০২:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে বাংলাদেশি শ্রমিকদের স্বপ্ন অনিশ্চিত, রেমিট্যান্সেও চাপ ইরানের ফিফা বিশ্বকাপের টিকেট বাতিল করল যুক্তরাষ্ট্র কুয়েতে ড্রোন হামলায় ৫ বাংলাদেশি আহত, দূতাবাস মাঠে ইরান-ইসরায়েল আবার থামল, কিন্তু শান্তি কতটা টেকসই? ব্যাংক অ্যাকাউন্টে TIN বাধ্যতামূলক হচ্ছে, কোটি গ্রাহকের জীবনে বড় পরিবর্তন টাঙ্গাইলে পিকআপ-ট্রাক সংঘর্ষে ৪ জন নিহত নতুন নির্বাচন কমিশনে প্রাক্তন আমলার নাম, সুপ্রিম কোর্টে বিচার বিভাগীয় স্বাধীনতার শুনানি ১৬ জুন রামিসা হত্যা: ১৯ দিনে ফাঁসির রায়, দেশজুড়ে স্বস্তি ইসলামী ব্যাংকে সংকট: সাত দিনে উঠে গেল ৪ হাজার কোটি টাকারও বেশি লাজুক জুঁই

রাজধানীর দক্ষিণখানে ভাড়া বাসা থেকে নারী পুলিশ সদস্যের মরদেহ উদ্ধার

রাজধানীর দক্ষিণখান এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে রাজিয়া সুলতানা মিম নামের এক নারী পুলিশ সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তাঁর বয়স ছিল ২৮ বছর। শুক্রবার দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়।

উদ্ধারের ঘটনা ও পরিচয়

পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে দক্ষিণখানের কসাইবাড়ি এলাকার একটি বাসা থেকে রাজিয়ার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি উত্তরা হেডকোয়ার্টার এপিবিএনে কর্মরত ছিলেন। রাজিয়ার গ্রামের বাড়ি বরিশালের উজিরপুর উপজেলার নয়াবাড়ি গ্রামে। তাঁর বাবার নাম মো. নাসির উদ্দিন বাচ্চু।

রাজধানীর দক্ষিণখানে নারী পুলিশ সদস্যের 'আত্মহত্যা'

পুলিশের বক্তব্য

দক্ষিণখান থানার উপপরিদর্শক পলাশ আহমেদ বলেন, রাজিয়া দক্ষিণখানের একটি বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। তাঁর স্বামী রাজীব মিয়া একজন কনস্টেবল। রাজীবের কর্মস্থল ফরিদপুরের ভাঙ্গা হাইওয়ে এলাকা এবং তাঁর বাড়ি শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলায়।

ঘটনার বিবরণ

পলাশ আহমেদ জানান, রাজিয়ার স্বামীর দাবি অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার রাতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হয়। সেই সময় রাজিয়া তাঁর আইফোন ভেঙে ফেলেন। এর আগেও তিনি একটি ভিভো ফোন ভেঙে ফেলেছিলেন। এই ঘটনার পর রাত আনুমানিক ৯টা ২০ মিনিট থেকে ৯টা ৪০ মিনিটের মধ্যে যেকোনো সময়ে রাজিয়া ঘরের ভেতরে গলায় ফাঁস দেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। কিছুক্ষণ পর বিষয়টি বুঝতে পেরে রাজীব তাঁকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে মধ্যরাতে চিকিৎসক রাজিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন।

রাজধানীতে নারী পুলিশ সদস্যের মরদেহ উদ্ধার

পারিবারিক ও দাম্পত্য তথ্য

রাজীব মিয়ার বন্ধু শামীম আল মাহীন জানান, পুলিশে চাকরিতে যোগ দেওয়ার পর প্রশিক্ষণ চলাকালে রাজীবের সঙ্গে রাজিয়ার পরিচয় হয়। সেখান থেকেই তাদের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং প্রায় পাঁচ বছর আগে তারা বিয়ে করেন। তাদের সংসারে ১৯ মাস বয়সী একটি কন্যাসন্তান রয়েছে।

কর্মস্থলের দূরত্ব ও শেষ খবর

কর্মস্থলের কারণে রাজিয়া ঢাকার দক্ষিণখানে থাকতেন এবং রাজীব ফরিদপুরের ভাঙ্গায় অবস্থান করতেন। তবে রাজীব প্রতি সপ্তাহে স্ত্রীর কাছে আসতেন। বৃহস্পতিবার রাতে কোনো এক কারণে রাজিয়া গলায় ফাঁস দিয়েছেন—এমন খবর পেয়ে তারা হাসপাতালে গিয়ে মরদেহ দেখতে পান।

জনপ্রিয় সংবাদ

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে বাংলাদেশি শ্রমিকদের স্বপ্ন অনিশ্চিত, রেমিট্যান্সেও চাপ

রাজধানীর দক্ষিণখানে ভাড়া বাসা থেকে নারী পুলিশ সদস্যের মরদেহ উদ্ধার

০৯:০৫:৩৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬

রাজধানীর দক্ষিণখান এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে রাজিয়া সুলতানা মিম নামের এক নারী পুলিশ সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তাঁর বয়স ছিল ২৮ বছর। শুক্রবার দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়।

উদ্ধারের ঘটনা ও পরিচয়

পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে দক্ষিণখানের কসাইবাড়ি এলাকার একটি বাসা থেকে রাজিয়ার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি উত্তরা হেডকোয়ার্টার এপিবিএনে কর্মরত ছিলেন। রাজিয়ার গ্রামের বাড়ি বরিশালের উজিরপুর উপজেলার নয়াবাড়ি গ্রামে। তাঁর বাবার নাম মো. নাসির উদ্দিন বাচ্চু।

রাজধানীর দক্ষিণখানে নারী পুলিশ সদস্যের 'আত্মহত্যা'

পুলিশের বক্তব্য

দক্ষিণখান থানার উপপরিদর্শক পলাশ আহমেদ বলেন, রাজিয়া দক্ষিণখানের একটি বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। তাঁর স্বামী রাজীব মিয়া একজন কনস্টেবল। রাজীবের কর্মস্থল ফরিদপুরের ভাঙ্গা হাইওয়ে এলাকা এবং তাঁর বাড়ি শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলায়।

ঘটনার বিবরণ

পলাশ আহমেদ জানান, রাজিয়ার স্বামীর দাবি অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার রাতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হয়। সেই সময় রাজিয়া তাঁর আইফোন ভেঙে ফেলেন। এর আগেও তিনি একটি ভিভো ফোন ভেঙে ফেলেছিলেন। এই ঘটনার পর রাত আনুমানিক ৯টা ২০ মিনিট থেকে ৯টা ৪০ মিনিটের মধ্যে যেকোনো সময়ে রাজিয়া ঘরের ভেতরে গলায় ফাঁস দেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। কিছুক্ষণ পর বিষয়টি বুঝতে পেরে রাজীব তাঁকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে মধ্যরাতে চিকিৎসক রাজিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন।

রাজধানীতে নারী পুলিশ সদস্যের মরদেহ উদ্ধার

পারিবারিক ও দাম্পত্য তথ্য

রাজীব মিয়ার বন্ধু শামীম আল মাহীন জানান, পুলিশে চাকরিতে যোগ দেওয়ার পর প্রশিক্ষণ চলাকালে রাজীবের সঙ্গে রাজিয়ার পরিচয় হয়। সেখান থেকেই তাদের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং প্রায় পাঁচ বছর আগে তারা বিয়ে করেন। তাদের সংসারে ১৯ মাস বয়সী একটি কন্যাসন্তান রয়েছে।

কর্মস্থলের দূরত্ব ও শেষ খবর

কর্মস্থলের কারণে রাজিয়া ঢাকার দক্ষিণখানে থাকতেন এবং রাজীব ফরিদপুরের ভাঙ্গায় অবস্থান করতেন। তবে রাজীব প্রতি সপ্তাহে স্ত্রীর কাছে আসতেন। বৃহস্পতিবার রাতে কোনো এক কারণে রাজিয়া গলায় ফাঁস দিয়েছেন—এমন খবর পেয়ে তারা হাসপাতালে গিয়ে মরদেহ দেখতে পান।