১০:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬
ট্রাম্পের ইরান যুদ্ধকে কীভাবে ভাবা উচিত আলিসা লিউ ও আইলিন গু: দুই দেশের আয়নায় প্রতিচ্ছবি মানুষ ৪০ হাজার বছর আগে লিখতে শিখেছিলো কেন পর্যাপ্ত ঘুমের পরও অনেকেই সারাক্ষণ ক্লান্ত বোধ করেন গুচির দেহমোহে বাজি, নব্বই দশকের ঝলক ফেরাতে ডেমনার সাহসী প্রদর্শনী জাপানের ধনীদের দিকে ঝুঁকছে কেকেআর ও ব্ল্যাকস্টোন, মার্কিন বেসরকারি সম্পদ বাজারে অস্থিরতার মধ্যেই নতুন কৌশল মুন দুবাই কি সত্যিই বাস্তব হচ্ছে? ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা জানালেন প্রতিষ্ঠাতারা সাউথ চায়না সি আচরণবিধি ২০২৬-এর মধ্যে সম্ভব নয়: বিশেষজ্ঞের সতর্কবার্তা আগের ধস কাটিয়ে শুরুতেই ঘুরে দাঁড়াল ডিএসই ও সিএসই সাতক্ষীরার শ্যামনগরে প্রেস ক্লাব সভাপতির ওপর হামলা, আটক ২

খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় নেতা: জামায়াত নেতা তাহের

বাংলাদেশের রাজনীতিতে খালেদা জিয়ার জনপ্রিয়তা ছিল অতুলনীয়—এমন মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। মঙ্গলবার তিনি বলেন, এ পর্যন্ত সবকিছু বিবেচনায় নিলে খালেদা জিয়াই বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা ছিলেন। তার মৃত্যুতে আজ কোনো দ্বিধা ছাড়াই পুরো জাতি শোক ও শ্রদ্ধায় একতাবদ্ধ হয়েছে।

গুলশানে শোকবার্তায় স্বাক্ষরের পর বক্তব্য

মঙ্গলবার সন্ধ্যা প্রায় সাতটা পঁয়তাল্লিশ মিনিটে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তাহের। সেখানে খালেদা জিয়ার স্মরণে খোলা শোকবইয়ে স্বাক্ষর করার পর তিনি এসব কথা বলেন।

আপসহীন নেতৃত্ব ও দেশপ্রেম

তাহের বলেন, জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে খালেদা জিয়া ছিলেন আপসহীন নেতা। তার রাজনৈতিক জীবনের প্রতিটি ধাপে তিনি সেটির প্রমাণ রেখেছেন। তিনি ছিলেন গভীরভাবে দেশপ্রেমিক এবং শক্তিশালী প্রতিবেশী দেশগুলোর চাপের মধ্যেও কখনো জাতীয় স্বার্থে আপস করেননি। এই দৃঢ় অবস্থানের কারণেই তাকে বারবার রাজনৈতিক নিপীড়নের শিকার হতে হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

রোগকালে সর্বদলীয় সহানুভূতি

জামায়াত নেতা আরও বলেন, খালেদা জিয়ার অসুস্থতার সময় দেশের সব রাজনৈতিক মতের মানুষ উদ্বেগ ও ভালোবাসা নিয়ে তার সুস্থতার জন্য দোয়া করেছেন। সবাই এক হয়ে পাশে দাঁড়িয়েছিল, যা তার প্রতি মানুষের গভীর ভালোবাসা ও সম্মানের স্পষ্ট প্রমাণ।

খালেদা জিয়ার প্রয়াণে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শোক

জাতির প্রতি আহ্বান

তাহের বলেন, জনগণের সর্বোচ্চ সম্মান ও ভালোবাসা নিয়ে খালেদা জিয়ার জীবনাবসান হয়েছে। রাজনৈতিক জীবনে তিনি সফল ছিলেন। এখন জাতির দায়িত্ব হলো তার দেশপ্রেম ও দেশের প্রতি নিবেদন অনুসরণ করে সামনে এগিয়ে যাওয়া।

মৃত্যুর তথ্য

মঙ্গলবার ভোর প্রায় ছয়টায় ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় খালেদা জিয়া মৃত্যুবরণ করেন। তিনি এক মাসেরও বেশি সময় সেখানে চিকিৎসা নিয়েছিলেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের ইরান যুদ্ধকে কীভাবে ভাবা উচিত

খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় নেতা: জামায়াত নেতা তাহের

০২:৫১:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশের রাজনীতিতে খালেদা জিয়ার জনপ্রিয়তা ছিল অতুলনীয়—এমন মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। মঙ্গলবার তিনি বলেন, এ পর্যন্ত সবকিছু বিবেচনায় নিলে খালেদা জিয়াই বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা ছিলেন। তার মৃত্যুতে আজ কোনো দ্বিধা ছাড়াই পুরো জাতি শোক ও শ্রদ্ধায় একতাবদ্ধ হয়েছে।

গুলশানে শোকবার্তায় স্বাক্ষরের পর বক্তব্য

মঙ্গলবার সন্ধ্যা প্রায় সাতটা পঁয়তাল্লিশ মিনিটে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তাহের। সেখানে খালেদা জিয়ার স্মরণে খোলা শোকবইয়ে স্বাক্ষর করার পর তিনি এসব কথা বলেন।

আপসহীন নেতৃত্ব ও দেশপ্রেম

তাহের বলেন, জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে খালেদা জিয়া ছিলেন আপসহীন নেতা। তার রাজনৈতিক জীবনের প্রতিটি ধাপে তিনি সেটির প্রমাণ রেখেছেন। তিনি ছিলেন গভীরভাবে দেশপ্রেমিক এবং শক্তিশালী প্রতিবেশী দেশগুলোর চাপের মধ্যেও কখনো জাতীয় স্বার্থে আপস করেননি। এই দৃঢ় অবস্থানের কারণেই তাকে বারবার রাজনৈতিক নিপীড়নের শিকার হতে হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

রোগকালে সর্বদলীয় সহানুভূতি

জামায়াত নেতা আরও বলেন, খালেদা জিয়ার অসুস্থতার সময় দেশের সব রাজনৈতিক মতের মানুষ উদ্বেগ ও ভালোবাসা নিয়ে তার সুস্থতার জন্য দোয়া করেছেন। সবাই এক হয়ে পাশে দাঁড়িয়েছিল, যা তার প্রতি মানুষের গভীর ভালোবাসা ও সম্মানের স্পষ্ট প্রমাণ।

খালেদা জিয়ার প্রয়াণে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শোক

জাতির প্রতি আহ্বান

তাহের বলেন, জনগণের সর্বোচ্চ সম্মান ও ভালোবাসা নিয়ে খালেদা জিয়ার জীবনাবসান হয়েছে। রাজনৈতিক জীবনে তিনি সফল ছিলেন। এখন জাতির দায়িত্ব হলো তার দেশপ্রেম ও দেশের প্রতি নিবেদন অনুসরণ করে সামনে এগিয়ে যাওয়া।

মৃত্যুর তথ্য

মঙ্গলবার ভোর প্রায় ছয়টায় ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় খালেদা জিয়া মৃত্যুবরণ করেন। তিনি এক মাসেরও বেশি সময় সেখানে চিকিৎসা নিয়েছিলেন।