সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে দেশের দুই শেয়ারবাজারেই নেমে আসে বড় ধরনের মন্দাভাব। সোমবার লেনদেন শেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ—উভয় বাজারের প্রধান সূচকই উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। অধিকাংশ শেয়ারের দাম কমেছে, পাশাপাশি লেনদেনের পরিমাণও হ্রাস পেয়েছে।
ডিএসইতে সূচকের বড় ধস
দিন শেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৫৮ পয়েন্ট কমে যায়। শরিয়াহভিত্তিক সূচক ডিএসইএস কমেছে ১১ পয়েন্ট এবং শীর্ষ কোম্পানিগুলোর সূচক ডিএসথার্টি নেমেছে ১৮ পয়েন্ট।
এদিন লেনদেনে অংশ নেওয়া বেশির ভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম কমেছে। মোট লেনদেন হওয়া শেয়ারের মধ্যে ৩১৩টির দর কমেছে, মাত্র ৩৮টির দর বেড়েছে এবং ৪১টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে।
ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণও কমে দাঁড়িয়েছে ৪১২ কোটি টাকায়, যা আগের কার্যদিবসে ছিল ৪২৯ কোটি টাকা।
ডিএসইতে শীর্ষ উত্থান ও পতন
লেনদেনের দিনটিতে শাইনপুকুর সিরামিকস পিএলসি সবচেয়ে বেশি দরবৃদ্ধি দেখিয়েছে। কোম্পানিটির শেয়ারের দাম বেড়েছে সাড়ে ৯ শতাংশের বেশি। বিপরীতে ফারইস্ট ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড ছিল দিনের সবচেয়ে বড় দরপতনের শিকার, যার শেয়ারের মূল্য প্রায় ১১ শতাংশ কমেছে।
সিএসইতেও নেতিবাচক চিত্র
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও দিনটি কেটেছে বড় পতনের মধ্য দিয়ে। বাজারের সামগ্রিক সূচক ক্যাসপি কমেছে ১১৬ পয়েন্ট।
বন্দরনগরীর বাজারে লেনদেন হওয়া অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দর নিম্নমুখী ছিল। এখানে ৯২টি কোম্পানির শেয়ার কমেছে, ৪১টির বেড়েছে এবং ২১টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
সিএসইতে লেনদেনের পরিমাণে বড় ধস
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে এক দিনের ব্যবধানে লেনদেনের পরিমাণ তিন গুণের বেশি কমে গেছে। আগের দিন যেখানে লেনদেন ছিল ১২ কোটি টাকা, সেখানে সোমবার তা নেমে এসেছে মাত্র ৪ কোটি টাকায়।
সিএসইতে দিনের সেরা ও দুর্বল শেয়ার
সিএসইতে ফার্স্ট ফাইন্যান্স লিমিটেড দিনের শীর্ষ দরবৃদ্ধিকারী হিসেবে উঠে এসেছে। কোম্পানিটির শেয়ারের দাম বেড়েছে ১০ শতাংশ। অন্যদিকে ইয়াকিন পলিমার লিমিটেড ছিল সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত, যার শেয়ারের দর ১০ শতাংশ কমেছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















