ভারতের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির এক সপ্তাহ পার হতেই মারদানি থ্রি ছবির আয় স্পষ্ট পতনের ইঙ্গিত মিলেছে। প্রথম কয়েক দিনের তুলনায় সপ্তম দিনে ছবিটির সংগ্রহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এসেছে। তবে সামগ্রিক হিসাবে ছবিটি এখনো পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য অঙ্কের আয় ধরে রাখতে পেরেছে, যা নির্মাতাদের জন্য আংশিক স্বস্তির খবর।
প্রথম সপ্তাহের আয়ের চিত্র
মুক্তির দিন ছবিটি প্রায় চার কোটি টাকা আয় দিয়ে যাত্রা শুরু করে। দ্বিতীয় দিনে আয় বেড়ে দাঁড়ায় ছয় কোটির বেশি এবং তৃতীয় দিনে সাত কোটিরও বেশি সংগ্রহ করে ছবিটি শক্ত অবস্থান তৈরি করে। কিন্তু চতুর্থ দিন থেকেই নিম্নমুখী প্রবণতা শুরু হয়। পরবর্তী দিনগুলোতে আয় দুই থেকে আড়াই কোটির ঘরে ঘোরাফেরা করে এবং সপ্তম দিনে নেমে আসে প্রায় এক কোটি পঁচাশি লক্ষ টাকায়। সব মিলিয়ে এক সপ্তাহে ছবিটির মোট সংগ্রহ ছাব্বিশ কোটির কিছু বেশি।

সমালোচনায় যা বলা হচ্ছে
সমালোচকদের মতে, এই কিস্তি আগের অংশগুলোর ধারা পুরোপুরি বদলে দিতে না পারলেও ছবিটির গুরুত্ব অটুট রেখেছে মূল চরিত্রের দৃঢ় উপস্থিতি। নারীর প্রতি সহিংসতা ও শিশুদের বিরুদ্ধে অপরাধের মতো কঠিন বাস্তবতাকে এড়িয়ে না গিয়ে গল্পে তুলে ধরা হয়েছে দায়বদ্ধতার প্রশ্ন। ফলে এটি কেবল চমক তৈরির গল্প নয়, বরং ধারাবাহিক লড়াইয়ের একটি স্মারক হিসেবে ও কাজ করছে।
গল্প ও নির্মাণ প্রসঙ্গ
ছবির কাহিনি এগিয়েছে একাধিক কিশোরী নিখোঁজ হওয়ার রহস্য তদন্তকে ঘিরে। প্রধান চরিত্রের অনুসন্ধানই গল্পের কেন্দ্রে। নির্মাতারা আগের দুই ছবির মতোই সামাজিকভাবে স্পর্শকাতর বিষয়কে সামনে এনেছেন, যা এই ধারাবাহিক চলচ্চিত্রগুলোর স্বাতন্ত্র্য তৈরি করেছে। মানবপাচার থেকে শুরু করে নৃশংস অপরাধী মানসিকতার অনুসন্ধান—প্রতিটি অধ্যায় ই সমাজের অন্ধকার বাস্তবতার দিকে দৃষ্টি ফেরায়। নতুন কিস্তিও সেই ধারাকে বজায় রেখেছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















