১১:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পরাজয়ের পরও মুখ্যমন্ত্রীর পদ ছাড়তে অস্বীকার: এরপর কী, কী বলছে নিয়ম পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে চুরির অভিযোগে গাছে বেঁধে নির্যাতন, দুই শিশুকে ঘিরে তোলপাড় গ্রামীণ ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্তদের আন্দোলন স্থগিত, ঈদের আগেই দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাস এপ্রিলে মব ভায়োলেন্সে ২২ নিহত, রাজনৈতিক সংঘাতে আরও ৬: এইচআরএসএস প্রতিবেদন ৩৯ কর্মকর্তার বড় রদবদল, এক দিনে বদলি ৯ ডিআইজি এক ভোটেই হার-জিত: তামিলনাড়ু ভোটে সাবেক মন্ত্রীর পরাজয়, ‘সারকার’-এর বার্তা ফের প্রমাণিত বাংলা-আসাম ফলাফল ঘিরে গণতন্ত্রে হুমকি, ঐক্যের ডাক রাহুল গান্ধীর সংসার যখন চালায় ভাগ্য, তখন অর্থনীতি কোথায় দাঁড়িয়ে? গ্রামেও ভ্যাট বসাতে চায় সরকার, টোকেন কর নিয়ে নতুন পরিকল্পনা ইন্দোনেশিয়ায় ম্যালেরিয়ার রেকর্ড সংক্রমণ, জলবায়ু ও মানুষের চলাচলে বাড়ছে ঝুঁকি

হংকংয়ে ইতিহাস গড়ল চীনা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সংস্থা, তালিকাভুক্তিতেই উঠল বিপুল অর্থ

হংকংয়ের শেয়ারবাজারে নতুন বছরের শুরুতেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে বড়সড় আলোড়ন। চীনের আলোচিত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সংস্থা জিপু এআই হংকং স্টক এক্সচেঞ্জে প্রথম দিনের লেনদেনেই বিনিয়োগকারীদের দৃষ্টি কেড়ে নিয়েছে। তালিকাভুক্তির দিনেই সংস্থাটির শেয়ার উল্লেখযোগ্য হারে বেড়ে যায়, যা এ বছর হংকংয়ে প্রযুক্তিনির্ভর শেয়ার বাজারের শক্ত অবস্থানের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

তালিকাভুক্তির দিনেই উত্থান

বাজার সূত্রে জানা গেছে, লেনদেনের শুরুতে শেয়ারের দাম নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি ছিল এবং দিনের মাঝামাঝি সময়ে আরও চড়ে বসে। শেষ পর্যন্ত লেনদেন শেষ হয় আগের দিনের তুলনায় উল্লেখযোগ্য লাভ নিয়ে। এই তালিকাভুক্তির মাধ্যমে সংস্থাটি হাজার কোটি টাকার বেশি মূলধন সংগ্রহ করেছে, যা সাম্প্রতিক সময়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে অন্যতম বড় তহবিল সংগ্রহ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

বিনিয়োগকারীদের বিপুল সাড়া

প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ ছিল চোখে পড়ার মতো। চাহিদা ছিল বহু গুণ বেশি, যা স্পষ্ট করে দিয়েছে চীনের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা শিল্প নিয়ে বাজারের আস্থা কতটা দৃঢ়। প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন ভিত্তিক শেয়ারের প্রতি আগ্রহের কারণে হংকং ও মূল ভূখণ্ডের শেয়ারবাজার চলতি বছরের শুরুতেই শক্তিশালী অবস্থান নিয়েছে।

Image

যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার মাঝেও অগ্রগতি

জিপু এআই এমন এক সময়ে বাজারে এসেছে, যখন যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক নিষেধাজ্ঞার কারণে সংস্থাটি উন্নত চিপ সংগ্রহে সীমাবদ্ধতার মুখে। তবে সংস্থার দাবি, দেশীয় মেঘভিত্তিক পরিসেবা ব্যবহার করে তারা তাদের গবেষণা ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবেই চালিয়ে যাচ্ছে। এই সীমাবদ্ধতা এখনো তাদের অগ্রগতিতে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি।

গবেষণায় জোর, বাড়ছে ব্যয়

সংস্থাটির আয়ের বড় অংশ ব্যয় হচ্ছে গবেষণা ও উন্নয়নে। সাম্প্রতিক হিসাব অনুযায়ী, গবেষণায় বিনিয়োগ আগের বছরের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। যদিও আয় বেড়েছে, তবু উচ্চ গবেষণা ব্যয়ের কারণে লোকসানও বেড়েছে। তবু কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তালিকাভুক্তির মাধ্যমে প্রাপ্ত অর্থের বড় অংশই ভবিষ্যৎ গবেষণায় ব্যয় করা হবে।

Image

দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিদেশমুখী পরিকল্পনা

বর্তমানে সংস্থাটির বেশির ভাগ আয় আসে চীনের বাজার থেকে। তবে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াসহ বিদেশি বাজারে বিস্তারের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে মালয়েশিয়ার সঙ্গে যৌথভাবে জাতীয় পর্যায়ের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অবকাঠামো তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। এই উদ্যোগ সফল হলে অঞ্চলজুড়ে তাদের উপস্থিতি আরও শক্তিশালী হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

হংকংয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা শেয়ারের জোয়ার

জিপু এআইয়ের সাফল্যের মধ্যেই হংকংয়ে আরও কয়েকটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও আধা পরিবাহী সংশ্লিষ্ট সংস্থা বাজারে এসেছে। বিশ্লেষকদের মতে, প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতকে কেন্দ্র করে হংকং এ বছর নতুন বিনিয়োগের বড় কেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পরাজয়ের পরও মুখ্যমন্ত্রীর পদ ছাড়তে অস্বীকার: এরপর কী, কী বলছে নিয়ম

হংকংয়ে ইতিহাস গড়ল চীনা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সংস্থা, তালিকাভুক্তিতেই উঠল বিপুল অর্থ

০৭:০০:৩৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৬

হংকংয়ের শেয়ারবাজারে নতুন বছরের শুরুতেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে বড়সড় আলোড়ন। চীনের আলোচিত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সংস্থা জিপু এআই হংকং স্টক এক্সচেঞ্জে প্রথম দিনের লেনদেনেই বিনিয়োগকারীদের দৃষ্টি কেড়ে নিয়েছে। তালিকাভুক্তির দিনেই সংস্থাটির শেয়ার উল্লেখযোগ্য হারে বেড়ে যায়, যা এ বছর হংকংয়ে প্রযুক্তিনির্ভর শেয়ার বাজারের শক্ত অবস্থানের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

তালিকাভুক্তির দিনেই উত্থান

বাজার সূত্রে জানা গেছে, লেনদেনের শুরুতে শেয়ারের দাম নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি ছিল এবং দিনের মাঝামাঝি সময়ে আরও চড়ে বসে। শেষ পর্যন্ত লেনদেন শেষ হয় আগের দিনের তুলনায় উল্লেখযোগ্য লাভ নিয়ে। এই তালিকাভুক্তির মাধ্যমে সংস্থাটি হাজার কোটি টাকার বেশি মূলধন সংগ্রহ করেছে, যা সাম্প্রতিক সময়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে অন্যতম বড় তহবিল সংগ্রহ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

বিনিয়োগকারীদের বিপুল সাড়া

প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ ছিল চোখে পড়ার মতো। চাহিদা ছিল বহু গুণ বেশি, যা স্পষ্ট করে দিয়েছে চীনের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা শিল্প নিয়ে বাজারের আস্থা কতটা দৃঢ়। প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন ভিত্তিক শেয়ারের প্রতি আগ্রহের কারণে হংকং ও মূল ভূখণ্ডের শেয়ারবাজার চলতি বছরের শুরুতেই শক্তিশালী অবস্থান নিয়েছে।

Image

যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার মাঝেও অগ্রগতি

জিপু এআই এমন এক সময়ে বাজারে এসেছে, যখন যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক নিষেধাজ্ঞার কারণে সংস্থাটি উন্নত চিপ সংগ্রহে সীমাবদ্ধতার মুখে। তবে সংস্থার দাবি, দেশীয় মেঘভিত্তিক পরিসেবা ব্যবহার করে তারা তাদের গবেষণা ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবেই চালিয়ে যাচ্ছে। এই সীমাবদ্ধতা এখনো তাদের অগ্রগতিতে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি।

গবেষণায় জোর, বাড়ছে ব্যয়

সংস্থাটির আয়ের বড় অংশ ব্যয় হচ্ছে গবেষণা ও উন্নয়নে। সাম্প্রতিক হিসাব অনুযায়ী, গবেষণায় বিনিয়োগ আগের বছরের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। যদিও আয় বেড়েছে, তবু উচ্চ গবেষণা ব্যয়ের কারণে লোকসানও বেড়েছে। তবু কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তালিকাভুক্তির মাধ্যমে প্রাপ্ত অর্থের বড় অংশই ভবিষ্যৎ গবেষণায় ব্যয় করা হবে।

Image

দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিদেশমুখী পরিকল্পনা

বর্তমানে সংস্থাটির বেশির ভাগ আয় আসে চীনের বাজার থেকে। তবে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াসহ বিদেশি বাজারে বিস্তারের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে মালয়েশিয়ার সঙ্গে যৌথভাবে জাতীয় পর্যায়ের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অবকাঠামো তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। এই উদ্যোগ সফল হলে অঞ্চলজুড়ে তাদের উপস্থিতি আরও শক্তিশালী হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

হংকংয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা শেয়ারের জোয়ার

জিপু এআইয়ের সাফল্যের মধ্যেই হংকংয়ে আরও কয়েকটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও আধা পরিবাহী সংশ্লিষ্ট সংস্থা বাজারে এসেছে। বিশ্লেষকদের মতে, প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতকে কেন্দ্র করে হংকং এ বছর নতুন বিনিয়োগের বড় কেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে।