০৪:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পরাজয়ের পরও মুখ্যমন্ত্রীর পদ ছাড়তে অস্বীকার: এরপর কী, কী বলছে নিয়ম পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে চুরির অভিযোগে গাছে বেঁধে নির্যাতন, দুই শিশুকে ঘিরে তোলপাড় গ্রামীণ ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্তদের আন্দোলন স্থগিত, ঈদের আগেই দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাস এপ্রিলে মব ভায়োলেন্সে ২২ নিহত, রাজনৈতিক সংঘাতে আরও ৬: এইচআরএসএস প্রতিবেদন ৩৯ কর্মকর্তার বড় রদবদল, এক দিনে বদলি ৯ ডিআইজি এক ভোটেই হার-জিত: তামিলনাড়ু ভোটে সাবেক মন্ত্রীর পরাজয়, ‘সারকার’-এর বার্তা ফের প্রমাণিত বাংলা-আসাম ফলাফল ঘিরে গণতন্ত্রে হুমকি, ঐক্যের ডাক রাহুল গান্ধীর সংসার যখন চালায় ভাগ্য, তখন অর্থনীতি কোথায় দাঁড়িয়ে? গ্রামেও ভ্যাট বসাতে চায় সরকার, টোকেন কর নিয়ে নতুন পরিকল্পনা ইন্দোনেশিয়ায় ম্যালেরিয়ার রেকর্ড সংক্রমণ, জলবায়ু ও মানুষের চলাচলে বাড়ছে ঝুঁকি

সুইস আল্পসে নববর্ষের রাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, শোকে স্তব্ধ ক্রাঁস-মোন্তানা

সুইজারল্যান্ডের বিলাসবহুল আল্পাইন স্কি রিসোর্ট ক্রাঁস-মোন্তানা নববর্ষের রাতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর গভীর শোক আর স্তব্ধতায় ডুবে আছে। স্থানীয় জনপ্রিয় বার লে কঁস্তেলাসিওঁ–এ আগুন ও বিস্ফোরণে অন্তত চল্লিশ জনের প্রাণহানির ঘটনায় পুরো জনপদে নেমে এসেছে নীরবতা আর সম্মিলিত বেদনা। সুইজারল্যান্ড–এর ইতিহাসে এটিকে সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে ভয়াবহ ট্র্যাজেডিগুলোর একটি বলে মনে করা হচ্ছে।

শোক আর অনিশ্চয়তার দিন
রবিবার সকালে নিহতদের স্মরণে আয়োজিত শোকমিছিলে অংশ নেন স্থানীয় বাসিন্দারা। আগুনে দগ্ধ হওয়ার তীব্রতার কারণে এখনো খুব অল্পসংখ্যক নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। পরিবারগুলো প্রিয়জনের খোঁজে দিন কাটাচ্ছেন উৎকণ্ঠা আর প্রার্থনার মধ্যে। স্থানীয়দের ভাষায়, এই অনিশ্চয়তাই সবচেয়ে বেশি কষ্ট দিচ্ছে।

Stunned Swiss Alpine resort seeks solace together after deadly bar fire

মৃত্যুর মুখ থেকে ফেরা গল্প
ঘটনার রাতে অনেক তরুণ-তরুণী ওই বারে যাওয়ার পরিকল্পনা করলেও শেষ মুহূর্তে সিদ্ধান্ত বদলান। এক মা জানান, তাঁর কিশোরী মেয়ে দীর্ঘ লাইনের কারণে সেখানে ঢোকেনি। কিছুক্ষণের মধ্যেই আগুন আর বিস্ফোরণের খবর ছড়িয়ে পড়ে। যাঁরা বেঁচে ফিরেছেন, তাঁদের অনেকেই এখনো চিৎকার আর আগুনের দৃশ্য ভুলতে পারছেন না।

তদন্তে কর্তৃপক্ষ
ঘটনার পরপরই কর্তৃপক্ষ তদন্ত শুরু করেছে। বার পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে অবহেলার কারণে প্রাণহানির সন্দেহে তদন্ত চলছে। কীভাবে আগুনের সূত্রপাত, নিরাপত্তা ব্যবস্থা যথাযথ ছিল কি না—সবকিছু খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে প্রসিকিউশন।

সমবেদনা আর সংহতি
এই শোক সামাল দিতে স্থানীয়রা একে অন্যের পাশে দাঁড়াচ্ছেন। প্রতিবেশীরা নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন, পরিবারগুলো একসঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন। দূরদূরান্ত থেকে সমবেদনার বার্তা পৌঁছাচ্ছে। প্রবীণ এক বাসিন্দা বলছেন, ক্ষত গভীর হলেও এই সংহতিই ধীরে ধীরে শক্তি জোগাবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পরাজয়ের পরও মুখ্যমন্ত্রীর পদ ছাড়তে অস্বীকার: এরপর কী, কী বলছে নিয়ম

সুইস আল্পসে নববর্ষের রাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, শোকে স্তব্ধ ক্রাঁস-মোন্তানা

০৬:৩৫:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬

সুইজারল্যান্ডের বিলাসবহুল আল্পাইন স্কি রিসোর্ট ক্রাঁস-মোন্তানা নববর্ষের রাতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর গভীর শোক আর স্তব্ধতায় ডুবে আছে। স্থানীয় জনপ্রিয় বার লে কঁস্তেলাসিওঁ–এ আগুন ও বিস্ফোরণে অন্তত চল্লিশ জনের প্রাণহানির ঘটনায় পুরো জনপদে নেমে এসেছে নীরবতা আর সম্মিলিত বেদনা। সুইজারল্যান্ড–এর ইতিহাসে এটিকে সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে ভয়াবহ ট্র্যাজেডিগুলোর একটি বলে মনে করা হচ্ছে।

শোক আর অনিশ্চয়তার দিন
রবিবার সকালে নিহতদের স্মরণে আয়োজিত শোকমিছিলে অংশ নেন স্থানীয় বাসিন্দারা। আগুনে দগ্ধ হওয়ার তীব্রতার কারণে এখনো খুব অল্পসংখ্যক নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। পরিবারগুলো প্রিয়জনের খোঁজে দিন কাটাচ্ছেন উৎকণ্ঠা আর প্রার্থনার মধ্যে। স্থানীয়দের ভাষায়, এই অনিশ্চয়তাই সবচেয়ে বেশি কষ্ট দিচ্ছে।

Stunned Swiss Alpine resort seeks solace together after deadly bar fire

মৃত্যুর মুখ থেকে ফেরা গল্প
ঘটনার রাতে অনেক তরুণ-তরুণী ওই বারে যাওয়ার পরিকল্পনা করলেও শেষ মুহূর্তে সিদ্ধান্ত বদলান। এক মা জানান, তাঁর কিশোরী মেয়ে দীর্ঘ লাইনের কারণে সেখানে ঢোকেনি। কিছুক্ষণের মধ্যেই আগুন আর বিস্ফোরণের খবর ছড়িয়ে পড়ে। যাঁরা বেঁচে ফিরেছেন, তাঁদের অনেকেই এখনো চিৎকার আর আগুনের দৃশ্য ভুলতে পারছেন না।

তদন্তে কর্তৃপক্ষ
ঘটনার পরপরই কর্তৃপক্ষ তদন্ত শুরু করেছে। বার পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে অবহেলার কারণে প্রাণহানির সন্দেহে তদন্ত চলছে। কীভাবে আগুনের সূত্রপাত, নিরাপত্তা ব্যবস্থা যথাযথ ছিল কি না—সবকিছু খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে প্রসিকিউশন।

সমবেদনা আর সংহতি
এই শোক সামাল দিতে স্থানীয়রা একে অন্যের পাশে দাঁড়াচ্ছেন। প্রতিবেশীরা নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন, পরিবারগুলো একসঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন। দূরদূরান্ত থেকে সমবেদনার বার্তা পৌঁছাচ্ছে। প্রবীণ এক বাসিন্দা বলছেন, ক্ষত গভীর হলেও এই সংহতিই ধীরে ধীরে শক্তি জোগাবে।