০২:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের ধাক্কা: সার-সংকটের শঙ্কায় বৈশ্বিক খাদ্য সরবরাহ, ক্ষুধার ঝুঁকিতে দরিদ্র দেশ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জোয়ারে ওরাকলের বড় উত্থান, ২০২৭ সালের আগেই আয়ে নতুন রেকর্ডের ইঙ্গিত পিরিয়ড ট্যাক্সের বিরুদ্ধে তরুণ আইনজীবী মাহনূর ওমরের লড়াই, পাকিস্তানে শুরু নতুন জাতীয় বিতর্ক ১.৭৫ ট্রিলিয়ন ডলারের লক্ষ্য: বিশ্বের বৃহত্তম শেয়ার বাজারে নামতে প্রস্তুত ইলন মাস্কের স্পেসএক্স ক্রিপ্টো দুনিয়ায় দ্রুত উত্থান ‘স্টেবলকয়েন’-এর, ডলার নির্ভর এই মুদ্রা ঘিরে বাড়ছে ঝুঁকি ও সম্ভাবনার বিতর্ক ইরানপন্থী সমাবেশের আশঙ্কা, লন্ডনে ফিলিস্তিনপন্থী মিছিল নিষিদ্ধ করলেন ব্রিটেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রোমানিয়ায় মার্কিন সেনা উপস্থিতি বাড়ানোর অনুমোদন হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ; তেল ছাড়তে প্রস্তুত জাপান ও জার্মানি সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকের জামিন, মুক্তিতে বাধা নেই থাইল্যান্ডের জাহাজে হরমুজ প্রণালীতে অজ্ঞাত হামলা, নিখোঁজ তিন নাবিক

প্রেমিককে বেঁধে রেখে তরুণীকে রাতভর ধর্ষণ

ভোলার মনপুরা উপজেলায় প্রেমিককে বেঁধে রেখে তার প্রেমিকাকে রাতভর সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় দুই প্রভাবশালী নেতাসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে এ ঘটনায় মামলা হলেও এখন পর্যন্ত কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

ভোলার মনপুরায় প্রেমিককে বেঁধে রেখে, প্রেমিকাকে রাতভর ধর্ষণ স্থানীয় দুই  ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে – জনতার বাণী

ঘটনার সময় ও এলাকা
গত বৃহস্পতিবার রাতে মনপুরা উপজেলার তিন নম্বর উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের উত্তর তালতলা নতুন বেড়িবাঁধ এলাকায় এই নৃশংস ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে শুক্রবার বেলা সাড়ে এগারোটার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ভুক্তভোগী তরুণী ও তার প্রেমিককে উদ্ধার করে মনপুরা থানায় নিয়ে আসে।

 

মামলা ও পুলিশের বক্তব্য
মনপুরা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. ফরিদ উদ্দিন জানান, শুক্রবার বিকেলে ভুক্তভোগী তরুণী বাদী হয়ে ছয়জনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও চাঁদা দাবির অভিযোগে মামলা দায়ের করেছেন। ধর্ষণের আলামত সংগ্রহ ও শারীরিক পরীক্ষা করার জন্য তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।

পুলিশ জানায়, মামলার প্রধান দুই আসামি স্থানীয় নেতা মাকছুদ ও আল-আমিন। তদন্তের স্বার্থে অন্য আসামিদের নাম প্রকাশ করা হয়নি। প্রধান দুই আসামির বাড়ি উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের চার নম্বর ওয়ার্ডে।

Bhola District Police - মনপুরা থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব মোঃ শাখাওয়াত  হোসেন এর নেতৃত্বে এস আই (নিঃ) মোঃ রিজওয়ান ও সংঙ্গীয় অফিসার ফোর্স গোপন ...

ভুক্তভোগীদের ভাষ্যে ঘটনার পটভূমি
ভুক্তভোগী তরুণ-তরুণীর ভাষ্য অনুযায়ী, তাদের মধ্যে দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। দুজনেই চট্টগ্রামের একটি কারখানায় কর্মরত। পারিবারিকভাবে বিয়ের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করতে গত বৃহস্পতিবার তরুণী তার প্রেমিকের সঙ্গে লঞ্চযোগে মনপুরায় আসেন। সেখানে প্রেমিক তাকে নিজের দাদির বাড়িতে রাখেন।

এই বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী চক্র বিয়েবহির্ভূত সম্পর্কের অজুহাতে তাদের কাছ থেকে প্রথমে দুই লাখ টাকা এবং পরে পঞ্চাশ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে বৃহস্পতিবার রাতে লঞ্চে তুলে দেওয়ার কথা বলে তাদের লঞ্চঘাটে না নিয়ে তালতলী এলাকার একটি নির্জন বেড়িবাঁধে নিয়ে যাওয়া হয়।

পালিয়ে বিয়ে করতে আসা প্রেমিককে বেঁধে প্রেমিকাকে রাতভর সংঘবদ্ধ ধর্ষণ |  Daily Banglar Chokh

সেখানে প্রেমিককে প্রথমে বেধড়ক মারধর করে বেঁধে রাখা হয়। এরপর তাকে আটক অবস্থায় রেখে তার প্রেমিকাকে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ। এক পর্যায়ে তরুণী রক্তাক্ত ও অচেতন হয়ে পড়লে অভিযুক্তরা তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করা হয়।

পুলিশি তৎপরতা
মনপুরা থানার ওসি মো. ফরিদ উদ্দিন জানান, ছয়জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও দুই থেকে তিনজন অজ্ঞাত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে। বর্তমানে প্রেমিক যুগল থানা হেফাজতে রয়েছে।

পুলিশ সংস্কার কমিশনের গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ: পুলিশের কার্যক্রম তদারকি করবে  স্থানীয় "ওয়াচডগ" কমিটি - বিডিডাইজেস্ট

জনপ্রিয় সংবাদ

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের ধাক্কা: সার-সংকটের শঙ্কায় বৈশ্বিক খাদ্য সরবরাহ, ক্ষুধার ঝুঁকিতে দরিদ্র দেশ

প্রেমিককে বেঁধে রেখে তরুণীকে রাতভর ধর্ষণ

১২:৫১:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬

ভোলার মনপুরা উপজেলায় প্রেমিককে বেঁধে রেখে তার প্রেমিকাকে রাতভর সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় দুই প্রভাবশালী নেতাসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে এ ঘটনায় মামলা হলেও এখন পর্যন্ত কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

ভোলার মনপুরায় প্রেমিককে বেঁধে রেখে, প্রেমিকাকে রাতভর ধর্ষণ স্থানীয় দুই  ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে – জনতার বাণী

ঘটনার সময় ও এলাকা
গত বৃহস্পতিবার রাতে মনপুরা উপজেলার তিন নম্বর উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের উত্তর তালতলা নতুন বেড়িবাঁধ এলাকায় এই নৃশংস ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে শুক্রবার বেলা সাড়ে এগারোটার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ভুক্তভোগী তরুণী ও তার প্রেমিককে উদ্ধার করে মনপুরা থানায় নিয়ে আসে।

 

মামলা ও পুলিশের বক্তব্য
মনপুরা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. ফরিদ উদ্দিন জানান, শুক্রবার বিকেলে ভুক্তভোগী তরুণী বাদী হয়ে ছয়জনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও চাঁদা দাবির অভিযোগে মামলা দায়ের করেছেন। ধর্ষণের আলামত সংগ্রহ ও শারীরিক পরীক্ষা করার জন্য তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।

পুলিশ জানায়, মামলার প্রধান দুই আসামি স্থানীয় নেতা মাকছুদ ও আল-আমিন। তদন্তের স্বার্থে অন্য আসামিদের নাম প্রকাশ করা হয়নি। প্রধান দুই আসামির বাড়ি উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের চার নম্বর ওয়ার্ডে।

Bhola District Police - মনপুরা থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব মোঃ শাখাওয়াত  হোসেন এর নেতৃত্বে এস আই (নিঃ) মোঃ রিজওয়ান ও সংঙ্গীয় অফিসার ফোর্স গোপন ...

ভুক্তভোগীদের ভাষ্যে ঘটনার পটভূমি
ভুক্তভোগী তরুণ-তরুণীর ভাষ্য অনুযায়ী, তাদের মধ্যে দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। দুজনেই চট্টগ্রামের একটি কারখানায় কর্মরত। পারিবারিকভাবে বিয়ের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করতে গত বৃহস্পতিবার তরুণী তার প্রেমিকের সঙ্গে লঞ্চযোগে মনপুরায় আসেন। সেখানে প্রেমিক তাকে নিজের দাদির বাড়িতে রাখেন।

এই বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী চক্র বিয়েবহির্ভূত সম্পর্কের অজুহাতে তাদের কাছ থেকে প্রথমে দুই লাখ টাকা এবং পরে পঞ্চাশ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে বৃহস্পতিবার রাতে লঞ্চে তুলে দেওয়ার কথা বলে তাদের লঞ্চঘাটে না নিয়ে তালতলী এলাকার একটি নির্জন বেড়িবাঁধে নিয়ে যাওয়া হয়।

পালিয়ে বিয়ে করতে আসা প্রেমিককে বেঁধে প্রেমিকাকে রাতভর সংঘবদ্ধ ধর্ষণ |  Daily Banglar Chokh

সেখানে প্রেমিককে প্রথমে বেধড়ক মারধর করে বেঁধে রাখা হয়। এরপর তাকে আটক অবস্থায় রেখে তার প্রেমিকাকে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ। এক পর্যায়ে তরুণী রক্তাক্ত ও অচেতন হয়ে পড়লে অভিযুক্তরা তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করা হয়।

পুলিশি তৎপরতা
মনপুরা থানার ওসি মো. ফরিদ উদ্দিন জানান, ছয়জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও দুই থেকে তিনজন অজ্ঞাত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে। বর্তমানে প্রেমিক যুগল থানা হেফাজতে রয়েছে।

পুলিশ সংস্কার কমিশনের গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ: পুলিশের কার্যক্রম তদারকি করবে  স্থানীয় "ওয়াচডগ" কমিটি - বিডিডাইজেস্ট