০৬:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬
দুবাইয়ে শিশুদের মন জয় লেবানিজ সুপারস্টার ন্যান্সি আজরামের মুক্তার দুলের রহস্যময়ী এবার জাপানে সমষ্টির আরামে ব্যক্তির সংকট নীরব জাঁকজমকের ভাষা: দুবাইয়ে দামিয়ানির নতুন অধ্যায়ে জেসিকা চ্যাস্টেইনের আলো ভাড়া না কেনা, কেনা না ভাড়া: সুদের ভবিষ্যৎ যেদিকে, সিদ্ধান্তও সেদিকেই ইউরোপের বন্ডে ধসের আভাস, ডাচ পেনশনের সরে দাঁড়ানোয় ঋণচাপে সরকারগুলো ভিয়েতনামের দ্রুত বৃদ্ধি, নড়বড়ে ভিত: উন্নয়নের জোয়ারে ঝুঁকির ছায়া আবারও মুখোমুখি অবস্থানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, পাল্টাপাল্টি হামলার হুমকি যুক্তরাষ্ট্র ৬৬ সংস্থা থেকে সরে যাওয়ার কারণে বাংলাদেশ কতটা ক্ষতিগ্রস্ত হবে আবার নির্বাচনের দৌড়ে মান্না, বগুড়া-২ আসনে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন

মুক্তার দুলের রহস্যময়ী এবার জাপানে

বিশ্বের চিত্রকলার ইতিহাসে সবচেয়ে পরিচিত মুখগুলোর একটি, ‘মুক্তার দুল পরা মেয়ে’, চলতি বছর বিরল এক সফরে পা রাখতে চলেছে জাপানে। সপ্তদশ শতকের এই অমর চিত্রকর্মটি আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসে ওসাকার নাকানোশিমা শিল্প জাদুঘরে প্রদর্শিত হবে। নেদারল্যান্ডসের হেগে অবস্থিত মাউরিত্সহুইস জাদুঘর সংস্কারের কারণে সাময়িকভাবে বন্ধ থাকায় এই বিশেষ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিরল ধার দেওয়ার সিদ্ধান্ত
মাউরিত্সহুইস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিশ্বের অন্যতম বিখ্যাত এই চিত্রকর্ম সাধারণত অন্য কোথাও পাঠানো হয় না। অত্যন্ত ব্যতিক্রমী পরিস্থিতিতেই কেবল এটি ধার দেওয়া হয়। এর আগে সর্বশেষ দুই হাজার তেইশ সালে ছবিটি আমস্টারডামের জাতীয় জাদুঘরে স্বল্প সময়ের জন্য প্রদর্শিত হয়েছিল।

সংস্কারের সময় বিশ্বভ্রমণের স্মৃতি
এর আগেও মাউরিত্সহুইস জাদুঘরে বড় ধরনের নির্মাণকাজ চলাকালে দুই হাজার বারো থেকে দুই হাজার চৌদ্দ সাল পর্যন্ত এই চিত্রকর্ম বিশ্বভ্রমণে বেরিয়েছিল। সে সময় প্রায় বাইশ লক্ষ মানুষ প্রদর্শনীটি দেখেন। জাদুঘরের মহাপরিচালক মার্টিনে গসেলিংক বলেছেন, জাপানের দর্শকদের সঙ্গে এই চিত্রকর্ম ভাগ করে নেওয়া তাদের জন্য এক অনন্য সুযোগ, এমনকি এটি শেষবারের মতোও হতে পারে।

উত্তরের মোনা লিসার মোহ
অস্পষ্ট অথচ আকর্ষণীয় অভিব্যক্তির কারণে এই ছবিটিকে প্রায়ই উত্তরের মোনা লিসা বলা হয়। গাঢ় পটভূমিতে তরুণীর মুখ দর্শকের দিকে ঘোরানো, নীল ও ক্রিম রঙের পাগড়ির নিচে ঝলমলে মুক্তার দুল—এই সরল বিন্যাসই শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে মানুষকে মুগ্ধ করে রেখেছে। একটি জনপ্রিয় উপন্যাস ও পরে চলচ্চিত্রে রূপ নেওয়ার পর ছবিটির খ্যাতি আরও বহুগুণে বেড়ে যায়।

জাপানের শিল্পপ্রেমীদের জন্য বিশেষ সময়
আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাস জুড়ে ওসাকায় এই প্রদর্শনী জাপানের শিল্প প্রেমীদের জন্য এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত হয়ে উঠবে। বিশ্বশিল্পের এই নীরব সৌন্দর্যকে কাছ থেকে দেখার সুযোগ যে খুব কমই আসে, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

জনপ্রিয় সংবাদ

দুবাইয়ে শিশুদের মন জয় লেবানিজ সুপারস্টার ন্যান্সি আজরামের

মুক্তার দুলের রহস্যময়ী এবার জাপানে

০৪:০৬:৫৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

বিশ্বের চিত্রকলার ইতিহাসে সবচেয়ে পরিচিত মুখগুলোর একটি, ‘মুক্তার দুল পরা মেয়ে’, চলতি বছর বিরল এক সফরে পা রাখতে চলেছে জাপানে। সপ্তদশ শতকের এই অমর চিত্রকর্মটি আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসে ওসাকার নাকানোশিমা শিল্প জাদুঘরে প্রদর্শিত হবে। নেদারল্যান্ডসের হেগে অবস্থিত মাউরিত্সহুইস জাদুঘর সংস্কারের কারণে সাময়িকভাবে বন্ধ থাকায় এই বিশেষ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিরল ধার দেওয়ার সিদ্ধান্ত
মাউরিত্সহুইস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিশ্বের অন্যতম বিখ্যাত এই চিত্রকর্ম সাধারণত অন্য কোথাও পাঠানো হয় না। অত্যন্ত ব্যতিক্রমী পরিস্থিতিতেই কেবল এটি ধার দেওয়া হয়। এর আগে সর্বশেষ দুই হাজার তেইশ সালে ছবিটি আমস্টারডামের জাতীয় জাদুঘরে স্বল্প সময়ের জন্য প্রদর্শিত হয়েছিল।

সংস্কারের সময় বিশ্বভ্রমণের স্মৃতি
এর আগেও মাউরিত্সহুইস জাদুঘরে বড় ধরনের নির্মাণকাজ চলাকালে দুই হাজার বারো থেকে দুই হাজার চৌদ্দ সাল পর্যন্ত এই চিত্রকর্ম বিশ্বভ্রমণে বেরিয়েছিল। সে সময় প্রায় বাইশ লক্ষ মানুষ প্রদর্শনীটি দেখেন। জাদুঘরের মহাপরিচালক মার্টিনে গসেলিংক বলেছেন, জাপানের দর্শকদের সঙ্গে এই চিত্রকর্ম ভাগ করে নেওয়া তাদের জন্য এক অনন্য সুযোগ, এমনকি এটি শেষবারের মতোও হতে পারে।

উত্তরের মোনা লিসার মোহ
অস্পষ্ট অথচ আকর্ষণীয় অভিব্যক্তির কারণে এই ছবিটিকে প্রায়ই উত্তরের মোনা লিসা বলা হয়। গাঢ় পটভূমিতে তরুণীর মুখ দর্শকের দিকে ঘোরানো, নীল ও ক্রিম রঙের পাগড়ির নিচে ঝলমলে মুক্তার দুল—এই সরল বিন্যাসই শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে মানুষকে মুগ্ধ করে রেখেছে। একটি জনপ্রিয় উপন্যাস ও পরে চলচ্চিত্রে রূপ নেওয়ার পর ছবিটির খ্যাতি আরও বহুগুণে বেড়ে যায়।

জাপানের শিল্পপ্রেমীদের জন্য বিশেষ সময়
আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাস জুড়ে ওসাকায় এই প্রদর্শনী জাপানের শিল্প প্রেমীদের জন্য এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত হয়ে উঠবে। বিশ্বশিল্পের এই নীরব সৌন্দর্যকে কাছ থেকে দেখার সুযোগ যে খুব কমই আসে, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।