০৮:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভারত থেকে মোম্বাসা, মোম্বাসা থেকে উগান্ডা—যেভাবে সুধীর রুপারেলিয়া গড়লেন ১.৩ বিলিয়ন ডলারের সাম্রাজ্য গাজায় যুদ্ধবিধ্বস্ত ভবন ধসে নিহত অন্তত ২০, ধ্বংসস্তূপে আটকা বহু মানুষ গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে নিটওয়্যার শিল্প, মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি ঝুঁকি বাড়ালে সামনে কী স্মার্ট চশমার জনপ্রিয়তা বাড়ছে, বাড়ছে গোপনে ভিডিও ধারণের ভয় রাশিয়ার হয়ে যুদ্ধে বিদেশি যোদ্ধারা, সামনে ভয়াবহ মৃত্যুর গল্প ছুটির দিনেও পাসপোর্ট সেবা, স্বস্তি মালয়েশিয়ার প্রবাসীদের চীনের বিরুদ্ধে ইরানকে সহায়তার অভিযোগ উড়িয়ে দিলেন ট্রাম্প ব্রিকস নৈশভোজে শুধু নিরামিষ খাবার, ভারতে রাজনৈতিক বিতর্ক ট্রাম্পের দাবি, এআই নিয়ে ভয় দেখাচ্ছে ‘নেতিবাচক শক্তি’ আয়ারল্যান্ড এক হওয়ার পক্ষে আবারও ট্রাম্প, স্কটল্যান্ড নিয়ে এখনই কথা নয়

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ঢাকা (পর্ব-৭৯)

  • নাঈম হক
  • ০৯:০০:১৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫
  • 177

মিলিটারি সাহেব এবং নিগ্রো ও শ্বেতাঙ্গ সৈন্যদের সঙ্গে কথাবার্তা বলবার জন্যে একজন শিক্ষিত ব্যক্তির দরকার…..

দরকারি সব জ্বালানি বড়ো বড়ো বার্জে করে নৌপথে কোলকাতা থেকে নারায়ণগঞ্জে আনা হতো। অতঃপর সেখান থেকে ট্রাকে করে আনা হতো কুর্মিটোলায়।

কিরণ সরকার সেনগুপ্ত তাঁর আত্মজীবনীতে লেখেন যে ব্যবসা-বাণিজ্যের কর্মকাণ্ডে নারায়ণগঞ্জ সেসময়ে ব্যস্তসমস্ততায় পূর্ণ গমগমে শহর ছিলো, একটি নমুনা দেখুন:

(১৯৪৪-এর কোনো সময় একদিন ছোট কাকা এলেন আমাদের বাড়িয়ে বাবার সঙ্গে আলাপ করতে। তখন নারায়ণগঞ্জে তাঁর সিগারেটের ব্যবসা যুদ্ধের দৌলতে টাকার মুখ দেখেছে। কুর্মিটোলা ও তেজগাঁওতে তখন ইংরেজ ও মার্কিন সৈন্যদের ছাউনি। কাকা বড়ো সাহেবদের ধরে সাপ্লাইয়ের বাছ পেয়েছিলেন। নারায়ণগঞ্জের টানবাজারের এক অপরিসর গলিতে অপ্রন্থ সামনের ঘরে অফিস, পেছনে গোডাউন।

প্রায়ই সাহেবরা আসতো, মালপুর নিয়ে চলে যেতো বিরাট বিরাট মিলিটারি ট্রাকে চড়ে। মিলিটারি সাহেব এবং নিগ্রো ও শ্বেতাঙ্গ সৈন্যদের সঙ্গে কথাবার্তা বলবার জন্যে একজন শিক্ষিত ব্যক্তির দরকার, বাবাকে বুঝিয়ে তাই কাকা আমাকে রাজি করিয়ে ঢাকা থেকে নারায়ণগঞ্জে নিয়ে গেলেন। অথচ থাকতাম ঢাকায় তাঁতিবাজারের ৯১ নম্বর দ্বিতল বাড়িতে। সকাল আটটায় বাস ধরে নারায়ণগঞ্জের দোকানে পৌঁছাতাম। বারোটার পর থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত বন্ধ; চারটে থেকে রাত আটটা। বাসে বা ট্রেনে ঢাকার বাড়িতে পৌঁছাতে রাত সাড়ে ন’টা।”)

(চলবে)

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ঢাকা (পর্ব-৭৮)

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ঢাকা (পর্ব-৭৮)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারত থেকে মোম্বাসা, মোম্বাসা থেকে উগান্ডা—যেভাবে সুধীর রুপারেলিয়া গড়লেন ১.৩ বিলিয়ন ডলারের সাম্রাজ্য

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ঢাকা (পর্ব-৭৯)

০৯:০০:১৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫

মিলিটারি সাহেব এবং নিগ্রো ও শ্বেতাঙ্গ সৈন্যদের সঙ্গে কথাবার্তা বলবার জন্যে একজন শিক্ষিত ব্যক্তির দরকার…..

দরকারি সব জ্বালানি বড়ো বড়ো বার্জে করে নৌপথে কোলকাতা থেকে নারায়ণগঞ্জে আনা হতো। অতঃপর সেখান থেকে ট্রাকে করে আনা হতো কুর্মিটোলায়।

কিরণ সরকার সেনগুপ্ত তাঁর আত্মজীবনীতে লেখেন যে ব্যবসা-বাণিজ্যের কর্মকাণ্ডে নারায়ণগঞ্জ সেসময়ে ব্যস্তসমস্ততায় পূর্ণ গমগমে শহর ছিলো, একটি নমুনা দেখুন:

(১৯৪৪-এর কোনো সময় একদিন ছোট কাকা এলেন আমাদের বাড়িয়ে বাবার সঙ্গে আলাপ করতে। তখন নারায়ণগঞ্জে তাঁর সিগারেটের ব্যবসা যুদ্ধের দৌলতে টাকার মুখ দেখেছে। কুর্মিটোলা ও তেজগাঁওতে তখন ইংরেজ ও মার্কিন সৈন্যদের ছাউনি। কাকা বড়ো সাহেবদের ধরে সাপ্লাইয়ের বাছ পেয়েছিলেন। নারায়ণগঞ্জের টানবাজারের এক অপরিসর গলিতে অপ্রন্থ সামনের ঘরে অফিস, পেছনে গোডাউন।

প্রায়ই সাহেবরা আসতো, মালপুর নিয়ে চলে যেতো বিরাট বিরাট মিলিটারি ট্রাকে চড়ে। মিলিটারি সাহেব এবং নিগ্রো ও শ্বেতাঙ্গ সৈন্যদের সঙ্গে কথাবার্তা বলবার জন্যে একজন শিক্ষিত ব্যক্তির দরকার, বাবাকে বুঝিয়ে তাই কাকা আমাকে রাজি করিয়ে ঢাকা থেকে নারায়ণগঞ্জে নিয়ে গেলেন। অথচ থাকতাম ঢাকায় তাঁতিবাজারের ৯১ নম্বর দ্বিতল বাড়িতে। সকাল আটটায় বাস ধরে নারায়ণগঞ্জের দোকানে পৌঁছাতাম। বারোটার পর থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত বন্ধ; চারটে থেকে রাত আটটা। বাসে বা ট্রেনে ঢাকার বাড়িতে পৌঁছাতে রাত সাড়ে ন’টা।”)

(চলবে)

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ঢাকা (পর্ব-৭৮)

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ঢাকা (পর্ব-৭৮)