০১:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬
ট্রাম্পের ‘শান্তি বোর্ড’ ঘিরে দোটানায় দিল্লি, অপেক্ষা ও পর্যবেক্ষণের কূটনীতি ভারতের রব রেইনার: শোবিজে মানবিকতার এক উজ্জ্বল উত্তরাধিকার ডোনাল্ড ট্রাম্প যা চান, বিশ্বকূটনীতির রাশ তাঁর হাতেই আমেরিকার ২৫০ বছরের ব্যবসায়িক শক্তি যেভাবে বিশ্ব সংস্কৃতি গড়েছে মিত্রতা থেকে মুখ ফেরাল ওয়াশিংটন, কুর্দিদের ছেড়ে নতুন সিরিয়ার পাশে যুক্তরাষ্ট্র সরকারপ্রধান ও প্রেস সচিবের বক্তব্যে সন্দেহ অনিবার্য: গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট বাগেরহাটে কারাবন্দি ছাত্রলীগ নেতার স্ত্রী ও শিশুপুত্রের মরদেহ উদ্ধার সেগার রূপকার ডেভিড রোজেন ভিডিও গেম শিল্পের নীরব স্থপতির বিদায় দ্য প্রিন্টকে দেয়া সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা : নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করা স্বৈরতন্ত্র, গণতন্ত্র নয় ধর্ষণের দায়ে সাজাপ্রাপ্ত ব্যর্থ আশ্রয়প্রার্থীকে ফেরত পাঠানোর পথে যুক্তরাজ্য

রংপুর-নীলফামারী রুটে অনির্দিষ্টকালের জন্য বাস চলাচল বন্ধ

রংপুর-নীলফামারী রুটসহ নীলফামারীর বিভিন্ন আন্তঃজেলায় বাস চলাচল অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। নীলফামারীর একজন শ্রমিক নেতাকে মারধরের ঘটনায় পরিবহন শ্রমিকরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এতে হঠাৎ করে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা।


পরিবহন বন্ধের কারণ
নীলফামারী জেলা বাস মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম জানান, শনিবার (২৯ নভেম্বর) সন্ধ্যায় এক শ্রমিক নেতাকে মারধরের প্রতিবাদে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শ্রমিক ইউনিয়নের তথ্য অনুযায়ী, কিশোরগঞ্জ উপজেলার মাগুরা বাস শ্রমিক ইউনিয়নের দপ্তর সম্পাদক সফিকুল ইসলামের সঙ্গে শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধ নিয়ে বিরোধ বাধে। পরে রংপুর বাস মালিক সমিতির কয়েকজন নেতা-কর্মী তাঁকে মারধর করেন। স্থানীয়রা সফিকুলকে উদ্ধার করে শ্রমিক ইউনিয়নের কাছে বিষয়টি তুলে ধরেন।

ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিচার না হওয়া পর্যন্ত রংপুর মালিক সমিতির সব রুটে বাস চলাচল বন্ধ রাখার ঘোষণা দেয় নীলফামারী শ্রমিক ইউনিয়ন।


যেসব রুটে বাস বন্ধ
রবিবার সকাল থেকে নিম্নলিখিত রুটে কোনো বাস চলাচল করছে না:
রংপুর-নীলফামারী
নীলফামারী-সৈয়দপুর
নীলফামারী-জলঢাকা
নীলফামারী-কিশোরগঞ্জ
নীলফামারী-ডিমলা
নীলফামারী-ডোমার

তবে ঢাকামুখী ও উত্তরাঞ্চলের দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড় রুটের বাস চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।


যাত্রীদের দুর্ভোগ
হঠাৎ পরিবহন বন্ধ হওয়ায় যাত্রীরা মারাত্মক ভোগান্তিতে পড়েছেন। অনেকেই জরুরি প্রয়োজনে বিকল্প যানবাহন খুঁজছেন।

সৈয়দপুরের যাত্রী আজগর আলী বলেন, ডাক্তারের কাছে যেতে রংপুর যাওয়ার প্রয়োজন ছিল। রুটে বাস বন্ধ থাকায় তিনি এখন দিনাজপুর রুটের বাস ধরার অপেক্ষায় আছেন। অন্য যাত্রীরাও এমনই সমস্যার কথা জানান।


শ্রমিক ইউনিয়নের দাবি
শ্রমিক নেতারা জানিয়েছেন, শ্রমিকদের ওপর হামলার বিচার না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের আন্দোলন চলবে। শ্রমিকদের নিরাপত্তা, ন্যায্য পাওনা ও শ্রমিকদের প্রতি সম্মান নিশ্চিত করতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেন তারা।

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের ‘শান্তি বোর্ড’ ঘিরে দোটানায় দিল্লি, অপেক্ষা ও পর্যবেক্ষণের কূটনীতি ভারতের

রংপুর-নীলফামারী রুটে অনির্দিষ্টকালের জন্য বাস চলাচল বন্ধ

০৬:১৯:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫

রংপুর-নীলফামারী রুটসহ নীলফামারীর বিভিন্ন আন্তঃজেলায় বাস চলাচল অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। নীলফামারীর একজন শ্রমিক নেতাকে মারধরের ঘটনায় পরিবহন শ্রমিকরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এতে হঠাৎ করে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা।


পরিবহন বন্ধের কারণ
নীলফামারী জেলা বাস মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম জানান, শনিবার (২৯ নভেম্বর) সন্ধ্যায় এক শ্রমিক নেতাকে মারধরের প্রতিবাদে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শ্রমিক ইউনিয়নের তথ্য অনুযায়ী, কিশোরগঞ্জ উপজেলার মাগুরা বাস শ্রমিক ইউনিয়নের দপ্তর সম্পাদক সফিকুল ইসলামের সঙ্গে শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধ নিয়ে বিরোধ বাধে। পরে রংপুর বাস মালিক সমিতির কয়েকজন নেতা-কর্মী তাঁকে মারধর করেন। স্থানীয়রা সফিকুলকে উদ্ধার করে শ্রমিক ইউনিয়নের কাছে বিষয়টি তুলে ধরেন।

ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিচার না হওয়া পর্যন্ত রংপুর মালিক সমিতির সব রুটে বাস চলাচল বন্ধ রাখার ঘোষণা দেয় নীলফামারী শ্রমিক ইউনিয়ন।


যেসব রুটে বাস বন্ধ
রবিবার সকাল থেকে নিম্নলিখিত রুটে কোনো বাস চলাচল করছে না:
রংপুর-নীলফামারী
নীলফামারী-সৈয়দপুর
নীলফামারী-জলঢাকা
নীলফামারী-কিশোরগঞ্জ
নীলফামারী-ডিমলা
নীলফামারী-ডোমার

তবে ঢাকামুখী ও উত্তরাঞ্চলের দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড় রুটের বাস চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।


যাত্রীদের দুর্ভোগ
হঠাৎ পরিবহন বন্ধ হওয়ায় যাত্রীরা মারাত্মক ভোগান্তিতে পড়েছেন। অনেকেই জরুরি প্রয়োজনে বিকল্প যানবাহন খুঁজছেন।

সৈয়দপুরের যাত্রী আজগর আলী বলেন, ডাক্তারের কাছে যেতে রংপুর যাওয়ার প্রয়োজন ছিল। রুটে বাস বন্ধ থাকায় তিনি এখন দিনাজপুর রুটের বাস ধরার অপেক্ষায় আছেন। অন্য যাত্রীরাও এমনই সমস্যার কথা জানান।


শ্রমিক ইউনিয়নের দাবি
শ্রমিক নেতারা জানিয়েছেন, শ্রমিকদের ওপর হামলার বিচার না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের আন্দোলন চলবে। শ্রমিকদের নিরাপত্তা, ন্যায্য পাওনা ও শ্রমিকদের প্রতি সম্মান নিশ্চিত করতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেন তারা।