সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রোববার দেশের শেয়ারবাজারে দেখা গেছে জোরালো উত্থান। শক্তিশালী কেনাবেচার চাপে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ—দুই বাজারেই সূচক বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে। অধিকাংশ শেয়ারের দাম বাড়ার পাশাপাশি লেনদেনের পরিমাণও আগের দিনের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের চিত্র
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে প্রধান সূচক ডিএসইএক্স একদিনেই বেড়েছে ৭৬ পয়েন্ট। শরিয়াহভিত্তিক ডিএসইএস সূচক বেড়েছে ১৩ পয়েন্ট এবং শীর্ষ কোম্পানিগুলোর সূচক ডিএসথার্টি বেড়েছে ২৬ পয়েন্ট।
দিনশেষে বাজারে তালিকাভুক্ত বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম বেড়েছে। মোট ২৯০টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দর বৃদ্ধি পেয়েছে, বিপরীতে ৪২টির দর কমেছে এবং ৫৭টির দর অপরিবর্তিত ছিল।

লেনদেনে গতি ও ব্লক মার্কেটের অবস্থা
বাজারে লেনদেনের গতিও স্পষ্টভাবে বেড়েছে। ডিএসইতে মোট লেনদেন দাঁড়িয়েছে ৪৭৪ কোটি টাকা, যেখানে আগের কার্যদিবসে লেনদেন ছিল ৩৭৯ কোটি টাকা।
ব্লক মার্কেটে ১৯টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়েছে মোট ১৩ কোটি ৫০ লাখ টাকার। এর মধ্যে ফাইন ফুডস লিমিটেড সর্বোচ্চ লেনদেনের তালিকায় ছিল, যেখানে লেনদেনের পরিমাণ ছিল প্রায় ৪ কোটি ৩০ লাখ টাকা।
দাম বৃদ্ধিতে ও পতনে শীর্ষ অবস্থান
ডিএসইতে এপেক্স ট্যানারি লিমিটেড সবচেয়ে বেশি দর বৃদ্ধির শীর্ষে ছিল, কোম্পানিটির শেয়ার প্রায় ১০ শতাংশ বেড়েছে। অন্যদিকে ফ্যামিলিটেক্স বিডি লিমিটেড ছিল দিনের সবচেয়ে দুর্বল পারফরমার, যার শেয়ারদর কমেছে ৮ শতাংশের বেশি।

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও ইতিবাচক ধারা
ঢাকার পাশাপাশি চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও উত্থান লক্ষ্য করা গেছে। সিএসইর প্রধান সূচক ক্যাসপি বেড়েছে ১৬৫ পয়েন্ট।
এই বাজারে ৯৭টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বেড়েছে, ৪৭টির কমেছে এবং ১৯টির দর অপরিবর্তিত ছিল। সিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৭ কোটি টাকা, যা আগের দিনের ৬ কোটি টাকার চেয়ে বেশি।
সিএসইতে শীর্ষ লাভ ও ক্ষতি
চট্টগ্রাম বাজারেও এপেক্স ট্যানারি লিমিটেড প্রায় ১০ শতাংশ দর বৃদ্ধির মাধ্যমে শীর্ষে অবস্থান করেছে। বিপরীতে রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্স মিউচুয়াল ফান্ডের রিলায়েন্স ওয়ান ফার্স্ট স্কিম ছিল দিনের সর্বনিম্নে, যার ইউনিট দর প্রায় ১০ শতাংশ কমেছে।
সার্বিকভাবে সপ্তাহের শুরুতে দুই শেয়ারবাজারেই বিনিয়োগকারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ বাজারে ইতিবাচক গতি ফিরিয়ে এনেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















