ভোটগ্রহণে অংশগ্রহণ বাড়ানো এবং নির্বাচনকালীন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কার্যকরভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে ১১ ফেব্রুয়ারি অতিরিক্ত সরকারি ছুটি ঘোষণার প্রস্তাব অনুমোদন করেছে উপদেষ্টা পরিষদ। বৃহস্পতিবার প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সাপ্তাহিক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
বৈঠক শেষে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সিদ্ধান্তগুলোর বিস্তারিত তুলে ধরেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার জ্যেষ্ঠ সহকারী প্রেস সচিব ফয়েজ আহম্মদ।

নির্বাচনের প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত
প্রেস সচিব জানান, বুধবার অনুষ্ঠিত একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে নির্বাচন প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যালোচনার পর এই অতিরিক্ত ছুটির প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। ভোটগ্রহণের দিন ১২ ফেব্রুয়ারির পাশাপাশি আগের দিন ১১ ফেব্রুয়ারিকে ছুটি ঘোষণার মাধ্যমে ভোটারদের যাতায়াত ও অংশগ্রহণ সহজ করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।
শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকদের জন্য বিশেষ ছুটি
বৈঠকে আরও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকদের জন্য ১০ ফেব্রুয়ারি আলাদা করে ছুটি ঘোষণা করা হবে। ফলে শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকরা ১০ ও ১১ ফেব্রুয়ারি ছুটি পাবেন। এর সঙ্গে ভোটগ্রহণের দিন ১২ ফেব্রুয়ারির ছুটি যুক্ত হওয়ায় তাদের জন্য টানা তিন দিনের অবকাশ তৈরি হবে।

ঢাকাসহ বড় শহরের ভোটারদের সুবিধা
শফিকুল আলম জানান, এই সিদ্ধান্তের মূল উদ্দেশ্য হলো ঢাকাসহ শিল্পনগরী ও বড় শহরগুলোতে বসবাসরত ভোটারদের নিজ নিজ এলাকায় গিয়ে ভোট দেওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করা। যেহেতু ১১ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের আগের দিন, তাই এই ছুটি ভোটারদের যাতায়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থাপনায় সহায়তা
অতিরিক্ত ছুটির ফলে নির্বাচনকালীন সময়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনা আরও সহজ হবে বলেও মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এই সিদ্ধান্তগুলোর বিষয়ে শিগগিরই আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















