০১:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬
ইরানে বেশি ক্ষতির ঝুঁকি থাকলেও কেন সরাসরি হস্তক্ষেপে যাচ্ছে না চীন বিগ থ্রি শেষ, এখন টেনিসের দুনিয়ায় রাজত্ব করছে বিগ টু ফুজিয়ানের নকশাগত সীমাবদ্ধতা ও চীনের পরবর্তী বিমানবাহী রণতরীর চ্যালেঞ্জ চীনের ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম খাত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির নতুন চালিকাশক্তি দক্ষিণ–পূর্ব এশিয়ার নতুন টেনিস জাগরণ, ইলা ও জেনকে ঘিরে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের আলো চীন–কানাডা সম্পর্কের নতুন মোড়ে বৈশ্বিক সহযোগিতার নতুন চেতনা স্যুটের মৃত্যু নেই, বদলাচ্ছে তার ভাষা স্যাভিল রো থেকে নিজের পথে নিনা পেনলিংটন নিউজিল্যান্ডের ইতিহাস, ভারতের মাটিতে প্রথম সিরিজ জয় হার্ভার্ডের পতন, চীনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উত্থান বিশ্ব গবেষণায় ক্ষমতার ভারসাম্য বদলে যাচ্ছে চীন–উত্তর কোরিয়ার সম্পর্ক উষ্ণ, দুই বছরে প্রথমবার বাণিজ্যে বড় উল্লম্ফন

বয়লার বিস্ফোরণে বড়পুকুরিয়া বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ, লোডশেডিংয়ে শিল্প উৎপাদন ব্যাহত হবে

দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রে বয়লার টিউব বিস্ফোরণের ঘটনায় বিদ্যুৎ উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। রোববার (১৮ জানুয়ারি ২০২৬) সকালে কেন্দ্রটির ইউনিট–১ এ দুর্ঘটনাটি ঘটে। এতে করে কেন্দ্রের সব ইউনিট একযোগে অচল হয়ে পড়ে।

বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্পূর্ণ স্থগিত
দুর্ঘটনার পর ইউনিট–১ এর বিদ্যুৎ উৎপাদন তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ করা হয়। এর ফলে ৫২৫ মেগাওয়াট মোট উৎপাদনক্ষমতাসম্পন্ন বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের তিনটি ইউনিটই বর্তমানে বন্ধ রয়েছে। এর মধ্যে ইউনিট–১ ও ইউনিট–২ এর প্রতিটির উৎপাদনক্ষমতা ১২৫ মেগাওয়াট এবং ইউনিট–৩ এর ক্ষমতা ২৭৫ মেগাওয়াট।

দুর্ঘটনার কারণ ও সময়
বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী আবু বকর সিদ্দিক জানান, দুর্ঘটনার সময় ইউনিট–১ থেকে প্রায় ৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছিল। সকাল ১১টার দিকে অতিরিক্ত তাপচাপের কারণে বয়লারের একটি টিউব বিস্ফোরিত হয়। বয়লারের ভেতরে প্রবাহিত পানির তাপমাত্রা ছিল প্রায় এক হাজার ডিগ্রি ফারেনহাইট।

বয়লারের টিউবে ফাটল; বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ

মেরামত ও পুনরায় চালুর সম্ভাবনা
প্রধান প্রকৌশলী আরও জানান, বয়লারটি স্বাভাবিকভাবে ঠান্ডা হতে প্রায় এক সপ্তাহ সময় লাগবে। এরপর ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা নির্ধারণ করা হবে। সবকিছু ঠিকভাবে মেরামত করা গেলে পুনরায় বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করা হবে।

অন্য ইউনিটগুলোর বর্তমান অবস্থা
ইউনিট–৩ দীর্ঘদিন ধরেই সংস্কারকাজের জন্য বন্ধ রয়েছে। এই কাজ চীনা প্রকৌশলীদের তত্ত্বাবধানে চলছে। অন্যদিকে ইউনিট–২ অনেকদিন ধরে কারিগরি ত্রুটির কারণে চালু করা যায়নি। এসব কারণে দুর্ঘটনার আগেই কেন্দ্রটির উৎপাদন সক্ষমতা সীমিত ছিল।

পুরোপুরি বন্ধ বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন

উত্তরাঞ্চলে প্রভাব
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র সম্পূর্ণ বন্ধ থাকায় উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় লোডশেডিং হবে। এতে বিদ্যুৎনির্ভর শিল্পকারখানার উৎপাদন ব্যাহত হবে এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়বে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানে বেশি ক্ষতির ঝুঁকি থাকলেও কেন সরাসরি হস্তক্ষেপে যাচ্ছে না চীন

বয়লার বিস্ফোরণে বড়পুকুরিয়া বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ, লোডশেডিংয়ে শিল্প উৎপাদন ব্যাহত হবে

১১:১৫:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬

দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রে বয়লার টিউব বিস্ফোরণের ঘটনায় বিদ্যুৎ উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। রোববার (১৮ জানুয়ারি ২০২৬) সকালে কেন্দ্রটির ইউনিট–১ এ দুর্ঘটনাটি ঘটে। এতে করে কেন্দ্রের সব ইউনিট একযোগে অচল হয়ে পড়ে।

বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্পূর্ণ স্থগিত
দুর্ঘটনার পর ইউনিট–১ এর বিদ্যুৎ উৎপাদন তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ করা হয়। এর ফলে ৫২৫ মেগাওয়াট মোট উৎপাদনক্ষমতাসম্পন্ন বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের তিনটি ইউনিটই বর্তমানে বন্ধ রয়েছে। এর মধ্যে ইউনিট–১ ও ইউনিট–২ এর প্রতিটির উৎপাদনক্ষমতা ১২৫ মেগাওয়াট এবং ইউনিট–৩ এর ক্ষমতা ২৭৫ মেগাওয়াট।

দুর্ঘটনার কারণ ও সময়
বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী আবু বকর সিদ্দিক জানান, দুর্ঘটনার সময় ইউনিট–১ থেকে প্রায় ৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছিল। সকাল ১১টার দিকে অতিরিক্ত তাপচাপের কারণে বয়লারের একটি টিউব বিস্ফোরিত হয়। বয়লারের ভেতরে প্রবাহিত পানির তাপমাত্রা ছিল প্রায় এক হাজার ডিগ্রি ফারেনহাইট।

বয়লারের টিউবে ফাটল; বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ

মেরামত ও পুনরায় চালুর সম্ভাবনা
প্রধান প্রকৌশলী আরও জানান, বয়লারটি স্বাভাবিকভাবে ঠান্ডা হতে প্রায় এক সপ্তাহ সময় লাগবে। এরপর ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা নির্ধারণ করা হবে। সবকিছু ঠিকভাবে মেরামত করা গেলে পুনরায় বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করা হবে।

অন্য ইউনিটগুলোর বর্তমান অবস্থা
ইউনিট–৩ দীর্ঘদিন ধরেই সংস্কারকাজের জন্য বন্ধ রয়েছে। এই কাজ চীনা প্রকৌশলীদের তত্ত্বাবধানে চলছে। অন্যদিকে ইউনিট–২ অনেকদিন ধরে কারিগরি ত্রুটির কারণে চালু করা যায়নি। এসব কারণে দুর্ঘটনার আগেই কেন্দ্রটির উৎপাদন সক্ষমতা সীমিত ছিল।

পুরোপুরি বন্ধ বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন

উত্তরাঞ্চলে প্রভাব
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র সম্পূর্ণ বন্ধ থাকায় উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় লোডশেডিং হবে। এতে বিদ্যুৎনির্ভর শিল্পকারখানার উৎপাদন ব্যাহত হবে এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়বে।