০৪:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
রহস্যের আড়ালে সম্পর্কের বিষ: ‘সোহরাব হান্ডা’য় মুখোশ খোলে ভালোবাসার অন্ধকার দিক দ্বৈত নাগরিকত্ব বিতর্কে রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে এফআইআর নির্দেশ, তদন্তে কেন্দ্রীয় সংস্থার সুযোগ দিল হাইকোর্ট হরমুজ প্রণালী খুলেছে দাবি ইরানের, তবু শঙ্কা কাটেনি—১৩৫ মিলিয়ন ব্যারেল তেল আটকে, বাজারে সতর্ক আশাবাদ কাঁচা বাজারে আগুনের তাপ, সবজির দামে হাঁসফাঁস সাধারণ মানুষ ফিলিপাইনের ধানচাষি: বাড়ছে খরচ, কমছে আয় মার্কিন নেতৃত্বের ভুলে বিশ্ব অর্থনীতিতে উদ্বেগ বাড়ছে হরমুজ প্রণালীতে অনিশ্চয়তা: অনেক জাহাজ এখনও পথ এড়িয়ে চলছে জাপানের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় প্রতিরক্ষা রপ্তানি: অস্ট্রেলিয়াকে উন্নত মোগামি যুদ্ধজাহাজ দিচ্ছে টোকিও ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর মোদি সরকারের প্রথম বড় আইনগত পরাজয় ই-সিগারেট নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলে বড় ঝুঁকি: তরুণদের সুরক্ষায় কঠোর অবস্থান চায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও ইউনিসেফ

বঙ্গবন্ধু’র ৭ মার্চের ভাষণ ও গণতান্ত্রিক সমাজ বির্নিমান

  • Sarakhon Report
  • ০৭:৫১:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মার্চ ২০২৪
  • 150

বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষনে উদার গণতন্ত্রের অত্যন্ত সঠিক একটি সংজ্ঞা দেন। তিনি বলেন, ” যদি কেউ নায্য কথা বলে, আমরা সংখ্যায় বেশি হলেও, একজনও যদি সে হয়, তার ন্যায্য কথা আমরা মেনে নেব।”

১৯৭১ থেকে আজ ২০২৪। বাংলাদেশ ও পৃথিবী’র ওপর দিয়ে অনেক পরিবর্তন বয়ে গেছে। তবে সব পরিবর্তনের পরেও একটি সমাজে সব সময়ই কিছু চিরায়ত ধারা থাকে। যেগুলো সভ্যতার অন্যতম মাতা সাগরের বা নদীর স্রোতধারার মতো। যা সব সময়ই প্রবাহমান রাখা দরকার। তেমনি সভ্যতার অন্যতম স্রোতধারা হলো একটি উদার সমাজ ব্যবস্থা। আর সে সমাজ ব্যবস্থার অন্যতম স্তম্ভ, সত্যকে মেনে নেয়া বা সত্যকে মেনে নিতে সমাজের কোন শক্তি বা রাষ্ট্র যেন কখনই কোন বাধা না হয়। বরং একজনও যদি তার অবস্থানে থেকে কোন সত্যকে উপলব্দি করে- তাহলেও তিনি যেন তা নির্ভয়ে প্রকাশ করতে পারেন। সে প্রকাশের বিরুদ্ধে যেন কোন প্রাচীর না ওঠে।

পৃথিবীর সকল বড় সভ্যতা এমনিভাবে সত্যকে প্রাচীর মুক্ত করার ফলেই বেড়ে উঠেছে। বঙ্গবন্ধু’র ৭ মার্চের ভাষণে বাস্তবে তেমনি একটি সভ্যতার দ্বার উম্মোচন করা বা একটি সভ্যতাকে এগিয়ে নেবার সেই নিশ্চয়তা ও পর্থ নির্দেশ ছিলো। যা বঙ্গবন্ধু একজনের সত্যকে মেজরিটির বিনাবাক্যে মেনে নেবার নিশ্চয়তা’র ভেতর দিয়ে দিয়েছিলেন। তার এ দর্শন থেকে এ সত্যও প্রকাশ হয়, তিনি যে বাংলাদেশ রাষ্ট্র চেয়েছিলেন, সেখানে সত্য’র জন্য কোন প্রাচীর থাকবে না। বরং সভ্যতা বিকাশের সহায়ক হবে রাষ্ট্র ও সমাজ।

আজ ২০২৪ এ নতুন আরেকটি প্রজম্ম যখন ৫৪ বছর পরে এই ৭ মার্চ পালন করছে, তখন তাদের সামনে রাষ্ট্র বিপ্লব নয়, তাদরে সামনে এসে দাঁড়িয়েছে বাঙালির চিরায়ত সহজিয়া সভ্যতাকে এগিয়ে নেবার দায়ভার বা সে পথে হাঁটা। আর তেমন একটি সমাজ গড়া। যে সমাজ ছাড়া বাস্তবে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র’র সবটুকু রশ্মি’র বিকিরণ হয় না।

তাই আজ ৭ মার্চের গুরত্ব ১৯৭১এ কি ছিলো তার থেকে বড়- ওই দর্শনের ওপর ভিত্তি করে বাঙালি কতটা উদার ও সহজিয়া সভ্যতা ও রাষ্ট্র গড়তে পারবে সেটাই। আর সে পথে যিনি যত বেশি আন্তরিকাতার সঙ্গে হাঁটবেন তিনিই  তত বেশি  ৭ মার্চের ভাষনের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্র ও সমাজের যে দর্শন সেদিন প্রকাশ হয়েছিলো তার প্রতি প্রকৃত নিষ্ঠাবান হবেন

জনপ্রিয় সংবাদ

রহস্যের আড়ালে সম্পর্কের বিষ: ‘সোহরাব হান্ডা’য় মুখোশ খোলে ভালোবাসার অন্ধকার দিক

বঙ্গবন্ধু’র ৭ মার্চের ভাষণ ও গণতান্ত্রিক সমাজ বির্নিমান

০৭:৫১:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মার্চ ২০২৪

বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষনে উদার গণতন্ত্রের অত্যন্ত সঠিক একটি সংজ্ঞা দেন। তিনি বলেন, ” যদি কেউ নায্য কথা বলে, আমরা সংখ্যায় বেশি হলেও, একজনও যদি সে হয়, তার ন্যায্য কথা আমরা মেনে নেব।”

১৯৭১ থেকে আজ ২০২৪। বাংলাদেশ ও পৃথিবী’র ওপর দিয়ে অনেক পরিবর্তন বয়ে গেছে। তবে সব পরিবর্তনের পরেও একটি সমাজে সব সময়ই কিছু চিরায়ত ধারা থাকে। যেগুলো সভ্যতার অন্যতম মাতা সাগরের বা নদীর স্রোতধারার মতো। যা সব সময়ই প্রবাহমান রাখা দরকার। তেমনি সভ্যতার অন্যতম স্রোতধারা হলো একটি উদার সমাজ ব্যবস্থা। আর সে সমাজ ব্যবস্থার অন্যতম স্তম্ভ, সত্যকে মেনে নেয়া বা সত্যকে মেনে নিতে সমাজের কোন শক্তি বা রাষ্ট্র যেন কখনই কোন বাধা না হয়। বরং একজনও যদি তার অবস্থানে থেকে কোন সত্যকে উপলব্দি করে- তাহলেও তিনি যেন তা নির্ভয়ে প্রকাশ করতে পারেন। সে প্রকাশের বিরুদ্ধে যেন কোন প্রাচীর না ওঠে।

পৃথিবীর সকল বড় সভ্যতা এমনিভাবে সত্যকে প্রাচীর মুক্ত করার ফলেই বেড়ে উঠেছে। বঙ্গবন্ধু’র ৭ মার্চের ভাষণে বাস্তবে তেমনি একটি সভ্যতার দ্বার উম্মোচন করা বা একটি সভ্যতাকে এগিয়ে নেবার সেই নিশ্চয়তা ও পর্থ নির্দেশ ছিলো। যা বঙ্গবন্ধু একজনের সত্যকে মেজরিটির বিনাবাক্যে মেনে নেবার নিশ্চয়তা’র ভেতর দিয়ে দিয়েছিলেন। তার এ দর্শন থেকে এ সত্যও প্রকাশ হয়, তিনি যে বাংলাদেশ রাষ্ট্র চেয়েছিলেন, সেখানে সত্য’র জন্য কোন প্রাচীর থাকবে না। বরং সভ্যতা বিকাশের সহায়ক হবে রাষ্ট্র ও সমাজ।

আজ ২০২৪ এ নতুন আরেকটি প্রজম্ম যখন ৫৪ বছর পরে এই ৭ মার্চ পালন করছে, তখন তাদের সামনে রাষ্ট্র বিপ্লব নয়, তাদরে সামনে এসে দাঁড়িয়েছে বাঙালির চিরায়ত সহজিয়া সভ্যতাকে এগিয়ে নেবার দায়ভার বা সে পথে হাঁটা। আর তেমন একটি সমাজ গড়া। যে সমাজ ছাড়া বাস্তবে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র’র সবটুকু রশ্মি’র বিকিরণ হয় না।

তাই আজ ৭ মার্চের গুরত্ব ১৯৭১এ কি ছিলো তার থেকে বড়- ওই দর্শনের ওপর ভিত্তি করে বাঙালি কতটা উদার ও সহজিয়া সভ্যতা ও রাষ্ট্র গড়তে পারবে সেটাই। আর সে পথে যিনি যত বেশি আন্তরিকাতার সঙ্গে হাঁটবেন তিনিই  তত বেশি  ৭ মার্চের ভাষনের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্র ও সমাজের যে দর্শন সেদিন প্রকাশ হয়েছিলো তার প্রতি প্রকৃত নিষ্ঠাবান হবেন