দুবাইয়ের ঝলমলে আলোয় লালগালিচা বসার আগেই সবচেয়ে কঠিন বিচারকদের মন জয় করে নিয়েছিলেন ন্যান্সি আজরাম। সেই বিচারকরা আর কেউ নন, শিশুরা। দুবাইয়ে পারিবারিক অ্যানিমেশন ছবি ডলফিন বয় টু-এর প্রিমিয়ারের আগে শিশুদের বিনোদন কেন্দ্র কিডজানিয়ায় সময় কাটিয়ে ছোট ভক্তদের সঙ্গে প্রাণ খুলে কথা বলেন লেবানিজ সুপারস্টার ন্যান্সি আজরাম। এরপর দুবাই মলের রিল সিনেমাসে পৌঁছাতেই উচ্ছ্বসিত ভক্তদের ভিড় জমে যায়। আরব বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী কণ্ঠগুলোর এক ঝলক দেখার জন্য অপেক্ষা করছিল সবাই।
উৎসবমুখর প্রিমিয়ার আর শিশুদের ভালোবাসা
ডলফিন বয় টু ছবির মিশরীয় আরবি সংস্করণে ন্যান্সি আজরাম কণ্ঠ ও সংগীত দিয়েছেন। ছবির আবেগের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে তাঁর গাওয়া দুটি মৌলিক গান ‘মা আশাবনা’ ও ‘আনা শোরা লিক’। প্রিমিয়ারের ঠিক আগে কথা বলতে গিয়ে তিনি জানান, গানগুলো প্রথম শোনার মুহূর্ত থেকেই তাঁকে নাড়া দিয়েছে। তাঁর ভাষায়, গান শুনেই তিনি ছবির সঙ্গে যুক্ত হতে চেয়েছেন।

অ্যানিমেশন আর শিশুদের জন্য গান গাওয়ার অভিজ্ঞতা
ন্যান্সি বলেন, অ্যানিমেশন তাঁর জন্য নতুন নয়। শিশুদের জন্য গান গাওয়ার অভিজ্ঞতাও তাঁর রয়েছে। তবু প্রতিবারই এই ধরনের কাজ তাঁকে আলাদা আনন্দ দেয়। তাঁর মতে, শিশুদের জন্য লেখা বা গান গাওয়া সবচেয়ে কঠিন শিল্পগুলোর একটি। কারণ শিশুরা খুবই নির্মল ও সৎ। তারা যা অনুভব করে, সেটার প্রতিই সঙ্গে সঙ্গে সাড়া দেয়। ভালো লাগলে প্রথম শোনা থেকেই ভালোবাসে। এই সততাই শিল্পীদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।
ছবির গল্প আর গান নিয়ে আবেগ
তিনি জানান, ছবির গল্প, সংগীত, পুরো প্রজেক্টের সৌন্দর্য তাঁকে মুগ্ধ করেছে। তাই এমন প্রস্তাব এলে তিনি আনন্দের সঙ্গেই গ্রহণ করেন। এই ছবিতে কাজ করতে পেরে তিনি নিজেকে ভাগ্যবান মনে করছেন।

সামনের দিনের পরিকল্পনা
আগামী দিনের পরিকল্পনা নিয়ে ন্যান্সি আজরাম বলেন, নতুন গান, নতুন অ্যালবামের কাজ, মিউজিক ভিডিও এবং কনসার্টের প্রস্তুতি সবই চলছে। সঙ্গীত আর মঞ্চ ঘিরেই তাঁর ব্যস্ততা অব্যাহত থাকবে।
দুবাইয়ের সঙ্গে ভালোবাসার সম্পর্ক
দুবাইয়ের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক প্রসঙ্গে ন্যান্সি বলেন, এই শহরকে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। এখানে আসা, নানা আয়োজন আর শহরের অবিরাম উন্নয়ন তাঁকে মুগ্ধ করে। মাসে মাসে পরিবর্তন চোখে পড়ে। এই কারণেই দুবাইয়ে আসতে তিনি সব সময়ই আনন্দ পান।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















