০১:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬
ট্রাম্পের ‘শান্তি বোর্ড’ ঘিরে দোটানায় দিল্লি, অপেক্ষা ও পর্যবেক্ষণের কূটনীতি ভারতের রব রেইনার: শোবিজে মানবিকতার এক উজ্জ্বল উত্তরাধিকার ডোনাল্ড ট্রাম্প যা চান, বিশ্বকূটনীতির রাশ তাঁর হাতেই আমেরিকার ২৫০ বছরের ব্যবসায়িক শক্তি যেভাবে বিশ্ব সংস্কৃতি গড়েছে মিত্রতা থেকে মুখ ফেরাল ওয়াশিংটন, কুর্দিদের ছেড়ে নতুন সিরিয়ার পাশে যুক্তরাষ্ট্র সরকারপ্রধান ও প্রেস সচিবের বক্তব্যে সন্দেহ অনিবার্য: গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট বাগেরহাটে কারাবন্দি ছাত্রলীগ নেতার স্ত্রী ও শিশুপুত্রের মরদেহ উদ্ধার সেগার রূপকার ডেভিড রোজেন ভিডিও গেম শিল্পের নীরব স্থপতির বিদায় দ্য প্রিন্টকে দেয়া সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা : নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করা স্বৈরতন্ত্র, গণতন্ত্র নয় ধর্ষণের দায়ে সাজাপ্রাপ্ত ব্যর্থ আশ্রয়প্রার্থীকে ফেরত পাঠানোর পথে যুক্তরাজ্য

খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নেওয়ার প্রস্তুতি: পরিবারের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত, অপেক্ষা শুধু চিকিৎসক বোর্ডের অনুমোদনের

খালেদা জিয়ার দীর্ঘমেয়াদি শারীরিক জটিলতা এবং চিকিৎসার সীমাবদ্ধতার কারণে তাঁকে লন্ডনে উন্নত চিকিৎসার জন্য নেওয়ার প্রস্তুতি প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। তবে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের আগে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক বোর্ডের চূড়ান্ত অনুমোদন—‘গ্রিন সিগনাল’—অপেক্ষায় রয়েছে পরিবার ও দলীয় নেতারা।

খালেদা জিয়ার দীর্ঘ চিকিৎসা এবং শারীরিক জটিলতার পরিপ্রেক্ষিতে তাঁকে বিদেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে নেওয়ার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক বোর্ডের অনুমোদন বা ‘গ্রিন সিগনাল’-এর অপেক্ষা চলছে।

লন্ডনে চিকিৎসার পরিকল্পনা

পরিবার ও দলীয় সূত্র জানায়, ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে লন্ডনের যে হাসপাতালে খালেদা জিয়ার চিকিৎসা হয়েছিল, সেখানে তাঁকে ফের নেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসক এবং দলের চিকিৎসকরা ইতিমধ্যেই লন্ডনের বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। পাশাপাশি এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থাও এগিয়ে চলছে।

দীর্ঘমেয়াদি জটিলতার পটভূমি

দীর্ঘদিন ধরেই খালেদা জিয়া লিভার সিরোসিস, কিডনি ফেইলিওর, হৃদ্‌রোগ ও ফুসফুস–সংক্রান্ত জটিলতায় ভুগছেন।
২০২১ সালের শেষ দিকে লিভার সিরোসিস শনাক্ত হওয়ার পর থেকেই তাঁর বিদেশে উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তার ওপর চিকিৎসকদের জোর ছিল। ২০২৩ সালের ২৬ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রের তিনজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক লিভার সংক্রান্ত একটি বিশেষ প্রক্রিয়া (TIPS) সম্পন্ন করেন।

বিদেশ যাত্রার আগের বাধা

২০২৪ সালে লন্ডনে নেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হলেও খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার কারণে চিকিৎসক বোর্ড জানায়, সেই সময় বিদেশ যাওয়ার উপযোগী অবস্থা হয়নি। তাই যাত্রা স্থগিত রাখতে হয়।

‘গ্রিন সিগনাল’ পেলেই যাত্রা

পরিবার এবং দলের বড় নেতাদের ভাষ্য, বোর্ডের অনুমোদন পাওয়া মাত্রই এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের মাধ্যমে লন্ডনে নেওয়ার জন্য দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। এ বিষয়ে কাতার সরকারের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়েছে।

অন্যদিকে চিকিৎসক ও পরিবার চান, শীতকালীন জটিলতা এবং দেশে চিকিৎসার সীমাবদ্ধতা এড়াতে যত দ্রুত সম্ভব খালেদা জিয়াকে বিদেশে উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করা হোক।

খালেদা জিয়ার চিকিৎসার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখন বিশেষজ্ঞ বোর্ডের অনুমোদনের ওপর নির্ভর করছে। পরিবার, চিকিৎসক ও দলীয় নেতারা আশাবাদী—‘গ্রিন সিগনাল’ পেলেই দ্রুতই লন্ডনে যাওয়ার প্রস্তুতি সম্পন্ন হবে। ইতোমধ্যে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স ও অন্যান্য চিকিৎসা–সংক্রান্ত প্রস্তুতিও এগিয়ে চলছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের ‘শান্তি বোর্ড’ ঘিরে দোটানায় দিল্লি, অপেক্ষা ও পর্যবেক্ষণের কূটনীতি ভারতের

খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নেওয়ার প্রস্তুতি: পরিবারের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত, অপেক্ষা শুধু চিকিৎসক বোর্ডের অনুমোদনের

০৬:৫৭:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫

খালেদা জিয়ার দীর্ঘমেয়াদি শারীরিক জটিলতা এবং চিকিৎসার সীমাবদ্ধতার কারণে তাঁকে লন্ডনে উন্নত চিকিৎসার জন্য নেওয়ার প্রস্তুতি প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। তবে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের আগে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক বোর্ডের চূড়ান্ত অনুমোদন—‘গ্রিন সিগনাল’—অপেক্ষায় রয়েছে পরিবার ও দলীয় নেতারা।

খালেদা জিয়ার দীর্ঘ চিকিৎসা এবং শারীরিক জটিলতার পরিপ্রেক্ষিতে তাঁকে বিদেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে নেওয়ার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক বোর্ডের অনুমোদন বা ‘গ্রিন সিগনাল’-এর অপেক্ষা চলছে।

লন্ডনে চিকিৎসার পরিকল্পনা

পরিবার ও দলীয় সূত্র জানায়, ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে লন্ডনের যে হাসপাতালে খালেদা জিয়ার চিকিৎসা হয়েছিল, সেখানে তাঁকে ফের নেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসক এবং দলের চিকিৎসকরা ইতিমধ্যেই লন্ডনের বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। পাশাপাশি এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থাও এগিয়ে চলছে।

দীর্ঘমেয়াদি জটিলতার পটভূমি

দীর্ঘদিন ধরেই খালেদা জিয়া লিভার সিরোসিস, কিডনি ফেইলিওর, হৃদ্‌রোগ ও ফুসফুস–সংক্রান্ত জটিলতায় ভুগছেন।
২০২১ সালের শেষ দিকে লিভার সিরোসিস শনাক্ত হওয়ার পর থেকেই তাঁর বিদেশে উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তার ওপর চিকিৎসকদের জোর ছিল। ২০২৩ সালের ২৬ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রের তিনজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক লিভার সংক্রান্ত একটি বিশেষ প্রক্রিয়া (TIPS) সম্পন্ন করেন।

বিদেশ যাত্রার আগের বাধা

২০২৪ সালে লন্ডনে নেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হলেও খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার কারণে চিকিৎসক বোর্ড জানায়, সেই সময় বিদেশ যাওয়ার উপযোগী অবস্থা হয়নি। তাই যাত্রা স্থগিত রাখতে হয়।

‘গ্রিন সিগনাল’ পেলেই যাত্রা

পরিবার এবং দলের বড় নেতাদের ভাষ্য, বোর্ডের অনুমোদন পাওয়া মাত্রই এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের মাধ্যমে লন্ডনে নেওয়ার জন্য দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। এ বিষয়ে কাতার সরকারের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়েছে।

অন্যদিকে চিকিৎসক ও পরিবার চান, শীতকালীন জটিলতা এবং দেশে চিকিৎসার সীমাবদ্ধতা এড়াতে যত দ্রুত সম্ভব খালেদা জিয়াকে বিদেশে উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করা হোক।

খালেদা জিয়ার চিকিৎসার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখন বিশেষজ্ঞ বোর্ডের অনুমোদনের ওপর নির্ভর করছে। পরিবার, চিকিৎসক ও দলীয় নেতারা আশাবাদী—‘গ্রিন সিগনাল’ পেলেই দ্রুতই লন্ডনে যাওয়ার প্রস্তুতি সম্পন্ন হবে। ইতোমধ্যে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স ও অন্যান্য চিকিৎসা–সংক্রান্ত প্রস্তুতিও এগিয়ে চলছে।