০৫:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬
ইসরায়েলে ফিলিস্তিনি নাগরিকদের রক্তাক্ত বাস্তবতা: অপরাধের ঢেউয়ে নিরাপত্তাহীন এক সম্প্রদায় ইরান যুদ্ধের ছায়ায় চাপে ভারতের শেয়ারবাজার, মধ্যপ্রাচ্য নির্ভরতার ঝুঁকি বাড়ছে কবরস্থানের মাটি বরাদ্দে ঘুষের অভিযোগ: ঝালকাঠিতে প্রকল্প কর্মকর্তাকে ঘিরে বিতর্ক সংযুক্ত আরব আমিরাতে শেষ মিশনের আগে পাইলটের আবেগঘন বার্তা নাড়িয়ে দিল দেশ ইরান যুদ্ধ ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের মতপার্থক্য, চাপের মুখে ট্রাম্প ঢাকায় সড়ক নিরাপত্তা সচেতনতা অভিযান জোরদার, দুর্ঘটনা কমাতে জনসচেতনতার আহ্বান বইকে নতুনভাবে ভাবার আহ্বান: ঢাকায় শুরু ‘আনলার্নিং দ্য বুক’ প্রদর্শনী ফ্লাইট বাতিলের ধাক্কা: ইন্ডিগোর প্রধান নির্বাহীর পদত্যাগ পুতিনের ইরান নীতিতে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে হুমকি, প্রয়োজন কঠোর জবাব যুদ্ধের ধাক্কায় বিশ্ব অর্থনীতি চাপে, তেলের দাম বাড়ায় পণ্যের দাম ও প্রবৃদ্ধি নিয়ে বাড়ছে শঙ্কা

আরও বড় ছাঁটাইয়ের পথে অ্যামাজন, কর্পোরেট স্তরে প্রায় ত্রিশ হাজার চাকরি ঝুঁকিতে

বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ই–বাণিজ্য ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অ্যামাজন আবারও বড় ধরনের চাকরি ছাঁটাইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছে। আগামী সপ্তাহেই কর্পোরেট পর্যায়ে নতুন করে হাজার হাজার কর্মী ছাঁটাই শুরু হতে পারে বলে জানা গেছে। অভ্যন্তরীণ সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, এটি হবে গত কয়েক মাসের মধ্যে দ্বিতীয় দফার বড় সিদ্ধান্ত, যার মাধ্যমে মোট প্রায় ত্রিশ হাজার কর্পোরেট কর্মী কমানোর লক্ষ্য নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

কোন কোন বিভাগে প্রভাব পড়বে

সূত্র জানিয়েছে, এবারের ছাঁটাইয়ে অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিসেস, খুচরা ব্যবসা, প্রাইম ভিডিও এবং মানবসম্পদ বিভাগ সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হতে পারে। তবে শেষ মুহূর্তে পরিকল্পনায় পরিবর্তন আসার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। কোম্পানির পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করা হয়নি।

আগের সিদ্ধান্ত ও বর্তমান পরিকল্পনা

গত বছরের অক্টোবরে অ্যামাজন প্রায় চৌদ্দ হাজার কর্পোরেট কর্মী ছাঁটাই করেছিল, যা মোট পরিকল্পিত সংখ্যার প্রায় অর্ধেক। এবার নতুন দফায় প্রায় একই সংখ্যক কর্মী বাদ পড়তে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই ছাঁটাই আগামী মঙ্গলবার থেকেই শুরু হতে পারে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নয়, সংস্কৃতির প্রশ্ন

আগের ছাঁটাইয়ের সময় অ্যামাজন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত অগ্রগতির কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছিল। তবে প্রধান নির্বাহী অ্যান্ডি জ্যাসি পরে বিনিয়োগকারীদের জানান, এই সিদ্ধান্ত মূলত আর্থিক চাপ বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কারণে নয়। তাঁর ভাষায়, সমস্যা হলো প্রতিষ্ঠানের ভেতরের অতিরিক্ত بيرোক্রেসি ও স্তরবিন্যাস, যা কাজের গতি কমিয়ে দিচ্ছে।

কর্মীসংখ্যার বড় চিত্র

অ্যামাজনের মোট কর্মীসংখ্যা প্রায় পনেরো লাখেরও বেশি। এর মধ্যে বড় অংশ কাজ করেন গুদাম ও সরবরাহ কেন্দ্রগুলোতে। তবু কর্পোরেট স্তরে ত্রিশ হাজার কর্মী কমানো মানে এই স্তরের প্রায় দশ শতাংশ কর্মী হারানো। ইতিহাসের দিক থেকেও এটি অ্যামাজনের সবচেয়ে বড় ছাঁটাই হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। এর আগে দুই হাজার বাইশ সালে প্রতিষ্ঠানটি প্রায় সাতাশ হাজার কর্মী ছাঁটাই করেছিল।

কর্মীদের জন্য কী ব্যবস্থা

অক্টোবরে যাঁরা চাকরি হারিয়েছিলেন, তাঁদের নব্বই দিন বেতনসহ তালিকাভুক্ত রাখা হয়েছিল, যাতে তাঁরা অভ্যন্তরীণভাবে নতুন পদে আবেদন বা বাইরে চাকরির খোঁজ নিতে পারেন। সেই সময়সীমা শেষ হচ্ছে আগামী সোমবার। নতুন দফায় একই ধরনের ব্যবস্থাই থাকবে কি না, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত তথ্য নেই।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইসরায়েলে ফিলিস্তিনি নাগরিকদের রক্তাক্ত বাস্তবতা: অপরাধের ঢেউয়ে নিরাপত্তাহীন এক সম্প্রদায়

আরও বড় ছাঁটাইয়ের পথে অ্যামাজন, কর্পোরেট স্তরে প্রায় ত্রিশ হাজার চাকরি ঝুঁকিতে

০৫:০০:২৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ই–বাণিজ্য ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অ্যামাজন আবারও বড় ধরনের চাকরি ছাঁটাইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছে। আগামী সপ্তাহেই কর্পোরেট পর্যায়ে নতুন করে হাজার হাজার কর্মী ছাঁটাই শুরু হতে পারে বলে জানা গেছে। অভ্যন্তরীণ সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, এটি হবে গত কয়েক মাসের মধ্যে দ্বিতীয় দফার বড় সিদ্ধান্ত, যার মাধ্যমে মোট প্রায় ত্রিশ হাজার কর্পোরেট কর্মী কমানোর লক্ষ্য নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

কোন কোন বিভাগে প্রভাব পড়বে

সূত্র জানিয়েছে, এবারের ছাঁটাইয়ে অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিসেস, খুচরা ব্যবসা, প্রাইম ভিডিও এবং মানবসম্পদ বিভাগ সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হতে পারে। তবে শেষ মুহূর্তে পরিকল্পনায় পরিবর্তন আসার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। কোম্পানির পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করা হয়নি।

আগের সিদ্ধান্ত ও বর্তমান পরিকল্পনা

গত বছরের অক্টোবরে অ্যামাজন প্রায় চৌদ্দ হাজার কর্পোরেট কর্মী ছাঁটাই করেছিল, যা মোট পরিকল্পিত সংখ্যার প্রায় অর্ধেক। এবার নতুন দফায় প্রায় একই সংখ্যক কর্মী বাদ পড়তে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই ছাঁটাই আগামী মঙ্গলবার থেকেই শুরু হতে পারে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নয়, সংস্কৃতির প্রশ্ন

আগের ছাঁটাইয়ের সময় অ্যামাজন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত অগ্রগতির কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছিল। তবে প্রধান নির্বাহী অ্যান্ডি জ্যাসি পরে বিনিয়োগকারীদের জানান, এই সিদ্ধান্ত মূলত আর্থিক চাপ বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কারণে নয়। তাঁর ভাষায়, সমস্যা হলো প্রতিষ্ঠানের ভেতরের অতিরিক্ত بيرোক্রেসি ও স্তরবিন্যাস, যা কাজের গতি কমিয়ে দিচ্ছে।

কর্মীসংখ্যার বড় চিত্র

অ্যামাজনের মোট কর্মীসংখ্যা প্রায় পনেরো লাখেরও বেশি। এর মধ্যে বড় অংশ কাজ করেন গুদাম ও সরবরাহ কেন্দ্রগুলোতে। তবু কর্পোরেট স্তরে ত্রিশ হাজার কর্মী কমানো মানে এই স্তরের প্রায় দশ শতাংশ কর্মী হারানো। ইতিহাসের দিক থেকেও এটি অ্যামাজনের সবচেয়ে বড় ছাঁটাই হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। এর আগে দুই হাজার বাইশ সালে প্রতিষ্ঠানটি প্রায় সাতাশ হাজার কর্মী ছাঁটাই করেছিল।

কর্মীদের জন্য কী ব্যবস্থা

অক্টোবরে যাঁরা চাকরি হারিয়েছিলেন, তাঁদের নব্বই দিন বেতনসহ তালিকাভুক্ত রাখা হয়েছিল, যাতে তাঁরা অভ্যন্তরীণভাবে নতুন পদে আবেদন বা বাইরে চাকরির খোঁজ নিতে পারেন। সেই সময়সীমা শেষ হচ্ছে আগামী সোমবার। নতুন দফায় একই ধরনের ব্যবস্থাই থাকবে কি না, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত তথ্য নেই।