০৫:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ মে ২০২৬
রুপিয়ার দুর্বলতা শুধু মুদ্রাবাজারের সংকট নয়, মধ্যবিত্তের ভঙ্গুর ভবিষ্যতেরও প্রতিচ্ছবি বৈদেশিক ঋণের চাপে বাংলাদেশ চরাচর মহানন্দা নদী থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার, হত্যার সন্দেহ পুলিশের গাজীপুরে ২০ কিলোমিটার যানজট, ঈদযাত্রায় চরম ভোগান্তি ঈদযাত্রায় বাড়তে পারে হামের সংক্রমণ, সতর্ক করলেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা ‘দ্য জাপানিজ ওয়ে অব প্যারেন্টিং’ বইয়ে জাপানি মাতৃত্বের অদৃশ্য শ্রম ও আধুনিক পরিবারের নতুন প্রশ্ন স্টার ওয়ার্সের বড় পর্দায় প্রত্যাবর্তন, ডিজনির সামনে এখন সবচেয়ে বড় পরীক্ষা নিখোঁজ বৃদ্ধদের অদৃশ্য ট্র্যাজেডি: বার্ধক্য, ডিমেনশিয়া ও সমাজের ব্যর্থতা ই-কমার্স আইনে রাইড-হেইলিং অন্তর্ভুক্তির পরিকল্পনা ঘিরে বিতর্ক ইন্দোনেশিয়ায়

কথা-কাটাকাটি থেকে গণপিটুনি, ঘটনাস্থলেই প্রাণ গেল মিজানুরের

শনিবার রাত সাড়ে আটটার দিকে নোয়াখালী জেলার কবিরহাট উপজেলার কালীর বাজার এলাকায় কয়েকজন ব্যক্তির সঙ্গে মিজানুর রহমানের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে স্থানীয় লোকজন লাঠি ও লোহার রড নিয়ে তাঁর ওপর হামলা চালায়। বেধড়ক মারধরের ফলে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।

কবিরহাটে গণপিটুনিতে হত্যা, নিহতকে ডাকাত আখ্যা দিয়ে বাজারে মিষ্টি বিতরণ

নিহত মিজানুর রহমান রনি, বয়স আনুমানিক পঁয়ত্রিশ বছর। তিনি কবিরহাট উপজেলার জয়নদপুর গ্রামের শহীদের ছেলে। পুলিশ জানায়, তিনি একজন সন্দেহভাজন ডাকাত হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

কবিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া জানান, মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে ছয়টি ফৌজদারি মামলা রয়েছে। বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে তিনি পুলিশের তালিকায় ছিলেন।

বিএনপির বৈঠকের জেরে উত্তেজনা, পরে গণপিটুনিতে নিহত মিজান

প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় জানা যায়, বাজার এলাকায় বাকবিতণ্ডার পর পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এরপর আশপাশের লোকজন সংঘবদ্ধ হয়ে মিজানুর রহমানের ওপর হামলা চালায়। লাঠি ও লোহার রড দিয়ে মারধরের একপর্যায়ে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন এবং ঘটনাস্থলেই মারা যান।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের দুশো পঞ্চাশ শয্যার মর্গে পাঠানো হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

রুপিয়ার দুর্বলতা শুধু মুদ্রাবাজারের সংকট নয়, মধ্যবিত্তের ভঙ্গুর ভবিষ্যতেরও প্রতিচ্ছবি

কথা-কাটাকাটি থেকে গণপিটুনি, ঘটনাস্থলেই প্রাণ গেল মিজানুরের

০৯:০৬:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬

শনিবার রাত সাড়ে আটটার দিকে নোয়াখালী জেলার কবিরহাট উপজেলার কালীর বাজার এলাকায় কয়েকজন ব্যক্তির সঙ্গে মিজানুর রহমানের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে স্থানীয় লোকজন লাঠি ও লোহার রড নিয়ে তাঁর ওপর হামলা চালায়। বেধড়ক মারধরের ফলে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।

কবিরহাটে গণপিটুনিতে হত্যা, নিহতকে ডাকাত আখ্যা দিয়ে বাজারে মিষ্টি বিতরণ

নিহত মিজানুর রহমান রনি, বয়স আনুমানিক পঁয়ত্রিশ বছর। তিনি কবিরহাট উপজেলার জয়নদপুর গ্রামের শহীদের ছেলে। পুলিশ জানায়, তিনি একজন সন্দেহভাজন ডাকাত হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

কবিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া জানান, মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে ছয়টি ফৌজদারি মামলা রয়েছে। বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে তিনি পুলিশের তালিকায় ছিলেন।

বিএনপির বৈঠকের জেরে উত্তেজনা, পরে গণপিটুনিতে নিহত মিজান

প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় জানা যায়, বাজার এলাকায় বাকবিতণ্ডার পর পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এরপর আশপাশের লোকজন সংঘবদ্ধ হয়ে মিজানুর রহমানের ওপর হামলা চালায়। লাঠি ও লোহার রড দিয়ে মারধরের একপর্যায়ে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন এবং ঘটনাস্থলেই মারা যান।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের দুশো পঞ্চাশ শয্যার মর্গে পাঠানো হয়।