জাতীয় নাগরিক পার্টির উত্তরবঙ্গের মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম জানিয়েছেন, যদি বিএনপি সংবিধান সংস্কার পরিষদে শপথ গ্রহণ না করে, তবে আগামী পাঁচ বছর ক্ষমতায় থাকা তাদের জন্য কঠিন হয়ে যাবে। তিনি আরও বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদের শপথ না নেওয়া বিষয়ে মন্তব্যকে বাংলাদেশের গণরায় ও গণভোটকে অবমূল্যায়ন হিসেবে দেখা উচিত। একই ধরনের বক্তব্য যদি বিএনপি প্রকাশ করে, তাহলে জনগণের আস্থা তাদের প্রতি কমে যাবে।
শনিবার বিকেলে আশুলিয়ার বগাবাড়িতে নির্বাচন-পরবর্তী সাংগঠনিক গতিশীলতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে আয়োজিত সভায় অংশগ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে সারজিস আলম এসব মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, যদি বলা হয় শপথ নেওয়া সংবিধানে নেই, তবে ২০২৬ সালের নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসাও সংবিধানের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ হবে না। একইভাবে, জুলাইয়ের অভ্যুত্থান সংবিধানে স্বীকৃত নয়, এবং সেই প্রেক্ষাপটে ঘটে যাওয়া ঘটনাও সংবিধান অনুসারে বৈধ নয়।

সারজিস আলম উল্লেখ করেন, নির্বাচনের আগে উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হিসেবে প্রত্যেক আসনের প্রার্থীর সঙ্গে দেখা করা উচিত ছিল। বিশেষ করে যেখানে এনসিপি প্রার্থী রয়েছে, সেই আসনগুলোতে নেতাকর্মীদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করা প্রয়োজন ছিল। তবে নিজে প্রার্থী হওয়ায় তিনি তা করতে পারেননি। নির্বাচনে নেতাকর্মীরা দিনরাত পরিশ্রম করেছে, তাদের সঙ্গে দেখা করা গুরুত্বপূর্ণ।
সাংগঠনিক সভায় ঢাকা-১৯ আসন থেকে জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেওয়া জামায়াত সমর্থিত ১১ দলীয় জোটের সংসদ সদস্য প্রার্থী দিলশানা পারুলসহ এনসিপির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















