০৯:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬
ইরানের অস্থিরতায় বেইজিংয়ের সামনে কঠিন সমীকরণ চীন সফরের আগমুহূর্তে ধাক্কা, কানাডা থেকে আমদানি কমিয়ে দিল বেইজিং সাকস গ্লোবালের দেউলিয়া আবেদন, ঋণের ভারে নেমে এল মার্কিন বিলাসবহুল ফ্যাশনের বড় ধস জাপানের ইয়েন দেড় বছরের সর্বনিম্নে, নির্বাচনী জল্পনায় হস্তক্ষেপের আশঙ্কা ব্যাংক অব ইংল্যান্ডে সুদের হার কমার ইঙ্গিত, মূল্যস্ফীতি দুই শতাংশে নামার পথে ডলারভিত্তিক স্থিতিশীল মুদ্রায় যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প পরিবারের প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে পাকিস্তানের অংশীদারত্ব নিম্ন কার্বন প্রকল্পে বড় ধাক্কা, পাঁচ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত ক্ষতির ইঙ্গিত বিএপির ইরান ঘিরে সরবরাহ শঙ্কায় টানা পঞ্চম দিনে ঊর্ধ্বমুখী তেলের দাম রায় বহাল, কুমিল্লা-৪ আসনে নির্বাচনে অংশ নিতে পারছেন না মঞ্জুরুল গয়না খাতে ভ্যাট ও টার্নওভার কর সংস্কারের ইঙ্গিত এনবিআর চেয়ারম্যানের

গয়না খাতে ভ্যাট ও টার্নওভার কর সংস্কারের ইঙ্গিত এনবিআর চেয়ারম্যানের

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান ইঙ্গিত দিয়েছেন, দেশের গয়না ব্যবসায় প্রচলিত ভ্যাট ও টার্নওভার করব্যবস্থা পুনর্বিবেচনা করা হতে পারে। ন্যায্য কর আরোপ এবং খাতে শৃঙ্খলা ফেরানোর ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, বর্তমান কাঠামোতে বাস্তবসম্মত সংস্কার প্রয়োজন।

ঢাকায় এনবিআর আয়োজিত ‘মিট দ্য বিজনেস’ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির সঙ্গে আলোচনায় তিনি বলেন, ভ্যাট যদি প্রকৃত মূল্য সংযোজনের ওপর সঠিকভাবে আরোপ করা হয় এবং পূর্ণ ইনপুট ট্যাক্স ক্রেডিট নিশ্চিত থাকে, তাহলে করের চাপ অতিরিক্ত হওয়ার কথা নয়। তার মতে, ইচ্ছামতো বা অযৌক্তিক হারে কর নির্ধারণ করলে ব্যবসায়ীরা কর পরিশোধে আগ্রহ হারান এবং তা কার্যকর করাও কঠিন হয়ে পড়ে।

ভ্যাট কাঠামো নিয়ে প্রস্তাব দিতে ব্যবসায়ীদের আহ্বান
এনবিআর চেয়ারম্যান জানান, গয়না খাত চাইলে মূল্য সংযোজনভিত্তিক একটি যৌক্তিক ভ্যাট ফর্মুলা প্রস্তাব করতে পারে। সে ক্ষেত্রে প্রয়োজনে আইনে সংশোধন আনার বিষয়টি সরকার বিবেচনা করবে, যা আগামী অর্থ আইনেও অন্তর্ভুক্ত হতে পারে। একইভাবে, বর্তমানে প্রচলিত এক শতাংশ ন্যূনতম টার্নওভার কর নিয়েও নমনীয় অবস্থান নেওয়া যেতে পারে, যদি লেনদেনের স্বচ্ছ ও নির্ভরযোগ্য রেকর্ডিং ব্যবস্থা চালু করা হয়।

তিনি ব্যবসায়ীদের সঙ্গে একমত প্রকাশ করে বলেন, সোনা বা স্বর্ণালঙ্কারের মতো উচ্চমূল্যের পণ্যের পুরো বিক্রয়মূল্যের ওপর ভ্যাট আরোপ বাস্তবসম্মত নয়। কারণ এসব পণ্যে প্রকৃত মূল্য সংযোজন মূলত শ্রম বা তৈরির মজুরিতেই সীমাবদ্ধ থাকে।

শৃঙ্খলা ফেরানো ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়
এনবিআর চেয়ারম্যানের মতে, গয়না খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা শুধু রাজস্ব আদায়ের জন্য নয়, আইনের শাসন জোরদার করা এবং শিল্পটির দীর্ঘমেয়াদি টেকসই ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করার জন্যও জরুরি। তিনি বলেন, ব্যবসায়ীরা যেন নির্বিঘ্নে ব্যবসা করতে পারেন, সেই পথ সহজ করা, সহযোগিতা দেওয়া এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করাই সরকারের দায়িত্ব।

তিনি উল্লেখ করেন, দেশের অন্যতম প্রাচীন এই ব্যবসা খাতটি দীর্ঘদিন ধরে আনুষ্ঠানিক ও শৃঙ্খলিত কাঠামোর বাইরে রয়ে গেছে। সোনা কেবল একটি পণ্য নয়, এটি মানুষের আবেগ, সামাজিক নিরাপত্তা ও আর্থিক সুরক্ষার সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। তবু নানা নীতিগত উদ্যোগের পরও খাতটি পুরোপুরি আনুষ্ঠানিক অর্থনীতিতে আসেনি।

আমদানি নীতি সংস্কার হলেও বাস্তব চিত্র ভিন্ন
পূর্ববর্তী সংস্কারের কথা স্মরণ করে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, একসময় স্বর্ণ আমদানিতে কঠোর নিষেধাজ্ঞা ছিল। পরে ধীরে ধীরে আনুষ্ঠানিক আমদানি নীতি চালু হয়, যাত্রী বহনকৃত ও বাণিজ্যিক আমদানিতে কর কমানো এবং নির্ধারিত শুল্ক আরোপ করা হয়। কিন্তু বাস্তবতা হলো, সরকারি হিসাবে এখনো আনুষ্ঠানিক স্বর্ণ আমদানির পরিমাণ প্রায় নেই, অথচ বাজারে সরবরাহের ঘাটতি নেই।

তার ভাষায়, নথি ও বাস্তবতার এই ফাঁক আর্থিক শৃঙ্খলা, আইনের শাসন এবং সামগ্রিক সুশাসন প্রতিষ্ঠার বড় বাধা। চোরাচালান ও অনানুষ্ঠানিক কার্যক্রম রাজস্ব ক্ষতির পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের জন্যও বড় আর্থিক ও আইনি ঝুঁকি তৈরি করে।

ডিজিটাল রেকর্ডিংয়ের পথে যেতে চায় এনবিআর
বাংলাদেশ একটি তরুণ দেশ বলে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় সময় লাগবে—এমন যুক্তি নাকচ করে তিনি সিঙ্গাপুরের উদাহরণ দেন, যারা শুরু থেকেই আইন ও শৃঙ্খলাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে। এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, সন্দেহ দূর করতে পূর্ণাঙ্গ ও তাৎক্ষণিক লেনদেন রেকর্ডিং ব্যবস্থার দিকে যেতে চায় সংস্থাটি।

তিনি জানান, গয়না ব্যবসায়ীদের জন্য, বিশেষ করে ছোট দোকানগুলোর কথা মাথায় রেখে, সহজ ও খাতভিত্তিক ডিজিটাল সফটওয়্যার তৈরিতে এনবিআর প্রস্তুত। এতে প্রকৃত লেনদেন নথিভুক্ত হবে এবং বাস্তব চিত্র স্পষ্ট হবে। হিসাব স্বচ্ছ ও যাচাইযোগ্য হলে ভবিষ্যতে অনুমানভিত্তিক বা টার্নওভারনির্ভর করের প্রয়োজন কমে যাবে, তখন প্রকৃত লাভ বা ক্ষতির ওপর ভিত্তি করেই আয়কর নির্ধারণ সম্ভব হবে।

আমদানি ও রপ্তানি সুবিধা বাড়ানোর আশ্বাস
আমদানির ক্ষেত্রে বেশি উন্মুক্ততা ও প্রতিযোগিতা শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সহায়ক হবে বলে মন্তব্য করেন এনবিআর চেয়ারম্যান। তিনি জানান, আমদানি লাইসেন্স, এলসি খোলা বা ব্যাংকিং প্রক্রিয়ার জটিলতা থাকলে তা বাংলাদেশ ব্যাংক ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করা যেতে পারে। এ জন্য ব্যবসায়ীদের আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব জমা দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

রপ্তানিকারকদের বিষয়ে তিনি আবারও স্পষ্ট করেন, রপ্তানির জন্য ব্যবহৃত আমদানিকৃত কাঁচামালের ওপর পরিশোধিত শুল্ক ফেরত পাওয়ার অধিকার তাদের রয়েছে। নিরীক্ষা বা যাচাই প্রক্রিয়ায় কোনো বাস্তব সমস্যা থাকলে তা পর্যালোচনা করা হবে, যাতে বৈধ রপ্তানিকারকেরা বঞ্চিত না হন।

শেষে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, গয়না খাতে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা কেবল রাজস্বের প্রশ্ন নয়। অবৈধ বাণিজ্যের ঝুঁকি থেকে জীবন, জীবিকা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুরক্ষিত রাখতে এটি একটি যৌথ দায়িত্ব।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের অস্থিরতায় বেইজিংয়ের সামনে কঠিন সমীকরণ

গয়না খাতে ভ্যাট ও টার্নওভার কর সংস্কারের ইঙ্গিত এনবিআর চেয়ারম্যানের

০৭:৪৮:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান ইঙ্গিত দিয়েছেন, দেশের গয়না ব্যবসায় প্রচলিত ভ্যাট ও টার্নওভার করব্যবস্থা পুনর্বিবেচনা করা হতে পারে। ন্যায্য কর আরোপ এবং খাতে শৃঙ্খলা ফেরানোর ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, বর্তমান কাঠামোতে বাস্তবসম্মত সংস্কার প্রয়োজন।

ঢাকায় এনবিআর আয়োজিত ‘মিট দ্য বিজনেস’ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির সঙ্গে আলোচনায় তিনি বলেন, ভ্যাট যদি প্রকৃত মূল্য সংযোজনের ওপর সঠিকভাবে আরোপ করা হয় এবং পূর্ণ ইনপুট ট্যাক্স ক্রেডিট নিশ্চিত থাকে, তাহলে করের চাপ অতিরিক্ত হওয়ার কথা নয়। তার মতে, ইচ্ছামতো বা অযৌক্তিক হারে কর নির্ধারণ করলে ব্যবসায়ীরা কর পরিশোধে আগ্রহ হারান এবং তা কার্যকর করাও কঠিন হয়ে পড়ে।

ভ্যাট কাঠামো নিয়ে প্রস্তাব দিতে ব্যবসায়ীদের আহ্বান
এনবিআর চেয়ারম্যান জানান, গয়না খাত চাইলে মূল্য সংযোজনভিত্তিক একটি যৌক্তিক ভ্যাট ফর্মুলা প্রস্তাব করতে পারে। সে ক্ষেত্রে প্রয়োজনে আইনে সংশোধন আনার বিষয়টি সরকার বিবেচনা করবে, যা আগামী অর্থ আইনেও অন্তর্ভুক্ত হতে পারে। একইভাবে, বর্তমানে প্রচলিত এক শতাংশ ন্যূনতম টার্নওভার কর নিয়েও নমনীয় অবস্থান নেওয়া যেতে পারে, যদি লেনদেনের স্বচ্ছ ও নির্ভরযোগ্য রেকর্ডিং ব্যবস্থা চালু করা হয়।

তিনি ব্যবসায়ীদের সঙ্গে একমত প্রকাশ করে বলেন, সোনা বা স্বর্ণালঙ্কারের মতো উচ্চমূল্যের পণ্যের পুরো বিক্রয়মূল্যের ওপর ভ্যাট আরোপ বাস্তবসম্মত নয়। কারণ এসব পণ্যে প্রকৃত মূল্য সংযোজন মূলত শ্রম বা তৈরির মজুরিতেই সীমাবদ্ধ থাকে।

শৃঙ্খলা ফেরানো ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়
এনবিআর চেয়ারম্যানের মতে, গয়না খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা শুধু রাজস্ব আদায়ের জন্য নয়, আইনের শাসন জোরদার করা এবং শিল্পটির দীর্ঘমেয়াদি টেকসই ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করার জন্যও জরুরি। তিনি বলেন, ব্যবসায়ীরা যেন নির্বিঘ্নে ব্যবসা করতে পারেন, সেই পথ সহজ করা, সহযোগিতা দেওয়া এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করাই সরকারের দায়িত্ব।

তিনি উল্লেখ করেন, দেশের অন্যতম প্রাচীন এই ব্যবসা খাতটি দীর্ঘদিন ধরে আনুষ্ঠানিক ও শৃঙ্খলিত কাঠামোর বাইরে রয়ে গেছে। সোনা কেবল একটি পণ্য নয়, এটি মানুষের আবেগ, সামাজিক নিরাপত্তা ও আর্থিক সুরক্ষার সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। তবু নানা নীতিগত উদ্যোগের পরও খাতটি পুরোপুরি আনুষ্ঠানিক অর্থনীতিতে আসেনি।

আমদানি নীতি সংস্কার হলেও বাস্তব চিত্র ভিন্ন
পূর্ববর্তী সংস্কারের কথা স্মরণ করে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, একসময় স্বর্ণ আমদানিতে কঠোর নিষেধাজ্ঞা ছিল। পরে ধীরে ধীরে আনুষ্ঠানিক আমদানি নীতি চালু হয়, যাত্রী বহনকৃত ও বাণিজ্যিক আমদানিতে কর কমানো এবং নির্ধারিত শুল্ক আরোপ করা হয়। কিন্তু বাস্তবতা হলো, সরকারি হিসাবে এখনো আনুষ্ঠানিক স্বর্ণ আমদানির পরিমাণ প্রায় নেই, অথচ বাজারে সরবরাহের ঘাটতি নেই।

তার ভাষায়, নথি ও বাস্তবতার এই ফাঁক আর্থিক শৃঙ্খলা, আইনের শাসন এবং সামগ্রিক সুশাসন প্রতিষ্ঠার বড় বাধা। চোরাচালান ও অনানুষ্ঠানিক কার্যক্রম রাজস্ব ক্ষতির পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের জন্যও বড় আর্থিক ও আইনি ঝুঁকি তৈরি করে।

ডিজিটাল রেকর্ডিংয়ের পথে যেতে চায় এনবিআর
বাংলাদেশ একটি তরুণ দেশ বলে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় সময় লাগবে—এমন যুক্তি নাকচ করে তিনি সিঙ্গাপুরের উদাহরণ দেন, যারা শুরু থেকেই আইন ও শৃঙ্খলাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে। এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, সন্দেহ দূর করতে পূর্ণাঙ্গ ও তাৎক্ষণিক লেনদেন রেকর্ডিং ব্যবস্থার দিকে যেতে চায় সংস্থাটি।

তিনি জানান, গয়না ব্যবসায়ীদের জন্য, বিশেষ করে ছোট দোকানগুলোর কথা মাথায় রেখে, সহজ ও খাতভিত্তিক ডিজিটাল সফটওয়্যার তৈরিতে এনবিআর প্রস্তুত। এতে প্রকৃত লেনদেন নথিভুক্ত হবে এবং বাস্তব চিত্র স্পষ্ট হবে। হিসাব স্বচ্ছ ও যাচাইযোগ্য হলে ভবিষ্যতে অনুমানভিত্তিক বা টার্নওভারনির্ভর করের প্রয়োজন কমে যাবে, তখন প্রকৃত লাভ বা ক্ষতির ওপর ভিত্তি করেই আয়কর নির্ধারণ সম্ভব হবে।

আমদানি ও রপ্তানি সুবিধা বাড়ানোর আশ্বাস
আমদানির ক্ষেত্রে বেশি উন্মুক্ততা ও প্রতিযোগিতা শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সহায়ক হবে বলে মন্তব্য করেন এনবিআর চেয়ারম্যান। তিনি জানান, আমদানি লাইসেন্স, এলসি খোলা বা ব্যাংকিং প্রক্রিয়ার জটিলতা থাকলে তা বাংলাদেশ ব্যাংক ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করা যেতে পারে। এ জন্য ব্যবসায়ীদের আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব জমা দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

রপ্তানিকারকদের বিষয়ে তিনি আবারও স্পষ্ট করেন, রপ্তানির জন্য ব্যবহৃত আমদানিকৃত কাঁচামালের ওপর পরিশোধিত শুল্ক ফেরত পাওয়ার অধিকার তাদের রয়েছে। নিরীক্ষা বা যাচাই প্রক্রিয়ায় কোনো বাস্তব সমস্যা থাকলে তা পর্যালোচনা করা হবে, যাতে বৈধ রপ্তানিকারকেরা বঞ্চিত না হন।

শেষে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, গয়না খাতে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা কেবল রাজস্বের প্রশ্ন নয়। অবৈধ বাণিজ্যের ঝুঁকি থেকে জীবন, জীবিকা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুরক্ষিত রাখতে এটি একটি যৌথ দায়িত্ব।