পবিত্র হজ পালন কে সামনে রেখে বিশ্বজুড়ে আগ্রহী মুসল্লিদের জন্য ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ভিসা ইস্যু শুরু করছে সৌদি আরব। দেশটির হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের আগেই এই প্রক্রিয়া চালু করার লক্ষ্য হলো সেবার মান বাড়ানো এবং হাজীদের স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করা।

প্রস্তুতির গতি বাড়িয়ে আগাম সেবা নিশ্চিত
সৌদি কর্তৃপক্ষ বলছে, হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরুর প্রায় চার মাস আগে থেকেই সব ধরনের প্রস্তুতি এগিয়ে নেওয়া হয়েছে। পবিত্র স্থানগুলোতে বিদেশি হাজিদের জন্য শতভাগ সেবার চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে এবং মক্কায় আবাসনের সব ব্যবস্থাও নির্ধারিত প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে চূড়ান্ত করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত প্রায় সাত লাখ পঞ্চাশ হাজার হাজি নিবন্ধন করেছেন, যার মধ্যে নিজ নিজ দেশ থেকে সরাসরি প্যাকেজ নিয়েছেন ত্রিশ হাজারের মতো।
আন্তর্জাতিক হাজিদের জন্য আলাদা ক্যাম্প ও প্রশাসনিক প্রস্তুতি
বিদেশি হাজিদের জন্য পবিত্র স্থান গুলোতে প্রায় চারশ পঁচাশি ক্যাম্প নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি তিয়াত্তরটি হজ বিষয়ক দপ্তর তাদের প্রাথমিক চুক্তি সম্পন্ন করেছে, যা সামগ্রিক ব্যবস্থাপনাকে আরও সুসংগঠিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

পাকিস্তানের প্রস্তুতি ও আগের বছরের অভিজ্ঞতা
পাকিস্তানে সরকারি ব্যবস্থাপনায় এক লাখ উনিশ হাজার এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ষাট হাজার হাজির নিবন্ধন সম্পন্ন হয়েছে বলে দেশটির ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী জানিয়েছেন। সৌদি সময়সূচি মেনে খাদ্য, পরিবহন সহ অন্যান্য সেবার ব্যবস্থাও প্রতিযোগিতামূলক প্রক্রিয়ায় চূড়ান্ত করা হয়েছে। আগের বছরে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক পাকিস্তানি হাজিকে প্রায় সাড়ে তিনশ কোটি রুপি ফেরত দেওয়া হয়েছিল এবং দেশজুড়ে প্রশিক্ষণ কর্মসূচির মাধ্যমে শৃঙ্খলা পূর্ণ হজ ব্যবস্থাপনার উদাহরণ তৈরি হয়।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















