১০:৪৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
ফেনীতে ‘ডাক্তার’ উপাধি ব্যবহার করে বিতর্কে জামায়াত প্রার্থী, আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে কারণ দর্শানোর নোটিশ তারেকের অঙ্গীকার: ক্ষমতায় গেলে ফিরবে বিডিআর নাম, সেনাবাহিনী হবে না রাজনৈতিক স্বার্থের হাতিয়ার ব্রাহ্মণবাড়িয়া–১ আসনে আচরণবিধি লঙ্ঘন, বিএনপি ও জামায়াত প্রার্থীর জরিমানা গণতন্ত্রের মুখোশে সাংবাদিক দমন, বাড়ছে দুর্নীতির অন্ধকার সহায়তা প্রাপ্ত মৃত্যুর পথে আমেরিকার বড় মোড়, এক তৃতীয়াংশ মানুষের সামনে নতুন আইন ইরানের ক্ষমতার কাঠামো ভাঙার প্রশ্নে নতুন সমীকরণ, পরিবর্তনের পথে গণভোটের আহ্বান নতুন একক গানে আরও ব্যক্তিগত পথে নিক জোনাস চিকিৎসার খোঁজে চীনে বিদেশিদের ঢল, কম খরচে দ্রুত সেবায় বাড়ছে মেডিকেল পর্যটন বিজ্ঞান বাজেটে কংগ্রেসের প্রতিরোধ, ট্রাম্পের কাটছাঁট পরিকল্পনায় ধাক্কা কলম্বিয়ার সাবেক সেনাদের বিদেশযুদ্ধে টান, ঝুঁকি বাড়াচ্ছে অস্থির ভবিষ্যৎ

“গোপনীয়তায় জোর, অন-ডিভাইস এআইয়ে ঝুঁকছে অ্যাপল”

কৌশলে অভ্যন্তরীণ পরিবর্তন
অ্যাপল দ্রুত অন-ডিভাইস কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা উন্নয়নে এগোচ্ছে, যাতে ক্লাউডের ওপর নির্ভরতা কমে। প্রতিষ্ঠানটি জানায়, নতুন চিপেই ভাষা তৈরি ও ছবি বিশ্লেষণের মতো কাজ সম্পন্ন হবে। এতে ডেটা সেন্টারনির্ভর প্রতিদ্বন্দ্বীদের থেকে আলাদা অবস্থান নিতে চায় অ্যাপল।

এই সিদ্ধান্ত এসেছে এআই ব্যবস্থায় ব্যবহারকারীর তথ্য সংগ্রহ ও সংরক্ষণ নিয়ে বাড়তি নজরদারির সময়ে। অ্যাপলের মতে, ডিভাইসেই প্রসেসিং হলে নিরাপত্তা ঝুঁকি ও বিলম্ব কমে এবং গ্রাহকের আস্থা বাড়ে।

সমঝোতা ও প্রতিযোগিতা
বিশ্লেষকেরা বলছেন, অন-ডিভাইস এআইয়ের ক্ষমতার সীমা আছে। বড় মডেলের জন্য বেশি শক্তি ও মেমোরি দরকার, যা প্রকৌশলগত চ্যালেঞ্জ তৈরি করে। তবে চিপ দক্ষতা বাড়ায় ব্যবধান কমছে।

ভোক্তা প্রযুক্তিতে এআই যত গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে, গোপনীয়তা ব্র্যান্ড আনুগত্য নির্ধারণ করতে পারে। অ্যাপল মনে করছে, সংযমই দীর্ঘমেয়াদে সাফল্যের চাবিকাঠি।

জনপ্রিয় সংবাদ

ফেনীতে ‘ডাক্তার’ উপাধি ব্যবহার করে বিতর্কে জামায়াত প্রার্থী, আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে কারণ দর্শানোর নোটিশ

“গোপনীয়তায় জোর, অন-ডিভাইস এআইয়ে ঝুঁকছে অ্যাপল”

০২:২৩:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫

কৌশলে অভ্যন্তরীণ পরিবর্তন
অ্যাপল দ্রুত অন-ডিভাইস কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা উন্নয়নে এগোচ্ছে, যাতে ক্লাউডের ওপর নির্ভরতা কমে। প্রতিষ্ঠানটি জানায়, নতুন চিপেই ভাষা তৈরি ও ছবি বিশ্লেষণের মতো কাজ সম্পন্ন হবে। এতে ডেটা সেন্টারনির্ভর প্রতিদ্বন্দ্বীদের থেকে আলাদা অবস্থান নিতে চায় অ্যাপল।

এই সিদ্ধান্ত এসেছে এআই ব্যবস্থায় ব্যবহারকারীর তথ্য সংগ্রহ ও সংরক্ষণ নিয়ে বাড়তি নজরদারির সময়ে। অ্যাপলের মতে, ডিভাইসেই প্রসেসিং হলে নিরাপত্তা ঝুঁকি ও বিলম্ব কমে এবং গ্রাহকের আস্থা বাড়ে।

সমঝোতা ও প্রতিযোগিতা
বিশ্লেষকেরা বলছেন, অন-ডিভাইস এআইয়ের ক্ষমতার সীমা আছে। বড় মডেলের জন্য বেশি শক্তি ও মেমোরি দরকার, যা প্রকৌশলগত চ্যালেঞ্জ তৈরি করে। তবে চিপ দক্ষতা বাড়ায় ব্যবধান কমছে।

ভোক্তা প্রযুক্তিতে এআই যত গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে, গোপনীয়তা ব্র্যান্ড আনুগত্য নির্ধারণ করতে পারে। অ্যাপল মনে করছে, সংযমই দীর্ঘমেয়াদে সাফল্যের চাবিকাঠি।