যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ সম্প্রতি একটি গোপন সামরিক অভিযানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মডেল ‘ক্লড’ ব্যবহার করেছে, যা আন্তর্জাতিক মহলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সামরিক কাজে ব্যবহারকে নতুন মাত্রা দিচ্ছে। এই অভিযান ভেনেজুয়েলার সাবেক প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মারদুরো এবং তার স্ত্রীর গ্রেপ্তারের উদ্দেশ্যে পরিচালিত হয়। অভিযানের সময় ক্যারাকাসের বিভিন্ন স্থানে সামরিক কার্যক্রম চালানো হয়েছিল।
এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে মার্কিন সামরিক বাহিনী মূলত তথ্য বিশ্লেষণ, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের কাজে সহায়তা পেয়েছে। ‘ক্লড’ কেবল সরাসরি যুদ্ধ বা সহিংসতার কাজে ব্যবহার করা যাবে না, এমন নীতিমালা অনুসরণ করে। কোম্পানি এবং পেন্টাগনের অংশীদারিত্বের মাধ্যমে এই মডেল ব্যবহার করা হয়েছে, যা আধুনিক যুদ্ধ প্রযুক্তিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভুমিকা স্পষ্ট করে।

Anthropic-এর প্রধান নির্বাহী দারিও অ্যামোডেই প্রকাশ্যভাবে বলেছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ক্ষমতা ও এর ঝুঁকি সমাজের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, তাই ব্যবহার এবং নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে সতর্কতা প্রয়োজন। পেন্টাগনের মতো সংস্থার সঙ্গে কাজ করার সময় কোম্পানি নীতিমালা মেনে চলতে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কঠোর দায়িত্ব পালন করে। এই চুক্তি প্রায় ২০০ মিলিয়ন ডলারের, যা এআই প্রযুক্তিকে সামরিক ব্যবহারে আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
এই ঘটনা দেখায় যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এখন শুধুমাত্র তথ্য বিশ্লেষণ বা সাধারণ কাজে সীমাবদ্ধ নয়, বরং সামরিক কৌশল, সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণেও ব্যবহার হচ্ছে। তবে এআই ব্যবহার নিয়ে নৈতিকতা, নিরাপত্তা ও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে প্রশ্নও ক্রমেই বাড়ছে। প্রযুক্তি যেমন দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে, তেমনি সমাজ ও প্রশাসনের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জও তৈরি হচ্ছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 





















