১২:২৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬
অর্থমন্ত্রী সতর্কবার্তা: সামনে দুই বছর কঠিন—অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে কষ্টের সিদ্ধান্ত জরুরি মঞ্চে ঝড় তোলেন, তবু বুকের ভেতর কাঁপন—জুডি লাভের অজানা লড়াই মনোরোগ বিশেষজ্ঞ থেকে রহস্যকাহিনি লেখক: নতুন উপন্যাসে চমক দিলেন ফিলিপা পেরি সকালে কমে, বিকেলে আবার বাড়ল স্বর্ণের দাম নাটক থেকেই শুরু, এখন ওয়েবটুন-উপন্যাসে বিস্তার—বিনোদন জগতে নতুন ধারা জুলাই চেতনাকে পুঁজি করে ‘রাজনৈতিক ব্যবসা’ বরদাশত হবে না: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কড়া হুঁশিয়ারি বিসিবি নির্বাচনের কাউন্টডাউন শুরু, ঘরোয়া ক্রিকেটে বড় পরিবর্তনের ঘোষণা অন্ধকার থেকে আলো—ব্যক্তিগত সংগ্রামকে হাসিতে বদলে নতুন মঞ্চে অ্যাঞ্জেলা ড্রাভিড ইউক্রেন যুদ্ধ থেকে শিক্ষা নিয়ে নতুন কৌশল গড়ছে উত্তর কোরিয়া, সতর্ক যুক্তরাষ্ট্র যুক্তরাষ্ট্র এখন চীনের প্রযুক্তি কৌশলই অনুসরণ করছে

ঝড়ো ব্যাটিং আর নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে একাই ম্যাচ ঘুরিয়ে ফাইনালে সাকিব

ঝড়ো ব্যাটিংয়ের সঙ্গে আঁটসাঁট বোলিং মিলিয়ে ম্যাচের রাশ নিজের হাতে নিলেন সাকিব আল হাসান। শেষ দিকে আউট হলেও তার আগেই দলের জয় প্রায় নিশ্চিত করে দিয়ে আইএল টি-টোয়েন্টির ফাইনালে তুলে নিলেন এমআই এমিরেটসকে। এই অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে ম্যাচ-সেরার পুরস্কারও উঠেছে তার হাতেই।

ফাইনালের পথে এমআই এমিরেটস
আইএল টি-টোয়েন্টির দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে আবু ধাবি নাইট রাইডার্সকে ৭ উইকেটে হারিয়ে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছে এমআই এমিরেটস। শুক্রবার শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করে নাইট রাইডার্সকে ১২০ রানে আটকে দেয় এমিরেটসের বোলাররা। সেখানে বড় অবদান ছিল সাকিবের। কোনো উইকেট না পেলেও চার ওভারে মাত্র ২০ রান দিয়ে প্রতিপক্ষের রান তোলার গতি বেঁধে দেন তিনি।

চাপে নেমে ঝড় তুললেন সাকিব
সহজ লক্ষ্য তাড়ায় শুরুটা ভালো হয়নি এমআই এমিরেটসের। দ্বিতীয় ওভারে আন্দ্রে ফ্লেচার আউট হন, অন্য ওপেনার মুহাম্মাদ ওয়াসিমও দ্রুত ফিরেন। অষ্টম ওভারে ৩৬ রানে দুই উইকেট হারানোর পর ব্যাটিংয়ে নামেন সাকিব।

প্রথম বলেই সুনিল নারাইনকে চার মেরে শুরু করেন তিনি। স্পিনারদের বিপক্ষে ছিলেন বেশ আত্মবিশ্বাসী। পীযুষ চাওলাকে টানা দুটি চার মারেন। লিয়াম লিভিংস্টোনের ওভারে কাট শটে চার, পরের বলে ডিপ মিডউইকেট দিয়ে বড় ছক্কা হাঁকান। ওই ওভারে আসে আরও একটি চার।

২৪ বলে ৫ চার ও এক ছক্কায় ৩৮ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন সাকিব। জয়ের জন্য যখন মাত্র তিন রান দরকার, তখন ছক্কায় ম্যাচ শেষ করতে গিয়ে আউট হন তিনি। তবে ততক্ষণে ম্যাচের ফল কার্যত নির্ধারিত হয়ে গেছে।

Shakib Shines with Ball and Bat to Secure Team Victory - Khaborwala | The  World, Seen Locally

ব্যান্টনের সঙ্গে জয়ে সিল
তৃতীয় উইকেটে টম ব্যান্টনের সঙ্গে সাকিবের ৫৩ বলে ৮২ রানের জুটি ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। ব্যান্টন ৬ চার ও এক ছক্কায় ৫৩ বলে ৬৩ রান করে অপরাজিত থাকেন। তার ব্যাট থেকেই আসে জয়সূচক রান। হাতে তখনও ছিল ২৩ বল।

ম্যাচ-সেরা ও রেকর্ডের পথে
এই পারফরম্যান্সে ম্যাচ-সেরার পুরস্কার জেতেন সাকিব। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ৪৬৯ ম্যাচে এটি তার ৪৬তম ম্যাচ-সেরা স্বীকৃতি। এতে করে তিনি কাইরন পোলার্ড ও গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের আরও কাছে পৌঁছালেন। পোলার্ড ৭৩২ ম্যাচে ৪৮ বার এবং ম্যাক্সওয়েল ৪৯২ ম্যাচে ৪৮ বার ম্যাচ-সেরা হয়েছেন। এই তালিকায় সবার ওপরে আছেন ক্রিস গেইল, যিনি ৪৬৩ ম্যাচে ৬০ বার সেরার পুরস্কার জিতেছেন।

ফাইনালের অপেক্ষা
দ্বিতীয়বারের মতো আইএল টি-টোয়েন্টির ফাইনালে উঠল এমআই এমিরেটস। দ্বিতীয় আসরের চ্যাম্পিয়ন দলটি রোববার শিরোপা লড়াইয়ে নামবে ডেজার্ট ভাইপার্সের বিপক্ষে। প্রথম কোয়ালিফায়ারে এই দলের কাছেই হেরেছিল এমআই এমিরেটস।

সাকিবের টুর্নামেন্ট যাত্রা
এই মৌসুমে প্রথমবার আইএল টি-টোয়েন্টিতে খেলছেন সাকিব। আগের তিন ম্যাচে ব্যাট হাতে তার সর্বোচ্চ ছিল অপরাজিত ১৭ রান। এর আগে একটি ম্যাচে দুই উইকেট নিয়ে ম্যাচ-সেরা হয়েছিলেন তিনি। দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে ব্যাট ও বল—দুই বিভাগেই ছাপ রেখে ফাইনালের মঞ্চে দলকে তুলে আনলেন বাংলাদেশের এই অলরাউন্ডার।

জনপ্রিয় সংবাদ

অর্থমন্ত্রী সতর্কবার্তা: সামনে দুই বছর কঠিন—অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে কষ্টের সিদ্ধান্ত জরুরি

ঝড়ো ব্যাটিং আর নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে একাই ম্যাচ ঘুরিয়ে ফাইনালে সাকিব

০৭:৩৮:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬

ঝড়ো ব্যাটিংয়ের সঙ্গে আঁটসাঁট বোলিং মিলিয়ে ম্যাচের রাশ নিজের হাতে নিলেন সাকিব আল হাসান। শেষ দিকে আউট হলেও তার আগেই দলের জয় প্রায় নিশ্চিত করে দিয়ে আইএল টি-টোয়েন্টির ফাইনালে তুলে নিলেন এমআই এমিরেটসকে। এই অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে ম্যাচ-সেরার পুরস্কারও উঠেছে তার হাতেই।

ফাইনালের পথে এমআই এমিরেটস
আইএল টি-টোয়েন্টির দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে আবু ধাবি নাইট রাইডার্সকে ৭ উইকেটে হারিয়ে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছে এমআই এমিরেটস। শুক্রবার শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করে নাইট রাইডার্সকে ১২০ রানে আটকে দেয় এমিরেটসের বোলাররা। সেখানে বড় অবদান ছিল সাকিবের। কোনো উইকেট না পেলেও চার ওভারে মাত্র ২০ রান দিয়ে প্রতিপক্ষের রান তোলার গতি বেঁধে দেন তিনি।

চাপে নেমে ঝড় তুললেন সাকিব
সহজ লক্ষ্য তাড়ায় শুরুটা ভালো হয়নি এমআই এমিরেটসের। দ্বিতীয় ওভারে আন্দ্রে ফ্লেচার আউট হন, অন্য ওপেনার মুহাম্মাদ ওয়াসিমও দ্রুত ফিরেন। অষ্টম ওভারে ৩৬ রানে দুই উইকেট হারানোর পর ব্যাটিংয়ে নামেন সাকিব।

প্রথম বলেই সুনিল নারাইনকে চার মেরে শুরু করেন তিনি। স্পিনারদের বিপক্ষে ছিলেন বেশ আত্মবিশ্বাসী। পীযুষ চাওলাকে টানা দুটি চার মারেন। লিয়াম লিভিংস্টোনের ওভারে কাট শটে চার, পরের বলে ডিপ মিডউইকেট দিয়ে বড় ছক্কা হাঁকান। ওই ওভারে আসে আরও একটি চার।

২৪ বলে ৫ চার ও এক ছক্কায় ৩৮ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন সাকিব। জয়ের জন্য যখন মাত্র তিন রান দরকার, তখন ছক্কায় ম্যাচ শেষ করতে গিয়ে আউট হন তিনি। তবে ততক্ষণে ম্যাচের ফল কার্যত নির্ধারিত হয়ে গেছে।

Shakib Shines with Ball and Bat to Secure Team Victory - Khaborwala | The  World, Seen Locally

ব্যান্টনের সঙ্গে জয়ে সিল
তৃতীয় উইকেটে টম ব্যান্টনের সঙ্গে সাকিবের ৫৩ বলে ৮২ রানের জুটি ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। ব্যান্টন ৬ চার ও এক ছক্কায় ৫৩ বলে ৬৩ রান করে অপরাজিত থাকেন। তার ব্যাট থেকেই আসে জয়সূচক রান। হাতে তখনও ছিল ২৩ বল।

ম্যাচ-সেরা ও রেকর্ডের পথে
এই পারফরম্যান্সে ম্যাচ-সেরার পুরস্কার জেতেন সাকিব। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ৪৬৯ ম্যাচে এটি তার ৪৬তম ম্যাচ-সেরা স্বীকৃতি। এতে করে তিনি কাইরন পোলার্ড ও গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের আরও কাছে পৌঁছালেন। পোলার্ড ৭৩২ ম্যাচে ৪৮ বার এবং ম্যাক্সওয়েল ৪৯২ ম্যাচে ৪৮ বার ম্যাচ-সেরা হয়েছেন। এই তালিকায় সবার ওপরে আছেন ক্রিস গেইল, যিনি ৪৬৩ ম্যাচে ৬০ বার সেরার পুরস্কার জিতেছেন।

ফাইনালের অপেক্ষা
দ্বিতীয়বারের মতো আইএল টি-টোয়েন্টির ফাইনালে উঠল এমআই এমিরেটস। দ্বিতীয় আসরের চ্যাম্পিয়ন দলটি রোববার শিরোপা লড়াইয়ে নামবে ডেজার্ট ভাইপার্সের বিপক্ষে। প্রথম কোয়ালিফায়ারে এই দলের কাছেই হেরেছিল এমআই এমিরেটস।

সাকিবের টুর্নামেন্ট যাত্রা
এই মৌসুমে প্রথমবার আইএল টি-টোয়েন্টিতে খেলছেন সাকিব। আগের তিন ম্যাচে ব্যাট হাতে তার সর্বোচ্চ ছিল অপরাজিত ১৭ রান। এর আগে একটি ম্যাচে দুই উইকেট নিয়ে ম্যাচ-সেরা হয়েছিলেন তিনি। দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে ব্যাট ও বল—দুই বিভাগেই ছাপ রেখে ফাইনালের মঞ্চে দলকে তুলে আনলেন বাংলাদেশের এই অলরাউন্ডার।