ঢাকা থেকে প্রাপ্ত নিমন্ত্রণ বার্তায় বলা হয়েছে, তারেক রহমানের শপথ অনুষ্ঠানে প্রতিবেশী দেশগুলোর সরকার প্রধানদের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বন্ধুবান্ধব দেশগুলোর নেতৃবৃন্দও উপস্থিত থাকবেন। এই তথ্য তারেক রহমানের বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট পার্টি (বিএনপি)-র শীর্ষ নেতাদের আগের ঘোষণা ও আন্তর্জাতিক কূটনীতির সূত্রের সঙ্গে মেলে।
মোদির উপস্থিতি কতটা সম্ভব?
কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ১৭ ফেব্রুয়ারি ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদি ঢাকায় উপস্থিত হওয়ার সম্ভাবনা কম। একই দিনে মুম্বাইয়ে ফরাসি রাষ্ট্রপতি এমানুয়েল মাক্রোঁ-র সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক এবং আন্তর্জাতিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণের কারণে মোদি ব্যস্ত থাকবেন। ভারত শপথ অনুষ্ঠানে কোনো উপরের পর্যায়ের প্রতিনিধি পাঠাতে পারে, সম্ভবত উপ-রাষ্ট্রপতি বা পররাষ্ট্র মন্ত্রী।

দ্বিপাক্ষিক ও আঞ্চলিক কূটনীতি
ভারত চাইছে, বাংলাদেশ সম্পর্ক নতুনভাবে শক্তিশালী করতে হলেও দৃশ্যমানভাবে কোনো তাড়াহুড়ো দেখাবে না। বিশেষ করে অনুষ্ঠানে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীও আমন্ত্রণিত হওয়ায়, ভারত একটি সামঞ্জস্যপূর্ণ অবস্থান রাখতে চায়। এছাড়া, বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার সহযোগিতা সংগঠন সার্ক-এর অধিকাংশ সদস্য দেশ এবং চীন, মালয়েশিয়া, সৌদি আরব, তুরস্কসহ অন্যান্য সখ্য দেশগুলিকেও আমন্ত্রণ পাঠানোর পরিকল্পনা করছে।
নির্বাচনের পর শপথ গ্রহণের আগের দিন তারেক রহমান দেশের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন। ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক সম্পর্কে তিনি বলেছেন, “বাংলাদেশের স্বার্থ ও জনগণের কল্যাণ আমাদের নীতি নির্ধারণ করবে।” তিনি আরও জানান, নতুন সরকার প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সমন্বিত ও সমন্বিত সম্পর্ক বজায় রাখবে এবং কোনো দেশকে বিশেষ প্রাধান্য দেওয়া হবে না।
( হিন্দুস্থান টাইমস অবলম্বনে)
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















