০৩:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬
জাতীয় সংসদে দুই-তৃতীয়াংশ আসনে কবে কারা জয় পেয়েছিল? তারপর কী হয়েছিল? জ্বালানি রিজার্ভ ছাড়লেও অপিরিশোধিত তেলের দাম ১০০ ডলারের ওপরে গাদ্দাফি থেকে খামেনি: মিত্রদের পতনে পুতিন কখনও সরব, কখনও নিশ্চুপ ইরান যুদ্ধে জ্বালানি তেল নিয়ে হিসাব ভুল করেছিলো ট্রাম্প প্রশাসন  ইউরোপের নিরাপত্তায় নতুন পারমাণবিক কৌশল ঘোষণা ফ্রান্সের, মিত্রদের সুরক্ষায় বড় পদক্ষেপ ঐতিহাসিক তেল মজুদ নিঃসরণ কার্যত ‘ব্যান্ড-এইড’, হরমুজ প্রণালির অচলাবস্থায় বৈশ্বিক সরবরাহ সংকট গভীরতর জেপিমর্গান বেসরকারি ঋণ তহবিলের ঋণমান কমিয়েছে, এআই-আতঙ্কে সফটওয়্যার খাত রেকর্ড মজুদ নিঃসরণের পরেও তেলের দাম ৫ শতাংশ বাড়েছে, সরবরাহ সংকটের আশঙ্কা দূর হয়নি হরমুজ প্রণালিতে ইরানের মাইন স্থাপন, জলপথ পুনরায় উন্মুক্ত করা আরও জটিল হয়ে পড়ল সমুদ্র ড্রোনে তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা, মধ্যপ্রাচ্যের সংকট নতুন মাত্রায়

কেন কিছু ক্রিকেটারকে বিপিএলের নিলাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হলো

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) চূড়ান্ত নিলাম তালিকা থেকে নয়জন দেশি ক্রিকেটারকে বাদ দেওয়া হয়েছে। একাধিক তদন্তে উঠে এসেছে, গত আসরে তাঁদের বিরুদ্ধে ম্যাচ ফিক্সিং–সম্পর্কিত সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে। এই সিদ্ধান্ত এসেছে বিসিবির স্বাধীন তদন্ত কমিটির বিস্তৃত অনুসন্ধানের পর।

তদন্তের পটভূমি
বিসিবির গঠিত তিন সদস্যের স্বাধীন তদন্ত কমিটির নেতৃত্বে ছিলেন আপিল বিভাগে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মির্জা হুসেইন হায়দার।
তাঁরা গত বিপিএলের অনিয়ম, সন্দেহ ও অভিযোগসমূহ পর্যালোচনা করে মোট নয়জন বাংলাদেশি এবং একজন বিদেশি খেলোয়াড়কে সন্দেহভাজন হিসেবে চিহ্নিত করেন।
পরবর্তী ধাপে এসব নাম পাঠানো হয় বিসিবির দুর্নীতি দমন পরামর্শক ও আইসিসির সাবেক অ্যান্টি–করাপশন প্রধান অ্যালেক্স মার্শালের কাছে।

অ্যান্টি–করাপশন বিশ্লেষণ ও সিদ্ধান্ত
মার্শালের তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল চূড়ান্ত নিলাম তালিকা থেকে নয়জন দেশি খেলোয়াড়কে বাদ দেয়।
এদের বেশিরভাগই প্রাথমিক তালিকায় ছিলেন, কিন্তু নিলাম শুরুর আগের দিন প্রকাশিত চূড়ান্ত তালিকায় তাঁদের রাখা হয়নি।
সন্দেহভাজন খেলোয়াড়দের মধ্যে রয়েছে দেশের হয়ে আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলা ক্রিকেটার এবং নিয়মিত ঘরোয়া ক্রিকেটার– দু’ধরনেরই নাম।

‘রেড-ফ্ল্যাগড’ খেলোয়াড়দের ওপর কড়াকড়ি
আইসিসির অ্যান্টি–করাপশন ইউনিট যাঁদের ‘রেড-ফ্ল্যাগড’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে, তাঁদের নামও এই তালিকায় রয়েছে।
যদিও সবাইকে সরাসরি ফিক্সিংয়ের অভিযুক্ত করা হয়নি, তবে তাঁদের কিছু কর্মকাণ্ড, যোগাযোগ এবং অবস্থানগত প্রবেশাধিকার নিয়ে তদন্ত কমিটির তীব্র সংশয় রয়েছে।
গভর্নিং কাউন্সিল জানিয়েছে, কোনো দলই এই ‘রেড-ফ্ল্যাগড’ ব্যক্তিদের এবারের বিপিএলে কোনো অপারেশন কিংবা দলে সংশ্লিষ্ট কোনো কাজে রাখতে পারবে না।
তাঁদের দলীয় ড্রেসিং রুম বা কোনো নিষিদ্ধ এলাকায় প্রবেশেও বাধা থাকবে।

অন্য প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ
নিষিদ্ধ খেলোয়াড়রা বিসিবির অন্যান্য ঘরোয়া টুর্নামেন্টে খেলতে পারবেন। তবে বিপিএলের এবারের আসরে তাঁরা কেউ অংশ নিতে পারবেন না।
১২তম বিপিএলের নিলাম অনুষ্ঠিত হবে রবিবার (৩০ নভেম্বর) ঢাকার একটি হোটেলে।

#Sports | BPL | Bangladesh Cricket | Fixing Allegations

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় সংসদে দুই-তৃতীয়াংশ আসনে কবে কারা জয় পেয়েছিল? তারপর কী হয়েছিল?

কেন কিছু ক্রিকেটারকে বিপিএলের নিলাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হলো

০৫:৪৯:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) চূড়ান্ত নিলাম তালিকা থেকে নয়জন দেশি ক্রিকেটারকে বাদ দেওয়া হয়েছে। একাধিক তদন্তে উঠে এসেছে, গত আসরে তাঁদের বিরুদ্ধে ম্যাচ ফিক্সিং–সম্পর্কিত সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে। এই সিদ্ধান্ত এসেছে বিসিবির স্বাধীন তদন্ত কমিটির বিস্তৃত অনুসন্ধানের পর।

তদন্তের পটভূমি
বিসিবির গঠিত তিন সদস্যের স্বাধীন তদন্ত কমিটির নেতৃত্বে ছিলেন আপিল বিভাগে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মির্জা হুসেইন হায়দার।
তাঁরা গত বিপিএলের অনিয়ম, সন্দেহ ও অভিযোগসমূহ পর্যালোচনা করে মোট নয়জন বাংলাদেশি এবং একজন বিদেশি খেলোয়াড়কে সন্দেহভাজন হিসেবে চিহ্নিত করেন।
পরবর্তী ধাপে এসব নাম পাঠানো হয় বিসিবির দুর্নীতি দমন পরামর্শক ও আইসিসির সাবেক অ্যান্টি–করাপশন প্রধান অ্যালেক্স মার্শালের কাছে।

অ্যান্টি–করাপশন বিশ্লেষণ ও সিদ্ধান্ত
মার্শালের তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল চূড়ান্ত নিলাম তালিকা থেকে নয়জন দেশি খেলোয়াড়কে বাদ দেয়।
এদের বেশিরভাগই প্রাথমিক তালিকায় ছিলেন, কিন্তু নিলাম শুরুর আগের দিন প্রকাশিত চূড়ান্ত তালিকায় তাঁদের রাখা হয়নি।
সন্দেহভাজন খেলোয়াড়দের মধ্যে রয়েছে দেশের হয়ে আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলা ক্রিকেটার এবং নিয়মিত ঘরোয়া ক্রিকেটার– দু’ধরনেরই নাম।

‘রেড-ফ্ল্যাগড’ খেলোয়াড়দের ওপর কড়াকড়ি
আইসিসির অ্যান্টি–করাপশন ইউনিট যাঁদের ‘রেড-ফ্ল্যাগড’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে, তাঁদের নামও এই তালিকায় রয়েছে।
যদিও সবাইকে সরাসরি ফিক্সিংয়ের অভিযুক্ত করা হয়নি, তবে তাঁদের কিছু কর্মকাণ্ড, যোগাযোগ এবং অবস্থানগত প্রবেশাধিকার নিয়ে তদন্ত কমিটির তীব্র সংশয় রয়েছে।
গভর্নিং কাউন্সিল জানিয়েছে, কোনো দলই এই ‘রেড-ফ্ল্যাগড’ ব্যক্তিদের এবারের বিপিএলে কোনো অপারেশন কিংবা দলে সংশ্লিষ্ট কোনো কাজে রাখতে পারবে না।
তাঁদের দলীয় ড্রেসিং রুম বা কোনো নিষিদ্ধ এলাকায় প্রবেশেও বাধা থাকবে।

অন্য প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ
নিষিদ্ধ খেলোয়াড়রা বিসিবির অন্যান্য ঘরোয়া টুর্নামেন্টে খেলতে পারবেন। তবে বিপিএলের এবারের আসরে তাঁরা কেউ অংশ নিতে পারবেন না।
১২তম বিপিএলের নিলাম অনুষ্ঠিত হবে রবিবার (৩০ নভেম্বর) ঢাকার একটি হোটেলে।

#Sports | BPL | Bangladesh Cricket | Fixing Allegations