০১:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬
ইরানের প্রতিরক্ষা হামলার মধ্যে পড়লেও মিসাইল ও ড্রোন হামলা চালানোর ক্ষমতা রক্ষা করছে আমেরিকার  এফ-১৫ই স্ট্রাইক ঈগল ধ্বংস প্রমান করছে  ইরানের সামরিক আঘাতের সক্ষমতা এখনও অটুট ইরানের হাতে গুলিবিদ্ধ আমেরিকার  এফ-১৫ই স্ট্রাইক ঈগল  সম্পর্কে যা জানা যাচ্ছে ব্যস্ত শহর ব্যাঙ্কক: নতুন আকর্ষণ আর সংস্কৃতির মেলবন্ধন কলকাতার জোকারে ভোটার তালিকা ট্রাইব্যুনাল: প্রথম দিনেও শুনানির অজানা সময়, নাগরিকদের অসহায় অপেক্ষা মালদায় নির্বাচনী অস্থিরতা: জনতার রোষ শ্যামপুকুরের তৃণমূল দুর্গে নতুন চ্যালেঞ্জ: ভোটারদের পাশে দাঁড়িয়ে শশী পঞ্জার লড়াই মালদা-বিরোধিতার প্রেক্ষাপটে মমতার শঙ্কা: “প্ররোচনায় পড়বেন না, আইনমর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখুন” মালদায় বিচারক হেফাজত: বেঙ্গলে ‘জঙ্গল রাজ’, বিজেপির তীব্র সমালোচনা মালদায় বিচারিক কর্মকর্তাদের ওপর হামলা: রাজ্যের ব্যর্থতা প্রকাশ, সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিল এনআইএ তদন্তের

ভারতের প্রতিনিধিত্বে ঢাকায় এসেছেন জয়শঙ্কর, খালেদা জিয়ার শেষ শ্রদ্ধা জানাতে

বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রাষ্ট্রীয় মর্যাদার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় অংশ নিতে ভারতের পক্ষ থেকে ঢাকায় এসেছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্কর। বুধবার সকাল সাড়ে এগারোটায় তিনি ঢাকায় পৌঁছান বলে নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র।

ভারত সরকারের বিশ্বাস, খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক দর্শন ও উত্তরাধিকার ভবিষ্যতেও বাংলাদেশ ও ভারতের পারস্পরিক সম্পর্ককে দিকনির্দেশনা দেবে। সেই বিশ্বাস থেকেই ভারত সরকার ও জনগণের প্রতিনিধিত্ব করে তার শেষ শ্রদ্ধা জানাতে এই সংক্ষিপ্ত সফরে ঢাকায় আসেন ড. জয়শঙ্কর।

ঢাকায় পৌঁছানোর পর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, স্বল্প নোটিশে হওয়া এই সফরের মূল উদ্দেশ্য খালেদা জিয়ার প্রতি শেষ সম্মান জানানো।

খালেদা জিয়ার সঙ্গে ভারতের কূটনৈতিক সম্পর্কের দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। বিরোধীদলীয় নেত্রী হিসেবে তিনি ২০১২ সালের ২৮ অক্টোবর থেকে ৩ নভেম্বর পর্যন্ত ভারতের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আমন্ত্রণে দেশটি সফর করেন। এর আগে প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে ২০০৬ সালের মার্চ মাসে তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিংয়ের আমন্ত্রণে রাষ্ট্রীয় সফরে ভারত যান। সেই সফরে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের পাশাপাশি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

এদিকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মঙ্গলবার খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। এক বার্তায় তিনি বলেন, ২০১৫ সালে ঢাকায় খালেদা জিয়ার সঙ্গে তার সাক্ষাতের স্মৃতি তিনি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, খালেদা জিয়ার চিন্তাধারা ও অবদান ভবিষ্যতেও ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ককে পথ দেখাবে।

বার্তায় নরেন্দ্র মোদি বলেন, বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেশটির উন্নয়নে এবং বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক জোরদারে খালেদা জিয়ার ভূমিকা চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। তিনি তার আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার ও বাংলাদেশের জনগণের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। একই সঙ্গে মহান আল্লাহর কাছে তার পরিবারকে এই শোক সইবার শক্তি দেওয়ার প্রার্থনা করেন।

বুধবার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় জানাজা শেষে ঢাকার শেরেবাংলা নগরে স্বামী ও সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের পাশে বেগম খালেদা জিয়াকে দাফন করা হবে।

Page
জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের প্রতিরক্ষা হামলার মধ্যে পড়লেও মিসাইল ও ড্রোন হামলা চালানোর ক্ষমতা রক্ষা করছে

ভারতের প্রতিনিধিত্বে ঢাকায় এসেছেন জয়শঙ্কর, খালেদা জিয়ার শেষ শ্রদ্ধা জানাতে

০১:১৭:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রাষ্ট্রীয় মর্যাদার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় অংশ নিতে ভারতের পক্ষ থেকে ঢাকায় এসেছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্কর। বুধবার সকাল সাড়ে এগারোটায় তিনি ঢাকায় পৌঁছান বলে নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র।

ভারত সরকারের বিশ্বাস, খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক দর্শন ও উত্তরাধিকার ভবিষ্যতেও বাংলাদেশ ও ভারতের পারস্পরিক সম্পর্ককে দিকনির্দেশনা দেবে। সেই বিশ্বাস থেকেই ভারত সরকার ও জনগণের প্রতিনিধিত্ব করে তার শেষ শ্রদ্ধা জানাতে এই সংক্ষিপ্ত সফরে ঢাকায় আসেন ড. জয়শঙ্কর।

ঢাকায় পৌঁছানোর পর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, স্বল্প নোটিশে হওয়া এই সফরের মূল উদ্দেশ্য খালেদা জিয়ার প্রতি শেষ সম্মান জানানো।

খালেদা জিয়ার সঙ্গে ভারতের কূটনৈতিক সম্পর্কের দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। বিরোধীদলীয় নেত্রী হিসেবে তিনি ২০১২ সালের ২৮ অক্টোবর থেকে ৩ নভেম্বর পর্যন্ত ভারতের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আমন্ত্রণে দেশটি সফর করেন। এর আগে প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে ২০০৬ সালের মার্চ মাসে তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিংয়ের আমন্ত্রণে রাষ্ট্রীয় সফরে ভারত যান। সেই সফরে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের পাশাপাশি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

এদিকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মঙ্গলবার খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। এক বার্তায় তিনি বলেন, ২০১৫ সালে ঢাকায় খালেদা জিয়ার সঙ্গে তার সাক্ষাতের স্মৃতি তিনি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, খালেদা জিয়ার চিন্তাধারা ও অবদান ভবিষ্যতেও ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ককে পথ দেখাবে।

বার্তায় নরেন্দ্র মোদি বলেন, বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেশটির উন্নয়নে এবং বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক জোরদারে খালেদা জিয়ার ভূমিকা চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। তিনি তার আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার ও বাংলাদেশের জনগণের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। একই সঙ্গে মহান আল্লাহর কাছে তার পরিবারকে এই শোক সইবার শক্তি দেওয়ার প্রার্থনা করেন।

বুধবার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় জানাজা শেষে ঢাকার শেরেবাংলা নগরে স্বামী ও সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের পাশে বেগম খালেদা জিয়াকে দাফন করা হবে।

Page