চীনের সর্বশেষ বিমানবাহী রণতরী ফুজিয়ানের নকশায় গুরুত্বপূর্ণ কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে, যা ভবিষ্যৎ রণতরীতে পারমাণবিক শক্তি গ্রহণ না করলে কাটিয়ে ওঠা কঠিন হবে—এমন বিশ্লেষণ প্রকাশ করেছে একটি সামরিক সাময়িকী।
ফুজিয়ান: নতুন হলেও সীমাবদ্ধ
ফুজিয়ান হলো চীনের প্রথম সম্পূর্ণ দেশীয় নকশায় তৈরি বিমানবাহী রণতরী, যা গত নভেম্বর মাসে কমিশন করা হয়। এটি প্রযুক্তিগত দিক থেকে চীনের জন্য বড় অগ্রগতি হলেও নকশাগত কিছু ঘাটতি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের আধুনিক রণতরীর সঙ্গে তুলনা
যুক্তরাষ্ট্রের সর্বাধুনিক জেরাল্ড আর. ফোর্ড শ্রেণির বিমানবাহী রণতরীতে তিনটি ক্যাটাপাল্ট রয়েছে, যেখানে ফুজিয়ানে আছে মাত্র দুটি। এর ফলে মার্কিন রণতরীগুলোতে বিমান উৎক্ষেপণের গতি ও দক্ষতা বেশি, যা অপারেশনাল সক্ষমতায় গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য তৈরি করে।

পারমাণবিক শক্তির প্রয়োজনীয়তা
শিপবোর্ন উইপনস ডিফেন্স রিভিউ সাময়িকীর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফুজিয়ানের যেসব সমস্যার কথা উঠে এসেছে, সেগুলো ভবিষ্যতে কেবল পারমাণবিক শক্তিচালিত রণতরী গ্রহণের মাধ্যমেই কার্যকরভাবে সমাধান করা সম্ভব। পারমাণবিক শক্তি দীর্ঘমেয়াদি শক্তি সরবরাহ ও উন্নত ক্যাটাপাল্ট ব্যবস্থার জন্য অপরিহার্য হতে পারে।
বিমান বহনের সক্ষমতা
চীনের প্রথম দুটি বিমানবাহী রণতরী সোভিয়েত যুগের নকশার ওপর ভিত্তি করে তৈরি হলেও ফুজিয়ান সে সীমা ছাড়িয়ে গেছে। এই রণতরী পঞ্চম প্রজন্মের স্টেলথ যুদ্ধবিমান, নজরদারি বিমান থেকে শুরু করে ড্রোন পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গ বিমানসম্ভার বহনে সক্ষম। তবু নকশাগত সীমাবদ্ধতার কারণে ভবিষ্যৎ উন্নয়নে বড় সিদ্ধান্তের মুখে দাঁড়িয়েছে বেইজিং।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















