০৫:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

অনভিজ্ঞ প্রার্থীদের নিশ্চিত জয়ের দাবি নিয়ে সন্দেহ, নির্বাচন প্রকৌশলের আশঙ্কা মির্জা আব্বাসের

আসন্ন নির্বাচনের আগে কিছু প্রার্থীর অস্বাভাবিক আত্মবিশ্বাস ও নিশ্চিত জয়ের দাবি ঘিরে নির্বাচন প্রকৌশলের আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৮ আসনের দলীয় মনোনীত প্রার্থী মির্জা আব্বাস। তাঁর মতে, যাঁদের এলাকায় কোনো পরিচিতি নেই, ভোটের অভিজ্ঞতা নেই কিংবা স্থানীয় উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততা ছিল না, তাঁরাই এখন প্রকাশ্যে নিজেদের বিজয়ী ঘোষণা করছেন, যা স্বাভাবিক নয়।

নির্বাচন নিয়ে অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে মির্জা আব্বাস বলেন, তিনি ১৯৭৭ সাল থেকে এই এলাকায় নির্বাচন করে আসছেন। এত বছরের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা থাকা সত্ত্বেও কোনো নির্বাচনের আগে কখনোই তিনি নিশ্চিতভাবে জয়ের কথা বলেননি। তাঁর ভাষায়, একজন অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ হিসেবেও আগেভাগে নিশ্চিত জয় দাবি করা সম্ভব নয়।

সোমবার রাজাবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতাল মসজিদে জোহরের নামাজ আদায় শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, যাঁরা কখনো নির্বাচন করেননি, যাঁদের জনগণের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই এবং এলাকায় তেমন পরিচিত নন, তাঁরাই এখন বলছেন যে তাঁরা অবশ্যই জিতবেন। এই অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস তাঁকে সন্দিহান করে তুলছে।

নির্বাচনে কারা জিতবেন, সে বিষয়ে এমন দাবি প্রসঙ্গে সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, যাঁদের জেতার কথা নয়, তাঁরাই যদি আগেই নিজেদের বিজয়ী ঘোষণা করেন, তাহলে সেটি গভীর উদ্বেগের বিষয়। তাঁর আশঙ্কা, এর আড়ালে ভোট কারচুপি বা নির্বাচন প্রকৌশলের কোনো পরিকল্পনা থাকতে পারে।

এ পরিস্থিতিতে তিনি দলের নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। বিশেষ করে ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটের দিন কেন্দ্রগুলো পাহারা দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন, যাতে কোনো ধরনের অনিয়ম বা কারচুপি করা না যায়।

নারী বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর আমিরের সাম্প্রতিক মন্তব্য নিয়ে প্রশ্নের জবাবে মির্জা আব্বাস বলেন, এ ধরনের বক্তব্য নতুন নয়। তাঁর মতে, অতীতেও তিনি এ ধরনের অবমাননাকর মন্তব্য করেছেন। তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট নেতা একসময় অন্য রাজনৈতিক ধারায় যুক্ত ছিলেন এবং পরে জামায়াতে যোগ দেন। দলটিতে যোগ দেওয়ার পর নিজেদের অবস্থান জোরালোভাবে দেখাতেই তাঁরা এমন বক্তব্য দেন বলে মন্তব্য করেন মির্জা আব্বাস।

জামায়াত আমিরের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়ার দাবি নিয়েও বিস্ময় প্রকাশ করেন বিএনপির এই নেতা। তিনি বলেন, এত দ্রুত একটি হ্যাক হওয়া অ্যাকাউন্ট পুনরুদ্ধার হওয়া বিষয়টি তাঁর কাছে আশ্চর্য মনে হয়েছে।

এদিকে বিকেলে মির্জা আব্বাস শাহজাহানপুর আয়কর কলোনি ও আশপাশের বাজার এলাকায় ঘরে ঘরে গিয়ে প্রচার চালান। তিনি বিএনপির নির্বাচনী প্রতীক ধানের শীষে ভোট চেয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন। সন্ধ্যায় শাহজাহানপুর জাহাজ বিল্ডিং রোড এলাকাতেও সভা ও প্রচারণা কার্যক্রম চালান তিনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

অনভিজ্ঞ প্রার্থীদের নিশ্চিত জয়ের দাবি নিয়ে সন্দেহ, নির্বাচন প্রকৌশলের আশঙ্কা মির্জা আব্বাসের

০৯:০২:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আসন্ন নির্বাচনের আগে কিছু প্রার্থীর অস্বাভাবিক আত্মবিশ্বাস ও নিশ্চিত জয়ের দাবি ঘিরে নির্বাচন প্রকৌশলের আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৮ আসনের দলীয় মনোনীত প্রার্থী মির্জা আব্বাস। তাঁর মতে, যাঁদের এলাকায় কোনো পরিচিতি নেই, ভোটের অভিজ্ঞতা নেই কিংবা স্থানীয় উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততা ছিল না, তাঁরাই এখন প্রকাশ্যে নিজেদের বিজয়ী ঘোষণা করছেন, যা স্বাভাবিক নয়।

নির্বাচন নিয়ে অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে মির্জা আব্বাস বলেন, তিনি ১৯৭৭ সাল থেকে এই এলাকায় নির্বাচন করে আসছেন। এত বছরের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা থাকা সত্ত্বেও কোনো নির্বাচনের আগে কখনোই তিনি নিশ্চিতভাবে জয়ের কথা বলেননি। তাঁর ভাষায়, একজন অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ হিসেবেও আগেভাগে নিশ্চিত জয় দাবি করা সম্ভব নয়।

সোমবার রাজাবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতাল মসজিদে জোহরের নামাজ আদায় শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, যাঁরা কখনো নির্বাচন করেননি, যাঁদের জনগণের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই এবং এলাকায় তেমন পরিচিত নন, তাঁরাই এখন বলছেন যে তাঁরা অবশ্যই জিতবেন। এই অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস তাঁকে সন্দিহান করে তুলছে।

নির্বাচনে কারা জিতবেন, সে বিষয়ে এমন দাবি প্রসঙ্গে সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, যাঁদের জেতার কথা নয়, তাঁরাই যদি আগেই নিজেদের বিজয়ী ঘোষণা করেন, তাহলে সেটি গভীর উদ্বেগের বিষয়। তাঁর আশঙ্কা, এর আড়ালে ভোট কারচুপি বা নির্বাচন প্রকৌশলের কোনো পরিকল্পনা থাকতে পারে।

এ পরিস্থিতিতে তিনি দলের নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। বিশেষ করে ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটের দিন কেন্দ্রগুলো পাহারা দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন, যাতে কোনো ধরনের অনিয়ম বা কারচুপি করা না যায়।

নারী বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর আমিরের সাম্প্রতিক মন্তব্য নিয়ে প্রশ্নের জবাবে মির্জা আব্বাস বলেন, এ ধরনের বক্তব্য নতুন নয়। তাঁর মতে, অতীতেও তিনি এ ধরনের অবমাননাকর মন্তব্য করেছেন। তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট নেতা একসময় অন্য রাজনৈতিক ধারায় যুক্ত ছিলেন এবং পরে জামায়াতে যোগ দেন। দলটিতে যোগ দেওয়ার পর নিজেদের অবস্থান জোরালোভাবে দেখাতেই তাঁরা এমন বক্তব্য দেন বলে মন্তব্য করেন মির্জা আব্বাস।

জামায়াত আমিরের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়ার দাবি নিয়েও বিস্ময় প্রকাশ করেন বিএনপির এই নেতা। তিনি বলেন, এত দ্রুত একটি হ্যাক হওয়া অ্যাকাউন্ট পুনরুদ্ধার হওয়া বিষয়টি তাঁর কাছে আশ্চর্য মনে হয়েছে।

এদিকে বিকেলে মির্জা আব্বাস শাহজাহানপুর আয়কর কলোনি ও আশপাশের বাজার এলাকায় ঘরে ঘরে গিয়ে প্রচার চালান। তিনি বিএনপির নির্বাচনী প্রতীক ধানের শীষে ভোট চেয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন। সন্ধ্যায় শাহজাহানপুর জাহাজ বিল্ডিং রোড এলাকাতেও সভা ও প্রচারণা কার্যক্রম চালান তিনি।