০২:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের পর যুক্তরাজ্যও আফ্রিকার সাহায্য অর্ধেক কমাচ্ছে, ‘টিকে থাকা অসম্ভব’ বলছে সংস্থাগুলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় বিনিয়োগ বাড়াতে গিয়ে হাজারো কর্মী ছাঁটাই করল ওরাকল নোয়াখালী থেকে ঢাকাগামী লঞ্চে কলেজছাত্রী ধর্ষণ, দুইজন গ্রেপ্তার উপসাগরীয় দেশগুলো যুদ্ধে যোগ দিলে বাব-এল-মান্দেব বন্ধের হুমকি হুতিদের ইরানের ১২০টি ঐতিহাসিক স্থাপনায় হামলা: ‘আমাদের পরিচয় মুছে দেওয়ার যুদ্ধ’ মানবতাবিরোধী মামলায় জামিনের জন্য কোটি টাকা দাবি: আইসিটি প্রসিকিউটরের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু ইরান যুদ্ধের এক মাসে আরব বিশ্বের অর্থনীতিতে ১৯৪ বিলিয়ন ডলারের ক্ষতি: জাতিসংঘ কুয়েত বিমানবন্দরে ইরানি ড্রোন হামলা, জ্বালানি ট্যাংকে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড বন্দর আব্বাসে যাত্রীঘাটে বিমান হামলা, কেশম দ্বীপে বিশুদ্ধ পানির প্লান্ট ধ্বংস ইরান যুদ্ধ থামাতে চীন ও পাকিস্তানের পাঁচ দফা শান্তি প্রস্তাব: মুসলিম বিশ্বের জন্য নতুন আশা?

ভারতের অনুমতি না মেলায় বুড়িমারীতে আটকা ভুটানের ট্রানশিপমেন্ট পণ্য

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী স্থলবন্দর দিয়ে ভুটানের ট্রানজিট পণ্য ভারতে প্রবেশ করতে পারছে না। ভারতীয় কর্তৃপক্ষ সড়কপথ ব্যবহার করে ট্রানশিপমেন্ট পণ্য ভুটানে পাঠানোর অনুমোদন না দেওয়ায় পরীক্ষামূলক চালানটি বন্দরে আটকা পড়েছে।

ঘটনার পটভূমি
থাইল্যান্ডের ব্যাংককের আবিত ট্রেডিং কোম্পানি লিমিটেড গত ৮ সেপ্টেম্বর ভুটানের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান আবিত ট্রেডিংয়ের মাধ্যমে ছয় ধরনের পণ্য পাঠায়—ফল, জুস, জেলি, শুকনো ফল, লিচু-স্বাদের ক্যান্ডি ও শ্যাম্পু। ল্যাম চ্যাবাং বন্দর থেকে ছাড়ানো এসব পণ্য ২২ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছে।

বাংলাদেশ-ভুটান প্রটোকল চুক্তি
২০২৩ সালের ২২ মার্চ বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে একটি প্রটোকল চুক্তি সই হয়। এরপর গত বছরের এপ্রিলে ভুটানে দুই দেশের বাণিজ্য সচিব পর্যায়ে বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় যে বাংলাদেশের সমুদ্রবন্দর ও সড়কপথ এবং ভারতের সড়কপথ ব্যবহার করে পরীক্ষামূলকভাবে দুটি ট্রানশিপমেন্ট চালান ভুটানে পাঠানো হবে।

চালান বুড়িমারী বন্দরে পৌঁছানো
চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছানো প্রথম কনটেইনারটি সিঅ্যান্ডএফ প্রতিষ্ঠান এনএম ট্রেডিং করপোরেশন ২৮ নভেম্বর বিকেল ৪টায় বুড়িমারী স্থলবন্দরে নিয়ে আসে। ২৮ ও ২৯ নভেম্বর সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট বেনকো লিমিটেড একাধিকবার চেষ্টা করলেও ভারতের চ্যাংড়াবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে কনটেইনারটির প্রবেশাধিকার মেলেনি।

ভারতের অনুমতি না পাওয়ার কারণ
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বাংলাদেশ থেকে ভারতের সড়কপথ হয়ে ভুটানে পণ্য পৌঁছানোর জন্য যে আনুষ্ঠানিক অনুমোদন প্রয়োজন, চ্যাংড়াবান্ধা স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ তা পায়নি। ফলে কনটেইনারটি বুড়িমারী বন্দরের ইয়ার্ডে গাড়িসহ অবস্থান করছে।

সংশ্লিষ্টদের মন্তব্য
বুড়িমারী সিঅ্যান্ডএফ অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য ও বেনকো লিমিটেডের প্রোপাইটর ফারুক হোসেন বলেন, চট্টগ্রাম থেকে আনা পরীক্ষামূলক চালানটি এখনও বুড়িমারীতেই আটকা রয়েছে। ভারত অনুমোদন না দেওয়ায় পণ্য পাঠানো সম্ভব হয়নি। অনুমতি পেলে তা ভুটানে পাঠানো হবে।

বুড়িমারী বন্দর কর্তৃপক্ষের সহকারী পরিচালক (ট্রাফিক) মাহমুদুল হাসান জানান, শনিবার থেকেই ট্রানশিপমেন্ট কনটেইনারটি বন্দরের মাঠে রয়েছে।

বুড়িমারী স্থল শুল্ক স্টেশনের সহকারী কমিশনার দেলোয়ার হোসেন বলেন, ভুটানের চালানের কাস্টমস কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। ভারতীয় কাস্টমস থেকে অনুমতি পাওয়া মাত্রই পণ্য ভুটানের দিকে পাঠানো হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্রের পর যুক্তরাজ্যও আফ্রিকার সাহায্য অর্ধেক কমাচ্ছে, ‘টিকে থাকা অসম্ভব’ বলছে সংস্থাগুলো

ভারতের অনুমতি না মেলায় বুড়িমারীতে আটকা ভুটানের ট্রানশিপমেন্ট পণ্য

১২:৩৮:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী স্থলবন্দর দিয়ে ভুটানের ট্রানজিট পণ্য ভারতে প্রবেশ করতে পারছে না। ভারতীয় কর্তৃপক্ষ সড়কপথ ব্যবহার করে ট্রানশিপমেন্ট পণ্য ভুটানে পাঠানোর অনুমোদন না দেওয়ায় পরীক্ষামূলক চালানটি বন্দরে আটকা পড়েছে।

ঘটনার পটভূমি
থাইল্যান্ডের ব্যাংককের আবিত ট্রেডিং কোম্পানি লিমিটেড গত ৮ সেপ্টেম্বর ভুটানের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান আবিত ট্রেডিংয়ের মাধ্যমে ছয় ধরনের পণ্য পাঠায়—ফল, জুস, জেলি, শুকনো ফল, লিচু-স্বাদের ক্যান্ডি ও শ্যাম্পু। ল্যাম চ্যাবাং বন্দর থেকে ছাড়ানো এসব পণ্য ২২ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছে।

বাংলাদেশ-ভুটান প্রটোকল চুক্তি
২০২৩ সালের ২২ মার্চ বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে একটি প্রটোকল চুক্তি সই হয়। এরপর গত বছরের এপ্রিলে ভুটানে দুই দেশের বাণিজ্য সচিব পর্যায়ে বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় যে বাংলাদেশের সমুদ্রবন্দর ও সড়কপথ এবং ভারতের সড়কপথ ব্যবহার করে পরীক্ষামূলকভাবে দুটি ট্রানশিপমেন্ট চালান ভুটানে পাঠানো হবে।

চালান বুড়িমারী বন্দরে পৌঁছানো
চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছানো প্রথম কনটেইনারটি সিঅ্যান্ডএফ প্রতিষ্ঠান এনএম ট্রেডিং করপোরেশন ২৮ নভেম্বর বিকেল ৪টায় বুড়িমারী স্থলবন্দরে নিয়ে আসে। ২৮ ও ২৯ নভেম্বর সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট বেনকো লিমিটেড একাধিকবার চেষ্টা করলেও ভারতের চ্যাংড়াবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে কনটেইনারটির প্রবেশাধিকার মেলেনি।

ভারতের অনুমতি না পাওয়ার কারণ
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বাংলাদেশ থেকে ভারতের সড়কপথ হয়ে ভুটানে পণ্য পৌঁছানোর জন্য যে আনুষ্ঠানিক অনুমোদন প্রয়োজন, চ্যাংড়াবান্ধা স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ তা পায়নি। ফলে কনটেইনারটি বুড়িমারী বন্দরের ইয়ার্ডে গাড়িসহ অবস্থান করছে।

সংশ্লিষ্টদের মন্তব্য
বুড়িমারী সিঅ্যান্ডএফ অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য ও বেনকো লিমিটেডের প্রোপাইটর ফারুক হোসেন বলেন, চট্টগ্রাম থেকে আনা পরীক্ষামূলক চালানটি এখনও বুড়িমারীতেই আটকা রয়েছে। ভারত অনুমোদন না দেওয়ায় পণ্য পাঠানো সম্ভব হয়নি। অনুমতি পেলে তা ভুটানে পাঠানো হবে।

বুড়িমারী বন্দর কর্তৃপক্ষের সহকারী পরিচালক (ট্রাফিক) মাহমুদুল হাসান জানান, শনিবার থেকেই ট্রানশিপমেন্ট কনটেইনারটি বন্দরের মাঠে রয়েছে।

বুড়িমারী স্থল শুল্ক স্টেশনের সহকারী কমিশনার দেলোয়ার হোসেন বলেন, ভুটানের চালানের কাস্টমস কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। ভারতীয় কাস্টমস থেকে অনুমতি পাওয়া মাত্রই পণ্য ভুটানের দিকে পাঠানো হবে।