১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঢাকা-১৫ (মিরপুর–কাফরুল) আসনে আনুষ্ঠানিকভাবে নিজের নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
মিরপুরে গণসমাবেশের মাধ্যমে সূচনা
বৃহস্পতিবার বিকেলে মিরপুর-১০ এর আদর্শ উচ্চবিদ্যালয় মাঠে বিশাল গণসমাবেশের মাধ্যমে এই প্রচারণার সূচনা হয়। সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন জামায়াতের আমির। তিনি এ আয়োজনকে শুধু একটি আসনের প্রচারণা নয়, বরং দেশব্যাপী রাজনৈতিক আন্দোলনের সূচনা হিসেবে উল্লেখ করেন।

সকাল থেকেই সমাবেশস্থল ঘিরে উৎসবমুখর পরিবেশ
সকালের দিক থেকেই মিরপুর এলাকায় ছিল ব্যতিক্রমী উৎসবমুখর পরিবেশ। বিভিন্ন এলাকা থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে আসেন হাজারো নেতা-কর্মী ও সমর্থক। তাঁদের হাতে ছিল জামায়াতের নির্বাচনী প্রতীক দাঁড়িপাল্লা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সমাবেশস্থল ও আশপাশের সড়ক এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়। সীমিত সময়ের জন্য অনুমোদিত ব্যানার ও ফেস্টুনে সাজানো হয় পুরো এলাকা।
জোট ও দলের শীর্ষ নেতাদের উপস্থিতি
সমাবেশে জামায়াতে ইসলামী ও তাদের রাজনৈতিক জোটের একাধিক শীর্ষ নেতা উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, জাগপা’র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও মুখপাত্র প্রকৌশলী রাশেদ প্রধান, জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এবং ঢাকা-১২ আসনের প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন।
এ ছাড়া ঢাকার বিভিন্ন আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থীদেরও দেখা যায়। উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-১৪ আসনের ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাসেম, ঢাকা-১৬ আসনের প্রার্থী অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল আবদুল বাতেন এবং ঢাকা-১৭ আসনের ডা. এস এম খালিদুজ্জামান।

সভাপতিত্ব ও বক্তব্য
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতের ঢাকা উত্তর সিটি ইউনিটের নায়েবে আমির ও আসন সমন্বয়ক আবদুর রহমান মুসা। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি জাহিদুল ইসলাম। সূচনা বক্তব্য দেন প্রয়াত আবদুল হান্নান খানের পুত্র ডা. সাইফ খান।
স্থানীয় নেতৃত্বের বার্তা
সমাবেশে স্থানীয় নেতাদের মধ্যে বক্তব্য দেন আবদুল মতিন খান ও আনোয়ারুল করিম। তাঁরা বলেন, এই সমাবেশের মাধ্যমে ঢাকা-১৫ আসনে জামায়াতের নির্বাচনী যাত্রা উৎসবমুখর হলেও তা দৃঢ় প্রত্যয় ও সংগঠিত প্রস্তুতির বার্তা বহন করছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















