০২:২৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬
নীরব জাঁকজমকের ভাষা: দুবাইয়ে দামিয়ানির নতুন অধ্যায়ে জেসিকা চ্যাস্টেইনের আলো ভাড়া না কেনা, কেনা না ভাড়া: সুদের ভবিষ্যৎ যেদিকে, সিদ্ধান্তও সেদিকেই ইউরোপের বন্ডে ধসের আভাস, ডাচ পেনশনের সরে দাঁড়ানোয় ঋণচাপে সরকারগুলো ভিয়েতনামের দ্রুত বৃদ্ধি, নড়বড়ে ভিত: উন্নয়নের জোয়ারে ঝুঁকির ছায়া আবারও মুখোমুখি অবস্থানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, পাল্টাপাল্টি হামলার হুমকি যুক্তরাষ্ট্র ৬৬ সংস্থা থেকে সরে যাওয়ার কারণে বাংলাদেশ কতটা ক্ষতিগ্রস্ত হবে আবার নির্বাচনের দৌড়ে মান্না, বগুড়া-২ আসনে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন সূচকের বড় পতনে ডিএসই ও সিএসইতে লেনদেন কমল বাংলাদেশের অচলাবস্থা আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহর জন্য কঠিন পরীক্ষা: এনডিটিভি প্রতিবেদন বিক্ষোভের চাপে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে পাল্টা আঘাতের হুঁশিয়ারি

বাংলাদেশের অচলাবস্থা আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহর জন্য কঠিন পরীক্ষা: এনডিটিভি প্রতিবেদন

টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে বাংলাদেশ দলের ভারতে যেতে অস্বীকৃতিকে ঘিরে তৈরি হওয়া অচলাবস্থা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের চেয়ারম্যান জয় শাহর ওপর তীব্র চাপ তৈরি করেছে বলে জানিয়েছে ভারতের একটি সংবাদমাধ্যম। এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই সংকট সমাধানে এগিয়ে আসতে গিয়ে জয় শাহকে একটি ‘কঠিন পরীক্ষার’ মুখে পড়তে হচ্ছে। রোববার বিসিসিআই কর্মকর্তাদের সঙ্গে নির্ধারিত বৈঠকে তিনি সমাধানের পথ খুঁজতে চেষ্টা করবেন।

লজিস্টিক সমস্যা থেকে জাতীয় মর্যাদার প্রশ্ন
এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড আইসিসিকে পাঠানো দ্বিতীয় চিঠির পর সংকটের চরিত্রে বড় পরিবর্তন আসে। প্রথম চিঠিতে কেবল ভেন্যু শ্রীলঙ্কায় সরানোর অনুরোধ জানানো হয়েছিল। তবে দ্বিতীয় চিঠিতে বিষয়টি ‘জাতীয় মর্যাদার’ প্রশ্ন হিসেবে তুলে ধরা হয়। এর পেছনে অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে আইপিএল থেকে হঠাৎ করে পেসার মোস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেওয়া, যা ‘চরমপন্থী গোষ্ঠীর’ দাবির ফল বলে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।

নিরাপত্তা নিয়ে বাড়তি দাবি
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ এখন সাধারণ নিরাপত্তা আশ্বাসে সন্তুষ্ট নয়। দলটির দাবি, প্রতিটি খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ ও কর্মকর্তার জন্য আলাদাভাবে ‘ম্যান-টু-ম্যান’ ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। আইসিসির কাছে পাঠানো বার্তাটি স্পষ্ট—এটি আর শুধু নিরাপত্তার বিষয় নয়, এটি সম্মানের প্রশ্ন।

দ্রুত সমাধান অনিশ্চিত
এনডিটিভি জানিয়েছে, এই সংকটের দ্রুত সমাধান হওয়ার সম্ভাবনা কম। জয় শাহর তাৎক্ষণিক কাজ হলো বিসিসিআই ও আইসিসির অপারেশন টিমের সঙ্গে বিদ্যমান নিরাপত্তা পরিকল্পনা পর্যালোচনা করা। একই সঙ্গে খতিয়ে দেখা হবে, কেন বাংলাদেশের মনে হয়েছে যে তাদের উদ্বেগগুলো উপেক্ষিত হয়েছে কিংবা আগের যোগাযোগে প্রয়োজনীয় ‘সহমর্মিতা’ ছিল না।

আইসিসির সীমাবদ্ধতা
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, আইসিসি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ওপর একতরফাভাবে কোনো সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিতে পারে না। টুর্নামেন্টের বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় রাখতে হলে ঢাকার সম্মতিতেই সমাধান আসতে হবে। যোগ্যতার ভিত্তিতে বিশ্বকাপে খেলা নিশ্চিত করা বাংলাদেশকে বাদ দেওয়াও কোনো বিকল্প নয়। তা হলে আইনি ও রাজনৈতিক জটিলতা তৈরি হবে, আইসিসি বোর্ডে ভোটাভুটির প্রয়োজন পড়বে এবং এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের স্থিতিশীলতাও ঝুঁকিতে পড়তে পারে।

রাজনৈতিক অবস্থান আরও কঠোর
পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে বাংলাদেশের যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের প্রকাশ্য বক্তব্যে। তিনি স্পষ্টভাবে বলেছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে ভারতে খেলতে যাওয়া জাতীয় গর্বে আঘাতের শামিল হবে। এই বক্তব্য ঢাকার অবস্থানকে আরও কঠোর করে তুলেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

নীরব জাঁকজমকের ভাষা: দুবাইয়ে দামিয়ানির নতুন অধ্যায়ে জেসিকা চ্যাস্টেইনের আলো

বাংলাদেশের অচলাবস্থা আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহর জন্য কঠিন পরীক্ষা: এনডিটিভি প্রতিবেদন

০৮:৪২:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬

টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে বাংলাদেশ দলের ভারতে যেতে অস্বীকৃতিকে ঘিরে তৈরি হওয়া অচলাবস্থা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের চেয়ারম্যান জয় শাহর ওপর তীব্র চাপ তৈরি করেছে বলে জানিয়েছে ভারতের একটি সংবাদমাধ্যম। এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই সংকট সমাধানে এগিয়ে আসতে গিয়ে জয় শাহকে একটি ‘কঠিন পরীক্ষার’ মুখে পড়তে হচ্ছে। রোববার বিসিসিআই কর্মকর্তাদের সঙ্গে নির্ধারিত বৈঠকে তিনি সমাধানের পথ খুঁজতে চেষ্টা করবেন।

লজিস্টিক সমস্যা থেকে জাতীয় মর্যাদার প্রশ্ন
এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড আইসিসিকে পাঠানো দ্বিতীয় চিঠির পর সংকটের চরিত্রে বড় পরিবর্তন আসে। প্রথম চিঠিতে কেবল ভেন্যু শ্রীলঙ্কায় সরানোর অনুরোধ জানানো হয়েছিল। তবে দ্বিতীয় চিঠিতে বিষয়টি ‘জাতীয় মর্যাদার’ প্রশ্ন হিসেবে তুলে ধরা হয়। এর পেছনে অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে আইপিএল থেকে হঠাৎ করে পেসার মোস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেওয়া, যা ‘চরমপন্থী গোষ্ঠীর’ দাবির ফল বলে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।

নিরাপত্তা নিয়ে বাড়তি দাবি
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ এখন সাধারণ নিরাপত্তা আশ্বাসে সন্তুষ্ট নয়। দলটির দাবি, প্রতিটি খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ ও কর্মকর্তার জন্য আলাদাভাবে ‘ম্যান-টু-ম্যান’ ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। আইসিসির কাছে পাঠানো বার্তাটি স্পষ্ট—এটি আর শুধু নিরাপত্তার বিষয় নয়, এটি সম্মানের প্রশ্ন।

দ্রুত সমাধান অনিশ্চিত
এনডিটিভি জানিয়েছে, এই সংকটের দ্রুত সমাধান হওয়ার সম্ভাবনা কম। জয় শাহর তাৎক্ষণিক কাজ হলো বিসিসিআই ও আইসিসির অপারেশন টিমের সঙ্গে বিদ্যমান নিরাপত্তা পরিকল্পনা পর্যালোচনা করা। একই সঙ্গে খতিয়ে দেখা হবে, কেন বাংলাদেশের মনে হয়েছে যে তাদের উদ্বেগগুলো উপেক্ষিত হয়েছে কিংবা আগের যোগাযোগে প্রয়োজনীয় ‘সহমর্মিতা’ ছিল না।

আইসিসির সীমাবদ্ধতা
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, আইসিসি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ওপর একতরফাভাবে কোনো সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিতে পারে না। টুর্নামেন্টের বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় রাখতে হলে ঢাকার সম্মতিতেই সমাধান আসতে হবে। যোগ্যতার ভিত্তিতে বিশ্বকাপে খেলা নিশ্চিত করা বাংলাদেশকে বাদ দেওয়াও কোনো বিকল্প নয়। তা হলে আইনি ও রাজনৈতিক জটিলতা তৈরি হবে, আইসিসি বোর্ডে ভোটাভুটির প্রয়োজন পড়বে এবং এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের স্থিতিশীলতাও ঝুঁকিতে পড়তে পারে।

রাজনৈতিক অবস্থান আরও কঠোর
পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে বাংলাদেশের যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের প্রকাশ্য বক্তব্যে। তিনি স্পষ্টভাবে বলেছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে ভারতে খেলতে যাওয়া জাতীয় গর্বে আঘাতের শামিল হবে। এই বক্তব্য ঢাকার অবস্থানকে আরও কঠোর করে তুলেছে।