০৯:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬
চট্টগ্রামে পুলিশ হত্যাকাণ্ড: ১০ জনের যাবজ্জীবন পর্যটনে গতির নতুন অধ্যায় আবুধাবি, ২০৩০ লক্ষ্য ছোঁয়ার পথে এগোচ্ছে আমিরাত ধস নামা আবর্জনার পাহাড়ে নিভছে আশার আলো, সেবুতে মৃতের সংখ্যা বাড়ল শতাধিক নেতাকর্মী নিয়ে হঠাৎ বাংলাদেশ ব্যাংকে মির্জা আব্বাস মোংলায় খালেদা জিয়ার মাগফিরাত মাহফিলে হামলা, খাবার লুট, আহত দুই চার মিশনের প্রেস কর্মকর্তা প্রত্যাহার, দেশে ফেরার নির্দেশ সরকারের নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্ভব নয়: বদিউল আলম মজুমদার আগামী নির্বাচনে নারীদের সমর্থন জামায়াতের দিকে যাবে: শফিকুর রহমান কুসুমপুর বাজারে পরিচ্ছন্নতা অভিযানের ঘোষণায় উচ্ছেদ আতঙ্ক, উদ্বিগ্ন ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নির্দেশনা: মানি চেঞ্জারদের লাইসেন্স নবায়ন ফি দ্বিগুণ

আরব নারী ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের পতাকা বুকে নিয়ে বিশ্বমঞ্চে

আরব নারী ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিনিধিত্ব করতে পেরে গর্বিত এমিরাতি স্প্রিন্টার মরিয়ম আল ফারসি। বিশ্ব অ্যাথলেটিকসের মঞ্চে নিজের জায়গা তৈরি করতে গিয়ে একের পর এক বাধা ভেঙে এগিয়ে চলেছেন তিনি। ইয়াস মেরিনা সার্কিটে অনুষ্ঠিত দৌড় আয়োজনের ফাঁকে নিজের যাত্রার কথা জানাতে গিয়ে মরিয়ম বলেন, বুকের ওপর দেশের পতাকা ধারণ করাই তাঁর সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।

বিশ্বমঞ্চে পতাকা বহনের তাৎপর্য
মাত্র আঠারো বছর বয়সেই নারী একশ মিটার দৌড়ে আন্তর্জাতিক মঞ্চে প্রতিযোগিতা করা মরিয়মের কাছে ব্যক্তিগত সাফল্যের চেয়েও বড় বিষয় ভবিষ্যৎ প্রজন্মের পথ তৈরি করা। তিনি বলেন, তাঁর পর আরও অনেক প্রজন্ম আসবে, যারা এই পথকে আরও দূরে নিয়ে যাবে। নিজের লক্ষ্য হিসেবে তিনি তুলে ধরেন—তিনি শুধু শুরুটা করতে চান, যাতে তাঁর চেয়ে ছোটরা সাহস পায়।

নারী ক্রীড়ার বিস্তারে দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য
মরিয়মের দীর্ঘমেয়াদি স্বপ্ন সংযুক্ত আরব আমিরাতে নারী ক্রীড়ার পরিসর বাড়ানো। প্রতিদিনের জীবনযাত্রায় পড়াশোনা, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রস্তুতি, নিয়মিত অনুশীলন—সব কিছুর মধ্যেই রয়েছে দেশের প্রতিনিধিত্ব করার প্রস্তুতি। সামনে লক্ষ্য লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিক। তাঁর ভাষায়, দেশের হয়ে খেলতে পারাই সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা।

সমর্থন ও বিশ্বাসের গল্প
এই যাত্রায় দেশ ও ক্রীড়া সংস্থাগুলোর সহায়তার কথা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন মরিয়ম। তিনি জানান, ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ড ও নারী ক্রীড়া এখনও বিকাশের পথে থাকলেও এই সমর্থন ছাড়া তাঁর এখানে পৌঁছানো সম্ভব হতো না। খেলাটির প্রতি ভালোবাসা আর প্রক্রিয়ার ওপর বিশ্বাসই তাঁকে এগিয়ে নিয়েছে বলে মনে করেন তিনি।

তরুণদের প্রতি বার্তা
নতুন প্রজন্মের উদ্দেশে মরিয়মের আহ্বান—প্রথম পদক্ষেপ নিতে ভয় পেও না। কোথায় পৌঁছাবে তা কেউ জানে না। নিজের অভিজ্ঞতার কথা টেনে তিনি বলেন, তিনি নিজেও জানতেন না যে একদিন প্যারিসের মঞ্চে পৌঁছাবেন, তবু আজ তিনি সেখানে।

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রামে পুলিশ হত্যাকাণ্ড: ১০ জনের যাবজ্জীবন

আরব নারী ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের পতাকা বুকে নিয়ে বিশ্বমঞ্চে

০৬:০৬:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

আরব নারী ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিনিধিত্ব করতে পেরে গর্বিত এমিরাতি স্প্রিন্টার মরিয়ম আল ফারসি। বিশ্ব অ্যাথলেটিকসের মঞ্চে নিজের জায়গা তৈরি করতে গিয়ে একের পর এক বাধা ভেঙে এগিয়ে চলেছেন তিনি। ইয়াস মেরিনা সার্কিটে অনুষ্ঠিত দৌড় আয়োজনের ফাঁকে নিজের যাত্রার কথা জানাতে গিয়ে মরিয়ম বলেন, বুকের ওপর দেশের পতাকা ধারণ করাই তাঁর সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।

বিশ্বমঞ্চে পতাকা বহনের তাৎপর্য
মাত্র আঠারো বছর বয়সেই নারী একশ মিটার দৌড়ে আন্তর্জাতিক মঞ্চে প্রতিযোগিতা করা মরিয়মের কাছে ব্যক্তিগত সাফল্যের চেয়েও বড় বিষয় ভবিষ্যৎ প্রজন্মের পথ তৈরি করা। তিনি বলেন, তাঁর পর আরও অনেক প্রজন্ম আসবে, যারা এই পথকে আরও দূরে নিয়ে যাবে। নিজের লক্ষ্য হিসেবে তিনি তুলে ধরেন—তিনি শুধু শুরুটা করতে চান, যাতে তাঁর চেয়ে ছোটরা সাহস পায়।

নারী ক্রীড়ার বিস্তারে দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য
মরিয়মের দীর্ঘমেয়াদি স্বপ্ন সংযুক্ত আরব আমিরাতে নারী ক্রীড়ার পরিসর বাড়ানো। প্রতিদিনের জীবনযাত্রায় পড়াশোনা, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রস্তুতি, নিয়মিত অনুশীলন—সব কিছুর মধ্যেই রয়েছে দেশের প্রতিনিধিত্ব করার প্রস্তুতি। সামনে লক্ষ্য লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিক। তাঁর ভাষায়, দেশের হয়ে খেলতে পারাই সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা।

সমর্থন ও বিশ্বাসের গল্প
এই যাত্রায় দেশ ও ক্রীড়া সংস্থাগুলোর সহায়তার কথা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন মরিয়ম। তিনি জানান, ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ড ও নারী ক্রীড়া এখনও বিকাশের পথে থাকলেও এই সমর্থন ছাড়া তাঁর এখানে পৌঁছানো সম্ভব হতো না। খেলাটির প্রতি ভালোবাসা আর প্রক্রিয়ার ওপর বিশ্বাসই তাঁকে এগিয়ে নিয়েছে বলে মনে করেন তিনি।

তরুণদের প্রতি বার্তা
নতুন প্রজন্মের উদ্দেশে মরিয়মের আহ্বান—প্রথম পদক্ষেপ নিতে ভয় পেও না। কোথায় পৌঁছাবে তা কেউ জানে না। নিজের অভিজ্ঞতার কথা টেনে তিনি বলেন, তিনি নিজেও জানতেন না যে একদিন প্যারিসের মঞ্চে পৌঁছাবেন, তবু আজ তিনি সেখানে।