০৪:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ মে ২০২৬
রাশিয়া থেকে ৫ লাখ টনের বেশি এমওপি সার আমদানি করবে বাংলাদেশ শোলাকিয়ায় ঈদের জামাত সকাল ৯টায়, নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় প্রস্তুত ঐতিহাসিক ঈদগাহ ঢাকায় টানা বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা, ঈদ প্রস্তুতিতে ভোগান্তি বাড়ছে হামে ভয়াবহতা বাড়ছেই, আরও ১০ শিশুর মৃত্যু যুদ্ধ যখন যন্ত্রের গতিতে, রাজনীতি কি তখনও মানুষের থাকবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে মানুষ হওয়ার অর্থ কী ইরানের মহাকাব্য ‘শাহনামা’: যে কাব্য বাঁচিয়ে রেখেছে পারস্যের আত্মা গার্দিওলার বিদায় মঞ্চে মাইকেল জর্ডানের আবেগঘন বার্তা, কেঁদে ফেললেন ম্যানসিটি কোচ চীনের মহাকাশে ইতিহাস, প্রথমবারের মতো হংকংয়ের নারী নভোচারীর যাত্রা আফগানিস্তানে মেয়েদের স্বপ্ন এখন বিয়ের খাঁচায় বন্দি

ধানের শীষে ভোট দিয়ে ‘আমরা পাকিস্তান’—বক্তব্যে নাটোরে তীব্র বিতর্ক

নাটোর-৩ আসনের নির্বাচনী প্রচারে যুবদল নেতার একটি বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়েছে। নির্বাচনী পথসভায় দেওয়া সেই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে।

বিতর্কিত বক্তব্যের সূত্র

নাটোরের সিংড়া উপজেলার শেরকোল এলাকায় বিএনপি প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলাম আনুর নির্বাচনী পথসভায় বক্তব্য দেন উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব আব্দুল মালেক। সেখানে তিনি বলেন, নির্দিষ্ট তারিখে ধানের শীষে ভোট দিয়ে তারা প্রমাণ করে দেবেন ‘আমরা পাকিস্তান’। এ বক্তব্যের ভিডিও দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়।

ধানের শীষে ভোট দিয়ে প্রমাণ করব আমরা পাকিস্তান'

বক্তব্যের ব্যাখ্যা নিয়ে প্রশ্ন

ভাইরাল ভিডিওতে আব্দুল মালেককে আরও বলতে শোনা যায়, শেরকোল ইউনিয়নের দুটি ওয়ার্ডকে অনেকে পাকিস্তানি বলে উল্লেখ করে থাকেন। সেই প্রসঙ্গ টেনে তিনি দলীয় প্রার্থীর প্রতি সমর্থন জানিয়ে উক্ত মন্তব্য করেন। তবে সমালোচনার মুখে তিনি দাবি করেন, বক্তব্য দেওয়ার সময় ভুলক্রমে শব্দটি মুখ থেকে বের হয়ে গেছে এবং এটি ইচ্ছাকৃত ছিল না।

সুশীল সমাজের প্রতিক্রিয়া

সুশাসনের জন্য নাগরিক নাটোর জেলা শাখার এক নেতা বলেন, বক্তব্যটি কোন প্রেক্ষাপটে দেওয়া হয়েছে তা স্পষ্ট করা প্রয়োজন। কেউ বিদ্রূপ করে এলাকাকে পাকিস্তানি বলার প্রতিক্রিয়ায় এমন মন্তব্য করা হয়েছে, নাকি ভিন্ন কোনো উদ্দেশ্য রয়েছে—তা পরিষ্কার হওয়া জরুরি। যদি পাকিস্তানি মতাদর্শ প্রতিষ্ঠার ইঙ্গিত থেকে থাকে, তবে বিষয়টি গুরুতর অপরাধের পর্যায়ে পড়তে পারে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

যুবদলের ৩ নেতা বহিষ্কার

দলের অবস্থান

জেলা যুবদলের সভাপতি জানিয়েছেন, ঘটনাটি তাদের নজরে এসেছে এবং বক্তব্যের প্রেক্ষাপট পর্যালোচনা করা হচ্ছে। দলীয় নীতির পরিপন্থী বা বিতর্কিত কিছু প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট নেতার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

রাশিয়া থেকে ৫ লাখ টনের বেশি এমওপি সার আমদানি করবে বাংলাদেশ

ধানের শীষে ভোট দিয়ে ‘আমরা পাকিস্তান’—বক্তব্যে নাটোরে তীব্র বিতর্ক

০৫:৪২:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নাটোর-৩ আসনের নির্বাচনী প্রচারে যুবদল নেতার একটি বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়েছে। নির্বাচনী পথসভায় দেওয়া সেই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে।

বিতর্কিত বক্তব্যের সূত্র

নাটোরের সিংড়া উপজেলার শেরকোল এলাকায় বিএনপি প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলাম আনুর নির্বাচনী পথসভায় বক্তব্য দেন উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব আব্দুল মালেক। সেখানে তিনি বলেন, নির্দিষ্ট তারিখে ধানের শীষে ভোট দিয়ে তারা প্রমাণ করে দেবেন ‘আমরা পাকিস্তান’। এ বক্তব্যের ভিডিও দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়।

ধানের শীষে ভোট দিয়ে প্রমাণ করব আমরা পাকিস্তান'

বক্তব্যের ব্যাখ্যা নিয়ে প্রশ্ন

ভাইরাল ভিডিওতে আব্দুল মালেককে আরও বলতে শোনা যায়, শেরকোল ইউনিয়নের দুটি ওয়ার্ডকে অনেকে পাকিস্তানি বলে উল্লেখ করে থাকেন। সেই প্রসঙ্গ টেনে তিনি দলীয় প্রার্থীর প্রতি সমর্থন জানিয়ে উক্ত মন্তব্য করেন। তবে সমালোচনার মুখে তিনি দাবি করেন, বক্তব্য দেওয়ার সময় ভুলক্রমে শব্দটি মুখ থেকে বের হয়ে গেছে এবং এটি ইচ্ছাকৃত ছিল না।

সুশীল সমাজের প্রতিক্রিয়া

সুশাসনের জন্য নাগরিক নাটোর জেলা শাখার এক নেতা বলেন, বক্তব্যটি কোন প্রেক্ষাপটে দেওয়া হয়েছে তা স্পষ্ট করা প্রয়োজন। কেউ বিদ্রূপ করে এলাকাকে পাকিস্তানি বলার প্রতিক্রিয়ায় এমন মন্তব্য করা হয়েছে, নাকি ভিন্ন কোনো উদ্দেশ্য রয়েছে—তা পরিষ্কার হওয়া জরুরি। যদি পাকিস্তানি মতাদর্শ প্রতিষ্ঠার ইঙ্গিত থেকে থাকে, তবে বিষয়টি গুরুতর অপরাধের পর্যায়ে পড়তে পারে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

যুবদলের ৩ নেতা বহিষ্কার

দলের অবস্থান

জেলা যুবদলের সভাপতি জানিয়েছেন, ঘটনাটি তাদের নজরে এসেছে এবং বক্তব্যের প্রেক্ষাপট পর্যালোচনা করা হচ্ছে। দলীয় নীতির পরিপন্থী বা বিতর্কিত কিছু প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট নেতার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।