০২:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬
রাজধানীতে সিএনজি সংকট: পাম্পে গ্যাসের চাপ কমে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে চালকরা, দুর্ভোগে যাত্রীরা বিমানের ওয়েবসাইটে ‘অনটাইম’, বাস্তবে ২২ ঘণ্টা বিলম্ব: সিলেট-জেদ্দা ফ্লাইটে ৮ শতাধিক যাত্রীর দুর্ভোগ বিদ্যুৎ বিল অস্বাভাবিক বৃদ্ধির অভিযোগ, বিষয়টি আমলে নেওয়ার আহ্বান আজহারির ঢাকা ক্লাবের ১৪০ বছরের ঐতিহ্যবাহী মেইন লাউঞ্জ ঝুঁকিতে, জরুরি প্রকৌশল মূল্যায়নের তাগিদ ৫ আগস্ট ঘিরে নাশকতার সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই, সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় ডিএমপি ব্যাংক এশিয়ার অনুমোদিত মূলধন দ্বিগুণ, বেড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা প্রতিবন্ধী সেবার অধিকার সংকুচিত হওয়ার শঙ্কা, যুক্তরাষ্ট্র সরকারকে সিদ্ধান্ত বদলের আহ্বান খেলনা গাড়ির চাকার হুইলচেয়ারে নতুন জীবন পেল আহত বিড়ালছানা জেলাটো কাবেরীর পানি নিয়ে আবারও সুপ্রিম কোর্টে তামিলনাড়ু, কর্ণাটকের বিরুদ্ধে আদেশ অমান্যের অভিযোগ এয়ার ইন্ডিয়ার উড়োজাহাজ মাঝআকাশে ৩০০ ফুট নিচে নেমে গেল কেন? বর্ষার আকাশে টার্বুলেন্সের ঝুঁকি ব্যাখ্যা

নিম্ন কার্বন প্রকল্পে বড় ধাক্কা, পাঁচ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত ক্ষতির ইঙ্গিত বিএপির

ব্রিটিশ জ্বালানি জায়ান্ট বিএপি তাদের নিম্ন কার্বন জ্বালানি ব্যবসায় বড় ধরনের সম্পদমূল্য হ্রাসের মুখে পড়তে যাচ্ছে। চলতি বছরের চতুর্থ প্রান্তিকে প্রতিষ্ঠানটি চার থেকে পাঁচ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত ক্ষতি হিসাবভুক্ত করতে পারে বলে জানিয়েছে কোম্পানিটি। নতুন নেতৃত্বে তেল ও গ্যাসে বিনিয়োগ বাড়িয়ে মুনাফা ফেরানোর কৌশলের অংশ হিসেবেই এই স্বীকৃতি দিয়েছে বিএপি।

নেতৃত্ব বদল ও কৌশল পরিবর্তন
বিএপির এক বাণিজ্যিক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই ক্ষতি তাদের মূল নিট মুনাফার হিসাবে ধরা হবে না। তবে কোন প্রকল্পগুলোতে এই ক্ষতি হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে রাজি হয়নি কোম্পানিটি। অন্তর্বর্তী প্রধানের বিদায়ের পর এপ্রিল থেকে নতুন প্রধান নির্বাহী দায়িত্ব নেওয়ার কথা রয়েছে, যিনি কোম্পানির আয় ও শেয়ারমূল্য বাড়াতে জোর দিচ্ছেন। প্রতিযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর তুলনায় পিছিয়ে পড়ায় বিএপি এখন আগের কৌশল থেকে সরে আসছে।

জ্বালানি রূপান্তরে ব্যয় কমানোর সিদ্ধান্ত
প্রায় এক বছর আগে বিএপি তাদের জ্বালানি রূপান্তর খাতে বার্ষিক ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনে। আগে যেখানে এই খাতে সাত বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত ব্যয়ের পরিকল্পনা ছিল, সেখানে তা নামিয়ে আনা হয় সর্বোচ্চ দুই বিলিয়নে। এর অংশ হিসেবে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবসায় অংশীদারিত্ব বিক্রির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, সমুদ্রভিত্তিক বায়ু বিদ্যুৎ কার্যক্রম যৌথ উদ্যোগে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং ইউরোপে একটি জৈব জ্বালানি কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা বাতিল করা হয়েছে।

দাম কমায় আয়ে চাপ
চতুর্থ প্রান্তিকে তেল ও গ্যাসের আন্তর্জাতিক দামের পতন বিএপির আয়ে বাড়তি চাপ তৈরি করছে। কোম্পানির মতে, তেলের দাম কমে যাওয়ায় আয় কমতে পারে কয়েকশো মিলিয়ন ডলার পর্যন্ত। একইভাবে গ্যাসের দুর্বল দামও আয়ের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। ইউরোপীয় বাজারে গ্যাসের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে এবং অপরিশোধিত তেলের গড় দাম আগের প্রান্তিকের তুলনায় নিচে নেমে এসেছে।

ঋণ কমলেও চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে
সম্পদ বিক্রির মাধ্যমে বিএপি তাদের নিট ঋণ কমাতে পেরেছে। চলতি বছরের শেষে এই ঋণ কমে বাইশ থেকে তেইশ বিলিয়ন ডলারের মধ্যে নামতে পারে বলে আশা করছে প্রতিষ্ঠানটি। দীর্ঘমেয়াদে ঋণ আরও কমানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হলেও করহার বৃদ্ধি ও পরিশোধন খাতের সমস্যাগুলো কোম্পানির সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজধানীতে সিএনজি সংকট: পাম্পে গ্যাসের চাপ কমে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে চালকরা, দুর্ভোগে যাত্রীরা

নিম্ন কার্বন প্রকল্পে বড় ধাক্কা, পাঁচ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত ক্ষতির ইঙ্গিত বিএপির

০৮:০৪:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬

ব্রিটিশ জ্বালানি জায়ান্ট বিএপি তাদের নিম্ন কার্বন জ্বালানি ব্যবসায় বড় ধরনের সম্পদমূল্য হ্রাসের মুখে পড়তে যাচ্ছে। চলতি বছরের চতুর্থ প্রান্তিকে প্রতিষ্ঠানটি চার থেকে পাঁচ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত ক্ষতি হিসাবভুক্ত করতে পারে বলে জানিয়েছে কোম্পানিটি। নতুন নেতৃত্বে তেল ও গ্যাসে বিনিয়োগ বাড়িয়ে মুনাফা ফেরানোর কৌশলের অংশ হিসেবেই এই স্বীকৃতি দিয়েছে বিএপি।

নেতৃত্ব বদল ও কৌশল পরিবর্তন
বিএপির এক বাণিজ্যিক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই ক্ষতি তাদের মূল নিট মুনাফার হিসাবে ধরা হবে না। তবে কোন প্রকল্পগুলোতে এই ক্ষতি হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে রাজি হয়নি কোম্পানিটি। অন্তর্বর্তী প্রধানের বিদায়ের পর এপ্রিল থেকে নতুন প্রধান নির্বাহী দায়িত্ব নেওয়ার কথা রয়েছে, যিনি কোম্পানির আয় ও শেয়ারমূল্য বাড়াতে জোর দিচ্ছেন। প্রতিযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর তুলনায় পিছিয়ে পড়ায় বিএপি এখন আগের কৌশল থেকে সরে আসছে।

জ্বালানি রূপান্তরে ব্যয় কমানোর সিদ্ধান্ত
প্রায় এক বছর আগে বিএপি তাদের জ্বালানি রূপান্তর খাতে বার্ষিক ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনে। আগে যেখানে এই খাতে সাত বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত ব্যয়ের পরিকল্পনা ছিল, সেখানে তা নামিয়ে আনা হয় সর্বোচ্চ দুই বিলিয়নে। এর অংশ হিসেবে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবসায় অংশীদারিত্ব বিক্রির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, সমুদ্রভিত্তিক বায়ু বিদ্যুৎ কার্যক্রম যৌথ উদ্যোগে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং ইউরোপে একটি জৈব জ্বালানি কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা বাতিল করা হয়েছে।

দাম কমায় আয়ে চাপ
চতুর্থ প্রান্তিকে তেল ও গ্যাসের আন্তর্জাতিক দামের পতন বিএপির আয়ে বাড়তি চাপ তৈরি করছে। কোম্পানির মতে, তেলের দাম কমে যাওয়ায় আয় কমতে পারে কয়েকশো মিলিয়ন ডলার পর্যন্ত। একইভাবে গ্যাসের দুর্বল দামও আয়ের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। ইউরোপীয় বাজারে গ্যাসের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে এবং অপরিশোধিত তেলের গড় দাম আগের প্রান্তিকের তুলনায় নিচে নেমে এসেছে।

ঋণ কমলেও চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে
সম্পদ বিক্রির মাধ্যমে বিএপি তাদের নিট ঋণ কমাতে পেরেছে। চলতি বছরের শেষে এই ঋণ কমে বাইশ থেকে তেইশ বিলিয়ন ডলারের মধ্যে নামতে পারে বলে আশা করছে প্রতিষ্ঠানটি। দীর্ঘমেয়াদে ঋণ আরও কমানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হলেও করহার বৃদ্ধি ও পরিশোধন খাতের সমস্যাগুলো কোম্পানির সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।