০১:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬
ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি: মঙ্গলবার হবে ইরানে ‘বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতুবন্ধন দিবস’, হরমুজ প্রণালী খোলা না হলে বিদ্যুৎকেন্দ্র নষ্টের হুমকি জ্বালানি সংকটে বন্ধ শত শত ট্রলার ও লাইটার জাহাজ, সাগরে মাছ ধরা বন্ধ স্ট্যাফোর্ডে উন্মোচিত অনন্য ‘মিহরাব’: ঐতিহ্য, শিল্প ও কমিউনিটির মিলনে গড়া এক স্থায়ী পরিচয় আগুনের উপর খালি পায়ে হাঁটা! মানবতার জন্য সাহসী উদ্যোগে মুগ্ধ জনতা ওল্ড বেইলিতে বিস্ফোরক মামলায় তরুণের অস্বীকার: কলেজে বোমা হামলার হুমকি ঘিরে তীব্র উদ্বেগ ইরান হামলার পর বদলে গেল যুদ্ধের হিসাব: তাইওয়ান নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র-চীন সংঘাতের নতুন সমীকরণ নেব্রাস্কার ভোটের ময়দানে উদীয়মান স্বাধীন নেতা: শ্রমিকদের কণ্ঠস্বরের প্রতীক ড্যান ওসবর্ন ইলিনয়সের প্রগতি যোদ্ধারা: ডেমোক্র্যাটিক পার্টিতে নতুন যুগের সূচনা ইরানে বিপ্লব থেকে বংশপরিচয়ে শাসন: মোজতবা খামেনির ক্ষমতা অর্জন কি বিপর্যয়ের সূচনা? সোনার স্বর্ণযুগ ধুঁকছে: যুদ্ধের ছায়ায় হারাচ্ছে নিরাপদ আশ্রয়ের খ্যাতি

শেখ হাসিনাকে সরকার উৎখাতের আহ্বানসহ বক্তব্যের সুযোগ, ভারতের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

ভারতের ভূখণ্ড থেকে পলাতক শেখ হাসিনাকে সরকার উৎখাতের আহ্বানসহ প্রকাশ্যে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়ায় বাংলাদেশ সরকার বিস্মিত ও ক্ষুব্ধ বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা। তাঁর মতে, এ ঘটনায় ভারতের ভূমিকা কূটনৈতিক শিষ্টাচার ও পারস্পরিক সম্পর্কের মৌলিক নীতির পরিপন্থী।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, মানবতাবিরোধী অপরাধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দণ্ডিত পলাতক শেখ হাসিনাকে ২৩ জানুয়ারি নয়াদিল্লিতে প্রকাশ্যে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়ায় বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করে পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা বলেন, এ ধরনের সুযোগ দেওয়া বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অগ্রহণযোগ্য হস্তক্ষেপের শামিল।

ওই বক্তব্যে শেখ হাসিনা বাংলাদেশের সরকার উৎখাতের আহ্বান জানান এবং আসন্ন জাতীয় নির্বাচন বানচাল করতে সহিংস কর্মকাণ্ডে উসকানি দেন বলে অভিযোগ করা হয়। সরকারের মতে, এ বক্তব্য বাংলাদেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার জন্য সরাসরি হুমকি।

বাংলাদেশ সরকার একাধিকবার অনুরোধ জানানো সত্ত্বেও দ্বিপক্ষীয় প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী শেখ হাসিনাকে হস্তান্তর না করায় ভারতের ভূমিকা নিয়ে গভীর হতাশা প্রকাশ করা হয়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, এ অবস্থান দুই দেশের পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতার পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও জানায়, ভারতীয় ভূখণ্ড থেকে এ ধরনের বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তর, শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ। এটি রাষ্ট্রগুলোর পারস্পরিক সম্পর্কের মৌলিক নীতির পরিপন্থী এবং ভবিষ্যতে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলেও বিবৃতিতে সতর্ক করা হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি: মঙ্গলবার হবে ইরানে ‘বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতুবন্ধন দিবস’, হরমুজ প্রণালী খোলা না হলে বিদ্যুৎকেন্দ্র নষ্টের হুমকি

শেখ হাসিনাকে সরকার উৎখাতের আহ্বানসহ বক্তব্যের সুযোগ, ভারতের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

০৭:৩৩:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

ভারতের ভূখণ্ড থেকে পলাতক শেখ হাসিনাকে সরকার উৎখাতের আহ্বানসহ প্রকাশ্যে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়ায় বাংলাদেশ সরকার বিস্মিত ও ক্ষুব্ধ বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা। তাঁর মতে, এ ঘটনায় ভারতের ভূমিকা কূটনৈতিক শিষ্টাচার ও পারস্পরিক সম্পর্কের মৌলিক নীতির পরিপন্থী।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, মানবতাবিরোধী অপরাধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দণ্ডিত পলাতক শেখ হাসিনাকে ২৩ জানুয়ারি নয়াদিল্লিতে প্রকাশ্যে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়ায় বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করে পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা বলেন, এ ধরনের সুযোগ দেওয়া বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অগ্রহণযোগ্য হস্তক্ষেপের শামিল।

ওই বক্তব্যে শেখ হাসিনা বাংলাদেশের সরকার উৎখাতের আহ্বান জানান এবং আসন্ন জাতীয় নির্বাচন বানচাল করতে সহিংস কর্মকাণ্ডে উসকানি দেন বলে অভিযোগ করা হয়। সরকারের মতে, এ বক্তব্য বাংলাদেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার জন্য সরাসরি হুমকি।

বাংলাদেশ সরকার একাধিকবার অনুরোধ জানানো সত্ত্বেও দ্বিপক্ষীয় প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী শেখ হাসিনাকে হস্তান্তর না করায় ভারতের ভূমিকা নিয়ে গভীর হতাশা প্রকাশ করা হয়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, এ অবস্থান দুই দেশের পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতার পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও জানায়, ভারতীয় ভূখণ্ড থেকে এ ধরনের বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তর, শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ। এটি রাষ্ট্রগুলোর পারস্পরিক সম্পর্কের মৌলিক নীতির পরিপন্থী এবং ভবিষ্যতে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলেও বিবৃতিতে সতর্ক করা হয়।