকি নতুন আইন প্রয়োজন?

এক বিশেষজ্ঞ সংক্ষেপে বলেন—“এখনই সময় ভাবার যে আমরা সঠিক কৌশল ব্যবহার করছি কি না, নাকি নতুন পথ খুঁজতে হবে।”

 

#আন্তর্জাতিক_রাজনীতি #প্রযুক্তি #মার্কিন_রাজনীতি অ্যান্টিট্রাস্ট #মেটা গুগল অ্যাপল #আমাজন #প্রযুক্তি বাজার

জনপ্রিয় সংবাদ

পূর্ব এশিয়ার নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে সমৃদ্ধির দুয়ার, প্রবৃদ্ধি ও প্রতিযোগিতায় নতুন সম্ভাবনা

সিলিকন ভ্যালির বদলে যাওয়া বাস্তবতা ও অ্যান্টিট্রাস্টের দুর্বলতা

১২:৫৯:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ নভেম্বর ২০২৫

সিলিকন ভ্যালির দ্রুত পরিবর্তনশীল প্রযুক্তি ও বাজার কাঠামো বড় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে অ্যান্টিট্রাস্ট বা প্রতিযোগিতা-বিরোধী প্রচেষ্টাকে দুর্বল করে দিচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল সংস্থাগুলো দীর্ঘদিন চেষ্টা করেও মেটাকে ইনস্টাগ্রাম ও হোয়াটসঅ্যাপ বিক্রি করতে বাধ্য করতে পারেনি।

প্রযুক্তি জায়ান্টদের বদলে যাওয়া রূপ

দুই দশক আগে আমাজন ছিল বই কেনার জায়গা, ফেসবুক ছিল বন্ধু খোঁজার প্ল্যাটফর্ম, আর ইউটিউব ছিল বিনোদনের মাধ্যম।

আজ তারা তিনজনই পরস্পরের সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বী—বাণিজ্য, সামাজিক যোগাযোগ, বিনোদন—সব ক্ষেত্রেই একে অপরের ফিচার কপি করছে এবং বাজার বড় করছে।

এই দ্রুত রূপান্তরের কারণে অ্যান্টিট্রাস্ট আন্দোলন দুর্বল হয়ে পড়ছে।

আদালতের রায়: মেটা আর আধিপত্যকারী নয়

যুক্তরাষ্ট্রের ডিস্ট্রিক্ট জজ জেমস ই. বোয়াজবার্গ সম্প্রতি রায় দিয়েছেন—মেটা বেআইনি একচেটিয়া বাজার গড়ে তুলেনি। যদিও ফেডারেল ট্রেড কমিশন (FTC) বহু বছর ধরে চেষ্টায় ছিল মেটাকে ইনস্টাগ্রাম ও হোয়াটসঅ্যাপ থেকে বিচ্ছিন্ন করতে।

আদালতের যুক্তি—এখন মেটা আগের মতো প্রভাবশালী নয়; বরং টিকটক এবং ইউটিউবের মতো শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী বাজারে সক্রিয়।

বিশেষজ্ঞ হার্বার্ট হোভেনক্যাম্প মনে করেন, প্রযুক্তি বাজার এত দ্রুত বদলায় যে প্রচলিত অ্যান্টিট্রাস্ট কাঠামো সেখানে কার্যকরভাবে প্রয়োগ করা কঠিন।

Big Tech might have changed forever

২০১৯ সালের জোরালো আন্দোলনের ভাঙন

২০১৯ সালে বড় প্রযুক্তি কোম্পানির বিরুদ্ধে তদন্ত শুরুর সময় রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাট উভয়ই বিগ টেক ভাঙার দাবিতে একত্র হয়েছিলেন।

তাদের অভিযোগ—বিগ টেক ব্যবহারকারীর ডেটা নিয়ে অতিরিক্ত ক্ষমতা অর্জন করেছে, ছোট ব্যবসাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে নিয়ন্ত্রণ করছে।

কিন্তু পরে সেই ঐক্য ভেঙে যায়। ২০২২ সালে সিনেটে সংশ্লিষ্ট আইন পাস না হওয়া, ট্রাম্প প্রশাসনের টেক-বান্ধব মনোভাব এবং আদালতগুলোর সতর্কতা—সব মিলিয়ে আন্দোলনের গতি কমে গেছে।

এক বিশেষজ্ঞ মন্তব্য করেন, “একচেটিয়া ব্যবসা নিয়ে আইনি লড়াই চলে কচ্ছপের গতিতে, কিন্তু প্রযুক্তির বাজার দৌড়ায় ফর্মুলা ওয়ানের গতিতে।”

মেটার বিরুদ্ধে প্রচেষ্টায় ধাক্কা

অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করেন, আদালতের এই সিদ্ধান্ত অ্যান্টিট্রাস্ট প্রচারণার জন্য বড় ধরনের ধাক্কা। তাদের মতে, আদালত বাজার বাস্তবতা ভুলভাবে বিশ্লেষণ করেছে, কারণ প্রযুক্তি কোম্পানির ক্ষমতা প্রায়ই ডেটা ও ব্যবহারকারীর আচরণের ওপর স্থায়ী প্রভাব বিস্তার করে।

সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে বড় পরিবর্তন

গত পাঁচ বছরে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে নাটকীয় পরিবর্তন এসেছে।

Roar বাংলা - গুগলের ব্যর্থ কিছু পণ্য

এআই প্রতিযোগিতা বাজারে নতুন শক্তির ভারসাম্য তৈরি করেছে। কোম্পানিগুলো প্রতিযোগিতা করছে প্রতিভা, মডেল এবং কম্পিউটিং সম্পদ নিয়ে।

ব্যবহারকারীর অভ্যাসও বদলে গেছে—বন্ধুদের পোস্টের বদলে এখন মানুষ স্ক্রল করে এআই-চালিত ছোট ভিডিও। ব্যক্তিগত যোগাযোগ চলে ডিএমে, আর ফিড নিয়ন্ত্রণ করে সেলিব্রেটরি ও ইনফ্লুয়েন্সার কনটেন্ট।

FTC দাবি করেছিল—মেটা “ব্যক্তিগত সামাজিক নেটওয়ার্কিং”-এ একচেটিয়া দখল তৈরি করেছে। কিন্তু আদালত বলেছে—এই বাজার আসলে অনেক বিস্তৃত এবং টিকটক ও ইউটিউব একই স্থানে বড় প্রতিযোগী।

চলমান উদাহরণ: টিকটক ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রে সাময়িক নিষিদ্ধ হলে ব্যবহারকারীরা দ্রুত ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে ভিড় জমায়—যা দেখায়, তারা একই বাজারে প্রতিদ্বন্দ্বী।

গুগলের বিরুদ্ধে মামলা: কখনো জয়, কখনো হার

২০২৪ সালে আদালত রায় দেয়, গুগল সার্চ বাজারে অনৈতিকভাবে আধিপত্য করেছে। সরকার চাইছিল—গুগল যেন তার ক্রোম ব্রাউজার বিক্রি করতে বাধ্য হয়।
কিন্তু এআই চ্যাটবট—বিশেষ করে ChatGPT—বাজারে নতুন প্রতিযোগিতা তৈরি করায় আদালত মনে করে—ব্রেকআপ প্রয়োজনীয় নয়; ছোট শাস্তিতে কাজ হবে।

আরেক মামলায় আদালত গুগলকে অনলাইন বিজ্ঞাপনে একচেটিয়া বলে রায় দিয়েছে। শাস্তি এখনো নির্ধারিত হয়নি।

Apple, Amazon Fall After Reporting Disappointing Results

উদ্ভাবনের গতি আদালতকে প্রভাবিত করছে

প্রযুক্তি নীতিবিদদের মতে, উদ্ভাবন সবসময় নতুন প্রতিদ্বন্দ্বিতা তৈরি করে এবং ভোক্তার পছন্দ মুহূর্তে বদলে যায়। ফলে প্রচলিত আইন বাজার বাস্তবতাকে ধরতে পারে না।

অ্যাপল ও আমাজন: সামনে আছে আরও লড়াই

বাইডেন প্রশাসন অ্যাপল এবং আমাজনের বিরুদ্ধে বড় মামলা করেছে। কিন্তু তাদের বিচারের তারিখ আরও কয়েক বছর পরে—যখন বাজার আবার বদলে যাবে।
আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রযুক্তি বাজারের অস্থিরতার কারণে একটি কোম্পানি স্থায়ীভাবে আধিপত্য করছে—এটা প্রমাণ করা খুবই কঠিন।

ভবিষ্যতের প্রশ্ন: বর্তমান আইন কতটা কার্যকর?

যদি সরকার বড় টেক কোম্পানির বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে মামলায় হেরে যায়, তাহলে প্রশ্ন উঠবে—অ্যান্টিট্রাস্ট মোকাবিলায় আদালত কি আদৌ যথার্থ জায়গা?
নাকি নতুন আইন প্রয়োজন?

এক বিশেষজ্ঞ সংক্ষেপে বলেন—“এখনই সময় ভাবার যে আমরা সঠিক কৌশল ব্যবহার করছি কি না, নাকি নতুন পথ খুঁজতে হবে।”

 

#আন্তর্জাতিক_রাজনীতি #প্রযুক্তি #মার্কিন_রাজনীতি অ্যান্টিট্রাস্ট #মেটা গুগল অ্যাপল #আমাজন #প্রযুক্তি বাজার