সমকালের একটি শিরোনাম “প্রার্থিতা বাতিলে জামায়াত ও এনসিপি জোটে জটিলতা”
মনোনয়নপত্র বাতিলের কারণে জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি, ইসলামী আন্দোলনসহ ১১ দলের নির্বাচনী সমঝোতায় আসন বণ্টনে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। কোন দলের প্রার্থী কোন আসনে শেষ পর্যন্ত নির্বাচন করতে পারবেন– এ অনিশ্চয়তায় আসন বণ্টন আটকে রয়েছে। আজ বুধবার দলগুলোর বৈঠক হবে। দলগুলোর নেতারা বলছেন, নির্বাচনী সমঝোতা ভেঙে যাওয়ার কোনো কারণ নেই।
১১ দল সূত্র জানিয়েছে, এনসিপিকে ৩০টি, মামুনুল হকের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসকে ১৩, খেলাফত মজলিসের অপরাংশকে এবং এলডিপিকে ছয়টি করে, এবি পার্টি ও খেলাফত আন্দোলনকে তিনটি করে, নেজামে ইসলামকে দুটি, জাগপা ও বিডিপিকে একটি করে মোট ৬৫টি আসন ছেড়ে দিতে সম্মত হয়েছিল জামায়াত।
এগুলোর বাইরে চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গেও ১৮৩ আসনে সমঝোতা হয়েছিল জামায়াতের। এতে প্রথম দফায় ইসলামী আন্দোলনকে ৩১টি আসন ছেড়ে দিতে রাজি ছিল জামায়াত। নিজের জন্য দলটি ১৫২ আসন রেখেছিল। অবশিষ্ট ৫২ আসন জরিপের মাধ্যমে নিজেদের মধ্যে বণ্টনে একমত হয়েছিল জামায়াত এবং ইসলামী আন্দোলন। সিদ্ধান্ত হয়েছিল, যেখানে যে দলের প্রার্থী অবস্থান ভালো, সেই আসন ওই দল ভাগে পাবে।
মনোনয়নপত্র বাতিলে জটিলতা
জামায়াত সূত্র সমকালকে জানিয়েছে, দলটি ১৯০ আসনে নির্বাচনের পরিকল্পনা রয়েছে। ইসলামী আন্দোলনকে সর্বোচ্চ ৪৫ এবং এনসিপিসহ বাকি ৯টি দলকে ৬৫টি আসন ছাড়ার পরিকল্পনা ছিল। সমঝোতায় অংশ নেওয়া দলগুলোর প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বাতিলে তা এলোমেলো হয়ে গেছে।
যেমন কুড়িগ্রাম-৩, যশোর-২, ঢাকা-২ এবং কক্সবাজার-২-এর মতো আসনে জামায়াতের প্রার্থীরা ১১ দলের সমর্থনে নির্বাচনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বলে সিদ্ধান্ত হয়েছিল। এই চারটি আসনেই জামায়াত প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে।
২৭৬ আসনে প্রার্থী দিয়েছিল জামায়াত। ৯ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। ২৬৬ আসনে প্রার্থী দেওয়া ইসলামী আন্দোলনের ৩৯টি আসনে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে গ্রহণ করা হয়নি। ৪৪ আসনে প্রার্থী দেওয়া এনসিপির তিনটি আসনে মনোনয়নপত্র অবৈধ হয়েছে বাছাইয়ে। ৯৬ আসনে প্রার্থী দেওয়া বাংলাদেশ খেলাফতের ১১টি আসনে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে টেকেনি।
আজকের পত্রিকার একটি শিরোনাম”বাংলাদেশিদের যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকতে দিতে হবে ভিসা বন্ড, নতুন মার্কিন নিয়ম”
বাংলাদেশিসহ ৩৮ দেশের নাগরিকদের জন্য নতুন ভিসা বন্ডের নিয়ম করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বা স্টেট ডিপার্টমেন্ট বিষয়টি জানিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব স্টেট জানিয়েছে, বাংলাদেশসহ কিছু দেশের নাগরিকদের বি১ ও বি২ ভিসার জন্য ভিসা বন্ড দিতে হবে। বাংলাদেশের জন্য এই নিয়ম চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি কার্যকর হবে।
৩৮টি দেশ হলো—বাংলাদেশ, আলজেরিয়া, অ্যাঙ্গোলা, আন্টিগুয়া ও বারবুডা, বেনিন, ভুটান, বতসোয়ানা, বুরুন্ডি, কাবো ভার্দে, সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক, কোট দ’আইভরি, কিউবা, জিবুতি, ডোমিনিকা, ফিজি, গ্যাবন, গাম্বিয়া, গিনি, গিনি-বিসাউ, কিরগিজস্তান, মালাউই, মৌরিতানিয়া, নামিবিয়া, নেপাল, নাইজেরিয়া, সাও টোমে ও প্রিন্সিপে, সেনেগাল, তাজিকিস্তান, তানজানিয়া, টোগো, টোঙ্গা, তুর্কমেনিস্তান, টুভালু, উগান্ডা, ভানুয়াতু, ভেনেজুয়েলা, জাম্বিয়া ও জিম্বাবুয়ে।
ভিসা বন্ড হলো একটি অর্থের নিশ্চয়তা, যা ৫ হাজার ডলার, ১০ হাজার ডলার বা ১৫ হাজার ডলার হতে পারে। টাকার সঠিক পরিমাণ নির্ধারিত হবে ভিসা ইন্টারভিউতে। আবেদনকারীকে মার্কিন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বা ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের ‘DHS Form I-352’ পূরণ করতে হবে। এই অর্থ শুধু সরকারি ওয়েবসাইট Pay.gov-এর মাধ্যমে প্রদান করতে হবে। কনস্যুলার অফিসারের নির্দেশ অনুযায়ী বন্ড দিতে হবে; আগে থেকে অর্থ দিলে তা ফেরত আসবে না। আর বন্ড দেওয়া মানে ভিসা নিশ্চিত নয়।
এ ছাড়া ভিসাধারীকে অবশ্যই তিনটি বিমানবন্দর দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ ও প্রস্থান করতে হবে—বোস্টন লোগান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট, জন এফ কেনেডি ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট এবং ডালেস ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট। শর্ত না মানলে প্রবেশে বাধা দেওয়া হতে পারে বা প্রস্থান সঠিকভাবে রেকর্ড হবে না।
ভিসা বন্ড স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হবে এবং টাকা ফেরত দেওয়া হবে, যদি ভিসাধারী ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগ করে; ভিসাধারী যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেনি; ভিসাধারী পোর্টে প্রবেশের চেষ্টা করেছে, কিন্তু ভিসা অনুমোদিত হয়নি। ভিসা বন্ড লঙ্ঘন হবে যদি অনুমোদিত সময়ের পরে যুক্তরাষ্ট্রে থাকা, ভিসা স্ট্যাটাস পরিবর্তনের চেষ্টা করা বা আশ্রয় (Asylum) আবেদন করা হয়।
বণিকবার্তার একটি শিরোনাম “ভারতে না খেললে পয়েন্ট হারাবে বাংলাদেশ, বিসিবিকে আইসিসির বার্তা”
আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে ধোঁয়াশা বাড়ছে। ক্রিকেট বিষয়ক ওয়েবসাইট ইএসপিএন-ক্রিকইনফো বলছে, গতকাল মঙ্গলবার বিসিবির সঙ্গে এক ভার্চুয়াল সভায় আইসিসি সাফ জানিয়ে দিয়েছে, বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ খেলতে ভারতেই যেতে হবে। অন্যথায়, নির্ধারিত ম্যাচগুলোতে অংশগ্রহণ না করলে বাংলাদেশ পয়েন্ট হারাবে, যা টুর্নামেন্ট থেকে তাদের ছিটকে দিতে পারে। তবে বিসিবি আনুষ্ঠানিকভাবে এ ধরনের কোনো ‘আলটিমেটাম’ পাওয়ার কথা স্বীকার করেনি।
এ বিষয়ে এখনো বিসিসিআই বা বিসিবির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি দেয়া হয়নি। রোববার বিসিবি আইসিসিকে চিঠি দিয়ে বাংলাদেশের ম্যাচ অন্য দেশে সরানোর বিষয়টি ‘বিবেচনা’ করতে অনুরোধ করেছিল।
আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ভারত ও শ্রীলঙ্কায় বসতে যাচ্ছে ২০ দলের এই বিশ্ব আসর। গ্রুপ ‘সি’-তে থাকা বাংলাদেশের প্রথম তিনটি ম্যাচ কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে (ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ইতালি ও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে) এবং শেষ ম্যাচটি মুম্বাইতে হওয়ার কথা।
মূলত আইপিএল দল কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর) থেকে বাংলাদেশী পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে ‘ছেড়ে দেয়ার’ জন্য বিসিসিআইয়ের নির্দেশের পরই দুই দেশের ক্রিকেটীয় সম্পর্কের অবনতি ঘটে। ৯ কোটি ২০ লাখ টাকায় দল পাওয়া মুস্তাফিজকে কেন ছেড়ে দিতে বলা হলো, তার কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেয়নি বিসিসিআই। এর প্রতিবাদে এবং নিরাপত্তা শঙ্কার কথা উল্লেখ করে বিসিবি আইসিসির কাছে ভেন্যু পরিবর্তনের আবেদন জানিয়েছিল।
বিসিসিআই সেক্রেটারি দেবজিৎ সাইকিয়া মুস্তাফিজের বাদ পড়ার খবর নিশ্চিত করলেও এর পেছনে আইপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের কোনো আনুষ্ঠানিক বৈঠক হয়েছিল কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়ে গেছে। এদিকে মঙ্গলবারের সভার ফলাফল নিয়ে আইসিসি বা বিসিবি এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি। বিশ্বকাপ শুরু হতে বাকি মাত্র এক মাস। এমন অবস্থায় বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে ক্রিকেট বিশ্বে ধোঁয়াশা কাটছে না।
মানবজমিনের একটি শিরোন “বাদলগাছীতে মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড ৬.৭ ডিগ্রি, আরও বাড়তে পারে শীত”
চলতি মৌসুমে নওগাঁর বাদলগাছীতে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। বুধবার সকাল ৬টায় এই তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। সারাদেশে তাপমাত্রা কমে আরও বাড়তে পারে শীত। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ কাজী জেবুন্নেসা মানবজমিনকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ‘বাদলগাছীতে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। শীত বাড়তে পারে। তবে আগামী দুইদিন কুয়াশা কমবে। সূর্যের দেখা মিলতে পারে।’
সারাক্ষণ ডেস্ক 



















