০১:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬
ট্রাম্পের ‘শান্তি বোর্ড’ ঘিরে দোটানায় দিল্লি, অপেক্ষা ও পর্যবেক্ষণের কূটনীতি ভারতের রব রেইনার: শোবিজে মানবিকতার এক উজ্জ্বল উত্তরাধিকার ডোনাল্ড ট্রাম্প যা চান, বিশ্বকূটনীতির রাশ তাঁর হাতেই আমেরিকার ২৫০ বছরের ব্যবসায়িক শক্তি যেভাবে বিশ্ব সংস্কৃতি গড়েছে মিত্রতা থেকে মুখ ফেরাল ওয়াশিংটন, কুর্দিদের ছেড়ে নতুন সিরিয়ার পাশে যুক্তরাষ্ট্র সরকারপ্রধান ও প্রেস সচিবের বক্তব্যে সন্দেহ অনিবার্য: গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট বাগেরহাটে কারাবন্দি ছাত্রলীগ নেতার স্ত্রী ও শিশুপুত্রের মরদেহ উদ্ধার সেগার রূপকার ডেভিড রোজেন ভিডিও গেম শিল্পের নীরব স্থপতির বিদায় দ্য প্রিন্টকে দেয়া সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা : নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করা স্বৈরতন্ত্র, গণতন্ত্র নয় ধর্ষণের দায়ে সাজাপ্রাপ্ত ব্যর্থ আশ্রয়প্রার্থীকে ফেরত পাঠানোর পথে যুক্তরাজ্য

ঢাকা ব্রিটিশ হাইকমিশনের সতর্কবার্তা: ভিসা জালিয়াতিতে ১০ বছরের নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকি

ঢাকায় ব্রিটিশ হাইকমিশন ভিসা জালিয়াতি নিয়ে কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি বলেছে—সরকারি তথ্য ছাড়া অন্য কারও পরামর্শ নিলে ভিসা প্রতারণার ফাঁদে পড়ার ঝুঁকি বাড়ে, আর জালিয়াতির চেষ্টা ধরা পড়লে ১০ বছরের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার মতো কঠিন শাস্তি হতে পারে।


ভিসা জালিয়াতি নিয়ে হাইকমিশনের অবস্থান

মঙ্গলবার প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ভিসা জালিয়াতির যেকোনো প্রচেষ্টা ব্রিটেনে প্রবেশের সুযোগ নষ্ট করে দেয় এবং অপরাধীদের কারণে বহু পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারা কুক বলেন, ভিসা প্রতারণা মানুষের স্বপ্ন ধ্বংস করে, পরিবারকে বিপর্যস্ত করে এবং অপরাধচক্র এই স্বপ্নটিকেই ব্যবহার করে মানুষের টাকা হাতিয়ে নেয় ও তাদের মারাত্মক ঝুঁকির মুখে ফেলে দেয়।
তিনি আরও বলেন, একমাত্র সরকারি চ্যানেল ব্যবহার করা, সব পরামর্শ যাচাই করা এবং সন্দেহজনক কিছু দেখলে তা জানানোর বিকল্প নেই।

আইনগত পরিণতি

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যুক্তরাজ্য বৈধভাবে করা আবেদনকে স্বাগত জানায়; তবে জালিয়াতির চেষ্টা হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিশেষ করে ১০ বছরের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হতে পারে।

নতুন বিশেষ অভিযান শুরু

হাইকমিশন জানায়, ভিসা জালিয়াতি ও প্রতারণামূলক ইমিগ্রেশন কার্যক্রম দমনে একটি বিশেষ অভিযান চালু করা হয়েছে। এর লক্ষ্য হলো ভুয়া দালাল ও প্রতারকদের হাত থেকে আবেদনকারীদের সুরক্ষা দেওয়া এবং শোষণ রোধ করা।

প্রতারণার ভয়াবহ প্রভাব

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, অপরাধী ও প্রতারণাকারীদের এসব অবৈধ কর্মকাণ্ডের কারণে প্রতিবছর ভুক্তভোগীরা লাখ লাখ পাউন্ড হারান। এতে মানুষ আর্থিক ক্ষতি, আইনগত জটিলতা এবং ভয়াবহ শোষণের ঝুঁকিতে পড়েন—বাংলাদেশে যেমন, ঠিক তেমনি বিশ্বজুড়ে।

বিশ্বব্যাপী উদ্বেগ

বলা হয়, ভিসা জালিয়াতি ও অবৈধ অভিবাসন-সহায়তা বিশ্বব্যাপী উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। অপরাধচক্র ক্রমেই আরও উন্নত কৌশল ব্যবহার করছে, যাতে সহজেই আবেদনকারীদের ভুল পথে পরিচালিত করা যায়।
প্রতারকেরা প্রায়ই ‘গ্যারান্টিযুক্ত ভিসা’, ‘যোগ্যতা ছাড়াই চাকরি’ বা ‘দ্রুত প্রসেসিং’–এর নামে অতিরিক্ত ফি নেয়।
বাস্তবে আবেদনকারীরা আর্থিক ক্ষতি, ভিসা বাতিল, ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা, এবং সবচেয়ে ভয়াবহ ক্ষেত্রে মানবপাচার ও শোষণের শিকার হন।

নির্ভুল তথ্য পাওয়ার উপায়

হাইকমিশন পরামর্শ দিয়েছে—সঠিক ভিসা-সংক্রান্ত তথ্যের জন্য আবেদনকারীরা শুধু সরকারি ওয়েবসাইট gov.uk ব্যবহার করবেন।


#tব্রিটিশ_হাইকমিশন ভিসা_জালিয়াতি যুক্তরাজ্য নিরাপদ_অভিবাসন বাংলাদেশ

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের ‘শান্তি বোর্ড’ ঘিরে দোটানায় দিল্লি, অপেক্ষা ও পর্যবেক্ষণের কূটনীতি ভারতের

ঢাকা ব্রিটিশ হাইকমিশনের সতর্কবার্তা: ভিসা জালিয়াতিতে ১০ বছরের নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকি

০৫:৩৭:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫

ঢাকায় ব্রিটিশ হাইকমিশন ভিসা জালিয়াতি নিয়ে কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি বলেছে—সরকারি তথ্য ছাড়া অন্য কারও পরামর্শ নিলে ভিসা প্রতারণার ফাঁদে পড়ার ঝুঁকি বাড়ে, আর জালিয়াতির চেষ্টা ধরা পড়লে ১০ বছরের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার মতো কঠিন শাস্তি হতে পারে।


ভিসা জালিয়াতি নিয়ে হাইকমিশনের অবস্থান

মঙ্গলবার প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ভিসা জালিয়াতির যেকোনো প্রচেষ্টা ব্রিটেনে প্রবেশের সুযোগ নষ্ট করে দেয় এবং অপরাধীদের কারণে বহু পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারা কুক বলেন, ভিসা প্রতারণা মানুষের স্বপ্ন ধ্বংস করে, পরিবারকে বিপর্যস্ত করে এবং অপরাধচক্র এই স্বপ্নটিকেই ব্যবহার করে মানুষের টাকা হাতিয়ে নেয় ও তাদের মারাত্মক ঝুঁকির মুখে ফেলে দেয়।
তিনি আরও বলেন, একমাত্র সরকারি চ্যানেল ব্যবহার করা, সব পরামর্শ যাচাই করা এবং সন্দেহজনক কিছু দেখলে তা জানানোর বিকল্প নেই।

আইনগত পরিণতি

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যুক্তরাজ্য বৈধভাবে করা আবেদনকে স্বাগত জানায়; তবে জালিয়াতির চেষ্টা হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিশেষ করে ১০ বছরের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হতে পারে।

নতুন বিশেষ অভিযান শুরু

হাইকমিশন জানায়, ভিসা জালিয়াতি ও প্রতারণামূলক ইমিগ্রেশন কার্যক্রম দমনে একটি বিশেষ অভিযান চালু করা হয়েছে। এর লক্ষ্য হলো ভুয়া দালাল ও প্রতারকদের হাত থেকে আবেদনকারীদের সুরক্ষা দেওয়া এবং শোষণ রোধ করা।

প্রতারণার ভয়াবহ প্রভাব

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, অপরাধী ও প্রতারণাকারীদের এসব অবৈধ কর্মকাণ্ডের কারণে প্রতিবছর ভুক্তভোগীরা লাখ লাখ পাউন্ড হারান। এতে মানুষ আর্থিক ক্ষতি, আইনগত জটিলতা এবং ভয়াবহ শোষণের ঝুঁকিতে পড়েন—বাংলাদেশে যেমন, ঠিক তেমনি বিশ্বজুড়ে।

বিশ্বব্যাপী উদ্বেগ

বলা হয়, ভিসা জালিয়াতি ও অবৈধ অভিবাসন-সহায়তা বিশ্বব্যাপী উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। অপরাধচক্র ক্রমেই আরও উন্নত কৌশল ব্যবহার করছে, যাতে সহজেই আবেদনকারীদের ভুল পথে পরিচালিত করা যায়।
প্রতারকেরা প্রায়ই ‘গ্যারান্টিযুক্ত ভিসা’, ‘যোগ্যতা ছাড়াই চাকরি’ বা ‘দ্রুত প্রসেসিং’–এর নামে অতিরিক্ত ফি নেয়।
বাস্তবে আবেদনকারীরা আর্থিক ক্ষতি, ভিসা বাতিল, ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা, এবং সবচেয়ে ভয়াবহ ক্ষেত্রে মানবপাচার ও শোষণের শিকার হন।

নির্ভুল তথ্য পাওয়ার উপায়

হাইকমিশন পরামর্শ দিয়েছে—সঠিক ভিসা-সংক্রান্ত তথ্যের জন্য আবেদনকারীরা শুধু সরকারি ওয়েবসাইট gov.uk ব্যবহার করবেন।


#tব্রিটিশ_হাইকমিশন ভিসা_জালিয়াতি যুক্তরাজ্য নিরাপদ_অভিবাসন বাংলাদেশ