০৮:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
ধর্মের আসল পরীক্ষা ঈশ্বরের শক্তির নয়, মানুষের বিবেকের আমেরিকার নতুন কৌশল, আসিয়ানের কঠিন ভারসাম্য সাগরে ৩৬ দিন ধরে ভেসে থাকা শ্রীলঙ্কান বাবা-ছেলেকে উদ্ধার করল বাংলাদেশি জেলেরা মারধরের পর ছাত্রলীগ পরিচয়ে কারাগারে, যা ঘটেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে হবিগঞ্জে এনসিপি-ছাত্রদল সংঘর্ষ, ব্যাংকে অবরুদ্ধ পাটওয়ারী ও সারজিস সন্তানহীন হয়ে পড়ছে যুক্তরাষ্ট্রের বড় শহর, কমছে শিশুর সংখ্যা যুক্তরাষ্ট্রে ডাকযোগে ভোটে বিধিনিষেধ, সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপ চাইল ট্রাম্প প্রশাসন হংকংয়ের সাবেক বিরোধী নেতা উ চি-ওয়াইকে যুক্তরাজ্যে ছয় মাস থাকার অনুমতি ২১ বছর বয়সেই সাহিত্যজগতে ঝড় তুলেছিলেন ব্রেট ইস্টন এলিস, ‘লেস দ্যান জিরো’ নিয়ে মুখ খুললেন ত্বকের যত্নে নতুন চমক, একসঙ্গে আর্দ্রতা ও উজ্জ্বলতা দেবে টোনার প্যাড

চীনের এআই অগ্রযাত্রা কেন কর্মসংস্থানকেন্দ্রিক হওয়া জরুরি

চীনের অর্থনীতিবিদ হুয়াং ইয়িপিং মনে করেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও নতুন প্রযুক্তি গ্রহণে চীনকে সতর্কভাবে এগোতে হবে। তার মতে, এআই সঠিকভাবে ব্যবহৃত হলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চীনের ব্যবধান কমানোর ঐতিহাসিক সুযোগ তৈরি হতে পারে, তবে এই অগ্রযাত্রা অবশ্যই কর্মসংস্থানকেন্দ্রিক হতে হবে।

হুয়াং ইয়িপিং সম্পর্কে সংক্ষেপ
পিকিং ইউনিভার্সিটির ন্যাশনাল স্কুল অব ডেভেলপমেন্টের ডিন এবং চীনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক পিপলস ব্যাংক অব চায়নার মুদ্রানীতি কমিটির সদস্য হুয়াং ইয়িপিং একই সঙ্গে হংকং স্টক এক্সচেঞ্জের মেনল্যান্ড চায়না অ্যাডভাইজরি গ্রুপেও কাজ করছেন।

চীনের প্রযুক্তি গ্রহণ: সতর্কতা ও দিকনির্দেশনা
এক সাক্ষাৎকারে হুয়াং নতুন প্রযুক্তি—বিশেষ করে স্টেবলকয়েন ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা—গ্রহণের ক্ষেত্রে সতর্কতার প্রয়োজনীয়তার কথা জানান। তিনি বলেন, এগুলো দ্রুত প্রয়োগের আগ্রহ থাকলেও এর সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব বোঝা জরুরি। একই আলোচনায় তিনি চীনের পরবর্তী পাঁচ বছরের পরিকল্পনা এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ট্যারিফসংক্রান্ত সমঝোতা কতদিন টিকবে, সে বিষয়েও মত দেন।

এআই-এ চীনের সম্ভাবনা
হুয়াংয়ের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, এআই ব্যবহারে চীন যদি আরও দক্ষ হয়, তাহলে এটি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় ব্যবধান কমানোর বিরল সুযোগ সৃষ্টি করবে। বিশ্বব্যাপী এআই অগ্রগতির মূল প্রতিযোগিতা এখন যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যেই আবর্তিত।

চীনের শক্তি: বাস্তব প্রয়োগে অগ্রগামী
হুয়াং মনে করেন, মূল উদ্ভাবনে চীন এখনও যুক্তরাষ্ট্রের পেছিয়ে থাকলেও বাস্তব জীবনে এআই-সহ নতুন প্রযুক্তির ব্যবহারিক প্রয়োগে চীন উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দেখাতে সক্ষম। চীনের নানা খাতে বিপুল পরিমাণে প্রয়োগযোগ্য পরিস্থিতি রয়েছে, যা তাকে প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়নে এগিয়ে রাখছে।

তিনি উল্লেখ করেন, শিল্প বিপ্লবের ইতিহাস বলছে—সবচেয়ে বেশি উপকার সবসময় সেই দেশগুলো পেয়েছে, যারা উদ্ভাবন করেছে তা নয়; বরং যারা প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার করতে পেরেছে।

সলোর প্যারাডক্স: প্রযুক্তি বনাম উৎপাদনশীলতা
হুয়াং আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ রবার্ট সলোর উল্লেখ করেন। ১৯৮৭ সালে সলো বলেছিলেন, “আপনি কম্পিউটার যুগকে সর্বত্র দেখতে পাবেন, কিন্তু উৎপাদনশীলতার পরিসংখ্যানে তা খুঁজে পাবেন না।” অর্থাৎ প্রযুক্তি ব্যবহারের বিস্তার সবসময় উৎপাদনশীলতা বা অর্থনৈতিক দক্ষতা বাড়ায় না—এটি চীনের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ একটি শিক্ষা বলে তিনি মনে করেন।

#tags: China AI Economy HuangYiping TechnologyDevelopment

জনপ্রিয় সংবাদ

ধর্মের আসল পরীক্ষা ঈশ্বরের শক্তির নয়, মানুষের বিবেকের

চীনের এআই অগ্রযাত্রা কেন কর্মসংস্থানকেন্দ্রিক হওয়া জরুরি

১২:৪২:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৫

চীনের অর্থনীতিবিদ হুয়াং ইয়িপিং মনে করেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও নতুন প্রযুক্তি গ্রহণে চীনকে সতর্কভাবে এগোতে হবে। তার মতে, এআই সঠিকভাবে ব্যবহৃত হলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চীনের ব্যবধান কমানোর ঐতিহাসিক সুযোগ তৈরি হতে পারে, তবে এই অগ্রযাত্রা অবশ্যই কর্মসংস্থানকেন্দ্রিক হতে হবে।

হুয়াং ইয়িপিং সম্পর্কে সংক্ষেপ
পিকিং ইউনিভার্সিটির ন্যাশনাল স্কুল অব ডেভেলপমেন্টের ডিন এবং চীনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক পিপলস ব্যাংক অব চায়নার মুদ্রানীতি কমিটির সদস্য হুয়াং ইয়িপিং একই সঙ্গে হংকং স্টক এক্সচেঞ্জের মেনল্যান্ড চায়না অ্যাডভাইজরি গ্রুপেও কাজ করছেন।

চীনের প্রযুক্তি গ্রহণ: সতর্কতা ও দিকনির্দেশনা
এক সাক্ষাৎকারে হুয়াং নতুন প্রযুক্তি—বিশেষ করে স্টেবলকয়েন ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা—গ্রহণের ক্ষেত্রে সতর্কতার প্রয়োজনীয়তার কথা জানান। তিনি বলেন, এগুলো দ্রুত প্রয়োগের আগ্রহ থাকলেও এর সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব বোঝা জরুরি। একই আলোচনায় তিনি চীনের পরবর্তী পাঁচ বছরের পরিকল্পনা এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ট্যারিফসংক্রান্ত সমঝোতা কতদিন টিকবে, সে বিষয়েও মত দেন।

এআই-এ চীনের সম্ভাবনা
হুয়াংয়ের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, এআই ব্যবহারে চীন যদি আরও দক্ষ হয়, তাহলে এটি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় ব্যবধান কমানোর বিরল সুযোগ সৃষ্টি করবে। বিশ্বব্যাপী এআই অগ্রগতির মূল প্রতিযোগিতা এখন যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যেই আবর্তিত।

চীনের শক্তি: বাস্তব প্রয়োগে অগ্রগামী
হুয়াং মনে করেন, মূল উদ্ভাবনে চীন এখনও যুক্তরাষ্ট্রের পেছিয়ে থাকলেও বাস্তব জীবনে এআই-সহ নতুন প্রযুক্তির ব্যবহারিক প্রয়োগে চীন উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দেখাতে সক্ষম। চীনের নানা খাতে বিপুল পরিমাণে প্রয়োগযোগ্য পরিস্থিতি রয়েছে, যা তাকে প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়নে এগিয়ে রাখছে।

তিনি উল্লেখ করেন, শিল্প বিপ্লবের ইতিহাস বলছে—সবচেয়ে বেশি উপকার সবসময় সেই দেশগুলো পেয়েছে, যারা উদ্ভাবন করেছে তা নয়; বরং যারা প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার করতে পেরেছে।

সলোর প্যারাডক্স: প্রযুক্তি বনাম উৎপাদনশীলতা
হুয়াং আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ রবার্ট সলোর উল্লেখ করেন। ১৯৮৭ সালে সলো বলেছিলেন, “আপনি কম্পিউটার যুগকে সর্বত্র দেখতে পাবেন, কিন্তু উৎপাদনশীলতার পরিসংখ্যানে তা খুঁজে পাবেন না।” অর্থাৎ প্রযুক্তি ব্যবহারের বিস্তার সবসময় উৎপাদনশীলতা বা অর্থনৈতিক দক্ষতা বাড়ায় না—এটি চীনের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ একটি শিক্ষা বলে তিনি মনে করেন।

#tags: China AI Economy HuangYiping TechnologyDevelopment