০২:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬
ওডিশায় যাজকের ওপর হামলা ঘিরে উত্তাল রাজনীতি, ধারাবাহিক সাম্প্রদায়িক সহিংসতায় প্রশ্নের মুখে রাজ্য প্রশাসন ট্রাম্পের ‘শান্তি বোর্ড’ ঘিরে দোটানায় দিল্লি, অপেক্ষা ও পর্যবেক্ষণের কূটনীতি ভারতের রব রেইনার: শোবিজে মানবিকতার এক উজ্জ্বল উত্তরাধিকার ডোনাল্ড ট্রাম্প যা চান, বিশ্বকূটনীতির রাশ তাঁর হাতেই আমেরিকার ২৫০ বছরের ব্যবসায়িক শক্তি যেভাবে বিশ্ব সংস্কৃতি গড়েছে মিত্রতা থেকে মুখ ফেরাল ওয়াশিংটন, কুর্দিদের ছেড়ে নতুন সিরিয়ার পাশে যুক্তরাষ্ট্র সরকারপ্রধান ও প্রেস সচিবের বক্তব্যে সন্দেহ অনিবার্য: গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট বাগেরহাটে কারাবন্দি ছাত্রলীগ নেতার স্ত্রী ও শিশুপুত্রের মরদেহ উদ্ধার সেগার রূপকার ডেভিড রোজেন ভিডিও গেম শিল্পের নীরব স্থপতির বিদায় দ্য প্রিন্টকে দেয়া সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা : নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করা স্বৈরতন্ত্র, গণতন্ত্র নয়

সিলেটে শাহজালালের মাজারে খেজুরগাছ কাটায় তীব্র ক্ষোভ

সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.)–এর মাজার প্রাঙ্গণে কয়েকটি পুরোনো খেজুরগাছ কেটে ফেলার পর ভক্তদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। প্রায় ৫০ বছর ধরে থাকা এসব গাছ মাজারের ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল।

গাছ কাটার ঘটনা ও কারণ
মাজার কর্তৃপক্ষ জানায়, সোমবার থেকে বুধবারের মধ্যেই গাছগুলো কেটে ফেলা হয়েছে। তাদের দাবি, মসজিদ সম্প্রসারণের কাজের জন্য গাছগুলো অপসারণ করা জরুরি ছিল।

পুরোনো স্মৃতি ও ভক্তদের প্রতিক্রিয়া
স্থানীয়রা জানান, প্রায় ১৯৮০ সালের দিকে মসজিদের সামনে এসব গাছ রোপণ করা হয়। রাতে দর্শনার্থীরা এখানে বিশ্রাম নিত। নামাজের সময় গাছের নিচে অস্থায়ী ছাউনি ও ত্রিপল টানানো হতো, যা ভক্তদের কাছে এক পরিচিত ও অনন্য পরিবেশ সৃষ্টি করত।
বৃহস্পতিবারের মধ্যেই গাছের গুঁড়িগুলো সমান করে ফেলা হয়। এতে ভক্তদের আশঙ্কা—আরও গাছ কেটে ফেলা হতে পারে।

সংগঠন ও কমিটির বক্তব্য
৩৬০ আউলিয়া ভক্ত সমিতির সভাপতি আবুল হোসেন বলেন, খেজুরগাছগুলো মাজারের পরিচিতির অংশ এবং সিলেটের ইতিহাস-সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক। তিনি অভিযোগ করেন, মসজিদ কমিটির কিছু সদস্য অতিরিক্ত উৎসাহ দেখিয়েছেন। তার মতে, মসজিদ সম্প্রসারণের পাশাপাশি অস্থায়ী নামাজের স্থান তৈরি করে গাছগুলো সংরক্ষণ করা যেত।

মসজিদ কমিটির যুগ্ম সম্পাদক এম এম সোহেল উদ্দিন আহমেদ জানান, বিষয়টি নিয়ে একাধিক বৈঠক হয়েছে, এবং সেখানে গাছ কাটার পক্ষে ও বিপক্ষে উভয় মতামত ছিল। তবে তিনি বলেন, সম্প্রসারণকাজ এগোতে হলে গাছগুলো রাখা সম্ভব ছিল না।

মাজারের তত্ত্বাবধায়ক শামুন মাহমুদ খান জানান, সামনে খোলা জায়গা রাখলে ভক্তদের হাঁটা ও নামাজের সুবিধা বাড়বে।


#tags #সিলেট #শাহজালালমাজার #খেজুরগাছ #বাংলাদেশ #সংস্কৃতি #ধর্মীয়ঐতিহ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ওডিশায় যাজকের ওপর হামলা ঘিরে উত্তাল রাজনীতি, ধারাবাহিক সাম্প্রদায়িক সহিংসতায় প্রশ্নের মুখে রাজ্য প্রশাসন

সিলেটে শাহজালালের মাজারে খেজুরগাছ কাটায় তীব্র ক্ষোভ

০৭:৫১:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৫

সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.)–এর মাজার প্রাঙ্গণে কয়েকটি পুরোনো খেজুরগাছ কেটে ফেলার পর ভক্তদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। প্রায় ৫০ বছর ধরে থাকা এসব গাছ মাজারের ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল।

গাছ কাটার ঘটনা ও কারণ
মাজার কর্তৃপক্ষ জানায়, সোমবার থেকে বুধবারের মধ্যেই গাছগুলো কেটে ফেলা হয়েছে। তাদের দাবি, মসজিদ সম্প্রসারণের কাজের জন্য গাছগুলো অপসারণ করা জরুরি ছিল।

পুরোনো স্মৃতি ও ভক্তদের প্রতিক্রিয়া
স্থানীয়রা জানান, প্রায় ১৯৮০ সালের দিকে মসজিদের সামনে এসব গাছ রোপণ করা হয়। রাতে দর্শনার্থীরা এখানে বিশ্রাম নিত। নামাজের সময় গাছের নিচে অস্থায়ী ছাউনি ও ত্রিপল টানানো হতো, যা ভক্তদের কাছে এক পরিচিত ও অনন্য পরিবেশ সৃষ্টি করত।
বৃহস্পতিবারের মধ্যেই গাছের গুঁড়িগুলো সমান করে ফেলা হয়। এতে ভক্তদের আশঙ্কা—আরও গাছ কেটে ফেলা হতে পারে।

সংগঠন ও কমিটির বক্তব্য
৩৬০ আউলিয়া ভক্ত সমিতির সভাপতি আবুল হোসেন বলেন, খেজুরগাছগুলো মাজারের পরিচিতির অংশ এবং সিলেটের ইতিহাস-সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক। তিনি অভিযোগ করেন, মসজিদ কমিটির কিছু সদস্য অতিরিক্ত উৎসাহ দেখিয়েছেন। তার মতে, মসজিদ সম্প্রসারণের পাশাপাশি অস্থায়ী নামাজের স্থান তৈরি করে গাছগুলো সংরক্ষণ করা যেত।

মসজিদ কমিটির যুগ্ম সম্পাদক এম এম সোহেল উদ্দিন আহমেদ জানান, বিষয়টি নিয়ে একাধিক বৈঠক হয়েছে, এবং সেখানে গাছ কাটার পক্ষে ও বিপক্ষে উভয় মতামত ছিল। তবে তিনি বলেন, সম্প্রসারণকাজ এগোতে হলে গাছগুলো রাখা সম্ভব ছিল না।

মাজারের তত্ত্বাবধায়ক শামুন মাহমুদ খান জানান, সামনে খোলা জায়গা রাখলে ভক্তদের হাঁটা ও নামাজের সুবিধা বাড়বে।


#tags #সিলেট #শাহজালালমাজার #খেজুরগাছ #বাংলাদেশ #সংস্কৃতি #ধর্মীয়ঐতিহ্য