০৯:১৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ জানুয়ারী ২০২৬
পাহাড়ে নীরব প্রত্যাবর্তন: জাবারখেতের বনে বন্যপ্রাণী ও নরম পর্যটনের নতুন পথ হংকংয়ে ইতিহাস গড়ল চীনা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সংস্থা, তালিকাভুক্তিতেই উঠল বিপুল অর্থ এআই চাহিদার জোয়ারে স্যামসাংয়ের লাভে উল্লম্ফন, এক ত্রৈমাসিকে তিন গুণ সৌদি আরবের শিংওয়ালা মরু সাপ গ্রিনল্যান্ড ঘিরে নতুন কৌশল, বরফ গলার পথে চীনের ছায়া ঠেকাতে ট্রাম্পের তৎপরতা কেরালার কারিগরদের হাতে ফিরল প্রাচীন নৌযানের গৌরব, সমুদ্রে পাড়ি দিল কৌণ্ডিন্য ইউনিক্লোর ঝলমলে বিক্রি, লাভের পূর্বাভাস বাড়াল ফাস্ট রিটেইলিং ঋণের বদলে যুদ্ধবিমান: সৌদি অর্থ সহায়তা রূপ নিতে পারে জেএফ–সতেরো চুক্তিতে গৌর নদী: বরিশালের শিরা-উপশিরায় ভর করে থাকা এক জীবন্ত স্মৃতি আমার মতো আর কারও না হোক

জকসুতে ভিপি-জিএসসহ ২১ পদের ১৬টিতে জয় পেল শিবির সমর্থিত প্যানেল

সমকালের একটি শিরোনাম “জকসুতে ভিপি-জিএসসহ ২১ পদের ১৬টিতে জয় পেল শিবির সমর্থিত প্যানেল”

প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হওয়া জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জকসু) নির্বাচনে শীর্ষ তিন পদ ভিপি, জিএস ও এজিএস প্রার্থীসহ কেন্দ্রীয় সংসদের ২১টি পদের ১৬টিতেই বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেলেন ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’ প্যানেলের প্রার্থীরা। আর ছাত্রদল সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান’ থেকে পাঁচটি পদে জয়ী হয়েছেন, আর সদস্য পদে একজন ও স্বতন্ত্রপ্রার্থী জয়ী হয়েছেন।

তবে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ফল ঘোষণার সময় সদস্য পদে ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের ইমরান হোসেন ইমনকে ভুলবশত বিজয়ী ঘোষণা করেন। মেহেদী হাসান তৃতীয় সর্বোচ্চ ভোট পান। পরে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান প্রধান নির্বাচন কমিশনার।

এর আগে বুধবার রাত ১টায় চূড়ান্ত ফল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার মোস্তফা হাসান।

কেন্দ্রীয় সংসদের সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে শিবিরসমর্থিত প্যানেলের মো. রিয়াজুল ইসলাম পেয়েছেন ৫ হাজার ৫৫৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদলসমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান’ প্যানেলের একেএম রাকিব পেয়েছেন ৪ হাজার ৬৮৮ ভোট।

এছাড়াও সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে শিবির সমর্থিত আব্দুল আলিম আরিফ পেয়েছেন ৫ হাজার ৪৭৫ ভোট। অপরদিকে, ছাত্রদল প্রার্থী খাদিজাতুল কুবরা পেয়েছেন ২ হাজার ২২৩ ভোট।

এজিএস পদে শিবিরসমর্থিত মাসুদ রানা পেয়েছেন ৫ হাজার ২০ ভোট। ছাত্রদল সমর্থিত বিএম আতিকুর রহমান তানজিল পেয়েছেন ৪ হাজার ২২ ভোট।

শিবিরের প্যানেল থেকে মুক্তিযুদ্ধ ও গণতন্ত্রবিষয়ক সম্পাদক মো. নূর নবী, শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক ইব্রাহিম খলিল, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক মোসা. সুখীমন খাতুন, আইন ও মানবাধিকারবিষয়ক সম্পাদক হাবীব মোহাম্মদ ফারুক, স্বাস্থ্য ও পরিবহন সম্পাদক নূর মোহাম্মদ, সমাজ সেবা ও শিক্ষার্থী কল্যাণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান, আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক নওশীন নাওয়ার জয়া ও ক্রিয়া সম্পাদক জরসিজ আনোয়ার নাঈম।

 

আজকের পত্রিকার একটি শিরোনাম”কোটিপতি প্রার্থী ৫০১ জন”

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বৈধ হওয়া ১ হাজার ৮৪২ জন প্রার্থীর মধ্যে ৫০১ জনই কোটি টাকার বেশি সম্পদের মালিক। অর্থাৎ গতকাল বুধবার পর্যন্ত মোট বৈধ প্রার্থীর ২৭ দশমিক ১৯ শতাংশই কোটিপতি। ৭ জন প্রার্থীর সম্পদের পরিমাণ শতকোটি টাকার বেশি।

সর্বোচ্চ কোটিপতি প্রার্থী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি)। এই তালিকায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), জাতীয় পার্টি, অন্যান্য রাজনৈতিক দলের প্রার্থী এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও রয়েছেন।

যাচাই-বাছাইয়ে মনোনয়নপত্র বৈধ হওয়া প্রার্থীদের হলফনামা বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। প্রার্থীরা মনোনয়নপত্রের সঙ্গে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে জমা দেওয়া হলফনামায় তাঁদের আয়, সম্পদ, মামলাসহ অন্যান্য ব্যক্তিগত তথ্য দিয়েছেন। হলফনামায় আয়কর রিটার্নে প্রদর্শিত সম্পদের পরিমাণের ঘরে প্রার্থীরা নিজেদের সম্পদ উল্লেখ করেছেন। আজকের পত্রিকা এই তথ্য বিশ্লেষণে মাইক্রোসফট এক্সেল সফটওয়্যার ব্যবহার করেছে।

নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ সংসদের ৩০০ আসনের জন্য মোট ৩ হাজার ৪০৬টি মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন আগ্রহীরা। তবে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন পর্যন্ত জমা পড়ে ২ হাজার ৫৬৮টি। এগুলোর মধ্যে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, এনসিপিসহ ৫১টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের ২ হাজার ৯০ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। বাকি ৪৭৮ জন ছিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী। ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত বাছাই শেষে ১ হাজার ৮৪২টি মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা।

 

বণিকবার্তার একটি শিরোনাম “এলপিজির সরবরাহ সংকট কাটছে না শিগগিরই, তৈরি হচ্ছে নানামুখী জটিলতা”

দেশে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সরবরাহ সংকট ক্রমেই প্রকট হচ্ছে। এ বিষয়ে জ্বালানি বিভাগ ও এলপিজি অপারেটরদের মধ্যে বৈঠকের পরও সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি। অন্যদিকে মূল্য সমন্বয় করা ও ‘হয়রানি-জরিমানা’ বন্ধের দাবি পূরণ না হওয়ায় আজ থেকে দেশব্যাপী এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেড। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত সারা দেশে এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহ ও বিক্রি বন্ধ রাখবে তারা। গতকাল সন্ধ্যায় সারা দেশের পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতাদের জন্য এমন এক নোটিস জারি করে ব্যবসায়ী সমিতি। এতে বলা হয়, সব কোম্পানির প্লান্ট থেকে এলপিজি উত্তোলনও বন্ধ থাকবে।

সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দেশে সরবরাহ ব্যবস্থাপনায় বিদ্যমান এ সংকটের দ্রুতই কোনো সমাধান নেই। আন্তর্জাতিক বাজার থেকে পণ্যটির ক্রয়াদেশ দেয়ার পর অন্তত ছয় সপ্তাহের মতো সময় প্রয়োজন হয় তা দেশের বাজারে আনতে। এর বাইরে জাহাজ সংকট, ভাড়া বৃদ্ধিসহ নানা ধরনের প্রতিবন্ধকতাও রয়েছে। চলমান সংকটের কারণ নিয়ে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পক্ষের ভিন্ন ভিন্ন মত রয়েছে।

দেশে এলপিজির এ সংকট আকস্মিকভাবে তৈরি হয়নি বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। বরং দীর্ঘ সময় ধরে আমদানি বৃদ্ধির অনুমোদন না পাওয়া, বিশ্ববাজারে এলপিজি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ও জাহাজের ওপর নিষেধাজ্ঞা, আমদানিতে অপারেটর সংকট এবং বাজারে বড় কয়েকটি প্রতিষ্ঠান আমদানি কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়ায় এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

দেশের বাজারে প্রতি বছর যে পরিমাণ এলপিজি আমদানি হয় তার প্রধান উৎস মধ্যপ্রাচ্য। প্রতি মাসে দেশের বাজারে গড়ে ১ লাখ ২০ হাজার টন এলপিজি সরবরাহ হয়। এর মধ্যে মধ্যপ্রাচ্য, শ্রীলংকা, ভারতের ওড়িশার ধামরা সমুদ্রবন্দর দিয়ে অন্তত ৭০ হাজার টন গ্যাস আমদানি হয়। আর বাকি ৫০ হাজার টন বিশ্বের বিভিন্ন অপারেটর ও বন্দর হয়ে ইরান থেকে আসার কথা জানিয়েছেন বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ী। বর্তমানে বিভিন্ন দেশের এলপি গ্যাস খাতের প্রতিষ্ঠান ও জাহাজের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা থাকায় ইরান থেকে আমদানি হওয়া গ্যাস বাজারে প্রবেশ করতে পারছে না। এ পরিস্থিতিতে বিশ্ববাজারে বিকল্প সরবরাহকারী এবং দেশের বাজারে ৫০ হাজার টন এলএনজির বিকল্প উৎস তৈরি না হলে সামনের দিনে পরিস্থিতি আরো খারাপ হতে পারে বলে আশঙ্কা স্থানীয় আমদানিকারকদের।

 

মানবজমিনের একটি শিরোন “ধারাবাহিকভাবে কমছে পোশাক রপ্তানি আয়”

বিশ্ববাজারে টানা পাঁচ মাস ধরে ধারাবাহিকভাবে কমছে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি আয়। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) বিশ্বের বিভিন্ন দেশে তৈরি পোশাক রপ্তানি কমেছে ২.৬৩ শতাংশ। আগস্টে পোশাক রপ্তানি কমেছে ৪.৭৫ শতাংশ, সেপ্টেম্বরে আগের মাসের থেকেও বেশি কমেছে অর্থাৎ ৫.৬৬ শতাংশ। অক্টোবরে পোশাক রপ্তানি কমেছে ৮.৩৯ শতাংশ। নভেম্বরে কমেছে ৫ শতাংশ। আর সর্বশেষ গত ডিসেম্বরে কমেছে ১৪.২৩ শতাংশ। এর প্রভাবে বাংলাদেশের সার্বিক রপ্তানিও কমেছে ২.১৯ শতাংশ। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) হালনাগাদ তথ্যে এমনটা জানা গেছে। সংশ্লিষ্টরা জানান, বৈশ্বিক মন্দা, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, দেশে রাজনৈতিক সরকার না থাকা এবং মার্কিন শুল্ক অরোপের কারণে পোশাক রপ্তানিতে কিছুটা ভাটা পড়েছে। বৈশ্বিক মন্দায় মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমছে। বায়াররা অর্ডার কমিয়ে দিয়েছে। এ ছাড়া, মার্কিন শুল্কনীতির কারণে ভারত-চীনের ব্যবসায়ীরা ইউরোপের বাজারে নজর দিয়েছে। তারা কম দামে পোশাক অর্ডার নিচ্ছে। তাই, ইউরোপের বাজারে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি কমেছে। এর বাইরে দেশের সার্বিক অনিশ্চয়তার কারণে আন্তর্জাতিক ক্রেতারা নতুন করে রপ্তানি আদেশ দিতে দ্বিধাগ্রস্ত হচ্ছেন। ফলে সার্বিকভাবে পোশাকের রপ্তানি কমেছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা গেছে, সদ্য সমাপ্ত ডিসেম্বর মাসে মোট ৩২৩ কোটি ৪১ লাখ ডলারের পোশাক রপ্তানি করেছে বাংলাদেশ। এই রপ্তানি আগের বছরের ডিসেম্বরের ৩৭৭ কোটি ৫ লাখ ডলারের চেয়ে ১৪.২৩ শতাংশ কম। এর মধ্যে ওভেন পোশাক রপ্তানি কমেছে ১৪.৭১ শতাংশ। আর নিট পোশাক রপ্তানি কমেছে ১৩.৭৪ শতাংশ। গত অর্থবছরের ডিসেম্বরে ওভেন পোশাক রপ্তানি হয়েছে ১৮৭ কোটি ডলারের। এ অর্থবছরের ডিসেম্বরে রপ্তানি হয়েছে ১৬০ কোটি ডলারের। আর নিট পোশাক গত অর্থবছরের ডিসেম্বরে ১৮৯ কোটি ডলারের রপ্তানি হয়েছে। এ অর্থবছরে ১৬৩ কোটি ডলারের রপ্তানি হয়েছে। চলতি অর্থবছরের জুলাই-ডিসেম্বর মাসে তৈরি পোশাক মোট রপ্তানি হয়েছে ১৯.৩৭ বিলিয়ন ডলার। যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ২.৬৩ শতাংশ কমেছে। ছয় মাসে নিটওয়্যার পোশাক রপ্তানি হয়েছে ১০.৪৯ বিলিয়ন ডলারের। যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৩.২২ শতাংশ কম। চলতি অর্থবছরের জুলাই-ডিসেম্বর মাসে ওভেন পোশাক রপ্তানি হয়েছে ৮.৮৮ বিলিয়ন ডলারের। যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১.৯১ শতাংশ কম। ব্যবসায়ীরা বলেছেন, শুল্কের প্রভাবে বেশির ভাগ ক্রেতা নতুন করে অর্ডার দিচ্ছে না। ব্যবসার এ ধীরগতি আগামী কয়েক মাস অব্যাহত থাকতে পারে। তবে আন্তর্জাতিক ক্রেতারা নতুন শুল্ক কাঠামোর সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারলে এ সংকট কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। এ ছাড়া চীনা ও ভারতীয় প্রস্তুতকারকরা যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ক্ষতি পুষিয়ে নিতে অন্যান্য বাজারে রপ্তানি বাড়ানোর চেষ্টা করছে। বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, গত কয়েক মাস ধরে দেশের রপ্তানি আয় কমছে। রপ্তানি কমার অন্যতম কারণ বেশির ভাগ ক্রেতাই নতুন করে কোনো অর্ডার দিচ্ছে না। আমরা প্রত্যাশা অনুযায়ী কাজের আদেশ পাচ্ছি না। এদিকে অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসের রপ্তানি কমলেও একক বছর হিসেবে ২০২৫ সালে পোশাক রপ্তানি সামান্য বেড়েছে। মূলত, বছরের প্রথম ছয় মাসের রপ্তানি প্রবৃদ্ধিতে ভর করে পুরো বছরটিতে সামান্য প্রবৃদ্ধি এসেছে। ২০২৫ সালে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে মোট ৩ হাজার ৮৮২ কোটি ৪৭ লাখ ডলারের। ২০২৪ সালে মোট পোশাক রপ্তানি হয়েছিল ৩ হাজার ৮৪৮ কোটি ২১ লাখ ডলারের। অর্থাৎ সদ্য সমাপ্ত ২০২৫ সালে পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ৩৪ কোটি ২৬ লাখ ডলার বা ০.৮৯ শতাংশ।

জনপ্রিয় সংবাদ

পাহাড়ে নীরব প্রত্যাবর্তন: জাবারখেতের বনে বন্যপ্রাণী ও নরম পর্যটনের নতুন পথ

জকসুতে ভিপি-জিএসসহ ২১ পদের ১৬টিতে জয় পেল শিবির সমর্থিত প্যানেল

০৯:০০:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬

সমকালের একটি শিরোনাম “জকসুতে ভিপি-জিএসসহ ২১ পদের ১৬টিতে জয় পেল শিবির সমর্থিত প্যানেল”

প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হওয়া জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জকসু) নির্বাচনে শীর্ষ তিন পদ ভিপি, জিএস ও এজিএস প্রার্থীসহ কেন্দ্রীয় সংসদের ২১টি পদের ১৬টিতেই বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেলেন ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’ প্যানেলের প্রার্থীরা। আর ছাত্রদল সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান’ থেকে পাঁচটি পদে জয়ী হয়েছেন, আর সদস্য পদে একজন ও স্বতন্ত্রপ্রার্থী জয়ী হয়েছেন।

তবে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ফল ঘোষণার সময় সদস্য পদে ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের ইমরান হোসেন ইমনকে ভুলবশত বিজয়ী ঘোষণা করেন। মেহেদী হাসান তৃতীয় সর্বোচ্চ ভোট পান। পরে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান প্রধান নির্বাচন কমিশনার।

এর আগে বুধবার রাত ১টায় চূড়ান্ত ফল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার মোস্তফা হাসান।

কেন্দ্রীয় সংসদের সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে শিবিরসমর্থিত প্যানেলের মো. রিয়াজুল ইসলাম পেয়েছেন ৫ হাজার ৫৫৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদলসমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান’ প্যানেলের একেএম রাকিব পেয়েছেন ৪ হাজার ৬৮৮ ভোট।

এছাড়াও সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে শিবির সমর্থিত আব্দুল আলিম আরিফ পেয়েছেন ৫ হাজার ৪৭৫ ভোট। অপরদিকে, ছাত্রদল প্রার্থী খাদিজাতুল কুবরা পেয়েছেন ২ হাজার ২২৩ ভোট।

এজিএস পদে শিবিরসমর্থিত মাসুদ রানা পেয়েছেন ৫ হাজার ২০ ভোট। ছাত্রদল সমর্থিত বিএম আতিকুর রহমান তানজিল পেয়েছেন ৪ হাজার ২২ ভোট।

শিবিরের প্যানেল থেকে মুক্তিযুদ্ধ ও গণতন্ত্রবিষয়ক সম্পাদক মো. নূর নবী, শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক ইব্রাহিম খলিল, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক মোসা. সুখীমন খাতুন, আইন ও মানবাধিকারবিষয়ক সম্পাদক হাবীব মোহাম্মদ ফারুক, স্বাস্থ্য ও পরিবহন সম্পাদক নূর মোহাম্মদ, সমাজ সেবা ও শিক্ষার্থী কল্যাণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান, আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক নওশীন নাওয়ার জয়া ও ক্রিয়া সম্পাদক জরসিজ আনোয়ার নাঈম।

 

আজকের পত্রিকার একটি শিরোনাম”কোটিপতি প্রার্থী ৫০১ জন”

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বৈধ হওয়া ১ হাজার ৮৪২ জন প্রার্থীর মধ্যে ৫০১ জনই কোটি টাকার বেশি সম্পদের মালিক। অর্থাৎ গতকাল বুধবার পর্যন্ত মোট বৈধ প্রার্থীর ২৭ দশমিক ১৯ শতাংশই কোটিপতি। ৭ জন প্রার্থীর সম্পদের পরিমাণ শতকোটি টাকার বেশি।

সর্বোচ্চ কোটিপতি প্রার্থী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি)। এই তালিকায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), জাতীয় পার্টি, অন্যান্য রাজনৈতিক দলের প্রার্থী এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও রয়েছেন।

যাচাই-বাছাইয়ে মনোনয়নপত্র বৈধ হওয়া প্রার্থীদের হলফনামা বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। প্রার্থীরা মনোনয়নপত্রের সঙ্গে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে জমা দেওয়া হলফনামায় তাঁদের আয়, সম্পদ, মামলাসহ অন্যান্য ব্যক্তিগত তথ্য দিয়েছেন। হলফনামায় আয়কর রিটার্নে প্রদর্শিত সম্পদের পরিমাণের ঘরে প্রার্থীরা নিজেদের সম্পদ উল্লেখ করেছেন। আজকের পত্রিকা এই তথ্য বিশ্লেষণে মাইক্রোসফট এক্সেল সফটওয়্যার ব্যবহার করেছে।

নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ সংসদের ৩০০ আসনের জন্য মোট ৩ হাজার ৪০৬টি মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন আগ্রহীরা। তবে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন পর্যন্ত জমা পড়ে ২ হাজার ৫৬৮টি। এগুলোর মধ্যে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, এনসিপিসহ ৫১টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের ২ হাজার ৯০ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। বাকি ৪৭৮ জন ছিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী। ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত বাছাই শেষে ১ হাজার ৮৪২টি মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা।

 

বণিকবার্তার একটি শিরোনাম “এলপিজির সরবরাহ সংকট কাটছে না শিগগিরই, তৈরি হচ্ছে নানামুখী জটিলতা”

দেশে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সরবরাহ সংকট ক্রমেই প্রকট হচ্ছে। এ বিষয়ে জ্বালানি বিভাগ ও এলপিজি অপারেটরদের মধ্যে বৈঠকের পরও সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি। অন্যদিকে মূল্য সমন্বয় করা ও ‘হয়রানি-জরিমানা’ বন্ধের দাবি পূরণ না হওয়ায় আজ থেকে দেশব্যাপী এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেড। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত সারা দেশে এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহ ও বিক্রি বন্ধ রাখবে তারা। গতকাল সন্ধ্যায় সারা দেশের পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতাদের জন্য এমন এক নোটিস জারি করে ব্যবসায়ী সমিতি। এতে বলা হয়, সব কোম্পানির প্লান্ট থেকে এলপিজি উত্তোলনও বন্ধ থাকবে।

সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দেশে সরবরাহ ব্যবস্থাপনায় বিদ্যমান এ সংকটের দ্রুতই কোনো সমাধান নেই। আন্তর্জাতিক বাজার থেকে পণ্যটির ক্রয়াদেশ দেয়ার পর অন্তত ছয় সপ্তাহের মতো সময় প্রয়োজন হয় তা দেশের বাজারে আনতে। এর বাইরে জাহাজ সংকট, ভাড়া বৃদ্ধিসহ নানা ধরনের প্রতিবন্ধকতাও রয়েছে। চলমান সংকটের কারণ নিয়ে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পক্ষের ভিন্ন ভিন্ন মত রয়েছে।

দেশে এলপিজির এ সংকট আকস্মিকভাবে তৈরি হয়নি বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। বরং দীর্ঘ সময় ধরে আমদানি বৃদ্ধির অনুমোদন না পাওয়া, বিশ্ববাজারে এলপিজি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ও জাহাজের ওপর নিষেধাজ্ঞা, আমদানিতে অপারেটর সংকট এবং বাজারে বড় কয়েকটি প্রতিষ্ঠান আমদানি কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়ায় এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

দেশের বাজারে প্রতি বছর যে পরিমাণ এলপিজি আমদানি হয় তার প্রধান উৎস মধ্যপ্রাচ্য। প্রতি মাসে দেশের বাজারে গড়ে ১ লাখ ২০ হাজার টন এলপিজি সরবরাহ হয়। এর মধ্যে মধ্যপ্রাচ্য, শ্রীলংকা, ভারতের ওড়িশার ধামরা সমুদ্রবন্দর দিয়ে অন্তত ৭০ হাজার টন গ্যাস আমদানি হয়। আর বাকি ৫০ হাজার টন বিশ্বের বিভিন্ন অপারেটর ও বন্দর হয়ে ইরান থেকে আসার কথা জানিয়েছেন বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ী। বর্তমানে বিভিন্ন দেশের এলপি গ্যাস খাতের প্রতিষ্ঠান ও জাহাজের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা থাকায় ইরান থেকে আমদানি হওয়া গ্যাস বাজারে প্রবেশ করতে পারছে না। এ পরিস্থিতিতে বিশ্ববাজারে বিকল্প সরবরাহকারী এবং দেশের বাজারে ৫০ হাজার টন এলএনজির বিকল্প উৎস তৈরি না হলে সামনের দিনে পরিস্থিতি আরো খারাপ হতে পারে বলে আশঙ্কা স্থানীয় আমদানিকারকদের।

 

মানবজমিনের একটি শিরোন “ধারাবাহিকভাবে কমছে পোশাক রপ্তানি আয়”

বিশ্ববাজারে টানা পাঁচ মাস ধরে ধারাবাহিকভাবে কমছে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি আয়। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) বিশ্বের বিভিন্ন দেশে তৈরি পোশাক রপ্তানি কমেছে ২.৬৩ শতাংশ। আগস্টে পোশাক রপ্তানি কমেছে ৪.৭৫ শতাংশ, সেপ্টেম্বরে আগের মাসের থেকেও বেশি কমেছে অর্থাৎ ৫.৬৬ শতাংশ। অক্টোবরে পোশাক রপ্তানি কমেছে ৮.৩৯ শতাংশ। নভেম্বরে কমেছে ৫ শতাংশ। আর সর্বশেষ গত ডিসেম্বরে কমেছে ১৪.২৩ শতাংশ। এর প্রভাবে বাংলাদেশের সার্বিক রপ্তানিও কমেছে ২.১৯ শতাংশ। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) হালনাগাদ তথ্যে এমনটা জানা গেছে। সংশ্লিষ্টরা জানান, বৈশ্বিক মন্দা, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, দেশে রাজনৈতিক সরকার না থাকা এবং মার্কিন শুল্ক অরোপের কারণে পোশাক রপ্তানিতে কিছুটা ভাটা পড়েছে। বৈশ্বিক মন্দায় মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমছে। বায়াররা অর্ডার কমিয়ে দিয়েছে। এ ছাড়া, মার্কিন শুল্কনীতির কারণে ভারত-চীনের ব্যবসায়ীরা ইউরোপের বাজারে নজর দিয়েছে। তারা কম দামে পোশাক অর্ডার নিচ্ছে। তাই, ইউরোপের বাজারে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি কমেছে। এর বাইরে দেশের সার্বিক অনিশ্চয়তার কারণে আন্তর্জাতিক ক্রেতারা নতুন করে রপ্তানি আদেশ দিতে দ্বিধাগ্রস্ত হচ্ছেন। ফলে সার্বিকভাবে পোশাকের রপ্তানি কমেছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা গেছে, সদ্য সমাপ্ত ডিসেম্বর মাসে মোট ৩২৩ কোটি ৪১ লাখ ডলারের পোশাক রপ্তানি করেছে বাংলাদেশ। এই রপ্তানি আগের বছরের ডিসেম্বরের ৩৭৭ কোটি ৫ লাখ ডলারের চেয়ে ১৪.২৩ শতাংশ কম। এর মধ্যে ওভেন পোশাক রপ্তানি কমেছে ১৪.৭১ শতাংশ। আর নিট পোশাক রপ্তানি কমেছে ১৩.৭৪ শতাংশ। গত অর্থবছরের ডিসেম্বরে ওভেন পোশাক রপ্তানি হয়েছে ১৮৭ কোটি ডলারের। এ অর্থবছরের ডিসেম্বরে রপ্তানি হয়েছে ১৬০ কোটি ডলারের। আর নিট পোশাক গত অর্থবছরের ডিসেম্বরে ১৮৯ কোটি ডলারের রপ্তানি হয়েছে। এ অর্থবছরে ১৬৩ কোটি ডলারের রপ্তানি হয়েছে। চলতি অর্থবছরের জুলাই-ডিসেম্বর মাসে তৈরি পোশাক মোট রপ্তানি হয়েছে ১৯.৩৭ বিলিয়ন ডলার। যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ২.৬৩ শতাংশ কমেছে। ছয় মাসে নিটওয়্যার পোশাক রপ্তানি হয়েছে ১০.৪৯ বিলিয়ন ডলারের। যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৩.২২ শতাংশ কম। চলতি অর্থবছরের জুলাই-ডিসেম্বর মাসে ওভেন পোশাক রপ্তানি হয়েছে ৮.৮৮ বিলিয়ন ডলারের। যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১.৯১ শতাংশ কম। ব্যবসায়ীরা বলেছেন, শুল্কের প্রভাবে বেশির ভাগ ক্রেতা নতুন করে অর্ডার দিচ্ছে না। ব্যবসার এ ধীরগতি আগামী কয়েক মাস অব্যাহত থাকতে পারে। তবে আন্তর্জাতিক ক্রেতারা নতুন শুল্ক কাঠামোর সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারলে এ সংকট কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। এ ছাড়া চীনা ও ভারতীয় প্রস্তুতকারকরা যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ক্ষতি পুষিয়ে নিতে অন্যান্য বাজারে রপ্তানি বাড়ানোর চেষ্টা করছে। বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, গত কয়েক মাস ধরে দেশের রপ্তানি আয় কমছে। রপ্তানি কমার অন্যতম কারণ বেশির ভাগ ক্রেতাই নতুন করে কোনো অর্ডার দিচ্ছে না। আমরা প্রত্যাশা অনুযায়ী কাজের আদেশ পাচ্ছি না। এদিকে অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসের রপ্তানি কমলেও একক বছর হিসেবে ২০২৫ সালে পোশাক রপ্তানি সামান্য বেড়েছে। মূলত, বছরের প্রথম ছয় মাসের রপ্তানি প্রবৃদ্ধিতে ভর করে পুরো বছরটিতে সামান্য প্রবৃদ্ধি এসেছে। ২০২৫ সালে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে মোট ৩ হাজার ৮৮২ কোটি ৪৭ লাখ ডলারের। ২০২৪ সালে মোট পোশাক রপ্তানি হয়েছিল ৩ হাজার ৮৪৮ কোটি ২১ লাখ ডলারের। অর্থাৎ সদ্য সমাপ্ত ২০২৫ সালে পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ৩৪ কোটি ২৬ লাখ ডলার বা ০.৮৯ শতাংশ।