০৭:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
পশ্চিমবঙ্গের শীর্ষ নির্বাচন আধিকারিক এসআইআর বিতর্কে: কে এই মনোজ আগরওয়াল ৯-১৩ এপ্রিল সাবমেরিন ক্যাবলে রক্ষণাবেক্ষণ — ইন্টারনেটে ধীরগতি ও বিঘ্নের আশঙ্কা উৎসবের আগে সীমান্তে বাড়তি সতর্কতা — বিজিবির বিশেষ টহল ও তল্লাশি চৌকি স্থাপন ভারত থেকে এলো আরও ৮ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল — পাইপলাইনে সরবরাহ চলমান জাত্রাবাড়ীতে বিশেষ অভিযান: ১৫ গ্রেফতার, ৪ হাজার ইয়াবা ও দেড় কেজি গাঁজা উদ্ধার ঢাকা জেলা পরিষদে শত কোটি টাকা লুটপাট — ভুয়া বিল, অস্তিত্বহীন প্রকল্প, তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য পণ্যবাহী জাহাজ মিলছে না, মালবাহী খরচ ৪০ শতাংশ বাড়ল — হরমুজ সংকটে বাংলাদেশের বাণিজ্য পঙ্গু ৪০ দিন আটকে থেকে শারজাহ ফেরত বাংলার জয়যাত্রা — ইরান অনুমতি দিল না, ৩১ নাবিক পানি রেশনিং করে বেঁচে আছেন তিন সপ্তাহের জ্বালানি মজুদ, পাঁচ সার কারখানা বন্ধ — হরমুজ সংকটে বাংলাদেশ কতটা বিপদে? রংপুরে হিন্দু পরিবারের বাড়ি ও দোকানে ভাঙচুর — মুসলিম তরুণ হত্যার পর উচ্ছৃঙ্খল জনতার তাণ্ডব

ইসরায়েলি বসতি সম্প্রসারণে সংগঠিত সহিংসতা, পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের উৎখাতের অভিযোগ

দখলদারিত্বের ছায়ায় আরও ঘনীভূত হচ্ছে পশ্চিম তীর। ইসরায়েল অধিকৃত এই ভূখণ্ডে বসতি স্থাপনকারীদের সংগঠিত সহিংসতায় ফিলিস্তিনি পরিবারগুলো ঘরছাড়া হচ্ছে বলে উঠে এসেছে এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। পাহাড়চূড়ার ছোট ছোট অবৈধ ঘাঁটি থেকে পরিকল্পিত হামলা চালিয়ে জমি দখল ও স্থায়ী নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার অভিযোগ তুলছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো।

সংগঠিত হামলার অভিযোগ
পশ্চিম তীরের দেইর দিবওয়ান গ্রামের আশপাশে গড়ে ওঠা পাহাড়চূড়ার ঘাঁটি থেকে নেমে আসা হামলাকারীরা বসতবাড়ি ও খামারে আগুন দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। বেদুইন পরিবারগুলো বলছে, রাতের অন্ধকারে পেট্রোল বোমা ছুড়ে তাদের তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। অনেকেই আশঙ্কা করছেন, তারা আর কখনো নিজেদের জমিতে ফিরতে পারবেন না।

সহিংসতার পরিসংখ্যান ও উদ্বেগ
জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের ওপর বেসামরিক হামলার ঘটনা ছিল সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে অন্যতম বেশি। শত শত মানুষ আহত হয়েছেন এবং দ্রুতগতিতে ছড়িয়ে পড়ছে নতুন বসতি ও ঘাঁটি। শান্তি ও মানবাধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠনগুলো বলছে, এই সহিংসতা বিচ্ছিন্ন নয়, বরং একটি ধারাবাহিক ও পরিকল্পিত প্রক্রিয়া।

How Israel's hilltop settlers coordinate attacks to expel Palestinians |  Reuters

রাষ্ট্রীয় নীতির ছায়া
ইসরায়েলের ভেতরেই স্বীকৃতি রয়েছে যে, অনেক অবৈধ ঘাঁটি পরে সরকারি স্বীকৃতি পেয়ে পূর্ণাঙ্গ বসতিতে রূপ নেয়। সাম্প্রতিক সময়ে আরও নতুন বসতির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, যা ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র গঠনের সম্ভাবনাকে আরও সংকুচিত করছে বলে বিশ্লেষকদের মত। যদিও ইসরায়েল সরকার এসব হামলাকে একটি ক্ষুদ্র গোষ্ঠীর কাজ হিসেবে বর্ণনা করে আসছে।

আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া ও মানবাধিকার প্রশ্ন
আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী পশ্চিম তীরে সব ধরনের বসতি কার্যক্রম অবৈধ বলে বিবেচিত। তবে ইসরায়েল এই ব্যাখ্যার সঙ্গে একমত নয়। মানবাধিকার সংস্থাগুলো সতর্ক করছে, ধারাবাহিক সহিংসতা ও জমি দখল ফিলিস্তিনি জনগোষ্ঠীর অস্তিত্ব ও ভবিষ্যৎকে গভীর সংকটে ফেলছে।

#পশ্চিমতীর #ইসরায়েলফিলিস্তিন #বসতিসহিংসতা #মানবাধিকার #ফিলিস্তিন

জনপ্রিয় সংবাদ

পশ্চিমবঙ্গের শীর্ষ নির্বাচন আধিকারিক এসআইআর বিতর্কে: কে এই মনোজ আগরওয়াল

ইসরায়েলি বসতি সম্প্রসারণে সংগঠিত সহিংসতা, পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের উৎখাতের অভিযোগ

০৩:৩৮:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫

দখলদারিত্বের ছায়ায় আরও ঘনীভূত হচ্ছে পশ্চিম তীর। ইসরায়েল অধিকৃত এই ভূখণ্ডে বসতি স্থাপনকারীদের সংগঠিত সহিংসতায় ফিলিস্তিনি পরিবারগুলো ঘরছাড়া হচ্ছে বলে উঠে এসেছে এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। পাহাড়চূড়ার ছোট ছোট অবৈধ ঘাঁটি থেকে পরিকল্পিত হামলা চালিয়ে জমি দখল ও স্থায়ী নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার অভিযোগ তুলছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো।

সংগঠিত হামলার অভিযোগ
পশ্চিম তীরের দেইর দিবওয়ান গ্রামের আশপাশে গড়ে ওঠা পাহাড়চূড়ার ঘাঁটি থেকে নেমে আসা হামলাকারীরা বসতবাড়ি ও খামারে আগুন দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। বেদুইন পরিবারগুলো বলছে, রাতের অন্ধকারে পেট্রোল বোমা ছুড়ে তাদের তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। অনেকেই আশঙ্কা করছেন, তারা আর কখনো নিজেদের জমিতে ফিরতে পারবেন না।

সহিংসতার পরিসংখ্যান ও উদ্বেগ
জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের ওপর বেসামরিক হামলার ঘটনা ছিল সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে অন্যতম বেশি। শত শত মানুষ আহত হয়েছেন এবং দ্রুতগতিতে ছড়িয়ে পড়ছে নতুন বসতি ও ঘাঁটি। শান্তি ও মানবাধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠনগুলো বলছে, এই সহিংসতা বিচ্ছিন্ন নয়, বরং একটি ধারাবাহিক ও পরিকল্পিত প্রক্রিয়া।

How Israel's hilltop settlers coordinate attacks to expel Palestinians |  Reuters

রাষ্ট্রীয় নীতির ছায়া
ইসরায়েলের ভেতরেই স্বীকৃতি রয়েছে যে, অনেক অবৈধ ঘাঁটি পরে সরকারি স্বীকৃতি পেয়ে পূর্ণাঙ্গ বসতিতে রূপ নেয়। সাম্প্রতিক সময়ে আরও নতুন বসতির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, যা ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র গঠনের সম্ভাবনাকে আরও সংকুচিত করছে বলে বিশ্লেষকদের মত। যদিও ইসরায়েল সরকার এসব হামলাকে একটি ক্ষুদ্র গোষ্ঠীর কাজ হিসেবে বর্ণনা করে আসছে।

আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া ও মানবাধিকার প্রশ্ন
আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী পশ্চিম তীরে সব ধরনের বসতি কার্যক্রম অবৈধ বলে বিবেচিত। তবে ইসরায়েল এই ব্যাখ্যার সঙ্গে একমত নয়। মানবাধিকার সংস্থাগুলো সতর্ক করছে, ধারাবাহিক সহিংসতা ও জমি দখল ফিলিস্তিনি জনগোষ্ঠীর অস্তিত্ব ও ভবিষ্যৎকে গভীর সংকটে ফেলছে।

#পশ্চিমতীর #ইসরায়েলফিলিস্তিন #বসতিসহিংসতা #মানবাধিকার #ফিলিস্তিন