১০:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
আমেরিকা ফার্স্ট বৈশ্বিক স্বাস্থ্য কৌশলের মাধ্যমে বুরুন্ডিতে স্বাস্থ্য সহনশীলতা জোরদার টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারত–পাকিস্তান ম্যাচ প্রায় নিশ্চিত সংখ্যালঘু, আদিবাসী ও নারী ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জোরালো ইরান পরমাণু আলোচনা ঘিরে ধৈর্যের পরীক্ষা, সমঝোতা না সংঘাতের পথে বিশ্ব রাজনীতি ভোটের কাউন্টডাউন: মঙ্গলবার সকালে শেষ হচ্ছে নির্বাচনী প্রচার সিলেট-১ আসনে জামায়াত প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিলের দাবি বিএনপির ইসলামাবাদে মসজিদে আত্মঘাতী বিস্ফোরণ, নিরাপত্তা অগ্রগতির মাঝেও নতুন শঙ্কা মুজিব ও জিয়া হত্যাকাণ্ডে জড়িত বহু সেনা কর্মকর্তা মৃত্যুদণ্ড পেয়েছেন: সাবেক সেনাপ্রধান গাইবান্ধার ৬৮০ ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি স্থাপন, উচ্চঝুঁকিপূর্ণ চরে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে ঊর্ধ্বমুখী সমাপ্তি, ডিএসই ও সিএসই সূচকে শক্তিশালী উত্থান

মুক্তির পরই বিরোধী নেতাকে গৃহবন্দি করার উদ্যোগ, ভেনেজুয়েলায় নতুন অনিশ্চয়তা

কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ভেনেজুয়েলার প্রভাবশালী বিরোধী রাজনীতিক হুয়ান পাবলো গুয়ানিপাকে গৃহবন্দি করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সশস্ত্র ব্যক্তিদের দ্বারা তাকে জোরপূর্বক তুলে নেওয়ার অভিযোগ ঘিরে দেশটির রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নতুন করে উত্তেজনা ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

গৃহবন্দি করার আইনি প্রক্রিয়া
দেশটির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আদালতের অনুমোদন নিয়ে গুয়ানিপাকে গৃহবন্দি করার পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। অভিযোগ করা হয়েছে, মুক্তির শর্ত তিনি ভঙ্গ করেছেন, যদিও এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। তাকে পুনরায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে কি না, সে বিষয়েও স্পষ্ট ব্যাখ্যা মেলেনি।

অপহরণের অভিযোগে উত্তেজনা
গুয়ানিপার ছেলে এবং নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী বিরোধী নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদো দাবি করেছেন, সাদা পোশাকে থাকা ভারী অস্ত্রধারী কয়েকজন ব্যক্তি চারটি গাড়িতে এসে তাকে জোর করে তুলে নিয়ে যায়। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও বার্তায় তার ছেলেও একই অভিযোগ তুলে বলেছেন, তার বাবাকে আবার অপহরণ করা হয়েছে।

মুক্তির পর রাজনৈতিক বার্তা
কারাগার থেকে বের হওয়ার পর গুয়ানিপা সমর্থকদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন এবং অন্যান্য রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তির আহ্বান জানান। একই সঙ্গে বর্তমান প্রশাসনকে অবৈধ বলে উল্লেখ করেন। এর আগে আট মাসের বেশি সময় তিনি একটি সন্ত্রাসী ষড়যন্ত্রের অভিযোগে আটক ছিলেন।

রাজনৈতিক চাপ ও সাধারণ ক্ষমার প্রতিশ্রুতি
যুক্তরাষ্ট্রের চাপের মুখে ভেনেজুয়েলা সরকার রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তি এবং সাধারণ ক্ষমা আইনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। তবে সাম্প্রতিক এই ঘটনা সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। বিরোধী দল ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছে, মতবিরোধ দমনে সরকার আটককে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে। যদিও সরকার এ অভিযোগ অস্বীকার করে বলছে, আটক ব্যক্তিরা অপরাধের সঙ্গে জড়িত।

মুক্তির সংখ্যা নিয়ে ভিন্ন তথ্য
সরকার দাবি করেছে, শত শত মানুষ মুক্তি পেয়েছে। তবে নির্দিষ্ট তালিকা বা সময়সূচি প্রকাশ করা হয়নি। মানবাধিকার সংগঠনগুলোর হিসাবে, জানুয়ারির শুরু থেকে কয়েক শ রাজনৈতিক বন্দি মুক্তি পেয়েছেন এবং সাম্প্রতিক মুক্তির মধ্যেও বিরোধী রাজনীতিক ও আইনজীবীরা রয়েছেন। গুয়ানিপাকে কারা নিয়ে গেছে, সে বিষয়েও এখনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

জনপ্রিয় সংবাদ

আমেরিকা ফার্স্ট বৈশ্বিক স্বাস্থ্য কৌশলের মাধ্যমে বুরুন্ডিতে স্বাস্থ্য সহনশীলতা জোরদার

মুক্তির পরই বিরোধী নেতাকে গৃহবন্দি করার উদ্যোগ, ভেনেজুয়েলায় নতুন অনিশ্চয়তা

০৮:৩৪:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ভেনেজুয়েলার প্রভাবশালী বিরোধী রাজনীতিক হুয়ান পাবলো গুয়ানিপাকে গৃহবন্দি করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সশস্ত্র ব্যক্তিদের দ্বারা তাকে জোরপূর্বক তুলে নেওয়ার অভিযোগ ঘিরে দেশটির রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নতুন করে উত্তেজনা ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

গৃহবন্দি করার আইনি প্রক্রিয়া
দেশটির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আদালতের অনুমোদন নিয়ে গুয়ানিপাকে গৃহবন্দি করার পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। অভিযোগ করা হয়েছে, মুক্তির শর্ত তিনি ভঙ্গ করেছেন, যদিও এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। তাকে পুনরায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে কি না, সে বিষয়েও স্পষ্ট ব্যাখ্যা মেলেনি।

অপহরণের অভিযোগে উত্তেজনা
গুয়ানিপার ছেলে এবং নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী বিরোধী নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদো দাবি করেছেন, সাদা পোশাকে থাকা ভারী অস্ত্রধারী কয়েকজন ব্যক্তি চারটি গাড়িতে এসে তাকে জোর করে তুলে নিয়ে যায়। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও বার্তায় তার ছেলেও একই অভিযোগ তুলে বলেছেন, তার বাবাকে আবার অপহরণ করা হয়েছে।

মুক্তির পর রাজনৈতিক বার্তা
কারাগার থেকে বের হওয়ার পর গুয়ানিপা সমর্থকদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন এবং অন্যান্য রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তির আহ্বান জানান। একই সঙ্গে বর্তমান প্রশাসনকে অবৈধ বলে উল্লেখ করেন। এর আগে আট মাসের বেশি সময় তিনি একটি সন্ত্রাসী ষড়যন্ত্রের অভিযোগে আটক ছিলেন।

রাজনৈতিক চাপ ও সাধারণ ক্ষমার প্রতিশ্রুতি
যুক্তরাষ্ট্রের চাপের মুখে ভেনেজুয়েলা সরকার রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তি এবং সাধারণ ক্ষমা আইনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। তবে সাম্প্রতিক এই ঘটনা সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। বিরোধী দল ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছে, মতবিরোধ দমনে সরকার আটককে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে। যদিও সরকার এ অভিযোগ অস্বীকার করে বলছে, আটক ব্যক্তিরা অপরাধের সঙ্গে জড়িত।

মুক্তির সংখ্যা নিয়ে ভিন্ন তথ্য
সরকার দাবি করেছে, শত শত মানুষ মুক্তি পেয়েছে। তবে নির্দিষ্ট তালিকা বা সময়সূচি প্রকাশ করা হয়নি। মানবাধিকার সংগঠনগুলোর হিসাবে, জানুয়ারির শুরু থেকে কয়েক শ রাজনৈতিক বন্দি মুক্তি পেয়েছেন এবং সাম্প্রতিক মুক্তির মধ্যেও বিরোধী রাজনীতিক ও আইনজীবীরা রয়েছেন। গুয়ানিপাকে কারা নিয়ে গেছে, সে বিষয়েও এখনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।