১১:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
কুমিল্লায় মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে শ্রমিকদের মহাসড়ক অবরোধ, ইউএনওর আশ্বাসে কর্মসূচি প্রত্যাহার ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, একদিনে হাসপাতালে ভর্তি ৪৬৭ মেরি গ্রের লড়াই: পরিসংখ্যান ও আইনের সমন্বয়ে কীভাবে বদলানো যায় মানবাধিকার রক্ষার লড়াই সৃজনশীলতার সংকটে শিক্ষা: ভবিষ্যতের জন্য কি এখনও উপযোগী আমাদের স্কুল? কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নতুন ভূরাজনীতি: ‘বিনামূল্যের’ প্রযুক্তির আড়ালে কী লুকিয়ে আছে? মোদির পদত্যাগের ভাইরাল চিঠি সঠিক নয়, স্পষ্ট করল ভারতের সরকার দিল্লিতে নীট আন্দোলনের মামলায় বড় সিদ্ধান্ত: অপরাধমূলক অতীত না থাকলে আইনি পদক্ষেপ নয় গ্যাস সংকট আরও দীর্ঘায়িত: তিতাসের গ্রাহকদের নিম্নচাপ অব্যাহত, এলএনজি টার্মিনালের ত্রুটিতে সরবরাহ কমেছে ৫৫০ এমএমসিএফডি হামে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, দেশে সন্দেহভাজন ও নিশ্চিত মিলিয়ে প্রাণহানি বেড়ে ৮৩৫ পাবনায় সেপটিক ট্যাংকে স্কুলশিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার, মৃত্যুর রহস্য খতিয়ে দেখছে পুলিশ

ইসরায়েলি বসতি সম্প্রসারণে সংগঠিত সহিংসতা, পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের উৎখাতের অভিযোগ

দখলদারিত্বের ছায়ায় আরও ঘনীভূত হচ্ছে পশ্চিম তীর। ইসরায়েল অধিকৃত এই ভূখণ্ডে বসতি স্থাপনকারীদের সংগঠিত সহিংসতায় ফিলিস্তিনি পরিবারগুলো ঘরছাড়া হচ্ছে বলে উঠে এসেছে এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। পাহাড়চূড়ার ছোট ছোট অবৈধ ঘাঁটি থেকে পরিকল্পিত হামলা চালিয়ে জমি দখল ও স্থায়ী নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার অভিযোগ তুলছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো।

সংগঠিত হামলার অভিযোগ
পশ্চিম তীরের দেইর দিবওয়ান গ্রামের আশপাশে গড়ে ওঠা পাহাড়চূড়ার ঘাঁটি থেকে নেমে আসা হামলাকারীরা বসতবাড়ি ও খামারে আগুন দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। বেদুইন পরিবারগুলো বলছে, রাতের অন্ধকারে পেট্রোল বোমা ছুড়ে তাদের তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। অনেকেই আশঙ্কা করছেন, তারা আর কখনো নিজেদের জমিতে ফিরতে পারবেন না।

সহিংসতার পরিসংখ্যান ও উদ্বেগ
জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের ওপর বেসামরিক হামলার ঘটনা ছিল সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে অন্যতম বেশি। শত শত মানুষ আহত হয়েছেন এবং দ্রুতগতিতে ছড়িয়ে পড়ছে নতুন বসতি ও ঘাঁটি। শান্তি ও মানবাধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠনগুলো বলছে, এই সহিংসতা বিচ্ছিন্ন নয়, বরং একটি ধারাবাহিক ও পরিকল্পিত প্রক্রিয়া।

How Israel's hilltop settlers coordinate attacks to expel Palestinians |  Reuters

রাষ্ট্রীয় নীতির ছায়া
ইসরায়েলের ভেতরেই স্বীকৃতি রয়েছে যে, অনেক অবৈধ ঘাঁটি পরে সরকারি স্বীকৃতি পেয়ে পূর্ণাঙ্গ বসতিতে রূপ নেয়। সাম্প্রতিক সময়ে আরও নতুন বসতির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, যা ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র গঠনের সম্ভাবনাকে আরও সংকুচিত করছে বলে বিশ্লেষকদের মত। যদিও ইসরায়েল সরকার এসব হামলাকে একটি ক্ষুদ্র গোষ্ঠীর কাজ হিসেবে বর্ণনা করে আসছে।

আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া ও মানবাধিকার প্রশ্ন
আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী পশ্চিম তীরে সব ধরনের বসতি কার্যক্রম অবৈধ বলে বিবেচিত। তবে ইসরায়েল এই ব্যাখ্যার সঙ্গে একমত নয়। মানবাধিকার সংস্থাগুলো সতর্ক করছে, ধারাবাহিক সহিংসতা ও জমি দখল ফিলিস্তিনি জনগোষ্ঠীর অস্তিত্ব ও ভবিষ্যৎকে গভীর সংকটে ফেলছে।

#পশ্চিমতীর #ইসরায়েলফিলিস্তিন #বসতিসহিংসতা #মানবাধিকার #ফিলিস্তিন

জনপ্রিয় সংবাদ

কুমিল্লায় মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে শ্রমিকদের মহাসড়ক অবরোধ, ইউএনওর আশ্বাসে কর্মসূচি প্রত্যাহার

ইসরায়েলি বসতি সম্প্রসারণে সংগঠিত সহিংসতা, পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের উৎখাতের অভিযোগ

০৩:৩৮:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫

দখলদারিত্বের ছায়ায় আরও ঘনীভূত হচ্ছে পশ্চিম তীর। ইসরায়েল অধিকৃত এই ভূখণ্ডে বসতি স্থাপনকারীদের সংগঠিত সহিংসতায় ফিলিস্তিনি পরিবারগুলো ঘরছাড়া হচ্ছে বলে উঠে এসেছে এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। পাহাড়চূড়ার ছোট ছোট অবৈধ ঘাঁটি থেকে পরিকল্পিত হামলা চালিয়ে জমি দখল ও স্থায়ী নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার অভিযোগ তুলছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো।

সংগঠিত হামলার অভিযোগ
পশ্চিম তীরের দেইর দিবওয়ান গ্রামের আশপাশে গড়ে ওঠা পাহাড়চূড়ার ঘাঁটি থেকে নেমে আসা হামলাকারীরা বসতবাড়ি ও খামারে আগুন দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। বেদুইন পরিবারগুলো বলছে, রাতের অন্ধকারে পেট্রোল বোমা ছুড়ে তাদের তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। অনেকেই আশঙ্কা করছেন, তারা আর কখনো নিজেদের জমিতে ফিরতে পারবেন না।

সহিংসতার পরিসংখ্যান ও উদ্বেগ
জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের ওপর বেসামরিক হামলার ঘটনা ছিল সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে অন্যতম বেশি। শত শত মানুষ আহত হয়েছেন এবং দ্রুতগতিতে ছড়িয়ে পড়ছে নতুন বসতি ও ঘাঁটি। শান্তি ও মানবাধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠনগুলো বলছে, এই সহিংসতা বিচ্ছিন্ন নয়, বরং একটি ধারাবাহিক ও পরিকল্পিত প্রক্রিয়া।

How Israel's hilltop settlers coordinate attacks to expel Palestinians |  Reuters

রাষ্ট্রীয় নীতির ছায়া
ইসরায়েলের ভেতরেই স্বীকৃতি রয়েছে যে, অনেক অবৈধ ঘাঁটি পরে সরকারি স্বীকৃতি পেয়ে পূর্ণাঙ্গ বসতিতে রূপ নেয়। সাম্প্রতিক সময়ে আরও নতুন বসতির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, যা ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র গঠনের সম্ভাবনাকে আরও সংকুচিত করছে বলে বিশ্লেষকদের মত। যদিও ইসরায়েল সরকার এসব হামলাকে একটি ক্ষুদ্র গোষ্ঠীর কাজ হিসেবে বর্ণনা করে আসছে।

আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া ও মানবাধিকার প্রশ্ন
আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী পশ্চিম তীরে সব ধরনের বসতি কার্যক্রম অবৈধ বলে বিবেচিত। তবে ইসরায়েল এই ব্যাখ্যার সঙ্গে একমত নয়। মানবাধিকার সংস্থাগুলো সতর্ক করছে, ধারাবাহিক সহিংসতা ও জমি দখল ফিলিস্তিনি জনগোষ্ঠীর অস্তিত্ব ও ভবিষ্যৎকে গভীর সংকটে ফেলছে।

#পশ্চিমতীর #ইসরায়েলফিলিস্তিন #বসতিসহিংসতা #মানবাধিকার #ফিলিস্তিন