১০:৫২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৩ জানুয়ারী ২০২৬
ইয়েমেনে দক্ষিণাঞ্চলীয় বিচ্ছিন্নতাবাদীদের স্বাধীনতার দাবি জোরালো, গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সংঘর্ষ তীব্র আশুলিয়ায় যুবলীগ নেতাকে গ্রেপ্তার, হত্যা মামলার তদন্তে অগ্রগতি মন্দিরে দানবাক্স ভেঙে নগদ টাকা ও মূল্যবান সামগ্রী লুট কুমিল্লা-৩ আসনে জামায়াত প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল আখাউড়ায় আন্তঃনগর ট্রেন থেকে ভারতীয় শাড়ি ও কম্বল জব্দ কুমিল্লা-৬ এ স্বতন্ত্র প্রার্থী ইয়াসিন, বললেন বিএনপির সঙ্গেই আছি, থাকব রাজশাহীতে নারীর টিকটক ভিডিওতে পুলিশ পোশাক: কনস্টেবল প্রত্যাহার কুষ্টিয়ায় কসমেটিকস গুদামে আগুন, ক্ষতি প্রায় ৪০ লাখ টাকা চট্টগ্রামের শাহ আমানত বিমানবন্দরে যাত্রীদের বিক্ষোভ, ভাঙচুর ফেনীতে সড়ক দুর্ঘটনায় তরুণের মৃত্যু

খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করলেন নাতনি জাইমাসহ পরিবারের সদস্যরা

সমকালের একটি শিরোনাম “খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করলেন নাতনি জাইমাসহ পরিবারের সদস্যরা”

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করেছেন তার নাতনি জাইমা রহমানসহ পরিবারের সদস্যরা। আজ শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর জিয়া উদ্যানের কবরে শ্রদ্ধা জানাতে যান তারা। এ সময় খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শামিলা রহমান, তার মেয়ে জাহিয়া রহমানসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

কবর জিয়ারতের সময় তারা কবরের পাশে দাঁড়িয়ে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত করেন। এরপর দোয়া ও মোনাজাত করেন। প্রায় ২০ মিনিট সেখানে অবস্থান শেষে পরিবারের সদস্যরা চলে যান।

ফজরের নামাজের পর থেকে সাধারণ মানুষের জন্য কবর জিয়ারত ও দোয়া পাঠের সুযোগ উন্মুক্ত ছিল। তবে জাইমা রহমানসহ পরিবারের সদস্যদের আগমনকে কেন্দ্র করে প্রায় এক ঘণ্টার জন্য সাধারণ দর্শনার্থীদের প্রবেশ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়।

গতকাল বৃহস্পতিবারও খালেদা জিয়ার কবরে বিএনপির নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ দোয়া করেন, শ্রদ্ধা জানান।

খালেদা জিয়া গত মঙ্গলবার রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। পরদিন খালেদা জিয়ার জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়। খালেদা জিয়ার জানাজায় দলমত-নির্বিশেষে অগণিত মানুষ যোগ দেন। জানাজা শেষে জিয়া উদ্যানে স্বামী সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে খালেদা জিয়াকে দাফন করা হয়।

আজকের পত্রিকার একটি শিরোনাম”হলফনামা বিশ্লেষণ: রাজশাহীর ৯২ শতাংশ প্রার্থীই উচ্চশিক্ষিত”

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহীর ছয়টি সংসদীয় আসনে ৩৮টি মনোনয়নপত্র দাখিল হয়েছে। এর মধ্যে একজন প্রার্থী দুটি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। সে হিসেবে ভোটের মাঠে আছেন ৩৭ জন। তাঁদের মধ্যে ৩৪ জন অর্থাৎ প্রায় ৯২ শতাংশ প্রার্থীই উচ্চশিক্ষিত।

হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, প্রার্থীদের মধ্যে চারজন চিকিৎসক। তাঁরা হলেন জামায়াতে ইসলামীর রাজশাহী-২ (সদর) আসনের প্রার্থী মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর ও রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনের আব্দুল বারী সরদার, রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আল সাআদ এবং রাজশাহী-২ আসনের নাগরিক ঐক্যের প্রার্থী মোহাম্মদ সামছুল আলম।

রাজশাহীর ছয়টি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে ২৭ জন স্নাতক, স্নাতকোত্তর বা সমমানের সনদধারী। তাঁদের মধ্যে এমবিএ করা শাহাবুদ্দিন রাজশাহী-২ ও রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনে প্রার্থী হয়েছেন। তিনি জাতীয় পার্টির সাবেক নেতা, নির্বাচনে লড়ছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে। এই ২৭ জনের মধ্যে আটজনের স্নাতক বা সমমানের শিক্ষাগত যোগ্যতা রয়েছে। একজন করে প্রার্থী রয়েছেন অষ্টম শ্রেণি, এসএসসি ও এইচএসসি পর্যন্ত শিক্ষাগত যোগ্যতার।

বিএনপির প্রার্থীদের মধ্যে রাজশাহী-১ আসনের মেজর জেনারেল (অব.) শরীফ উদ্দীন স্নাতক, রাজশাহী-২ আসনের মিজানুর রহমান মিনু স্নাতক (পাস কোর্স), রাজশাহী-৩ আসনের শফিকুল হক মিলন স্নাতকোত্তর, রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনের ডি এম ডি জিয়াউর রহমান স্নাতকোত্তর, রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসনের নজরুল ইসলাম স্নাতকোত্তর এবং রাজশাহী-৬ (বাঘা-চারঘাট) আসনের প্রার্থী আবু সাঈদ চাঁদের শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসি।

রাজশাহী-৬ আসনের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী আব্দুস সালাম সুরুজ অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেছেন। আর রাজশাহী-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী কৃষক লীগের নেত্রী ও উপজেলা পরিষদের সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হাবিবা বেগমের শিক্ষাগত যোগ্যতা এইচএসসি।

 

বণিকবার্তার একটি শিরোনাম “সারা দেশে মোবাইল হ্যান্ডসেটের দোকান বন্ধ, ভোগান্তিতে গ্রাহকরা”

দেশে অবৈধ বা ক্লোন করা মোবাইল হ্যান্ডসেট বিক্রি বন্ধ ও মোবাইল ব্যবসা নিয়ন্ত্রণে আনতে সরকার বছরের প্রথম দিন থেকে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) ব্যবস্থা চালু করেছে। মোবাইল হ্যান্ডসেট ও গ্যাজেট বিক্রির ক্ষেত্রে সরকার এনইআইআরের উদ্যোগ নিলেও মোবাইল ব্যবসায়ীদের একটি অংশ সেটি মেনে নেয়নি। এনইআইআর চালুর প্রতিবাদ ও বিটিআরসি ভবনে হামলার ঘটনায় গ্রেফতারকৃত ব্যবসায়ীদের মুক্তির দাবিতে সারা দেশে অনির্দিষ্টকালের জন্য দোকানপাট বন্ধ রেখেছেন মুঠোফোন ব্যবসায়ীরা। ফলে মোবাইল কিনতে এসে ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে গ্রাহকদের।

জানা যায়, দেশে ব্যবহৃত মোবাইল হ্যান্ডসেটের ৬০ শতাংশ আন-অফিশিয়াল। এসব হ্যান্ডসেট ব্যবহার করে একটি অসাধু চক্র প্রতারণা করছে। ফলে অবৈধ ফোন বন্ধ করতে ও নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসতে এনইআইআর সিস্টেম চালু করেছে সরকার। তবে মোবাইল ব্যবসায়ীরা বলছেন, এর ফলে দেশের কয়েক লাখ মোবাইল ফোন বন্ধ হয়ে যেতে পারে। তাদের দাবি, এনইআইআর সংশোধন, মোবাইল আমদানিতে করহার কমানো, এনওসি প্রক্রিয়া সহজ করা, মোবাইল ব্যবসা সিন্ডিকেটমুক্ত করা।

এসব দাবিতে দুই মাস ধরে বিটিআরসি ঘেরাও, সড়ক অবরোধ, মানববন্ধনসহ নানা আন্দোলন করে আসছেন ব্যবসায়ীরা। তাদের নেতৃত্ব দিচ্ছে মোবাইল হ্যান্ডসেট ও গ্যাজেট ব্যবসায়ীদের সংগঠন মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশ (এমবিসিবি)। ব্যবসায়ীদের আন্দোলনের মুখে গত ১০ ডিসেম্বর আইসিটি মন্ত্রণালয়, বিটিআরসি, এনবিআরসহ অন্যান্য সংস্থা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনায় বসে। সভায় আন-অফিশিয়াল ফোন বিক্রির জন্য বিক্রেতারা মার্চ পর্যন্ত সময় পাবেন বলে জানানো হয়। এর মধ্যে গ্রাহক আন-অফিশিয়াল ফোন কিনলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধিত হবে বলেও জানানো হয়।

পূর্বনির্ধারিত ঘোষণা মোতাবেক ১ জানুয়ারি এনইআইআর চালু করে বিটিআরসি। এর প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার বিকালে বিটিআরসি ভাংচুর করেন মোবাইল ব্যবসায়ীরা। এ সময় পুলিশ ও সেনাবাহিনী তাদের সরিয়ে দেয় এবং অভিযান চালিয়ে অর্ধশতাধিক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়। এ ঘটনায় বিটিআরসির লিগ্যাল অ্যান্ড লাইসেন্সিং বিভাগের সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ আশরাফুজ্জামান জাহেদ বাদী হয়ে ৫৫ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ৫০০-৬০০ জনকে আসামি করে শেরেবাংলা নগর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

 

মানবজমিনের একটি শিরোন “এনসিপি ছাড়ছেন কেন্দ্রীয় নেতারা”

জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে নির্বাচনী জোটে যাওয়ার সিদ্ধান্তকে ঘিরে টানাপড়েন চলছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)তে। একের পর এক পদত্যাগ করছেন কেন্দ্রীয় নেতারা। এতে স্পষ্ট ভাঙনের মুখে দলটি। গত ৯ দিনে এনসিপি থেকে ১১ জন কেন্দ্রীয় নেতা পদত্যাগ করেছেন। এনসিপি দলীয় সূত্র বলছে, জামায়াতের সঙ্গে জোটে যাওয়ার কারণে দলের কিছু নেতা পদত্যাগ করেছেন। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা, এনসিপি’র দলীয় আদর্শ এসব বিবেচনায় দলের অনেক কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। অনেক নেতা নির্বাচনে আসন চেয়েছিলেন, না পাওয়ায়ও অনেকে পদত্যাগ করেছেন। অন্যদিকে এখনো ১০ দলীয় জোটে কত আসনে এনসিপি’র প্রার্থী চূড়ান্ত হয়েছে- তা এখনো পরিষ্কার করেনি দলটি। দলটির এক যুগ্ম আহ্বায়ক জানান, এখনো চাওয়া-পাওয়ার আলোচনা চলছে। আমাদেরও কিছু চাওয়া- পাওয়া আছে, জোটেরও আছে। মনোনয়ন প্রত্যাহারের দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানতে।

এদিকে, গত বৃহস্পতিবার একদিনেই এনসিপি’র চারজন কেন্দ্রীয় নেতা পদত্যাগ করেন। তারা হলেন- যুগ্ম সদস্য সচিব মুশফিক উস সালেহীন, যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক খান মুহাম্মদ মুরসালীন, সংগঠক ওয়াহিদুজ্জামান এবং কেন্দ্রীয় সদস্য আল আমিন আহমেদ টুটুল। এর আগে গত বুধবার রাতে পদত্যাগ করেন যুগ্ম আহ্বায়ক খালেদ সাইফুল্লাহ।

সূত্র জানায়, গত বছরের ২৪শে ডিসেম্বর রাতে এনসিপি’র নির্বাহী কাউন্সিলের সভায় জামায়াতের সঙ্গে এনসিপি’র নির্বাচনী সমঝোতার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়। এরপর গত ২৫শে ডিসেম্বর বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরার দিন তাকে সমর্থন জানিয়ে পদত্যাগ করেন এনসিপি’র কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সদস্যসচিব মীর আরশাদুল হক। মীর আরশাদুলের পদত্যাগের দু’দিন পর ২৭শে ডিসেম্বর পদত্যাগ করে স্বতন্ত্র নির্বাচনের ঘোষণা দেন এনসিপি’র জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারা। সেদিনই জোটবদ্ধ নির্বাচনের বিষয়ে আপত্তি জানিয়ে দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের কাছে স্মারকলিপি দেন এনসিপি’র ৩০ নেতা। তাদের অনেকেই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
তাসনিম জারার পদত্যাগের পরদিন ২৮শে ডিসেম্বর পদত্যাগ করেন এনসিপি’র যুগ্ম আহ্বায়ক তাজনূভা জাবীন। ৩০শে ডিসেম্বর পদত্যাগ করেন দলটির যুগ্ম সদস্য সচিব আরিফ সোহেল, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আসিফ মোস্তফা জামাল (নেহাল) ও মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর নাতি কৃষক উইংয়ের প্রধান সমন্বয়কারী আজাদ খান ভাসানী।

২০২৫ সাল শেষ হলেও এনসিপি নেতাদের পদত্যাগের তালিকা এখানেই থেমে যায়নি। বছরের শুরুর দিনেই পদত্যাগ করেছেন খান মুহাম্মদ মুরসালীন, ফারহাদ আলম ভূঁইয়া, মুশফিক উস সালেহীন ও আল আমিন আহমেদ টুটুল।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইয়েমেনে দক্ষিণাঞ্চলীয় বিচ্ছিন্নতাবাদীদের স্বাধীনতার দাবি জোরালো, গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সংঘর্ষ তীব্র

খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করলেন নাতনি জাইমাসহ পরিবারের সদস্যরা

০৮:৩৪:২৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬

সমকালের একটি শিরোনাম “খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করলেন নাতনি জাইমাসহ পরিবারের সদস্যরা”

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করেছেন তার নাতনি জাইমা রহমানসহ পরিবারের সদস্যরা। আজ শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর জিয়া উদ্যানের কবরে শ্রদ্ধা জানাতে যান তারা। এ সময় খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শামিলা রহমান, তার মেয়ে জাহিয়া রহমানসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

কবর জিয়ারতের সময় তারা কবরের পাশে দাঁড়িয়ে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত করেন। এরপর দোয়া ও মোনাজাত করেন। প্রায় ২০ মিনিট সেখানে অবস্থান শেষে পরিবারের সদস্যরা চলে যান।

ফজরের নামাজের পর থেকে সাধারণ মানুষের জন্য কবর জিয়ারত ও দোয়া পাঠের সুযোগ উন্মুক্ত ছিল। তবে জাইমা রহমানসহ পরিবারের সদস্যদের আগমনকে কেন্দ্র করে প্রায় এক ঘণ্টার জন্য সাধারণ দর্শনার্থীদের প্রবেশ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়।

গতকাল বৃহস্পতিবারও খালেদা জিয়ার কবরে বিএনপির নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ দোয়া করেন, শ্রদ্ধা জানান।

খালেদা জিয়া গত মঙ্গলবার রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। পরদিন খালেদা জিয়ার জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়। খালেদা জিয়ার জানাজায় দলমত-নির্বিশেষে অগণিত মানুষ যোগ দেন। জানাজা শেষে জিয়া উদ্যানে স্বামী সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে খালেদা জিয়াকে দাফন করা হয়।

আজকের পত্রিকার একটি শিরোনাম”হলফনামা বিশ্লেষণ: রাজশাহীর ৯২ শতাংশ প্রার্থীই উচ্চশিক্ষিত”

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহীর ছয়টি সংসদীয় আসনে ৩৮টি মনোনয়নপত্র দাখিল হয়েছে। এর মধ্যে একজন প্রার্থী দুটি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। সে হিসেবে ভোটের মাঠে আছেন ৩৭ জন। তাঁদের মধ্যে ৩৪ জন অর্থাৎ প্রায় ৯২ শতাংশ প্রার্থীই উচ্চশিক্ষিত।

হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, প্রার্থীদের মধ্যে চারজন চিকিৎসক। তাঁরা হলেন জামায়াতে ইসলামীর রাজশাহী-২ (সদর) আসনের প্রার্থী মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর ও রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনের আব্দুল বারী সরদার, রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আল সাআদ এবং রাজশাহী-২ আসনের নাগরিক ঐক্যের প্রার্থী মোহাম্মদ সামছুল আলম।

রাজশাহীর ছয়টি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে ২৭ জন স্নাতক, স্নাতকোত্তর বা সমমানের সনদধারী। তাঁদের মধ্যে এমবিএ করা শাহাবুদ্দিন রাজশাহী-২ ও রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনে প্রার্থী হয়েছেন। তিনি জাতীয় পার্টির সাবেক নেতা, নির্বাচনে লড়ছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে। এই ২৭ জনের মধ্যে আটজনের স্নাতক বা সমমানের শিক্ষাগত যোগ্যতা রয়েছে। একজন করে প্রার্থী রয়েছেন অষ্টম শ্রেণি, এসএসসি ও এইচএসসি পর্যন্ত শিক্ষাগত যোগ্যতার।

বিএনপির প্রার্থীদের মধ্যে রাজশাহী-১ আসনের মেজর জেনারেল (অব.) শরীফ উদ্দীন স্নাতক, রাজশাহী-২ আসনের মিজানুর রহমান মিনু স্নাতক (পাস কোর্স), রাজশাহী-৩ আসনের শফিকুল হক মিলন স্নাতকোত্তর, রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনের ডি এম ডি জিয়াউর রহমান স্নাতকোত্তর, রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসনের নজরুল ইসলাম স্নাতকোত্তর এবং রাজশাহী-৬ (বাঘা-চারঘাট) আসনের প্রার্থী আবু সাঈদ চাঁদের শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসি।

রাজশাহী-৬ আসনের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী আব্দুস সালাম সুরুজ অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেছেন। আর রাজশাহী-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী কৃষক লীগের নেত্রী ও উপজেলা পরিষদের সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হাবিবা বেগমের শিক্ষাগত যোগ্যতা এইচএসসি।

 

বণিকবার্তার একটি শিরোনাম “সারা দেশে মোবাইল হ্যান্ডসেটের দোকান বন্ধ, ভোগান্তিতে গ্রাহকরা”

দেশে অবৈধ বা ক্লোন করা মোবাইল হ্যান্ডসেট বিক্রি বন্ধ ও মোবাইল ব্যবসা নিয়ন্ত্রণে আনতে সরকার বছরের প্রথম দিন থেকে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) ব্যবস্থা চালু করেছে। মোবাইল হ্যান্ডসেট ও গ্যাজেট বিক্রির ক্ষেত্রে সরকার এনইআইআরের উদ্যোগ নিলেও মোবাইল ব্যবসায়ীদের একটি অংশ সেটি মেনে নেয়নি। এনইআইআর চালুর প্রতিবাদ ও বিটিআরসি ভবনে হামলার ঘটনায় গ্রেফতারকৃত ব্যবসায়ীদের মুক্তির দাবিতে সারা দেশে অনির্দিষ্টকালের জন্য দোকানপাট বন্ধ রেখেছেন মুঠোফোন ব্যবসায়ীরা। ফলে মোবাইল কিনতে এসে ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে গ্রাহকদের।

জানা যায়, দেশে ব্যবহৃত মোবাইল হ্যান্ডসেটের ৬০ শতাংশ আন-অফিশিয়াল। এসব হ্যান্ডসেট ব্যবহার করে একটি অসাধু চক্র প্রতারণা করছে। ফলে অবৈধ ফোন বন্ধ করতে ও নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসতে এনইআইআর সিস্টেম চালু করেছে সরকার। তবে মোবাইল ব্যবসায়ীরা বলছেন, এর ফলে দেশের কয়েক লাখ মোবাইল ফোন বন্ধ হয়ে যেতে পারে। তাদের দাবি, এনইআইআর সংশোধন, মোবাইল আমদানিতে করহার কমানো, এনওসি প্রক্রিয়া সহজ করা, মোবাইল ব্যবসা সিন্ডিকেটমুক্ত করা।

এসব দাবিতে দুই মাস ধরে বিটিআরসি ঘেরাও, সড়ক অবরোধ, মানববন্ধনসহ নানা আন্দোলন করে আসছেন ব্যবসায়ীরা। তাদের নেতৃত্ব দিচ্ছে মোবাইল হ্যান্ডসেট ও গ্যাজেট ব্যবসায়ীদের সংগঠন মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশ (এমবিসিবি)। ব্যবসায়ীদের আন্দোলনের মুখে গত ১০ ডিসেম্বর আইসিটি মন্ত্রণালয়, বিটিআরসি, এনবিআরসহ অন্যান্য সংস্থা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনায় বসে। সভায় আন-অফিশিয়াল ফোন বিক্রির জন্য বিক্রেতারা মার্চ পর্যন্ত সময় পাবেন বলে জানানো হয়। এর মধ্যে গ্রাহক আন-অফিশিয়াল ফোন কিনলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধিত হবে বলেও জানানো হয়।

পূর্বনির্ধারিত ঘোষণা মোতাবেক ১ জানুয়ারি এনইআইআর চালু করে বিটিআরসি। এর প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার বিকালে বিটিআরসি ভাংচুর করেন মোবাইল ব্যবসায়ীরা। এ সময় পুলিশ ও সেনাবাহিনী তাদের সরিয়ে দেয় এবং অভিযান চালিয়ে অর্ধশতাধিক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়। এ ঘটনায় বিটিআরসির লিগ্যাল অ্যান্ড লাইসেন্সিং বিভাগের সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ আশরাফুজ্জামান জাহেদ বাদী হয়ে ৫৫ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ৫০০-৬০০ জনকে আসামি করে শেরেবাংলা নগর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

 

মানবজমিনের একটি শিরোন “এনসিপি ছাড়ছেন কেন্দ্রীয় নেতারা”

জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে নির্বাচনী জোটে যাওয়ার সিদ্ধান্তকে ঘিরে টানাপড়েন চলছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)তে। একের পর এক পদত্যাগ করছেন কেন্দ্রীয় নেতারা। এতে স্পষ্ট ভাঙনের মুখে দলটি। গত ৯ দিনে এনসিপি থেকে ১১ জন কেন্দ্রীয় নেতা পদত্যাগ করেছেন। এনসিপি দলীয় সূত্র বলছে, জামায়াতের সঙ্গে জোটে যাওয়ার কারণে দলের কিছু নেতা পদত্যাগ করেছেন। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা, এনসিপি’র দলীয় আদর্শ এসব বিবেচনায় দলের অনেক কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। অনেক নেতা নির্বাচনে আসন চেয়েছিলেন, না পাওয়ায়ও অনেকে পদত্যাগ করেছেন। অন্যদিকে এখনো ১০ দলীয় জোটে কত আসনে এনসিপি’র প্রার্থী চূড়ান্ত হয়েছে- তা এখনো পরিষ্কার করেনি দলটি। দলটির এক যুগ্ম আহ্বায়ক জানান, এখনো চাওয়া-পাওয়ার আলোচনা চলছে। আমাদেরও কিছু চাওয়া- পাওয়া আছে, জোটেরও আছে। মনোনয়ন প্রত্যাহারের দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানতে।

এদিকে, গত বৃহস্পতিবার একদিনেই এনসিপি’র চারজন কেন্দ্রীয় নেতা পদত্যাগ করেন। তারা হলেন- যুগ্ম সদস্য সচিব মুশফিক উস সালেহীন, যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক খান মুহাম্মদ মুরসালীন, সংগঠক ওয়াহিদুজ্জামান এবং কেন্দ্রীয় সদস্য আল আমিন আহমেদ টুটুল। এর আগে গত বুধবার রাতে পদত্যাগ করেন যুগ্ম আহ্বায়ক খালেদ সাইফুল্লাহ।

সূত্র জানায়, গত বছরের ২৪শে ডিসেম্বর রাতে এনসিপি’র নির্বাহী কাউন্সিলের সভায় জামায়াতের সঙ্গে এনসিপি’র নির্বাচনী সমঝোতার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়। এরপর গত ২৫শে ডিসেম্বর বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরার দিন তাকে সমর্থন জানিয়ে পদত্যাগ করেন এনসিপি’র কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সদস্যসচিব মীর আরশাদুল হক। মীর আরশাদুলের পদত্যাগের দু’দিন পর ২৭শে ডিসেম্বর পদত্যাগ করে স্বতন্ত্র নির্বাচনের ঘোষণা দেন এনসিপি’র জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারা। সেদিনই জোটবদ্ধ নির্বাচনের বিষয়ে আপত্তি জানিয়ে দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের কাছে স্মারকলিপি দেন এনসিপি’র ৩০ নেতা। তাদের অনেকেই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
তাসনিম জারার পদত্যাগের পরদিন ২৮শে ডিসেম্বর পদত্যাগ করেন এনসিপি’র যুগ্ম আহ্বায়ক তাজনূভা জাবীন। ৩০শে ডিসেম্বর পদত্যাগ করেন দলটির যুগ্ম সদস্য সচিব আরিফ সোহেল, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আসিফ মোস্তফা জামাল (নেহাল) ও মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর নাতি কৃষক উইংয়ের প্রধান সমন্বয়কারী আজাদ খান ভাসানী।

২০২৫ সাল শেষ হলেও এনসিপি নেতাদের পদত্যাগের তালিকা এখানেই থেমে যায়নি। বছরের শুরুর দিনেই পদত্যাগ করেছেন খান মুহাম্মদ মুরসালীন, ফারহাদ আলম ভূঁইয়া, মুশফিক উস সালেহীন ও আল আমিন আহমেদ টুটুল।