১১:১২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে ‘বাণিজ্য যুদ্ধবিরতি’ আরও দীর্ঘ করতে চান শি জ্বালানির দাম বেড়েছে, এবার  বাড়বে নিত্যপণ্যের দাম? ভারতের রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানির শেয়ারে উত্থান, টানা চার দিন কমল অপরিশোধিত তেলের দাম মেরি ক্যাসাট: ইমপ্রেশনিজমের পর যে অধ্যায়ে তৈরি হয় তাঁর সেরা শিল্পকর্ম বাণিজ্যের নতুন পথ, জলবায়ুর পুরোনো বিপদ যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ভিসায় নতুন বাস্তবতা: আর্থিক সক্ষমতার পরীক্ষায় অনিশ্চিত গ্রিন কার্ড পাকিস্তানে পেট্রোল ভর্তুকিতে ৩০০ বিলিয়ন রুপি ব্যয়, লক্ষ্যভিত্তিক সহায়তা নিয়ে প্রশ্ন পটিয়ায় কক্সবাজার এক্সপ্রেসের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকা-চট্টগ্রামের সঙ্গে রেল যোগাযোগ বন্ধ জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় বাসভাড়া বাড়ানোর প্রস্তাব, দূরপাল্লায় ২০ পয়সা ও শহরে ১৮ পয়সা তৃতীয় দেশে নির্বাসন: পানামায় পাঠানো ইরানি খ্রিষ্টানের অনিশ্চিত জীবন

জাবি ছাত্রদল নেতা রনি আর নেই, দগ্ধ হয়ে ঢামেকে মৃত্যু

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের এক নেতার মর্মান্তিক মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে ক্যাম্পাসজুড়ে। দগ্ধ অবস্থায় চিকিৎসাধীন থাকার পর ঢাকার একটি বিশেষায়িত হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন সাইফুল ইসলাম রনি।

দগ্ধ অবস্থায় আইসিইউতে ছিলেন রনি

জানা গেছে, সোমবার সকাল প্রায় দশটার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান রনি। তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী এবং বিশ্ববিদ্যালয় শাখা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নেতা ছিলেন। ঘটনার পর থেকেই তাকে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে রাখা হয়েছিল।

চট্টগ্রামে বিস্ফোরণ: দগ্ধ ১০ জনের পুড়েছে শ্বাসনাল...

পারিবারিক বিরোধ থেকে বিস্ফোরণ

গত ২৭ জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন ইসলামনগর এলাকায় এক পারিবারিক বিরোধের জেরে আবদুস সোবহান রায়হান নিজের বাড়িতে অকটেন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন। সে সময় পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করতে গিয়ে রনিসহ আরও তিনজন মারাত্মকভাবে দগ্ধ হন।

গুরুতর আঘাতে প্রাণহানি

দগ্ধ অবস্থায় রনি, রায়হান, রাহাত ও হাসিনুরকে দ্রুত জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়। চিকিৎসকরা জানান, রনির অবস্থা শুরু থেকেই অত্যন্ত সংকটাপন্ন ছিল। তার শ্বাসনালি পুড়ে যায় এবং হৃদযন্ত্র, কিডনি ও ফুসফুস সহ গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলো কার্যকারিতা হারাতে শুরু করে। শেষ পর্যন্ত চিকিৎসকদের সব চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে মারা যান তিনি।

মারা গেছেন জাবির সেই দগ্ধ শিক্ষার্থী রনি | দৈনিক নয়া দিগন্ত

শোক ও প্রতিক্রিয়া

রনির মৃত্যুতে সহপাঠী, রাজনৈতিক সহকর্মী ও শিক্ষক মহলে গভীর শোক প্রকাশ করা হয়েছে। ক্যাম্পাসে নেমে এসেছে ভারী নীরবতা। এই ঘটনায় আগুনে দগ্ধ হয়ে মৃত্যুর বিষয়টি নতুন করে নিরাপত্তা ও পারিবারিক সহিংসতার ঝুঁকি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে ‘বাণিজ্য যুদ্ধবিরতি’ আরও দীর্ঘ করতে চান শি

জাবি ছাত্রদল নেতা রনি আর নেই, দগ্ধ হয়ে ঢামেকে মৃত্যু

১১:০৫:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের এক নেতার মর্মান্তিক মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে ক্যাম্পাসজুড়ে। দগ্ধ অবস্থায় চিকিৎসাধীন থাকার পর ঢাকার একটি বিশেষায়িত হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন সাইফুল ইসলাম রনি।

দগ্ধ অবস্থায় আইসিইউতে ছিলেন রনি

জানা গেছে, সোমবার সকাল প্রায় দশটার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান রনি। তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী এবং বিশ্ববিদ্যালয় শাখা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নেতা ছিলেন। ঘটনার পর থেকেই তাকে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে রাখা হয়েছিল।

চট্টগ্রামে বিস্ফোরণ: দগ্ধ ১০ জনের পুড়েছে শ্বাসনাল...

পারিবারিক বিরোধ থেকে বিস্ফোরণ

গত ২৭ জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন ইসলামনগর এলাকায় এক পারিবারিক বিরোধের জেরে আবদুস সোবহান রায়হান নিজের বাড়িতে অকটেন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন। সে সময় পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করতে গিয়ে রনিসহ আরও তিনজন মারাত্মকভাবে দগ্ধ হন।

গুরুতর আঘাতে প্রাণহানি

দগ্ধ অবস্থায় রনি, রায়হান, রাহাত ও হাসিনুরকে দ্রুত জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়। চিকিৎসকরা জানান, রনির অবস্থা শুরু থেকেই অত্যন্ত সংকটাপন্ন ছিল। তার শ্বাসনালি পুড়ে যায় এবং হৃদযন্ত্র, কিডনি ও ফুসফুস সহ গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলো কার্যকারিতা হারাতে শুরু করে। শেষ পর্যন্ত চিকিৎসকদের সব চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে মারা যান তিনি।

মারা গেছেন জাবির সেই দগ্ধ শিক্ষার্থী রনি | দৈনিক নয়া দিগন্ত

শোক ও প্রতিক্রিয়া

রনির মৃত্যুতে সহপাঠী, রাজনৈতিক সহকর্মী ও শিক্ষক মহলে গভীর শোক প্রকাশ করা হয়েছে। ক্যাম্পাসে নেমে এসেছে ভারী নীরবতা। এই ঘটনায় আগুনে দগ্ধ হয়ে মৃত্যুর বিষয়টি নতুন করে নিরাপত্তা ও পারিবারিক সহিংসতার ঝুঁকি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।