১২:৫১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬
হরমুজ ও বাব এল-মান্দেবে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক, শান্তি আলোচনার অনিশ্চয়তা কাটেনি তাইওয়ানের বৃহৎ যুদ্ধমহড়া শুরু, যুদ্ধক্ষেত্রের অনিশ্চয়তা মোকাবিলায় নতুন কৌশলের পরীক্ষা বসনিয়া-হার্জেগোভিনার ইউরোপযাত্রা: স্থিতিশীলতার পরীক্ষায় দেশীয় নেতৃত্ব ও আন্তর্জাতিক আস্থার প্রশ্ন জ্বালানি নিরাপত্তায় ৪২ বিলিয়ন ডলারের তহবিল গড়ছে ভারত, গ্যাস ব্যবহারকারীদের ওপর নতুন শুল্কের পরিকল্পনা ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতির অভিযোগ, প্রায় ৫৮ হাজার শিক্ষার্থীকে আবার পরীক্ষা দিতে বলল মেক্সিকোর শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয় হরমুজ ও বাব এল-মান্দেবে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক, শান্তি আলোচনার অনিশ্চয়তা কাটেনি সাইবার প্রতারণা দমনে কঠোর আইন, মৃত্যুদণ্ডের বিধান অনুমোদন করল মিয়ানমারের জান্তা যুক্তরাষ্ট্রের ছাতার নিচে কতটা নিরাপদ জাপানের ইয়েন? রাশিয়ার ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কাঁপল কিয়েভ, নিহত অন্তত ১৭ মিয়ানমারের পাহাড়ে শুরু হয়েছে ২১ শতকের নতুন ‘গ্রেট গেম’  ও বাংলাদেশ   

বয়লার বিস্ফোরণে বড়পুকুরিয়া বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ, লোডশেডিংয়ে শিল্প উৎপাদন ব্যাহত হবে

দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রে বয়লার টিউব বিস্ফোরণের ঘটনায় বিদ্যুৎ উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। রোববার (১৮ জানুয়ারি ২০২৬) সকালে কেন্দ্রটির ইউনিট–১ এ দুর্ঘটনাটি ঘটে। এতে করে কেন্দ্রের সব ইউনিট একযোগে অচল হয়ে পড়ে।

বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্পূর্ণ স্থগিত
দুর্ঘটনার পর ইউনিট–১ এর বিদ্যুৎ উৎপাদন তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ করা হয়। এর ফলে ৫২৫ মেগাওয়াট মোট উৎপাদনক্ষমতাসম্পন্ন বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের তিনটি ইউনিটই বর্তমানে বন্ধ রয়েছে। এর মধ্যে ইউনিট–১ ও ইউনিট–২ এর প্রতিটির উৎপাদনক্ষমতা ১২৫ মেগাওয়াট এবং ইউনিট–৩ এর ক্ষমতা ২৭৫ মেগাওয়াট।

দুর্ঘটনার কারণ ও সময়
বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী আবু বকর সিদ্দিক জানান, দুর্ঘটনার সময় ইউনিট–১ থেকে প্রায় ৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছিল। সকাল ১১টার দিকে অতিরিক্ত তাপচাপের কারণে বয়লারের একটি টিউব বিস্ফোরিত হয়। বয়লারের ভেতরে প্রবাহিত পানির তাপমাত্রা ছিল প্রায় এক হাজার ডিগ্রি ফারেনহাইট।

বয়লারের টিউবে ফাটল; বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ

মেরামত ও পুনরায় চালুর সম্ভাবনা
প্রধান প্রকৌশলী আরও জানান, বয়লারটি স্বাভাবিকভাবে ঠান্ডা হতে প্রায় এক সপ্তাহ সময় লাগবে। এরপর ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা নির্ধারণ করা হবে। সবকিছু ঠিকভাবে মেরামত করা গেলে পুনরায় বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করা হবে।

অন্য ইউনিটগুলোর বর্তমান অবস্থা
ইউনিট–৩ দীর্ঘদিন ধরেই সংস্কারকাজের জন্য বন্ধ রয়েছে। এই কাজ চীনা প্রকৌশলীদের তত্ত্বাবধানে চলছে। অন্যদিকে ইউনিট–২ অনেকদিন ধরে কারিগরি ত্রুটির কারণে চালু করা যায়নি। এসব কারণে দুর্ঘটনার আগেই কেন্দ্রটির উৎপাদন সক্ষমতা সীমিত ছিল।

পুরোপুরি বন্ধ বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন

উত্তরাঞ্চলে প্রভাব
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র সম্পূর্ণ বন্ধ থাকায় উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় লোডশেডিং হবে। এতে বিদ্যুৎনির্ভর শিল্পকারখানার উৎপাদন ব্যাহত হবে এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়বে।

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ ও বাব এল-মান্দেবে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক, শান্তি আলোচনার অনিশ্চয়তা কাটেনি

বয়লার বিস্ফোরণে বড়পুকুরিয়া বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ, লোডশেডিংয়ে শিল্প উৎপাদন ব্যাহত হবে

১১:১৫:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬

দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রে বয়লার টিউব বিস্ফোরণের ঘটনায় বিদ্যুৎ উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। রোববার (১৮ জানুয়ারি ২০২৬) সকালে কেন্দ্রটির ইউনিট–১ এ দুর্ঘটনাটি ঘটে। এতে করে কেন্দ্রের সব ইউনিট একযোগে অচল হয়ে পড়ে।

বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্পূর্ণ স্থগিত
দুর্ঘটনার পর ইউনিট–১ এর বিদ্যুৎ উৎপাদন তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ করা হয়। এর ফলে ৫২৫ মেগাওয়াট মোট উৎপাদনক্ষমতাসম্পন্ন বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের তিনটি ইউনিটই বর্তমানে বন্ধ রয়েছে। এর মধ্যে ইউনিট–১ ও ইউনিট–২ এর প্রতিটির উৎপাদনক্ষমতা ১২৫ মেগাওয়াট এবং ইউনিট–৩ এর ক্ষমতা ২৭৫ মেগাওয়াট।

দুর্ঘটনার কারণ ও সময়
বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী আবু বকর সিদ্দিক জানান, দুর্ঘটনার সময় ইউনিট–১ থেকে প্রায় ৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছিল। সকাল ১১টার দিকে অতিরিক্ত তাপচাপের কারণে বয়লারের একটি টিউব বিস্ফোরিত হয়। বয়লারের ভেতরে প্রবাহিত পানির তাপমাত্রা ছিল প্রায় এক হাজার ডিগ্রি ফারেনহাইট।

বয়লারের টিউবে ফাটল; বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ

মেরামত ও পুনরায় চালুর সম্ভাবনা
প্রধান প্রকৌশলী আরও জানান, বয়লারটি স্বাভাবিকভাবে ঠান্ডা হতে প্রায় এক সপ্তাহ সময় লাগবে। এরপর ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা নির্ধারণ করা হবে। সবকিছু ঠিকভাবে মেরামত করা গেলে পুনরায় বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করা হবে।

অন্য ইউনিটগুলোর বর্তমান অবস্থা
ইউনিট–৩ দীর্ঘদিন ধরেই সংস্কারকাজের জন্য বন্ধ রয়েছে। এই কাজ চীনা প্রকৌশলীদের তত্ত্বাবধানে চলছে। অন্যদিকে ইউনিট–২ অনেকদিন ধরে কারিগরি ত্রুটির কারণে চালু করা যায়নি। এসব কারণে দুর্ঘটনার আগেই কেন্দ্রটির উৎপাদন সক্ষমতা সীমিত ছিল।

পুরোপুরি বন্ধ বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন

উত্তরাঞ্চলে প্রভাব
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র সম্পূর্ণ বন্ধ থাকায় উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় লোডশেডিং হবে। এতে বিদ্যুৎনির্ভর শিল্পকারখানার উৎপাদন ব্যাহত হবে এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়বে।