০৬:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬
ভিয়েতনামের সামনে শেষ সুযোগ, অর্থনৈতিক গতি ধরে রাখতে বড় সিদ্ধান্তের পথে কমিউনিস্ট পার্টি নতুন বছর নতুন শুরু, নতুন চিত্রনাট্যের ইঙ্গিতে মৃণাল ঠাকুর চাকরি দারিদ্র্য দূর করার সবচেয়ে নিশ্চিত পথ, সমৃদ্ধির চাবিকাঠি ভ্যালেন্তিনো গারাভানি: রাজকীয় গ্ল্যামারের শেষ সম্রাটের বিদায় আসাদের শাসনে অপরাধ আড়াল: গণকবর, নির্যাতন আর নথি জালিয়াতির ভয়ংকর নকশা আল ধাফরা বই উৎসবে বইয়ের মহাযজ্ঞ, পরিবারকেন্দ্রিক সংস্কৃতির মিলনমেলা এ আর রহমানকে ঘিরে বিতর্কে পাশে দাঁড়ালেন নাইলা আল খাজা, ‘শব্দ নয়, প্রাপ্য সম্মান দিন’ জাতিসংঘে পাকিস্তানের সতর্কবার্তা, ইন্দাস জল চুক্তি স্থগিত হলে পানি ও খাদ্য নিরাপত্তা হুমকিতে দশ বছরের জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাত–ভারত গ্যাস জোট, আড়াই থেকে তিন বিলিয়ন ডলারের এলএনজি চুক্তি আল জাজিরার প্রতিবেদন:বাংলাদেশের জামায়াতে ইসলামী কী এবার ক্ষমতায় যাবে?

চট্টগ্রাম বন্দরের ইজারা পরিকল্পনা ঘিরে অবরোধের ঘোষণা

চট্টগ্রাম বন্দরের বিভিন্ন লাভজনক টার্মিনাল বিদেশি প্রতিষ্ঠানের কাছে ইজারা দেওয়ার উদ্যোগের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নেমেছে শ্রমিক-কর্মচারী ঐক্য পরিষদ (স্কপ)। এ দাবিতে আগামী বুধবার তিনটি স্থানে তিন ঘণ্টার বন্দর অবরোধ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।


উদ্বেগের কারণ: বিদেশি ইজারায় টার্মিনাল পরিচালনা

স্কপের নেতা-কর্মীদের দাবি, নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনালসহ বন্দর এলাকার কোনো লাভজনক স্থাপনা দেশি বা বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে ইজারা দেওয়া হলে তা জাতীয় স্বার্থের পরিপন্থী হবে।
ঘোষণাপত্রে বলা হয়, এই ইজারা শ্রমিকদের জীবিকা, বন্দর-নির্ভর মানুষের নিরাপত্তা এবং রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি তৈরি করতে পারে।


বন্দর অবরোধের কর্মসূচি ঘোষণা

শনিবার দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের জুলাই বিপ্লব হলের একটি বিভাগীয় কনভেনশন থেকে স্কপ এই অবরোধ কর্মসূচি ঘোষণা করে।
সভাপতিত্ব করেন জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাধারণ সম্পাদক কাজী শেখ নুরুল্লাহ বাহার।
তিনি জানান, আগামী বুধবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত তিন স্থানে বন্দর অবরোধ পালন করা হবে—
১. আগ্রাবাদ বিদ্যুৎ ভবনের সামনে
২. মাইলের মাথা
৩. বড়পুল পোর্ট কানেক্টিং রোডের মুখে


স্কপের দাবি ও অবস্থান

কনভেনশনের ঘোষণাপত্রে বলা হয়—
– চট্টগ্রাম বন্দরসহ সব লাভজনক স্থাপনা ইজারা দেওয়ার প্রক্রিয়া অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।
– লালদিয়ার চর এবং পানগাঁও টার্মিনাল-সংক্রান্ত সব গোপন ও অস্পষ্ট চুক্তি বাতিল করতে হবে।


শ্রম সংস্কার কমিশনের মতামত

শ্রম বিশেষজ্ঞ ও শ্রম সংস্কার কমিশনের প্রধান সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহমেদ বলেন, দেশের বন্দর, পাটকল ও সরকারি কলকারখানার ইজারা বা বন্ধ হয়ে যাওয়ার বিষয়গুলো নিয়ে একটি জাতীয় ইশতেহার প্রয়োজন।
তিনি ব্যবসায়ীদেরও বন্দর রক্ষার আন্দোলনে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।
তার মতে, শ্রমিকদের মতো ব্যবসায়ীরাও জাতীয় সম্পদ রক্ষার দায়িত্ব বহন করে।
এ ছাড়া তিনি ২৬ নভেম্বরের কর্মসূচির পর ঢাকায় শ্রমিক ও ব্যবসায়ীদের যৌথ আলোচনার মাধ্যমে ঐক্য জোরদারের প্রস্তাব দেন।


সভায় উপস্থিত অন্যান্য বক্তা

অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন স্কপের যুগ্ম সমন্বয়ক রিজওয়ানুর রহমান খান।
এ ছাড়া বক্তব্য দেন—
– শ্রম সংস্কার কমিশনের সদস্য তপন দত্ত
– বাংলাদেশ জাতীয় শ্রমিক জোটের সভাপতি আব্দুল কাদের হাওলাদার
– স্কপের কেন্দ্রীয় নেতা মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ
– জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন
– সাইফুজ্জামান বাদশা
– সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবিব বুলবুল
– এ এ এম ফয়েজ হোসেন

জনপ্রিয় সংবাদ

ভিয়েতনামের সামনে শেষ সুযোগ, অর্থনৈতিক গতি ধরে রাখতে বড় সিদ্ধান্তের পথে কমিউনিস্ট পার্টি

চট্টগ্রাম বন্দরের ইজারা পরিকল্পনা ঘিরে অবরোধের ঘোষণা

০৮:৪০:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ নভেম্বর ২০২৫

চট্টগ্রাম বন্দরের বিভিন্ন লাভজনক টার্মিনাল বিদেশি প্রতিষ্ঠানের কাছে ইজারা দেওয়ার উদ্যোগের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নেমেছে শ্রমিক-কর্মচারী ঐক্য পরিষদ (স্কপ)। এ দাবিতে আগামী বুধবার তিনটি স্থানে তিন ঘণ্টার বন্দর অবরোধ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।


উদ্বেগের কারণ: বিদেশি ইজারায় টার্মিনাল পরিচালনা

স্কপের নেতা-কর্মীদের দাবি, নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনালসহ বন্দর এলাকার কোনো লাভজনক স্থাপনা দেশি বা বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে ইজারা দেওয়া হলে তা জাতীয় স্বার্থের পরিপন্থী হবে।
ঘোষণাপত্রে বলা হয়, এই ইজারা শ্রমিকদের জীবিকা, বন্দর-নির্ভর মানুষের নিরাপত্তা এবং রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি তৈরি করতে পারে।


বন্দর অবরোধের কর্মসূচি ঘোষণা

শনিবার দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের জুলাই বিপ্লব হলের একটি বিভাগীয় কনভেনশন থেকে স্কপ এই অবরোধ কর্মসূচি ঘোষণা করে।
সভাপতিত্ব করেন জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাধারণ সম্পাদক কাজী শেখ নুরুল্লাহ বাহার।
তিনি জানান, আগামী বুধবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত তিন স্থানে বন্দর অবরোধ পালন করা হবে—
১. আগ্রাবাদ বিদ্যুৎ ভবনের সামনে
২. মাইলের মাথা
৩. বড়পুল পোর্ট কানেক্টিং রোডের মুখে


স্কপের দাবি ও অবস্থান

কনভেনশনের ঘোষণাপত্রে বলা হয়—
– চট্টগ্রাম বন্দরসহ সব লাভজনক স্থাপনা ইজারা দেওয়ার প্রক্রিয়া অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।
– লালদিয়ার চর এবং পানগাঁও টার্মিনাল-সংক্রান্ত সব গোপন ও অস্পষ্ট চুক্তি বাতিল করতে হবে।


শ্রম সংস্কার কমিশনের মতামত

শ্রম বিশেষজ্ঞ ও শ্রম সংস্কার কমিশনের প্রধান সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহমেদ বলেন, দেশের বন্দর, পাটকল ও সরকারি কলকারখানার ইজারা বা বন্ধ হয়ে যাওয়ার বিষয়গুলো নিয়ে একটি জাতীয় ইশতেহার প্রয়োজন।
তিনি ব্যবসায়ীদেরও বন্দর রক্ষার আন্দোলনে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।
তার মতে, শ্রমিকদের মতো ব্যবসায়ীরাও জাতীয় সম্পদ রক্ষার দায়িত্ব বহন করে।
এ ছাড়া তিনি ২৬ নভেম্বরের কর্মসূচির পর ঢাকায় শ্রমিক ও ব্যবসায়ীদের যৌথ আলোচনার মাধ্যমে ঐক্য জোরদারের প্রস্তাব দেন।


সভায় উপস্থিত অন্যান্য বক্তা

অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন স্কপের যুগ্ম সমন্বয়ক রিজওয়ানুর রহমান খান।
এ ছাড়া বক্তব্য দেন—
– শ্রম সংস্কার কমিশনের সদস্য তপন দত্ত
– বাংলাদেশ জাতীয় শ্রমিক জোটের সভাপতি আব্দুল কাদের হাওলাদার
– স্কপের কেন্দ্রীয় নেতা মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ
– জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন
– সাইফুজ্জামান বাদশা
– সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবিব বুলবুল
– এ এ এম ফয়েজ হোসেন