চীনে বুদ্ধিমত্তা ও উদ্ভাবনের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে গরম হয়ে উঠেছে সারা দেশ। চিনে ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি বা আইডিয়া চুরির বিরুদ্ধে কঠোর লড়াই শুরু হয়েছে এবং আদালতগুলোতে মামলা সংখ্যা ক্রমশ বেড়ে চলেছে। সাম্প্রতিকতম সর্বোচ্চ আদালতের আইনি প্রতিবেদনে ২০২৫ সালে চীনের শীর্ষ আদালতের ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি কোর্টে প্রায় পাঁচ হাজার আইনি মামলা নথিভুক্ত হয়েছে, যার প্রায় ১৭ শতাংশের বেশি বিদেশি পক্ষের সঙ্গে সম্পর্কিত ছিল। এসব মামলা প্রযুক্তি, পেটেন্ট, ট্রেডমার্কসহ বিভিন্ন শিল্পে উদ্ভাবন সংরক্ষণ নিয়ে জটিল বাক্যালাপে পরিণত হয়েছে, এবং রায় দেওয়া হচ্ছে দ্রুতভাবেই।
আইডিয়া চুরি এমন এক সমস্যা যা শুধু জায়গাভিত্তিক নয়, আন্তর্জাতিক পর্যায়েও ছড়িয়ে পড়ছে। গত বছর আমেরিকায় চীনা কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে পেটেন্ট ও ট্রেডমার্ক সম্পর্কিত মামলার সংখ্যা লক্ষ্যণীয়ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে এবং বহু চীনা প্রতিষ্ঠান কালেক্টিভ আইপির জন্য হারের পাশাপাশি জয়ও পেয়েছে, যা দেখায় এই লড়াই এখন বৈশ্বিক পর্যায়ে পৌঁছেছে।
চীনের আইনি কাঠামো দ্রুত বদলাচ্ছে এবং আদালতগুলো এখন আইডিয়া চুরির অভিযোগে দণ্ড ও জরিমানা বাড়িয়ে দিচ্ছে। পেটেন্ট ও ট্রেডমার্ক সম্পর্কিত মামলায় শাস্তিমূলক ক্ষতিপূরণ দেওয়ার হার বেড়ে চলেছে, ফলে উদ্ভাবনী প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের আইডিয়া রক্ষায় আরও সক্রিয় হচ্ছে।

চীনের সরকার আইডিয়া ও প্রযুক্তি রক্ষায় পদক্ষেপ নিচ্ছে এবং আদালতগুলো এখন শুধু স্থানীয় নয়, বিদেশি পক্ষের মামলাটিকেও গুরুত্ব দিয়ে দেখছে। আন্তর্জাতিক আইনি লড়াইয়ে চীনের অবস্থান কঠিন হলেও আদালতগুলো উন্নত IP নিয়ম প্রয়োগে ডাটা ও পেটেন্ট রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
সারাক্ষণ প্রতিবেদনে বলা যায়, চীনে আইডিয়া চুরি রোধ আর আইনি লড়াই এখন কেবল এক দেশের নয়, সমগ্র বিশ্বের প্রশ্নে পরিণত হয়েছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















