আগামী জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের কারসাজি বা কৃত্রিম ব্যবস্থাপনা মেনে নেওয়া হবে না বলে কঠোর অবস্থান জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, অতীতের মতো সমঝোতার নির্বাচন দেশবাসী আর দেখতে চায় না। রাজনৈতিক দলগুলোর বোঝাপড়া হবে সরাসরি ভোটারদের সঙ্গে, কোনো কর্তৃপক্ষ বা অন্য কারো সঙ্গে নয়।

রাজধানীতে বক্তব্য
গতকাল রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন জামায়াত আমির। সশস্ত্র বাহিনীর সাবেক সদস্যদের সম্মানে ‘সেবা ও আত্মত্যাগের স্বীকৃতিতে আমাদের গর্বিত ভেটেরানদের প্রতি শ্রদ্ধা’ শীর্ষক এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে জামায়াতে ইসলামী।
অনুষ্ঠানে উপস্থিতি
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন কর্নেল (অব.) মো. জাকারিয়া হোসেন। স্বাগত বক্তব্য দেন ঢাকা-১৬ আসনে জামায়াতের প্রার্থী আবদুল বাতেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আবদুল হালিম, প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য মোবারক হোসাইনসহ দলের শীর্ষ নেতারা। পাশাপাশি অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল মাহাবুব উল আলম, মেজর আখতারুজ্জামান, মেজর সরোয়ার হোসেন, সেনা কর্মকর্তা হাসিনুর রহমানসহ আরও অনেকে বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানে সাড়ে তিনশ থেকে চারশ জন সাবেক সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য অংশ নেন।

কারসাজির চেষ্টা হলে প্রতিরোধের হুঁশিয়ারি
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দেশবাসী যদি ঐক্যবদ্ধ ও সচেতন থাকে, তবে কেউ নির্বাচন নিয়ে কোনো ধরনের কারসাজির চিন্তা করলেও তা বাস্তবায়ন করতে পারবে না। এমন চেষ্টা হলে সংশ্লিষ্টদের পিছু হটতে বাধ্য হতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
নির্বাচনের গুরুত্ব ও প্রত্যাশা
জাতীয় জীবনে আসন্ন নির্বাচনের গুরুত্ব তুলে ধরে জামায়াত আমির বলেন, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের নির্বাচন কোনো গ্রহণযোগ্য কাঠামোর মধ্যে পড়ে না। বর্তমানে ৩৫ থেকে ৩৬ বছর বয়সী অনেক নাগরিক এখনো জীবনে একবারও ভোট দেওয়ার সুযোগ পাননি। জামায়াত এমন একটি নির্বাচন চায়, যেখানে প্রতিটি ভোটার নিশ্চিন্তে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন। কোনো ভয়, প্রশ্ন বা চ্যালেঞ্জ থাকবে না। এ ধরনের পরিবেশ নিশ্চিত করা গেলে নির্বাচন হবে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও সর্বজনগ্রাহ্য।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















