১২:০৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০১ জুন ২০২৬
ফেরারির বৈদ্যুতিক গাড়ি ‘লুচে’ ঘিরে বিতর্ক, ভক্তদের ক্ষোভে চাপে কিংবদন্তি ব্র্যান্ড ইলন মাস্কের রাজনীতি নিয়ে বিতর্ক, প্রযুক্তির নায়ক নাকি বিভাজনের মুখ? ট্রাম্পের শরণার্থী নীতিতে অগ্রাধিকার আফ্রিকানারদের, বাদ পড়ছেন অন্যরা ম্যানাম্বেরি সেতু: মাদাগাস্কারের ভ্যানিলা অর্থনীতির নীরব জীবনরেখা কানাডার নতুন নাগরিকত্ব আইনে আগ্রহ বাড়ছে মার্কিনদের, আবেদন অনুমোদনে বড় উল্লম্ফন শাংরি-লা সংলাপে চীনের অনুপস্থিতি ঘিরে প্রশ্ন, এশিয়ার নিরাপত্তা আলোচনায় নতুন বিতর্ক চীনের ‘নতুন সামরিকীকরণ’ অভিযোগ উড়িয়ে দিল জাপান, পাল্টা দ্রুত অস্ত্র সম্প্রসারণের অভিযোগ বেইজিংয়ের বিরুদ্ধে দক্ষিণ কোরিয়ায় ট্যাটুশিল্পীদের দীর্ঘ লড়াইয়ের জয়, তিন দশকের নিষেধাজ্ঞার অবসান অকাস জোটের নতুন পদক্ষেপ: সমুদ্রতলের ড্রোন প্রযুক্তি আনছে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়া ডিজিটাল যুগে ভারতের জনশুমারি: ডাকটিকিট থেকে স্মার্টফোনে দীর্ঘ যাত্রা

শেখ হাসিনাকে সরকার উৎখাতের আহ্বানসহ বক্তব্যের সুযোগ, ভারতের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

ভারতের ভূখণ্ড থেকে পলাতক শেখ হাসিনাকে সরকার উৎখাতের আহ্বানসহ প্রকাশ্যে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়ায় বাংলাদেশ সরকার বিস্মিত ও ক্ষুব্ধ বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা। তাঁর মতে, এ ঘটনায় ভারতের ভূমিকা কূটনৈতিক শিষ্টাচার ও পারস্পরিক সম্পর্কের মৌলিক নীতির পরিপন্থী।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, মানবতাবিরোধী অপরাধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দণ্ডিত পলাতক শেখ হাসিনাকে ২৩ জানুয়ারি নয়াদিল্লিতে প্রকাশ্যে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়ায় বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করে পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা বলেন, এ ধরনের সুযোগ দেওয়া বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অগ্রহণযোগ্য হস্তক্ষেপের শামিল।

ওই বক্তব্যে শেখ হাসিনা বাংলাদেশের সরকার উৎখাতের আহ্বান জানান এবং আসন্ন জাতীয় নির্বাচন বানচাল করতে সহিংস কর্মকাণ্ডে উসকানি দেন বলে অভিযোগ করা হয়। সরকারের মতে, এ বক্তব্য বাংলাদেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার জন্য সরাসরি হুমকি।

বাংলাদেশ সরকার একাধিকবার অনুরোধ জানানো সত্ত্বেও দ্বিপক্ষীয় প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী শেখ হাসিনাকে হস্তান্তর না করায় ভারতের ভূমিকা নিয়ে গভীর হতাশা প্রকাশ করা হয়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, এ অবস্থান দুই দেশের পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতার পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও জানায়, ভারতীয় ভূখণ্ড থেকে এ ধরনের বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তর, শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ। এটি রাষ্ট্রগুলোর পারস্পরিক সম্পর্কের মৌলিক নীতির পরিপন্থী এবং ভবিষ্যতে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলেও বিবৃতিতে সতর্ক করা হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

ফেরারির বৈদ্যুতিক গাড়ি ‘লুচে’ ঘিরে বিতর্ক, ভক্তদের ক্ষোভে চাপে কিংবদন্তি ব্র্যান্ড

শেখ হাসিনাকে সরকার উৎখাতের আহ্বানসহ বক্তব্যের সুযোগ, ভারতের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

০৭:৩৩:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

ভারতের ভূখণ্ড থেকে পলাতক শেখ হাসিনাকে সরকার উৎখাতের আহ্বানসহ প্রকাশ্যে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়ায় বাংলাদেশ সরকার বিস্মিত ও ক্ষুব্ধ বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা। তাঁর মতে, এ ঘটনায় ভারতের ভূমিকা কূটনৈতিক শিষ্টাচার ও পারস্পরিক সম্পর্কের মৌলিক নীতির পরিপন্থী।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, মানবতাবিরোধী অপরাধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দণ্ডিত পলাতক শেখ হাসিনাকে ২৩ জানুয়ারি নয়াদিল্লিতে প্রকাশ্যে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়ায় বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করে পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা বলেন, এ ধরনের সুযোগ দেওয়া বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অগ্রহণযোগ্য হস্তক্ষেপের শামিল।

ওই বক্তব্যে শেখ হাসিনা বাংলাদেশের সরকার উৎখাতের আহ্বান জানান এবং আসন্ন জাতীয় নির্বাচন বানচাল করতে সহিংস কর্মকাণ্ডে উসকানি দেন বলে অভিযোগ করা হয়। সরকারের মতে, এ বক্তব্য বাংলাদেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার জন্য সরাসরি হুমকি।

বাংলাদেশ সরকার একাধিকবার অনুরোধ জানানো সত্ত্বেও দ্বিপক্ষীয় প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী শেখ হাসিনাকে হস্তান্তর না করায় ভারতের ভূমিকা নিয়ে গভীর হতাশা প্রকাশ করা হয়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, এ অবস্থান দুই দেশের পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতার পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও জানায়, ভারতীয় ভূখণ্ড থেকে এ ধরনের বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তর, শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ। এটি রাষ্ট্রগুলোর পারস্পরিক সম্পর্কের মৌলিক নীতির পরিপন্থী এবং ভবিষ্যতে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলেও বিবৃতিতে সতর্ক করা হয়।