০৭:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫
খালেদা জিয়া হাসপাতালে থাকায় বিএনপির ‘বিজয় মশাল রোডশো’ স্থগিত সচিবালয়ের ৯ তলায় আগুন, দ্রুত নিভানো হয়েছে রয়টার্সের প্রতিবেদন: বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেত্রী খালেদা জিয়া সংকটাপন্ন অবস্থায়, নির্বাসিত ছেলে বললেন—দেশে ফেরা তার নিয়ন্ত্রণে নয় খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা অপরিবর্তিত রয়েছে: রিজভী ডিসেম্বর ২০২৫-এর জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাতে পেট্রোল ও ডিজেলের নতুন দাম ঘোষণা, দাম বেড়েছে সব ধরনের প্রতিটির রংপুর-নীলফামারী রুটে অনির্দিষ্টকালের জন্য বাস চলাচল বন্ধ খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা কামনায় ঢাকেশ্বরী মন্দিরে বিশেষ প্রার্থনা জামায়াতের নায়েবে আমির হলেন এটিএম আজহার লাইনচ্যুতির চার ঘণ্টা পর সিলেটের রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক কেন কিছু ক্রিকেটারকে বিপিএলের নিলাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হলো

রংপুর-নীলফামারী রুটে অনির্দিষ্টকালের জন্য বাস চলাচল বন্ধ

রংপুর-নীলফামারী রুটসহ নীলফামারীর বিভিন্ন আন্তঃজেলায় বাস চলাচল অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। নীলফামারীর একজন শ্রমিক নেতাকে মারধরের ঘটনায় পরিবহন শ্রমিকরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এতে হঠাৎ করে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা।


পরিবহন বন্ধের কারণ
নীলফামারী জেলা বাস মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম জানান, শনিবার (২৯ নভেম্বর) সন্ধ্যায় এক শ্রমিক নেতাকে মারধরের প্রতিবাদে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শ্রমিক ইউনিয়নের তথ্য অনুযায়ী, কিশোরগঞ্জ উপজেলার মাগুরা বাস শ্রমিক ইউনিয়নের দপ্তর সম্পাদক সফিকুল ইসলামের সঙ্গে শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধ নিয়ে বিরোধ বাধে। পরে রংপুর বাস মালিক সমিতির কয়েকজন নেতা-কর্মী তাঁকে মারধর করেন। স্থানীয়রা সফিকুলকে উদ্ধার করে শ্রমিক ইউনিয়নের কাছে বিষয়টি তুলে ধরেন।

ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিচার না হওয়া পর্যন্ত রংপুর মালিক সমিতির সব রুটে বাস চলাচল বন্ধ রাখার ঘোষণা দেয় নীলফামারী শ্রমিক ইউনিয়ন।


যেসব রুটে বাস বন্ধ
রবিবার সকাল থেকে নিম্নলিখিত রুটে কোনো বাস চলাচল করছে না:
রংপুর-নীলফামারী
নীলফামারী-সৈয়দপুর
নীলফামারী-জলঢাকা
নীলফামারী-কিশোরগঞ্জ
নীলফামারী-ডিমলা
নীলফামারী-ডোমার

তবে ঢাকামুখী ও উত্তরাঞ্চলের দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড় রুটের বাস চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।


যাত্রীদের দুর্ভোগ
হঠাৎ পরিবহন বন্ধ হওয়ায় যাত্রীরা মারাত্মক ভোগান্তিতে পড়েছেন। অনেকেই জরুরি প্রয়োজনে বিকল্প যানবাহন খুঁজছেন।

সৈয়দপুরের যাত্রী আজগর আলী বলেন, ডাক্তারের কাছে যেতে রংপুর যাওয়ার প্রয়োজন ছিল। রুটে বাস বন্ধ থাকায় তিনি এখন দিনাজপুর রুটের বাস ধরার অপেক্ষায় আছেন। অন্য যাত্রীরাও এমনই সমস্যার কথা জানান।


শ্রমিক ইউনিয়নের দাবি
শ্রমিক নেতারা জানিয়েছেন, শ্রমিকদের ওপর হামলার বিচার না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের আন্দোলন চলবে। শ্রমিকদের নিরাপত্তা, ন্যায্য পাওনা ও শ্রমিকদের প্রতি সম্মান নিশ্চিত করতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেন তারা।

জনপ্রিয় সংবাদ

খালেদা জিয়া হাসপাতালে থাকায় বিএনপির ‘বিজয় মশাল রোডশো’ স্থগিত

রংপুর-নীলফামারী রুটে অনির্দিষ্টকালের জন্য বাস চলাচল বন্ধ

০৬:১৯:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫

রংপুর-নীলফামারী রুটসহ নীলফামারীর বিভিন্ন আন্তঃজেলায় বাস চলাচল অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। নীলফামারীর একজন শ্রমিক নেতাকে মারধরের ঘটনায় পরিবহন শ্রমিকরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এতে হঠাৎ করে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা।


পরিবহন বন্ধের কারণ
নীলফামারী জেলা বাস মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম জানান, শনিবার (২৯ নভেম্বর) সন্ধ্যায় এক শ্রমিক নেতাকে মারধরের প্রতিবাদে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শ্রমিক ইউনিয়নের তথ্য অনুযায়ী, কিশোরগঞ্জ উপজেলার মাগুরা বাস শ্রমিক ইউনিয়নের দপ্তর সম্পাদক সফিকুল ইসলামের সঙ্গে শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধ নিয়ে বিরোধ বাধে। পরে রংপুর বাস মালিক সমিতির কয়েকজন নেতা-কর্মী তাঁকে মারধর করেন। স্থানীয়রা সফিকুলকে উদ্ধার করে শ্রমিক ইউনিয়নের কাছে বিষয়টি তুলে ধরেন।

ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিচার না হওয়া পর্যন্ত রংপুর মালিক সমিতির সব রুটে বাস চলাচল বন্ধ রাখার ঘোষণা দেয় নীলফামারী শ্রমিক ইউনিয়ন।


যেসব রুটে বাস বন্ধ
রবিবার সকাল থেকে নিম্নলিখিত রুটে কোনো বাস চলাচল করছে না:
রংপুর-নীলফামারী
নীলফামারী-সৈয়দপুর
নীলফামারী-জলঢাকা
নীলফামারী-কিশোরগঞ্জ
নীলফামারী-ডিমলা
নীলফামারী-ডোমার

তবে ঢাকামুখী ও উত্তরাঞ্চলের দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড় রুটের বাস চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।


যাত্রীদের দুর্ভোগ
হঠাৎ পরিবহন বন্ধ হওয়ায় যাত্রীরা মারাত্মক ভোগান্তিতে পড়েছেন। অনেকেই জরুরি প্রয়োজনে বিকল্প যানবাহন খুঁজছেন।

সৈয়দপুরের যাত্রী আজগর আলী বলেন, ডাক্তারের কাছে যেতে রংপুর যাওয়ার প্রয়োজন ছিল। রুটে বাস বন্ধ থাকায় তিনি এখন দিনাজপুর রুটের বাস ধরার অপেক্ষায় আছেন। অন্য যাত্রীরাও এমনই সমস্যার কথা জানান।


শ্রমিক ইউনিয়নের দাবি
শ্রমিক নেতারা জানিয়েছেন, শ্রমিকদের ওপর হামলার বিচার না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের আন্দোলন চলবে। শ্রমিকদের নিরাপত্তা, ন্যায্য পাওনা ও শ্রমিকদের প্রতি সম্মান নিশ্চিত করতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেন তারা।