০২:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬
পাকিস্তানে জ্বালানি মূল্য আকাশছোঁয়া, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের চাপ বাড়ল বিজেপি রাষ্ট্রপতির শাসন চাপানোর পরিকল্পনা করছে: মমতা ইরান যুদ্ধ ইরাকে: বাগদাদ সেই সংঘাতের দিকে ধীরে ধীরে ঢুকে যাচ্ছে যা দীর্ঘদিন এড়াতে চেয়েছিল পাবনায় জেডিসি নেতা গুলি ও কোপে নিহত গাইবান্ধায় ছুরি হামলায় চারজন আহত; সন্দেহভাজন আটক দেশজুড়ে হাম প্রাদুর্ভাব: টিকা সংকট, ভ্যাকসিন অভাব ও শিশুরা ঝুঁকির মধ্যে ইরানের প্রতিরক্ষা হামলার মধ্যে পড়লেও মিসাইল ও ড্রোন হামলা চালানোর ক্ষমতা রক্ষা করছে আমেরিকার  এফ-১৫ই স্ট্রাইক ঈগল ধ্বংস প্রমান করছে  ইরানের সামরিক আঘাতের সক্ষমতা এখনও অটুট ইরানের হাতে গুলিবিদ্ধ আমেরিকার  এফ-১৫ই স্ট্রাইক ঈগল  সম্পর্কে যা জানা যাচ্ছে ব্যস্ত শহর ব্যাঙ্কক: নতুন আকর্ষণ আর সংস্কৃতির মেলবন্ধন

পরিবার খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নিতে চায়

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে নেওয়ার পরিকল্পনা করছে জিয়া পরিবার। এ তথ্য জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপদেষ্টা মাহাদী আমীন।

চিকিৎসার বর্তমান পরিস্থিতি

মাহাদী আমীন জানান, খালেদা জিয়া বর্তমানে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। দেশি ও বিদেশি বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে তার চিকিৎসা চলছে। লন্ডন থেকেও তারেক রহমান ও তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান চিকিৎসকদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রেখে পরামর্শ দিচ্ছেন।

চিকিৎসা সমন্বয়ে জুবাইদা রহমানের ভূমিকা

তিনি জানান, খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডে গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ডা. জুবাইদা রহমান। মায়ের চিকিৎসায় কোনো বিলম্ব বা বাধা না থাকে, তা নিশ্চিত করতে প্রতিটি পদক্ষেপ ঘনিষ্ঠভাবে তদারকি করছেন তারেক রহমান।

হাসপাতালে ভিড় ও সতর্কতা

মাহাদী আমীন বলেন, প্রতিদিন অসংখ্য নেতাকর্মী হাসপাতালে এসে খালেদা জিয়ার খোঁজখবর নিচ্ছেন। তবে ইনফেকশনের ঝুঁকির কারণে কাউকে সিসিইউতে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। মানুষ দূর থেকেই ভালোবাসা ও উদ্বেগ জানাচ্ছেন।

লন্ডনে নেওয়ার প্রস্তুতি

তিনি জানান, শারীরিক অবস্থার সামান্য উন্নতি হলে তাকে লন্ডনে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। ইতোমধ্যে লন্ডনের সেই হাসপাতাল ও চিকিৎসকদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে, যেখানে চলতি বছরের শুরুতে চার মাস চিকিৎসা নিয়ে তিনি উন্নতি লাভ করেছিলেন। একই সঙ্গে অত্যাধুনিক প্রযুক্তিসজ্জিত একটি বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থার কাজও চলছে।

আশা ও দেশবাসীর জন্য বার্তা

মাহাদী আমীন আশা প্রকাশ করেন, দেশবাসীর দোয়া ও ভালোবাসায় বেগম খালেদা জিয়া দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন। আধুনিক চিকিৎসা শেষে তিনি আবারও দেশকে অনুপ্রাণিত করবেন, নেতৃত্ব দেবেন এবং জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করতে ভূমিকা রাখবেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

পাকিস্তানে জ্বালানি মূল্য আকাশছোঁয়া, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের চাপ বাড়ল

পরিবার খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নিতে চায়

০৭:০২:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে নেওয়ার পরিকল্পনা করছে জিয়া পরিবার। এ তথ্য জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপদেষ্টা মাহাদী আমীন।

চিকিৎসার বর্তমান পরিস্থিতি

মাহাদী আমীন জানান, খালেদা জিয়া বর্তমানে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। দেশি ও বিদেশি বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে তার চিকিৎসা চলছে। লন্ডন থেকেও তারেক রহমান ও তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান চিকিৎসকদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রেখে পরামর্শ দিচ্ছেন।

চিকিৎসা সমন্বয়ে জুবাইদা রহমানের ভূমিকা

তিনি জানান, খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডে গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ডা. জুবাইদা রহমান। মায়ের চিকিৎসায় কোনো বিলম্ব বা বাধা না থাকে, তা নিশ্চিত করতে প্রতিটি পদক্ষেপ ঘনিষ্ঠভাবে তদারকি করছেন তারেক রহমান।

হাসপাতালে ভিড় ও সতর্কতা

মাহাদী আমীন বলেন, প্রতিদিন অসংখ্য নেতাকর্মী হাসপাতালে এসে খালেদা জিয়ার খোঁজখবর নিচ্ছেন। তবে ইনফেকশনের ঝুঁকির কারণে কাউকে সিসিইউতে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। মানুষ দূর থেকেই ভালোবাসা ও উদ্বেগ জানাচ্ছেন।

লন্ডনে নেওয়ার প্রস্তুতি

তিনি জানান, শারীরিক অবস্থার সামান্য উন্নতি হলে তাকে লন্ডনে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। ইতোমধ্যে লন্ডনের সেই হাসপাতাল ও চিকিৎসকদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে, যেখানে চলতি বছরের শুরুতে চার মাস চিকিৎসা নিয়ে তিনি উন্নতি লাভ করেছিলেন। একই সঙ্গে অত্যাধুনিক প্রযুক্তিসজ্জিত একটি বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থার কাজও চলছে।

আশা ও দেশবাসীর জন্য বার্তা

মাহাদী আমীন আশা প্রকাশ করেন, দেশবাসীর দোয়া ও ভালোবাসায় বেগম খালেদা জিয়া দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন। আধুনিক চিকিৎসা শেষে তিনি আবারও দেশকে অনুপ্রাণিত করবেন, নেতৃত্ব দেবেন এবং জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করতে ভূমিকা রাখবেন।